Warning: Creating default object from empty value in i18ntaxonomy_term_page() (line 34 of /var/www/sachalayatan/s6/sites/all/modules/i18n/i18ntaxonomy/i18ntaxonomy.pages.inc).

সববয়সী

বঙ্গবন্ধুর ফেরার আগেই তিরিশ লক্ষের সংবাদগুলি

শেহাব এর ছবি
লিখেছেন শেহাব (তারিখ: সোম, ০১/১২/২০১৪ - ১১:০৬অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

ডিসক্লেইমার:
এই নিউজক্লিপগুলি ত্রিশ লক্ষের পরিসংখ্যান নিয়ে একাডেমিক রিসার্চের বিকল্প নয়। আমাদের মুক্তিযুদ্ধের শহীদের পরিসংখ্যান নিয়ে এখন পর্যন্ত কোন পূর্ণাঙ্গ একাডেমিক গবেষণা হয় নি। যতদিন হবে না এটি কি ত্রিশ লক্ষ, নাকি আরো কম, নাকি আরো বেশি এ নিয়ে কখনও জোর গলায় কথা বলা যাবে না।


নতুন বোতলে পুরাতন মদ - কোডারট্রাস্ট

সাফি এর ছবি
লিখেছেন সাফি (তারিখ: সোম, ০১/১২/২০১৪ - ৫:০৯পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

কোডারট্রাস্ট বাংলাদেশ সংগঠনটা সম্পর্কে আমি সবার প্রথমে জানতে পারি লাইকজীবি আরিফ আর হোসেন এর কাছ থেকে। প্রথমে দেখি আরিফ সাহেব কী বলেন -

"‘আপনার এম্বিশান... আপনার স্বপ্নই’ হবে আপনার কলেটারাল বা স্টেইক
‘আপনার মেধাই’ হবে আপনার পুঁজি


বাংলার তরু-লতা-গুল্ম-৩৯ : প্যাটেঙ্গা

আব্দুল গাফফার রনি এর ছবি
লিখেছেন আব্দুল গাফফার রনি [অতিথি] (তারিখ: শনি, ২৯/১১/২০১৪ - ৭:১৭অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:


ভেরেণ্ডকচাকে বাঁশের কঞ্চি দিয়ে শক্ত করে বেঁধে তৈরি হয় আটোসাটো বেড়া। তবুও মাঝে মাঝে ফোঁকর থেকে যায়। সেটা সাময়িক। এক মাসের মধ্যেই নানা রকম বুনোলতা উঠে ঠাঁস বুনোটের মতো আষ্টেপৃষ্ঠে বেঁধে ফেলে কচার বেড়াটাকে। নানা জাতের বুনোলতা। বেশির ভগের নাম জানি না, কিন্তু চিনি সব। কুমারিলতা, গুলষ্ণ, প্যাটেঙ্গার মতো অতিপরিচিত লতা ও যোগ দেয় সেই বুনোলতার মিছিলে। যখন ফুলে-ফলে শোভিত হয় এসব বুনোলতা, তখন সেই মেঠো বেড়ার কাছে কোথায় লাগে বাহারী উদ্যানের সৌন্দর্য।


কম্পিউটার প্রোগ্রামিং – পথভ্রষ্ট এক কবির স্বপ্ন

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: শনি, ২৯/১১/২০১৪ - ৭:১২অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

মাঝে মাঝে যা শুনি, কিংবা যা পড়ি, তাতে মনে হয় কবি প্রজাতিটি বড়ই অদ্ভুত। ছোটবেলাতেও গুরুজনেরা হরহামেশাই কবিদের ব্যাপারে আমাদের সাবধান করে দিতেন। “বাড়ির উঠতি বয়সের ছেলেটা কিংবা মেয়েটা কবিতা লিখা শুরু করেছে”- খবরটা যেমন ভয়াবহ কোন প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের মত একটি পরিবারে আছড়ে পড়তে পারতো, তেমনি “কোন এক এলেবেলে কবির সাথে ডানপিটেটা ইদানিং ঘোরাঘুরি করছে”- এ খবরটাও “ইবোলা” আতঙ্কের তীব্রতায় আঘাত হানতে প


পৌনঃপুনিক

তিথীডোর এর ছবি
লিখেছেন তিথীডোর (তারিখ: শুক্র, ২৮/১১/২০১৪ - ১:৩৭অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

থ্যাঙ্কসগিভিঙের ছুটি চলছে। শেষ হলেই ফাইনাল।
এ ক'দিন সব চুদুরবুদুর বাদ দিয়ে দরজা আটকে পড়ে পাশনম্বর তোলার কসম খেয়েছিলাম, লাভ হয়েছে ডাইনোসরের ডিম।
ভাবলাম দু লাইন লিখি। এই আর কী।

____________________________________________________

[justify]
সাড়ে এগারটা বাজে।
বারবার ঘড়ির দিকে চোখ চলে যাচ্ছে। বারটায় ক্লাস শেষ, মানে আমার ছুটি। ইস্কুলেরও। মানে আমি যেখানে পড়াই।


আয়নাতে ওই মুখ দেখবে/দেখবো যখন

শেহাব এর ছবি
লিখেছেন শেহাব (তারিখ: বিষ্যুদ, ২৭/১১/২০১৪ - ৯:০৬অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

কয়েকদিন আগে আমার আলমা ম্যাটার শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মারামারিতে শহরের অন্য একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন ছাত্রলীগ সদস্য মারা গেছে। এখন যেহেতু সবার হাতে হাতে ক্যামেরা ওয়ালা মোবাইল ফোন আছে কিভাবে কিভাবে যেন ক্যাম্পাসের কিছু মানুষ ওই সময়কার কিছু ছবি তুলে ফেলেছে এবং কয়েক দিন পরে [url=https://www.facebook.com/groups/sustian/permalink/1018076638217801/]আমাদের বিশ্


রমনা কালী মন্দির:ঢাকার ইতিহাসের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বিষ্যুদ, ২৭/১১/২০১৪ - ৫:৩৪অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:


১৯৬৭ সালে তোলা মন্দিরের একটি রঙ্গিন ছবিঃ বাংলাদেশ ওল্ড ফটো আর্কাইভ নামক ফেসবুক গ্রুপ থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে


প্রাইভেট মেডিকেল কলেজ ক্লিনিকঃ কাঁঠালের আমসত্ত্ব!

নির্ঝর অলয় এর ছবি
লিখেছেন নির্ঝর অলয় [অতিথি] (তারিখ: বুধ, ২৬/১১/২০১৪ - ১০:১১অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নাম আমরা সবাই শুনেছি। কিন্তু মেডিকেল কলেজ ক্লিনিক কথাটা কি কেউ শুনেছেন?


পুলিশি হয়রানির ক্ষেত্রে কি করবেন?

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বুধ, ২৬/১১/২০১৪ - ১০:১০অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

গবেষণার কাজে এই ক'দিন আগেই পোস্ট করেছিলাম "পুলিশের সমস্যা কি" এরকম একটা প্রশ্ন- ফেসবুক পেজে এবং আমার ব্যক্তিগত প্রোফাইলে। মোটামুটি দুই জায়গা মিলিয়ে হাজার খানেক উত্তর পেয়েছি।অনেকেই তাঁদের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার কথা বলেছেন , যেগুলো পড়ে এই বাহিনীর একজন সদস্য হিসেবে খুব কষ্ট অনুভব করেছি।নিজেকে ভুক্তভোগীর জায়গায় কল্পনা করে গা শিউরে উঠেছে। কাজেই, একজন পুলিশ অফিসার হিসেবে এধরণের পরিস্থিতিতে কি করবেন সেটি জা


আলোহীন জোনাকি

আব্দুল গাফফার রনি এর ছবি
লিখেছেন আব্দুল গাফফার রনি [অতিথি] (তারিখ: শনি, ২২/১১/২০১৪ - ৬:৪৯অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:


সন্ধ্যা হলেই হারিকেন জ্বেলে পড়তে যেতাম বিশু স্যারের বাড়ি। হিন্দু পাড়া। ধূপ-ধুনোর গন্ধে মন ভরে যেত। শাঁখের পুঁউ-উ-উ...ধ্বনি চিরতরের জন্য নস্টালজিক এক ছবি এঁকে দিয়েছিল মানসপটে। ধীরে ধীরে সন্ধ্যা ঘনাত। দিনের শেষ কর্মচাঞ্চল্যের ভেতর দিয়ে নেমে আসত রাতের অন্ধকার। কিছুক্ষণ পর গোল আয়নার মতো পুর্ণ চাঁদ অন্ধকারকে হটিয়ে গড়ত মায়ময় এক জগৎ। স্যারের বাড়ির সামনের দিকটা বুনো জঙ্গলে ঠাঁসা। ভাট-আশশেওড়ার দঙ্গলে আটকে যেত পলায়নরত অন্ধকার। কিন্তু তাতেও কি রেহায় আছে! জঙ্গলে জমে থাকা অন্ধকারকে হটাতে শুরু হত জোনাকির অভিযান। কাজলা দিদি পড়তাম আর বার বার তাকাতাম ওদিকে। সত্যিই থোকায় থোকায় জোনাক জ্বলছে!