অনেক অনেক কাল আগের কথা!

কুলদা রায়
এমএমআর জালাল
ঠাকুরবাড়ির জমিদারি শুরু------------------
প্রথম দিন একসাথে ছয় জায়গায় ঘুরতে অনেক ভাল লাগছিল কিন্তু ব্যাপারটা ছিল অনেক সুস্বাদু খাবার খেয়ে বদ হজম হওয়ার মতো, পায়ের এতো খারাপ অবস্থা হলো যে মনে হচ্ছিল এখনি অস্ত্রপাচার করতে হবে।যাই হোক পা টা কে অনেক মালিশ টালিশ করে আমরা দ্বিতীয় দিনের সফরে বের হলাম।গন্তব্য Musee de Louvre(লুভর যাদুঘর)।
এমাসের প্রথম দিকে আমি আর আমার বর ছোটখাটো এক আমেরিকা ভ্রমনে যাই। টিভিতে একটা শো হয় "দি এমেইজিং রেইস" নামে যা আপনারা অনেকেই নিশ্চয়ই দেখেছেন। আমাদের আমেরিকা ভ্রমন অনেকটা তেমনই ছিল। মোট ১০ দিনে আমরা আমেরিকার ৩ স্টেট এর ৭টি শহর বেড়িয়েছি, বলা যায় প্রতিদিনই এক জায়গা থেকে আরেক জায়গা যেতে হয়েছে, সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে সব করতে হয়েছে, কত কি ঘটেছে। এসব ঘটনাগুলো এখনে শেয়ার করছি।
[i]
ইউনুস খান হাতটা এমনভাবে মুশফিকুর রহিমের কাঁধে রাখলেন যেন বড় ভাই সাহস দিল ছোট ভাইকে। একটু পর ট্রফি উন্মোচন পর্বে মিসবাহ-উল-হকের পাশেও আকৃতি-শরীরী ভাষায় ছোট ভাইয়ের মতো লাগল মুশফিককে।
[justify]আজ এক নিতান্তই ব্যর্থ মানুষের গল্প বলব। না ভুল বললাম, ব্যর্থতা তো আমাদের সবারই আছে, এ বরং এমন একজনের কথা, যে আমাদের চারপাশের সবজন থেকে কিছুটা আলাদা। এই একজন রহিম-করিম-আব্দুল-জব্বার-রাম-শ্যাম-যদু-মধু যে কেউ হতে পারে। হতে পারে আজকে সিএনজি পাওয়ার সময় যে লোকটাকে দৌড়ে পিছে ফেলে আপনি প্রথম হয়েছেন সেই লোক, বা সেই লোক যে কিনা আজকে আপনার চোখের সামনে বাসে খকখক করে কাশছিল অথবা সেই লোক যে কিনা বা
লেখক: -মুহিত হাসান দিগন্ত
এক. ধান ভানতে শিবের গীত...খানিক ব্যক্তিগত প্রারম্ভিক :
এটা একশ ভাগ ঠিক যে— আমাকে কোনোভাবেই একজন নিয়মিত ব্লগার বলা যাবে না, তবু গত জুলাই মাস জুড়ে ভিকারুননিসা নুন স্কুলের যুগপৎ সাহসী এবং প্রতিবাদী ছাত্রীদের নিপীড়ন বিরোধী আন্দোলনের সময় বিভিন্ন ব্লগসাইটে ও ফেসবুকে যেসব লেখাপত্তর চলছিলো- তার বেশিরভাগই পড়তাম।

কুলদা রায়
এমএমআর জালাল
অষ্টম পর্ব
কুশারী থেকে ঠাকুর : ঠাকুর থেকে টেগোর ----------------------
পর্ব ৯
আগের পর্বগুলো পড়ুন এখানে
[justify]‘তাহলে তো মিটেই গেল। কাল চলিস জাদুঘরের মহাপরিচালকের কাছে। আমার পরিচিত উনি। গুপ্তধন উদ্ধার ডাল-ভাত তাঁর জন্য’, নিরীহ একটা ভঙ্গি করে ততোধিক নিরীহ পরিকল্পনা পেশ করল চন্দন। ঝাঁঝিয়ে উঠল অর্ণব সঙ্গে সঙ্গে। ‘হ্যাঁ ততক্ষণে জগলুল পাশা গুপ্তধন হাতড়ে হাতিয়ায় বসে থাক!’,
১৯৮৩ সালে শিল্পী ফকির আলমগীর আমার অটোগ্রাফের খাতায় লিখে দিয়েছিলেন,
ইতিহাস বাউলের মতো ক্ষমাশীল নয়।
খাতাটা হারিয়ে গেছে, অটোগ্রাফ শিকারের নেশাও ফুরিয়ে গেছে। কিন্তু সেদিনের সেই কথাটা আজও হঠাৎ হঠাৎ করেই মনে জেগে ওঠে। এটাই আসলেই বাস্তবতা।