Warning: Creating default object from empty value in i18ntaxonomy_term_page() (line 34 of /var/www/sachalayatan/s6/sites/all/modules/i18n/i18ntaxonomy/i18ntaxonomy.pages.inc).

সববয়সী

বিজ্ঞানের ভাষা সার্বজনীন! আমাদের প্রয়োজন ‘বিজ্ঞান শেখা’ ‘বিজ্ঞানের ভাষা শেখা’ নয়।

মাহমুদ.জেনেভা এর ছবি
লিখেছেন মাহমুদ.জেনেভা [অতিথি] (তারিখ: মঙ্গল, ২৯/১১/২০১১ - ১:২০পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify]জেনেভা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফ্রেঞ্চ ল্যাঙ্গুয়েজ ক্লাসে বেশ কয়জন বিদেশি ছাত্রছাত্রীর সাথে গল্প হল কাল [২৭.১১.২০১১] এদের অনেকেই নাম করা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে । প্রথমে ভেবেছিলাম ওরা সোশাল সায়েন্স কিংবা পলিটিক্যাল সায়েন্স পড়তে এসেছে এক সেমিস্টারের জন্য। কফি খেতে খেতে ব্রায়ান নামে একজনের সাথে গল্প হল। সে যা বলল তা হচ্ছে [url=http://www.nobelprize.org/nobel_prizes/medicine/laureates/1957/bovet-bio...


পারী ১

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: সোম, ২৮/১১/২০১১ - ৮:৩৩অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

স্কুলে অথবা কলেজ়ে পড়ার সময় কোন ক্লাসে যেন অন্নদাশঙ্কর রায় এর লেখা প্রবন্ধ পড়ে প্যারিস এর প্রতি একটা টান জন্মে গিয়েছিল।এত সুন্দর বর্ণনা ছিল যে মনে হচ্ছিল চোখের সামনে সব দেখতে পাচ্ছি।চিন্তা করতাম কবে যাব সেখানে,রাস্তা ধরে ঘুরে বেড়াব, ক্যাফেটেরিয়াতে বসে আড্ডা দিব!


ছুটির দিনে ইউং এর সাথে

বন্দনা এর ছবি
লিখেছেন বন্দনা [অতিথি] (তারিখ: সোম, ২৮/১১/২০১১ - ১২:৫৭অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify]সক্কালবেলায় এসেই আমার ল্যাব-মেট আমাকে বলে বসলো, ‘কি ব্যাপার তুমি কি মুসলিম হয়ে গেলা হঠাৎ করে’। আমি তো ওর কথা শুনে যারপরনাই আকাশ থেকে পড়লাম। তারপর নিজের পরিধেয় বস্ত্রের দিকে তাকিয়ে আমার হুশ হোল, মনে মনে বললাম ও আচ্ছা। কথা বলবো কি বলবোনা এই দ্বিধা কাটিয়ে উঠে একটু ভয়ে ভয়েই খোনা গলায় সকালের প্রথম বাক্যটা বলে ফেললাম। আমার এহেন কণ্ঠ শুনে ইউং বেচারি যারপরনাই চমকে উঠে লাফ দিতে বা


প্রসাধনী আয়নাঃ ধারাবাহিক উপন্যাস

জহিরুল ইসলাম নাদিম এর ছবি
লিখেছেন জহিরুল ইসলাম নাদিম [অতিথি] (তারিখ: রবি, ২৭/১১/২০১১ - ৫:৩৯অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

পর্ব ৮
আগের পর্ব

[justify]কাজটায় দারুণ মজা পাচ্ছে মিথুন। যন্ত্রটা চোখের সামনে আনা মাত্রই লাফিয়ে চলে আসছে সব চোখের নাগালে!


জ্যামজট

নীড় সন্ধানী এর ছবি
লিখেছেন নীড় সন্ধানী (তারিখ: রবি, ২৭/১১/২০১১ - ২:৫৭অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

বদ ঝামেলায় পড়া গেল দেখি। অফিসের গাড়ি নেই আজ, তিনজনে আধ কিমি হেঁটে ইপিজেডের মোড়ে আসলাম টেক্সির খোঁজে। ছুটির পর এমনিতেই জ্যাম থাকে এখানে। কিন্তু আজ মনে হচ্ছে যানজটের গনতান্ত্রিক মচ্ছব। শত শত গাড়ি, বাস-ট্রাক-ট্রেলার-রিকশা-টেক্সি-কার-মাইক্রো একটার পাছায় আরেকটা যে যার মতো গিট্টু লাগিয়ে স্টার্ট বন্ধ করে বসে আছে। ট্রাফিক পুলিশ কোথাও পালিয়েছে। হাজারে হাজারে মানুষ হেঁটে যাচ্ছে।


হঠাৎ সাটার ডাওন

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: রবি, ২৭/১১/২০১১ - ১১:০০পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

সিলেচে চা বাগানে ঘুড়তে ঘুরতে হঠাৎ সাটার ডা্ওন


রবীন্দ্রনাথের জমিদারগিরি—জমিদারের রবীন্দ্রগিরি : সপ্তম পর্ব

কুলদা রায় এর ছবি
লিখেছেন কুলদা রায় [অতিথি] (তারিখ: শনি, ২৬/১১/২০১১ - ১১:৪৮অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

কুলদা রায়
এমএমআর জালাল

সপ্তম পর্ব

বাংলায় বামুন----------------------------------------------------------------------------

কুলদা রায়

এমএমআর জালাল


বর্ধমান মহাবীর ও জৈনধর্ম

প্রৌঢ় ভাবনা এর ছবি
লিখেছেন প্রৌঢ় ভাবনা [অতিথি] (তারিখ: শনি, ২৬/১১/২০১১ - ১১:১৭পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[b]ধর্মপ্রচার নয়, বিভিন্ন ধর্মমত সম্পর্কে যৎসামান্য জানার প্রচেষ্টা মাত্র

ঐতিহাসিক কালে জৈন ধর্মকে প্রাচীনতম ধর্মমতগুলির অন্যতম বলা যেতে পারে। জৈনমতে চব্বিশ জন তীর্থঙ্কর পর্যায়ক্রমে এই ধর্মমত প্রচার করেছিলেন।


ডুবে যাচ্ছে বুয়েট, ডুববে বাংলাদেশ ; জাগো বাহে কুনঠে সবায়

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: শনি, ২৬/১১/২০১১ - ৩:১৩পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

নুরুল একদিন ডাক দিয়েছিলেন , জেগে উঠেছিলো এদেশবাসী অন্যায়ের বিরুদ্ধে। প্রিয় পাঠকগণ বাংলাদেশের সামনে আরেক মহা বিপর্যয় উপস্তিত। সেই ১৮৮৫ সালে সামান্য সার্ভে স্কুল থেকে কলেজ অতঃপর বিশ্ববিদ্যালয় বর্তমানের বুয়েট। এতদ অঞ্চলের মুসলিমদের তথা বাঙ্গালি মুসলিমের প্রযুক্তি শিক্ষার প্রাণকেন্দ্র এই বুয়েট। স্বাধীন দেশে তা পরিণত হয়েছে প্রযুক্তিখাতে শেষ ভরসাস্থল। সামান্য বিল্ডিং ভাংগা থেকে শুরু করে ফ্লাইওভারের ফাটল, সিমেন্টের মান যাচাই থেকে শুরু করে বর্জ্যব্যসস্থাপনা সবক্ষেত্রেই কাজের কাজী বুয়েট তথা বুয়েটিয়ানরা।


মন খারাপের একটি দিন

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: শনি, ২৬/১১/২০১১ - ১:২০পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

১. চাকুরীতে জয়েন করার পর মাঝে মাঝে কেন্টিন অথবা ট্রাম স্টপেজে একজন পাকিস্হানি বিভিন্ন সময় হাই-হ্যালো বলতো। ধীরে ধীরে কি ধরনের কাজ করি, কোথায় থাকি, এইসব ব্লা ব্লা'র উত্তরে শুধু হু, হ্যা করেই পাশ কাটাতাম। পরবর্তিতে জানলাম ও একই কোম্পানীতে প্রায় ১৫/১৬ বছর থেকেই আছে। আমাকে বিভিন্ন সময় জার্মানী ছেড়ে ইউ.কে তে একই কোম্পানীর অন্য ব্রাঞ্চে জয়েন করতে বলতো। যা যা করার সবই উনি করবেন। আমিও যতোটুকু সম্ভব এড়িয়ে যেতে চাইতাম। একদিন ইউ.কে থেকে মেইলের উত্তর প্রিন্ট করে এসে দিয়ে বল্লেন, তুমি যদি যেতে চাও ওরা তোমাকে ঐ ব্রাঞ্চে নিতে প্রস্তুত। এবার না বলে পারলাম না যে, আমি আপাতত এখানেই ক্যারিয়ার গড়বো। উনি ক্ষ্যান্ত দিলেন। গতবছর চারসপ্তাহের ছুটি কাটিয়ে এসে মেইল চেক করতে গিয়ে ইউনিট ম্যানেজারের একটা মেইল পড়ে পুরো থ। লোকটা মারা গিয়েছে। মার্কেটিং ডিপার্টমেন্টের ছিলো তাই দেখা হতো খুবই কম। বয়স তো খুব বেশী ছিলো না।