একবার ঠিক হলো পরদিন টিফিনে একটা খুচরো চড়ুইভাতির মতন ব্যাপার হবে, কে কে কী কী আনবে ঠিক করে নেওয়া হলো। আলুকাবলি বানানো হবে। সবাইই আনবে গোটা আলুসেদ্ধ, কেউ নিলো কুচানো পেঁয়াজ, ধনিয়াপাতাকুচি আর কাঁচালঙ্কার দায়িত্ব, কেউ ভিজানো ছোলা, কেউ চানাচুর, ঝুরিভাজা, পাপড়িচাট। আর অবশ্য করে একজনকে বলে দেওয়া হলো বড় ঢাকনাওলা খালি টিফিনবাক্স আনতে, সেটা না হলে হবে না। ওটার মধ্যেই সব মিলিয়ে আসল বস্তুটি বানানো হবে কিনা।
জামাতের সব টাকা মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসে - এই প্রচলিত মিথ এর দিন এখন আর নেই।
বহুদিন নিস্তব্ধতায় কেটেছে তার নিয়নের রাতগুলি, মেঘের সকাল সমূহ। নিটোল পুকুরের কালো কৈ মাছের ডাঙ্গায় ভ্রমণের ছটফটানিতে তার সারা গোধূলী অস্থির হয়েছে অসংখ্যবার। এই সব অস্থিরতার আড়ালে বেঁচে থাকার আকুলতা কখনো কখনো ফিরে এসেছে, কখনো জীবন্মৃত্যুর জটিলতার ড্রয়ারে তালাবদ্ধ রাখতে হয়েছে সূর্যালোকের প্রেমপ্রার্থী অবান্তর ইচ্ছেগুলোকে। অন্ধকারে একটি উজ্জ্বল ঘরের জন্ম হয়েছে গোপনে গোপনে। কিছু কৌতুহলী ফুল ও তাদের সব
নাচুঁনে বুড়ি আমি আগেই ছিলাম। বহু কষ্টে নিজেকে গৃহবন্দী করে রেখেছিলাম গত ৪টা বছর। কিন্তু তারেক অণু-র ঢোলের বাড়িতে আর সাম্লাতে পারলাম না নিজেকে। তাই তেহজীব যখন বলল যে বলেন কই যাবেন, সব খরচ আমার তখন আর না করতে পারলাম না। অনেক বার ঠিক করার পরেও বিরিশিরি যাওয়া হয়ে উঠেনি এর আগে। তাই গত ১ ডিসেম্বর ২০১১ সকাল বেলা রওনা হয়ে গেলাম ক্যামেরা হাতে। এটি সেই এলোমেলো ভ্রমণেরই গল্প।
০১.
পড়ছিলাম ঋতুপর্ণঘোষের সাক্ষাৎকার। কবেকার জানি না। অনেক আগের হয়তো। কথা বলছিলেন তার বিজ্ঞাপন ও ছবি বানানোর নানা অনুষঙ্গ নিয়ে। ছবিতে রং-এর ব্যবহার নিয়েও বললেন অল্প-স্বল্প। একজায়গায় জানালেন নিজের ছবিকে “ঋতুপর্ণ ঘোষের ছবি” বলে বিজ্ঞাপিত করার অনাগ্রহের কথা। বললেন, বায়ান্ন জনের ছবি কখনো ঋতুপর্ণের একার ছবি হতে পারে না। আর এক জায়গায় ক্যামেরার সামনে কখনো কাজ করবেন কী না প্রশ্নের উত্তরে স্ট্রেইট এবং খুব কনফিডেন্টলি বললেন, “না”।
ধর্মপ্রচার নয়, বিভিন্ন ধর্মমত সম্পর্কে যৎসামান্য জানার প্রচেষ্টা মাত্র।
পারসীক ধর্মের আদি নাম 'মজদা য়স্ন'।
কুলদা রায়
এমএমআর জালাল
রামমোহন রায় : ঠাকুরদের বদলে দেওয়ার মানুষ------------------
রাজা রামমোহন রায়ের সঙ্গে দ্বারকানাথের পরিচয় ঘটে ১৮১৫ সালে। এই পরিচয় ঠাকুরপরিবারের জন্য একটি বদলে যাওয়ার ঘটনা।