পর্ব ৭
[b][center]প্রসাধনী আয়না
মিটিয়ে তো দিতে পারে
কারো কারো বায়না।
[ বিবর্তন তত্বটি সম্পর্কে বিভিন্ন পর্বে ধাপে ধাপে একটি সাধারণ ধারণা দেওয়ার চেষ্টা করবো, এটি সময়সাধ্য ও পরিশ্রমের কাজ| প্রচুর তথ্য প্রয়োজন এবং সাধারণ বাংলায় প্রকাশ করা কষ্টসাধ্য| লেখাতে বিজ্ঞানীদের নাম ও কিছু অংশ অবিকৃত রাখার জন্য ইংরেজীতেই দেওয়া হলো, এটি সূচনা মাত্র| বিভিন্ন পর্বে আলাদা আলাদা বিষয় নিয়ে সাধারণ আলোকপাত করার ক্ষুদ্র চেষ্টা করবো| সকল ধরনের আলোচনা-সমালোচনা আন্তরিক ভাবে আহব্বান করছি| নত
[i]“প্রথম শট- রাশান এক গ্রাম, তার সীমানাতেই স্তেপের দিগন্ত ছোঁয়া প্রান্তর চিরে সুদূরপানে চলে গেছে এক মেঠোপথ, তার মুখে দাড়িয়ে আছেন এক মধ্যবয়সী রমণী, চোখে উদভ্রান্ত দৃষ্টি, বোবা চোখ দুটো মেলে দাঁড়িয়ে আছেন তিনি অন্তহীন অপেক্ষায়, নেপথ্য থেকে রুশী ভাষায় শুরু হয় ঘটনার ধারাবর্ণনা- জননী দাড়িয়ে আছেন তার সৈনিক ছেলের অপেক্ষায়, যে গেছে পিতৃভূমি রক্ষার মহান ব্রত নিয়ে এই গ্রাম থেকে অনেক অনেক দূরে দ
স্মিতহাস্য সক্রেটিস পুত্রবৎ বন্ধুদের কহিলেন -
“ প্রজ্ঞার অন্বেষণে, চষিয়াছি জ্ঞানী জনে;
দেখিলাম কাহারো অজ্ঞেয় কিছু নাই,
যখনই জানিতে চাই
কি আছে অজানা আর কিবা অজ্ঞেয়,
তাহা জানেনা কেহ।”
অতঃপর ক্ষণকাল নির্বাক রহিলেন।
নিষ্পলক চক্ষুদ্বয়, চাহনি সুদূর,
কহিলেন - “কিছুই হইলোনা জানা,
জ্ঞান সসীম নহে অসীম সমুদ্দুর,
আমি তাহাতে মাত্র ক্ষুদ্র বালুকণা”।
হেমলকে মরে নাই প্রজ্ঞা, ঢের বিকশিত
ধর্মপ্রচার নয়, বিভিন্ন ধর্মমত সম্পর্কে যৎসামান্য জানার প্রচেষ্টা মাত্র।
ধর্মসার- (১) লাও-ৎসু ও 'তাও'
http://www.sachalayatan.com/guest_writer/42052
ধর্মসার- (১) লাও-ৎসু ও 'তাও' এর বাকি অংশ
http://www.sachalayatan.com/guest_writer/42111
কনফুসিয়াস ও তাঁর ধর্ম
আগামী ৩ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবসকে সামনে রেখে দেশ ব্যাপী বিভিন্ন শিক্ষাঙ্গনে সচেতনতা ও “সার্বজনীন প্রবেশগম্যতা” (Universal Accessibility) নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্টমহলকে উদ্যোগ নিতে সপ্তাহব্যাপী গণস্বাক্ষর সংগ্রহের আয়োজন করছে বি-স্ক্যান (পরিবর্তনের চেতনায় নিবেদিত প্রাণ-একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন)।
বাস থেকে নেমে প্যান্টের পেছনের পকেটে হাত দিয়েই টের পেল, নেই।
থাকার কথাও না। চিড়ে চ্যাপটা ভিড়ে জনসমক্ষে মানিব্যাগ খুলে ভাড়া দিয়েছে। ভাড়া মেটানোর পরপরই গেছে বোধহয়। মানিব্যাগে পাঁচশো টাকার আটটা নোট ছিল, কিছু খুচরো দশ-বিশ-পঞ্চাশ টাকার নোট, কিছু টুকরো মলিন কাগজ, লন্ড্রির স্লিপ, কয়টা আধময়লা ভিজিটিং কার্ড এবং সিনে ম্যাগাজিন থেকে কেটে রাখা মডেল জয়ার ছবি।

কুলদা রায়
এমএমআর জালাল
(আগের পর্বগুলোর লিংক এখানে পাবেন )
------------------------------------------------------------------------------------------------------
বাবুরাম সাপুড়ে
কোথা যাস বাপুরে।।
একটা চিঠি লিখতে ভীষণ ইচ্ছে করে।
আট প্রহরের কান্না-হাসির শব্দে সুরে,
কাঠপাথুরে শহরতলীর বৃষ্টি,রোদে,ধোঁয়ায়,ধুলোয়,
সাদায়-কালোয়,
আলোয় কিংবা অন্ধকারে ...
একটা চিঠি লিখতে ভীষণ ইচ্ছে করে।
সেই চিঠিটা পৌছে যাবে তোর জানালায় -
যখন আমার ধূসর আকাশ লাটাই বিহীন একটা সাদা ঘুড়ির শোকে নীল হয়ে যায়,
যখন আমার পাতার মত সবুজ বুকে কয়েক বিন্দু আষাঢ়-শ্রাবণ,
যখন আমার একটা দু'টো বিষণ্ণতার আলতো কাঁপন -