শৈশবে অঙ্কন বিষয়ে আমাকে প্রথম যেদিন গ্রামের ছবি আঁকতে দেয়া হল, আমি হাজির হলাম আমার বড় বোনের কাছে। আপু তখন ম্যাট্রিক পরীক্ষা দিচ্ছেন, ব্যাবহারিক খাতায় বেশ কিছু কারিশমা দেখিয়ে আমাদের তাক লাগিয়ে দিয়েছেন! আপু প্রথমে যেটা আঁকালেন সেটা একটা কুঁড়ে ঘর, তার উপরে কলা গাছের পাতা এসে পড়েছে, পাশে একটা খড়ের গাদা! এরপরে সেটা নকল করার জন্য আমি উঠেপড়ে লাগলাম!
প্রাইমারী স্কুলে পড়ার সময় পৃথিবীর দুর্গম সব স্থানে দুঃসাহসী অভিযাত্রীদের সাড়া জাগানো ভ্রমণকাহিনী নিয়ে সংকলিত মনমুগ্ধকর এক বই আমাদের পারিবারিক পাঠাগারে স্থান পায়, এতদিন পড়ে সেই চমৎকার বইটির নাম আর খেয়াল নেই, কিন্তু প্রথম অধ্যায়টির নাম মনে হলে এখনো মনের অজান্তেই শিহরণ বোধ করি ‘দুধের মত দেশের খোঁজে’। গ্রীনল্যান্ড আর তার উত্তরে হাজার হাজার মাইল বিস্তৃত দুধ সাদা প্রান্তর নিয়ে মনকাড়া বর্ণনা, আর সেই বিস্তীর্ণ প্রান্তরের কেন্দ্রবিন্দুতে আছে চির রহস্যে মোড়া, শত শত বছর ধরে অ্যাডভেঞ্চারপিপাসুদের আকর্ষণ ভৌগোলিক উত্তর মেরু। সেই প্রথম সুমেরু, আর্কটিক তুন্দ্রা, সেখানকার প্রাণিজগৎ আর অধিবাসীদের সাথে পরিচয়।
ভুলে ভরা ধূলাসংসারে আঁট করে রাখা থাকতো কাজ আর কাজ, অকাজগুলোও সারি সারি। পালাক্রমে চলতে থাকতো আলাপ বিলাপ প্রলাপ। ঠাসবুনোট সময়, একেবারেই ফাঁকা ছিলো না কোথাও। তবু কোন গহীন পথে ঢুকে পড়তো স্বপ্ন, স্বপ্নেরা। কোথায় তাদের গোপনকুঠি? কেউ জানতো না।

এই মিশনটার হয়তো হওয়ারই কথা ছিলো না। এপ্রিলে বাজেটে নাসার জন্য বরাদ্দ পাওয়ার পরে অর্থনৈতিক বাধাটি দূর হয়। যাত্রা শুরুর দিনটিতে আবহাওয়া খুবই প্রতিকূল, ৩০% সম্ভাবনা সফল উড্ডয়নের।
খানিক আগেই এবড়ো-থেবড়ো লাল ধুলোর রাস্তা ছেড়ে মসৃণ কালো পীচ ঢালা পথে উঠেছি, প্রচণ্ড রৌদ্রে সহযাত্রীরা সবাই অস্থির হয়ে উঠলেও ভাল রাস্তার কারণে বাহনের গতি খানিকটা বৃদ্ধি পাওয়ায় সবাই খুশী, এমন সময় বলা নেই- কওয়া নেই বেমাক্কা ধা করে এক সজোর ব্রেক চেপে দাড়িয়ে পড়ল আমাদের চার চাকার গাড়ী! ঘটনা কি ?
৬ই জুলাইয়ের হরতাল এ যখন সবার দৃষ্টি জয়নুল আবেদিন ফারুক আর এডিপি হারুনের উপর, আমার মনে উকি দেয় আরো অনেক প্রশ্ন আর অজান্তেই একটা দীর্ঘশ্বাস বের হয়ে আসে | ফারুকের উপর নির্যাতন কোনো নতুন ঘটনা নয় - আওয়ামী লীগের এমপি নাসিরের উপরও এমনি নির্যাতন করা হয়েছিল| এডিপি হারুন ও নতুন নন - ডিসি কহিনুর কম বিখ্যাত ছিলেন না| এ সবি একসময় আস্তে আস্তে ম্লান হয়ে যাবে, এডিপি হারুন একদিন এমপি হবেন, জ আ ফারুক আবার সংসদ এ গি
ভোররাতের মৃদু নরম আলোর বন্যায় ভাসছে ভূমধ্যসাগর, অদূরেই চিক চিক করে জানান দিচ্ছে এর সুবিশাল অস্তিত্ব, এর কোলে গড়ে ওঠা সুপ্রাচীন এথেন্স নগরীর বুকে দাড়িয়ে আমি বঙ্গসন্তান অপেক্ষা করছি সূর্যদেবতা অ্যাপোলোর ঘোড়ায় টানা রথে করে অগ্নিপিণ্ড সূর্যগোলকের আবির্ভাবের। এথেন্স, আধুনিক সভ্যতার জন্মক্ষেত্র, ইতিহাস এখানকার আকাশে-বাতাসে, প্রতি কোণে কোণে। জ্ঞান-বিজ্ঞানের সূতিকাগার, কলার উম্মেষ, দর্শনের আবির্ভাব
যাদের মফস্বল অথবা গ্রামের সাথে যোগাযোগ আছে, তাদের কাছে জোনাকী "পোকা" খুবই পরিচিত, জ্বলে-নিভে, নিভে-জ্বলে। একটা সময় এই জোনাকী পোকার পিছনে কত যে দৌড়াইছি, তার কোন ইয়ত্তা নাই। কোনমতে একটাকে ধরতে পারলেই হল। হাতের মুঠি বন্ধ করে আটকে রাখতাম (হাতে মুঠি বন্ধ করে ভিতরে কিছু ফাকা জায়গা তৈরী করা যায়), আর আংগুলের ফাক দিয়ে আলো দেখতাম, অন্যদের কেও দেখাতাম আর মনে মনে নিজেকে বাহাদুর ভাবতাম (আমি কতই না তেলেসমতি জান
সচলে নিয়মিতই আসি বেশ অনেকদিন ধরে। সব প্রকাশনাও মোটামুটি পড়া। এখানকার রথী-মহারথীদেরও বেশ ভালোই চেনা আছে সেই সূত্রে
।
বাংলা ব্লগগুলোর ভেতর সচলই আমার সবচে' প্রিয়। যদিও কোন লেখা লিখিনি আজ পর্যন্ত, মন্তব্যও করিনি কোথাও। আজই প্রথম লিখতে বসলাম। লেখা বললে ভুল হবে, আসলে একটা গান পোস্ট করতেই আজ বসা।
[i]কোথা থেকে শুরু করি অর্ফিউস আর ইউরিডাইসের গল্প? কেবলই মান্ডুর বাজবাহাদুর আর রূপমতীকে মনে পড়িয়ে দিচ্ছে যে! বাজবাহাদুর তারা-ঝমঝম আকাশের তলা দিয়ে রূপমতীর প্রাসাদের দিকে আসছে আর আসছে, কিছুতেই আর পথ ফুরায় না। ঠিক তখনই নিজের প্রাসাদের ছাদের উপরে বসে রূপমতী মধ্যরাতের রাগিণীতে আকাশেবাতাসে ছড়িয়ে দিচ্ছে আকুলতা। ওরা দু'জনেই জানতো বিরহই আসল মিলন, ফুরায় না ফুরায় না ফুরায় না।