Warning: Creating default object from empty value in i18ntaxonomy_term_page() (line 34 of /var/www/sachalayatan/s6/sites/all/modules/i18n/i18ntaxonomy/i18ntaxonomy.pages.inc).

সববয়সী

ভরদুপুরে ঘড়ি সমাচার

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: সোম, ১৫/০৮/২০১৬ - ১০:১৮পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

সিটে বসার কিছুক্ষণের মধ্যেই চোখজোড়া ঘুমের ভারে প্রায় লেগেই যাচ্ছিল। এমন সময় সামনের সিটে রাখা হাতের দিকে নজরটা যায়। বিশেষ করে ঘড়ির দিকে। অবাক হয়ে লক্ষ্য করলাম, সেটা নষ্ট।


যায় বেলা অবেলায়

ষষ্ঠ পাণ্ডব এর ছবি
লিখেছেন ষষ্ঠ পাণ্ডব (তারিখ: শনি, ১৩/০৮/২০১৬ - ৩:৫৬অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

ফরমালিন বা বরফ দেয়া ছাড়া মাছ যেমন দিনে দিনে পঁচে যায় তেমন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে প্রতিদিন নানা বিষয় উত্তপ্ত আলোচনা-সমালোচনা হয়ে হারিয়ে যায়। শ্রেণী বা গোষ্ঠী স্বার্থকে স্পর্শ করে যায় এমন বিষয়গুলো ব্যপ্তি ও গভীরতা বিচারে সপ্তাহ থেকে মাস পর্যন্ত সব ধরনের মিডিয়াতে টিকে থাকে। এরপর নতুন ইস্যু এসে পুরনোগুলোকে চাপা দিয়ে যায়।


স্বপ্নবড়ি

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: শুক্র, ১২/০৮/২০১৬ - ৪:১৩পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

এটা একটা ঘুমে পাওয়া গল্প; স্বপ্নে পাওয়া বলবনা কারণ সেরাতে ঘুম আর স্বপ্নের মাঝে আমি একটা রেলপথ বিছানো রাস্তা দেখেছিলাম, চারিদিকে পাথর ঘেরা। এই রেলপথে যে ট্রেনটা চলে সেটা দেখতে অনেকটা শাহবাগের শিশু পার্কের দু’পাশ খোলা ট্রেনের মত যাতে লম্বা প্লাস্টিকের বেঞ্চ বসানো থাকে। আমি দেখলাম যে স্বপ্নের ট্রেনের জন্য আমি অপেক্ষা করছি প্ল্যাটফর্মে। ট্রেন ছাড়ার সময় পার হয়ে গেছে বেশ অনেক্ষণ কিন্তু ট্রেনের দেখা নেই


মোক্ষ, নির্বাণ ও মাতৃগর্ভ : দ্বিতীয় পর্ব

সোহেল ইমাম এর ছবি
লিখেছেন সোহেল ইমাম [অতিথি] (তারিখ: শুক্র, ০৫/০৮/২০১৬ - ১১:০৪অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

কঠোর কৃচ্ছ্র সাধনা দিয়েই আরম্ভ হয়েছিল গৌতমবুদ্ধের আধ্যাত্মিক লক্ষ্য অর্জনের পথ চলা। রাজকুমারের জীবনের বিত্ত-সম্পদ আর আরাম-আয়েশ ত্যাগ করে মাত্র ২৯ বছর বয়সেই সংসার ছেড়ে সন্ন্যাস নেন তিনি। কঠোর কৃচ্ছ্র সাধনার সময় গৌতমবুদ্ধ সাত দিন পর একদিন, পরে পনেরদিন পর একদিন এভাবে খাদ্য গ্রহন করতেন। যা খেতেন তাও এমন কিছু নয়। কখনও ফেলে দেওয়া পশুর চামড়ায় লেগে থাকা মাংস, হাঁড়ির তলার পোড়া ভাত, কিছুই না পেলে গোবর। কখনও


প্রসঙ্গ জঙ্গীবাদঃ আমাদের ছেলেমেয়েগুলো হারিয়ে যাচ্ছে কেন?

ইশতিয়াক রউফ এর ছবি
লিখেছেন ইশতিয়াক রউফ (তারিখ: বিষ্যুদ, ০৪/০৮/২০১৬ - ১২:৩৪পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[ জঙ্গীবাদের মতো এত অচেনা এবং ভয়াবহ সমস্যা সমাধানের জন্য অনেক স্পর্শকাতর বিষয় নিয়ে আলোচনা প্রয়োজন। একের পর জঙ্গী আক্রমণের পর সেই উপলব্ধি থেকেই এই সিরিজের অবতারণা। নিজের মতামত দিয়েই শুরু হোক, পাঠক মন্তব্যে আলোচনা চালানো যাবে। ]


রিলিভ দ্যা পিপল অব বাংলাদেশ

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: সোম, ০১/০৮/২০১৬ - ৮:৪৩অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

তাঁদের প্রথম দেখা লন্ডনে এক বন্ধুর বাড়িতে। তেইশ বছরের তরুণ "দ্যা বিটলসের" গিটারিস্ট জর্জ হ্যারিসনের তখন তুঙ্গস্পর্শী জনপ্রিয়তা। প্রথম দিনের আলাপে ছেচল্লিশ বছরের রবিশঙ্কর লাজুক এবং নিরহংকার হ্যারিসনে মুগ্ধ হয়েছিলেন। লন্ডন থেকে সামান্য দূরে ছিল জর্জ হ্যারিসনের বাংলো। তবলাবাদক আল্লা রাখাকে নিয়ে রবিশঙ্কর সেতার শেখাতে তাঁর সে বাড়িতে গিয়েছিলেন। তাঁদের দ্বিতীয় এ সাক্ষাতে জন লেনন আর রিংগো স্টারও ছি


শিরোনামহীন

ত্রিমাত্রিক কবি এর ছবি
লিখেছেন ত্রিমাত্রিক কবি (তারিখ: শুক্র, ২৯/০৭/২০১৬ - ৭:১১অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

ব্যস্ত শহরের মধ্যে হুট করে একটা নির্জন রাস্তা আর সারি সারি নাম জানা বৃক্ষের নির্বাক দেয়াল। রাস্তার সংক্রামক নির্জনতা প্রতিদিন নিয়ম করে রাত নিয়ে আসে পৃথিবীতে। তখন সমস্ত শহর সেই রাস্তার মতো নির্জন। রাতজাগা নিয়ন বাতি আর স্পিডলিমিট অতিক্রম করে চলে যাওয়া দুই একটা মোটরকারের পদশব্দ শহরের সবুজকে আরেকটু নির্জন করে, মানবিক করে। হাঁটতে হাঁটতে একটু দূরে গেলেই কোনো অলৌকিক রাস্তার পাশে পার্ক করা সারি সারি গাড়ি।


মোক্ষ, নির্বাণ ও মাতৃগর্ভ : প্রথম পর্ব

সোহেল ইমাম এর ছবি
লিখেছেন সোহেল ইমাম [অতিথি] (তারিখ: মঙ্গল, ২৬/০৭/২০১৬ - ১২:৪৭পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আমাদের আধ্যাত্মিক সাধনার ইতিহাস বলে মানুষ মাত্রই আধ্যাত্মিকতার বীজ নিয়েই এ পৃথিবীতে আসে। তাই হয়তো আমরা বারবার ঈশ্বরের দিকে ঘুরে যাই, ঈশ্বরকেই খুঁজি। প্রবলভাবে ঈশ্বরের অসীম সত্ত্বার মধ্যেই নিজের অস্তিত্ব মিলিয়ে দিতে চাই। ভাবা হয় যার মধ্যে এই বীজ অঙ্কুরিত হতে পেলোনা, পুষ্টি পেলোনা তার জীবন অর্থহীনতায় তলিয়ে যাবেই। কখনও আবার ঈশ্বর নয় আধ্যাত্মিক সাধনার সর্বোচ্চ স্তরটিকে মোক্ষ বা নির্বাণ বলে অভিহিত করা


চিঠিযুগ

মূর্তালা রামাত এর ছবি
লিখেছেন মূর্তালা রামাত (তারিখ: রবি, ২৪/০৭/২০১৬ - ৬:১৫অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আমি তোমার কাছের মানুষ হবো।

এত্তো কাছে, মনে হবে বাড়ির পিছে
সরিষা ক্ষেত, মৃদু নদী- জলের সারস
অতীতে তার কোল ঘেঁষা পথ-

মনে হবে লতানো লাউ, জানলা খুলে
হাত বাড়ালেই পাখি পাখি গাছের ছায়া,
ঘাসের ঘাড়ে হেলেঞ্চাতে শুকনো পাতায়
মুখ ডোবানো রোদের আরাম-

উঠোন ভরা শাকসব্জি, পুঁইয়ের মাচা
পাটির ওপর ছড়িয়ে দেয়া চালতা আচার
মনে হবে, নিজেরই সব- বুনো ফুলের
ছোট্ট বাগান- কপাল থেকে চুল সরানোর