Warning: Creating default object from empty value in i18ntaxonomy_term_page() (line 34 of /var/www/sachalayatan/s6/sites/all/modules/i18n/i18ntaxonomy/i18ntaxonomy.pages.inc).

সববয়সী

পাঠ প্রতিক্রিয়া — ঈশ্বরীতলার রূপোকথা

ষষ্ঠ পাণ্ডব এর ছবি
লিখেছেন ষষ্ঠ পাণ্ডব (তারিখ: বিষ্যুদ, ০৫/০৭/২০১৮ - ২:১৬অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণঃ যারা ‘বাকিটুকু রূপালী পর্দায় দেখুন’ টাইপ গ্রন্থালোচনা পড়তে আগ্রহী তারা এই লেখাটা পড়া এখানেই শেষ করুন। যারা স্পয়লারের তোয়াক্কা না করে পাঠ প্রতিক্রিয়া পড়তে চান তারা এগিয়ে যেতে পারেন।


বিশ্বাসযোগ্য ফিজিক্স

সজল এর ছবি
লিখেছেন সজল (তারিখ: বিষ্যুদ, ২৮/০৬/২০১৮ - ৮:১৬পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

বুয়েটের পাঁচ বছর মোটামুটি ঘোলাটে একটা সময়। কখন কী করেছি তার প্রায় কিছুই মনে নাই। তবে ফোর্থ ইয়ারে এসে মনে হয় আমাদের কম্পিউটার গ্রাফিক্স কোর্স নিতে হলো। সেইখানে গ্রুপ প্রজেক্ট দেয়া হলো আমাদের ক্লাসরুমকে ভেন্যু হিসাবে রেখে কলম খেলার একটা গেইম বানানো। সারভাইভাল টেকনিক হিসাবে আমি বরাবরই ভালো কাজ পারে এমন ছেলেপুলেদের গ্রুপে জুটে যেতাম। এবারো বাপ্পি আর অভির সাথে গ্রুপ করে ফেললাম।

আমি ততদিনে দুনিয়াবি সকল বিষয়ে নির্বাণ লাভ করে ফেলেছি। গ্রেড, প্রজেক্ট কমপ্লিশন, ভালো প্রজেক্ট করে প্রচুর "বস!" শোনার লোভ (লাইকপূর্ব যুগে এটা একটা বড় কারেন্সি ছিলো) ইত্যাদি কোন বিষয়েই বিন্দুমাত্র আগ্রহ না দেখিয়ে গায়ে বাতাস লাগিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছিলাম। আমাকে দিয়ে কিছু হবে না এই উপলব্ধি আর সাথে কম্পিউটার গ্রাফিক্স দিয়ে ম্যাজিক ঘটানোর উৎসাহে দুই গ্রুপমেটই আমাকে একদিন বললো, "তোর কিছু করা লাগবে না, আমরা দুই জন মিলে পুরা প্রজেক্ট নামায় দিবো।" ফেরেশতার মত দুই গ্রুপমেটের কথায় আমি একবারে আপ্লুত হয়ে রুমে ফিরে এসে ল্যান থেকে পাওয়া বাংলা নাটক দেখা শুরু করলাম।


বিশ্বকাপ, আর্জেন্টিনা, এবং হারিয়ে যাওয়া সেইসব মানুষেরা (তিন খণ্ডে সমাপ্য)

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: মঙ্গল, ২৬/০৬/২০১৮ - ২:৫৪অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

ভণিতা ১।।

অনুবাদে আমার দারুণ ভয়। একটা সময় তীব্র আনন্দ নিয়ে সেবার অনুবাদ পড়েছি, অপেক্ষায় থেকেছি কখন রিটার্ন অব শি কিংবা কাউন্ট অব মন্টিক্রিস্টো ছাপা হয়ে আমাদের পাড়ার সুমন ভাইয়ের দোকানে আসবে। পড়তে পড়তে ভাবতাম ইংরেজি পড়ার এবং সেইসাথে ইংরেজিতে লেখা বই কেনার মুরোদ হলে লেখাগুলো আবার পড়ে ফেলবো।


নৈরঞ্জনা(৪)

তুলিরেখা এর ছবি
লিখেছেন তুলিরেখা (তারিখ: শুক্র, ০৮/০৬/২০১৮ - ৪:২৮পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

৪। আমরা ঢুকতে মিউজিয়ামের প্রৌঢ় কিউরেটর নিজেই এসে অভ্যর্থনা করলেন। ডক্টর আদিত্য পরিচয় করিয়ে দিলেন ওঁর সঙ্গে। ওঁর নাম অসিতদেবল বসু, উনি ইতিহাসবিদ। ঐ মিউজিয়ামে কাজ করছেন প্রায় ত্রিশ বছর। তবে এই কাজ ওঁর আংশিক কাজ, উনি ইতিহাসের নানা বিষয় নিয়ে গবেষণা আর লেখালিখিও করেন। ওঁর বেশ কিছু ইতিহাসবিষয়ক বই প্রকাশিত হয়েছে গত বিশ বছরে। এ ছাড়া বিভিন্ন জার্নালে বেশ কিছু গবেষণাপত্রও বেরিয়েছে।


“মায়ের দোয়া”র শিকড় সন্ধানে : চতুর্থ পর্ব

সোহেল ইমাম এর ছবি
লিখেছেন সোহেল ইমাম [অতিথি] (তারিখ: বুধ, ০৬/০৬/২০১৮ - ৭:১৫অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

ব্রাহ্মণ্য সভ্যতা বা সংস্কৃতি বলতে যা বোঝায় তার সৃষ্টিও একটা চিত্তাকর্ষক বিষয়। প্রথমত সমাজের অস্ত্রধারী যোদ্ধা শ্রেণিই ক্ষমতাবান ও সম্পদশালী হয়ে উঠেছিলো। কিন্তু তাদের সহায় হয়ে দাঁড়ালো পুরোহিত শ্রেণি যারা শুধু পুজো-আচ্চাই করতোনা সেই সাথে সমাজের বিপুল বঞ্চিত শ্রেণিটিকে সংযত রাখতে আপ্রাণ চেষ্টা করতো। তাদের এই কাজটা যোদ্ধা শাসক শ্রেণির জন্য অপরিহার্য হয়ে উঠতে শুরু করলে এই পুরোহিত শ্রেণিটি নিজেদের সুবি


উড়ুক্কু- শেষ পর্ব

আয়নামতি এর ছবি
লিখেছেন আয়নামতি [অতিথি] (তারিখ: বুধ, ০৬/০৬/২০১৮ - ৯:৫৫পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

স্কুলে বসেই টিঙ্কু পাঁচপেয়ে রাণীর সাক্ষাত চেয়ে একটা আর্জি পত্রবাহক মারফৎ পাঠিয়ে দিয়েছে। রাণীকে সংকেতের মাধ্যমে আর্জি জানানো আইন বিরুদ্ধ। সম্মতি বার্তা নিয়ে বাহক ফিরেও এসেছে। রাণী তার জন্যে আজ বিকেলে তিন মিনিট সময় বরাদ্দ করেছেন। সময়ের ব্যাপ্তি দেখে টিঙ্কুবুড়োর শূঁড়ে একটা কম্পন বয়ে যায়। অভিজ্ঞতা দিয়ে বুঝতে পারে রাণী তার সাথে গুরুতর কিছু নিয়ে আলোচনা করতে চান। ঠিক কোন বিষয়ে রাণী তার সাথে আলোচনা করতে চান সেটা তার জানবার কথা নয়। তাই সেটা নিয়ে না ভেবে টিঙ্কু নিজে যে কারণে তার সাক্ষাত প্রার্থনা করেছে সেটা গুছিয়ে লিখবার জন্যে ডায়েরি খুলে বসে। আগেভাগে যে কোনো কাজের পরিকল্পনা করে নেয়া এবং তার খুঁটিনাটি বিষয়াদি ডায়েরিতে লিখে রাখাটা তার অভ্যাস। টিঙ্কু পাঁচপেয়ের লেখা ভারী চমৎকার।


শোধ

Sohel Lehos এর ছবি
লিখেছেন Sohel Lehos [অতিথি] (তারিখ: বুধ, ০৬/০৬/২০১৮ - ৭:২৭পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

ঝোপের ভেতর ঘাপটি মেরে বসে আছে দিলু। বেশ কিছুদিন ধরে সে খেয়াল করেছে এই দিক দিয়ে একটা বাঘ যায়। বাঘটা একটু দূর দিয়ে যায় বলে সে কায়দা করতে পারছে না। অনেক দিন বাঘের মাংস খাওয়া হয়নি।


মোহন মিয়ার অসুখ

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: রবি, ০৩/০৬/২০১৮ - ৮:০৫পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

এক।।

রাত একটা বাজতেই মোহন মিয়ার চায়ের তেষ্টা পায়। তবে তেষ্টা পেলেই তো আর উঠে যাওয়া যায় না, সব কিছুরই একটা নিয়ম রয়েছে। বিরক্ত মুখে কী বোর্ডের দিকে হাত বাড়ালেন তিনি। টেবিলের উপর একগাদা বই, কিছু খবরের কাগজ, একটি কালির দোয়াত, আর দোয়াতের পাশেই রুপোর মতো ঝকঝকে একটা পার্কার কলম পড়ে। মোহন মিয়া পুরনো দিনের মানুষ, টাইপ করার আগে একবার কাগজে না লিখলে তাঁর চলে না।


নৈরঞ্জনা(৩)

তুলিরেখা এর ছবি
লিখেছেন তুলিরেখা (তারিখ: শুক্র, ০১/০৬/২০১৮ - ১:৩৮পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

৩। ভোর ভোর গন্তব্যে পৌঁছল বাস। আমি শেষরাতে ঘুমিয়ে পড়েছিলাম আবার । হঠাৎ শুনি ঝাঁকুনি দিয়ে কে যেন ডাকছে, "আবীর, আবীর, ওঠো। পৌঁছে গিয়েছি আমরা।"
কুয়াশাজড়ানো স্বপ্নের ভিতর থেকে বেরিয়ে আসি ঝাঁকুনি খেয়ে, কাশ্মীরা আমাকে ডাকছে। জেগে দেখি বাস পৌঁছে গিয়েছে। ঘুমভাঙা চোখে যাত্রীরা সব হাই তুলতে তুলতে চোখ ডলতে ডলতে জিনিসপত্র গুছিয়ে নামছিল। আমরাও।