Warning: Creating default object from empty value in i18ntaxonomy_term_page() (line 34 of /var/www/sachalayatan/s6/sites/all/modules/i18n/i18ntaxonomy/i18ntaxonomy.pages.inc).

আন্তর্জাতিক

গণমুখী কূটনীতি

শেহাব এর ছবি
লিখেছেন শেহাব (তারিখ: মঙ্গল, ১১/০২/২০১৪ - ৩:২৩পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

এই লেখাটি মূলত রাষ্ট্রবিজ্ঞানের ছাত্র-শিক্ষকদের প্রতি অনুরোধের ঢেঁকিতে পাড়া দেয়া। কিছুদিন আগে জামাল হাসান নামে একজন বাংলাদেশী-আমেরিকান রাষ্ট্রবিজ্ঞানীর কাছ থেকে আমি একটি ইমেইল পাই। তিনি এই মুহুর্তে কুয়েতে আমেরিকান আর্মীর হয়ে কাজ করছেন। আমার একটি লেখার সাথে প্রাসংগিক মনে হওয়ায় তিনি তার আশির দশকের শেষে লেখা [url=http://jhasan1971.wordpress


আংকেল স্যাম যখন কৌতুহলী

শেহাব এর ছবি
লিখেছেন শেহাব (তারিখ: সোম, ০৩/০২/২০১৪ - ৪:৪০পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

এয়ারপোর্ট থেকে পাওলো কোহেলোর একটি বই কিনতে কিনতে কি মনে করে মত পালটে এই বইটি কিনলাম। লেখক সিআইএ'র সর্বোচ্চ পদক পেয়েছেন তার অবদানের জন্য। বইটি পড়তে খারাপ লাগে না, রীতিমত রগরগে গোয়েন্দা কাহিনী। কিন্তু গুডর


পাপনের কল্লা চাই

অছ্যুৎ বলাই এর ছবি
লিখেছেন অছ্যুৎ বলাই (তারিখ: শনি, ২৫/০১/২০১৪ - ৭:৩০অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

গত দুদিনে মিডিয়ার কল্যাণে বাংলাদেশের আকাশে সবচেয়ে দুর্যোগের ঘনঘটা নিয়ে হাজির হয়েছে আইসিসিকে কাটাকুটি করে নোতুন করে সাজানো গোছানোর একটা থ্রিস্টুজেস আইডিয়ার ড্রাফট প্রস্তাব। ২৪শে জানুআরি প্রথম আলো ঘোষণা দিয়েছে ‘জমিদার’দের পক্ষে বিসিবি! আর একই তারিখে ডেইলি স্টার সরাস


খোলাচিঠি : হাসান ফেরদৌসকে

ফাইয়াজ জামাল এর ছবি
লিখেছেন ফাইয়াজ জামাল [অতিথি] (তারিখ: বিষ্যুদ, ০২/০১/২০১৪ - ৫:৫২পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

ভূমিকা: আজকের প্রথম আলো তে "কূটনীতি বনাম রাজনীতি" শিরোনামে হাসান ফেরদৌসের লেখা একটি মতামত প্রকাশিত হয়েছে। লেখাটিতে হাসান ফেরদৌস পাকিস্তানের সাথে কুটনৈতিক সম্পর্ক রাখার পেছনে


ঘরে মেঘ না চাইতেই ডাস্টবিনে বৃষ্টি

সুমন_সাস্ট এর ছবি
লিখেছেন সুমন_সাস্ট [অতিথি] (তারিখ: মঙ্গল, ১৭/১২/২০১৩ - ৪:২১অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

"খুব জ্বলে, তাই না?"

এবারতো আমরা শুধু চাই শান্তিমতো নিজের ঘরের ময়লা-আবর্জনা পরিস্কার করতে। ওগুলাকে ডাস্টবিনে নিয়ে মাটি চাপা দিয়ে রেখে আসতে পারলে অনেক আরাম লাগতো; কিন্তু ঐদিকে খুব দূর্গন্ধ, একটু দুরেও, ঘরেও অনেক কাজ; তাই আবর্জনাগুলো ঘরেই মাটি চাপা দিচ্ছি। এতেও ডাস্টবিনের পিত্তি জ্বলছে; চোখের পানিতে সমগ্র ডাস্টবিনজুড়ে বৃষ্টিপাত শুরু হয়ে গেছে!


হেনরি কিসিঞ্জারের মানবতাবিরোধী অপরাধ: বাংলাদেশ অধ্যায়

পৃথ্বী এর ছবি
লিখেছেন পৃথ্বী [অতিথি] (তারিখ: রবি, ১৫/১২/২০১৩ - ১:৪৩অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[=green]সাংবাদিক খ্রিস্টোফার হিচেন্স তাঁর The Trial of Henry Kissinger বইতে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতির ফলে সংঘটিত বিভিন্ন যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী ঘটনার সাথে হেনরি কিসিঞ্জারের সরাসরি সম্পৃক্ততা সংকলিত করেছেন - ভিয়েতন


চার দেয়ালের অন্ধকারে লুকিয়ে যে ধন

তীরন্দাজ এর ছবি
লিখেছেন তীরন্দাজ (তারিখ: শনি, ১৪/১২/২০১৩ - ৩:০১পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:


রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন কেন জরুরী?

ষষ্ঠ পাণ্ডব এর ছবি
লিখেছেন ষষ্ঠ পাণ্ডব (তারিখ: শনি, ১৬/১১/২০১৩ - ৫:৪৮অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

বাংলাদেশে মোট রাজনৈতিক দলের সংখ্যা কত? এই প্রশ্নের উত্তর বোধকরি বাংলাদেশের কেউ দিতে পারবেন না। তবে সেটা বোধকরি দুইশ’-এর কম না। ১৯৮৮ সালে পতিত সামরিক স্বৈরাচার জেনারেল এরশাদ যে সংসদ নির্বাচন আয়োজন করেছিল সেখানে প্রধান প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো নির্বাচনে অংশ নেবে না বলে জানিয়ে দিয়েছিল। এরশাদ তখন নির্বাচনে অনেক দল অংশ নিচ্ছে এমনটা দেখানোর জন্য বিপুল সংখ্যক নামসর্বস্ব দল আমদানী করে। সেই নির্বাচনে এরশাদের গৃহপালিত বিরোধী দলীয় নেতা হিসেবে পরিচিত আ স ম আবদুর রব সম্মিলিত বিরোধী দল (কপ) নামে একটা জোট গঠন করে নির্বাচনে অংশ নেয়। কপে দলের সংখ্যা প্রথমে নাকি ছিল ৭৮টি। পত্রিকায় ৭৮ সংখ্যাটি জানা যাবার পর অন্য আরো অনেক দুধভাত পার্টি তারাও কপ-এ আছে বলে কান্নাকাটি জুড়ে দেয়। ফলে শেষমেশ কপ-এ কতগুলো দল ছিল সেটা একটা গবেষণার বিষয় হয়ে যায়। এই কথাটা মনে পড়ায় দেশে মোট রাজনৈতিক দলের সংখ্যা দুইশ’-এর মতো বলে ধারণা করছি। যদি নির্বাচনে কমিশনে খোঁজ নেন তাহলে জানতে পারবেন যে, দেশে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের সংখ্যা ৪০টি। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন বাতিল হয়ে যাওয়ায় নিবন্ধিত দলের সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে ৩৯টিতে।


ভিনদেশি এক রঙের মেলায় (পর্ব ৩)

মইনুল রাজু এর ছবি
লিখেছেন মইনুল রাজু [অতিথি] (তারিখ: বিষ্যুদ, ২৬/০৯/২০১৩ - ১:৩৩পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify]


ভিনদেশী পত্রিকায় স্বদেশ

রকিবুল ইসলাম কমল এর ছবি
লিখেছেন রকিবুল ইসলাম কমল [অতিথি] (তারিখ: রবি, ০৪/০৮/২০১৩ - ৯:০১অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify]লিসবেথ নামের আমাদের এক বয়স্ক সহকর্মী তার প্রতিদিনের পত্রিকাটি পড়া শেষ হলে আমার বউ এর টেবিলে রেখে যায় যেন অন্তত হেডলাইন গুলোতে চোখ বুলাতে গিয়ে অথবা কোন পৃষ্ঠার ছবি দেখে উৎসাহী হয়ে খবরটি পড়ার চেষ্টা করে এবং ধীরে ধীরে নরওয়েজিয়ান ভাষাটা শিখে ফেলে!