http://www.kalerkantho.com/index.php?view=details&type=gold&data=news&pu...
নাই বুঝি টু করার শক্তি? হাত পা বুঝি বাঁধা?
মানব বুঝি যা বলো তাই? ভাবছ বুঝি গাধা?
মাটিতে পা পড়ছে না তো, উড়ছ আকাশটাতে?
মনে রেখ ঘুড্ডি তুমি, লাটাই আমার হাতে।
উচ্চ থেকে লাগছে আমায় পিপীলিকার মতো?
জান না কি সদলবলে শক্তি তাদের কতো?
ঘোলটা দেবে আমায় খেতে সরটা তুমি খেয়ে!
ভাবছ বুঝি দেখব কেবল এসব চেয়ে চেয়ে?
কেউ আমাকে মারবে ছুরি মাঝ বরাবর বুকে
আমি কেবল পড়ে পড়ে মরব ধুঁকে ধুঁকে?

…
(১)
ইদানিং মজার একটি বিষয় নিয়ে খুব শোরগোল শুরু হয়েছে দেশের সবক’টি পর্যায় থেকে। বিষয়টি আর কিছু নয়, নাস্তিক্যবাদ। তবে যারা এটিকে নিজেদের মতো করে উদ্দেশ্যমূলক নাড়াচাড়া করছেন, তা যে খুব খারাপ অর্থেই বা লক্ষ্য নিয়ে করছেন এটি বলার অপেক্ষা রাখে না। তাঁদের বক্তব্য-বিবৃতি শুনে মনে হয়, কোন সংক্রামক ব্যাধির মতোই নাস্তিক্যবাদ নামের অতি জঘন্য একটি জিনিসের দ্রুত প্রাদুর্ভাব ঘটে এই দেশ এই জাতি বুঝি রসাতলে ডেবে যাচ্ছে। সত্যি কি তাই ?
অনেক দিন আগের কথা। আমি তখন ক্লাস এইটে। একদিন দেখি আমার এক চাচা ও তার বন্ধু 'লাল-সালু' উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র মজিদের সংলাপগুলো আওরাচ্ছে আর হাসতে হাসতে গড়াগড়ি খাচ্ছে। আমার ঐ চাচা তখন ইন্টারমিডিয়েটের শিক্ষার্থী ছিল। আমার মনে আছে, আমার ঐ চাচা যখন বিএ (ডিগ্রি)র শিক্ষার্থী ছিল, তখন এমনি করেই একদিন সৈয়দ আবুল মনসুর আহমেদের 'হুযুর কেবলা' নিয়ে দারুণভাবে আমোদিত হয়েছিল। কিন্তু আমার সেই চাচা এখন আর মজিদ ব
পত্রিকার পাতায়, ফেসবুকের দেয়ালে কিংবা মানুষের মনে এখন ভিটামিন এ ব্যাপারটি নিয়ে দারুন কৌতুহল। এই সংঘাতময় রাজনীতির দিনে সবথেকে বেশী খারাপ লাগে যখন দেখি জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ কোন ব্যাপারে মানুষ দুইভাগে ভাগ হয়ে যায়। কারো কাছে মনে হচ্ছে সরকার যা করছে তা চরমভাবে অগ্রহণযোগ্য কোন কাজ আবার একদল মনে করছে যা হচ্ছে সবই জামাতী-ছাগু কিংবা বিএনপি-র অপপ্রচার। ভিটামিন এ এর ক্ষেত্রেও তাই হল। ফেসবুকে দুইদল ভাগ হ
ব্লগ কী জিনিষ চিনিস ব্যাটা? ব্লগে কী হয় জানিস?
গাধার মত বললে কথা সবাই হাসে মানিস?
ব্লগার কারা? কাজ কী তাদের? বিন্দুমাত্র তোদের
নেই ধারণা; অজ্ঞ থেকেই পথ আগলাস ওদের!
ব্লগে সবাই লিখতে পারে নেই কোন তার বাধা
হোক সে মানুষ কিম্বা ছাগু কিম্বা গরু-গাধা।
মত প্রকাশের স্বাধীনতার এক মাধ্যম এটা
ব্লগার মানেই নাস্তিক নয় শোন মুর্খের ব্যাটা।
যার যার মত প্রকাশ করে ব্লগে যে যার মত
পড়াশুনার জন্য উত্তর আমেরিকার একটি শহরে বসবাস করছি প্রায় তিন বছর। এই কয়দিনের অভিজ্ঞতায় দেখেছি বাংলাদেশ সম্পর্কে বহির্বিশ্বের জনগনের জ্ঞান এবং আগ্রহ উভয়ই কম। যারা জানে তারা কেবল দক্ষিন এশিয়ার দরিদ্র দেশ যা ইদানিংকালে তৈরি পোশাক রপ্তানী করছে সেই টুকুই জানে। যারা আরও বেশি জানে তারা জানে বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষ মুসলিম। মুসলিম শব্দটির সাথে তাদের চোখে আমি একধরনের চিত্র দেখতে পাই, যা তৈরি হয়েছে আর
আমার জন্ম আজ থেকে দুই যুগের কিছু কম মতো আগে, কোন এক বিমর্ষ অক্টোবরে ! অক্টোবর আগে বিমর্ষ ছিল না, আমার জন্মের দুঃখে বিমর্ষ হয়ে গেল। আমার জন্মানো ছাড়া জন্ম সঙ্ক্রান্ত আমার আরও যে বৃহৎ আফসোসটা ছিল তা হলো আমার জন্মের সাথে বাংলাদেশের জন্মের কোন সম্পর্ক নেই। জাতীয় কোন দিবসে জন্মদিন হলে বন্ধুরা অনেক মজা টজা করে, যাকে আলোচিত কিংবা বিশেষত্বপূর্ণ জন্ম বলা যায় আর কি!
শিশু পালন একটা চব্বিশ ঘণ্টার কাজ। তার সাথে অন্য কোন কাজ করতে হলে চব্বিশ ঘণ্টায় আর কুলিয়ে উঠতে পারি না। মনে হয় দিনটি ৮৪ ঘণ্টার হলে ভাল হতো। বড়টাকে ঘুম পাড়িয়ে ভাত নিয়ে বসেছি। ছোটটা মায়ের দুধ খাচ্ছে। ফোন বাজছে। তাড়াতাড়ি ধরতে হবে, না হলে মেয়েটার ঘুম ভেঙ্গে যাবে। বাঁহাতের মুঠোয় ধরা কাঁচা লংকা টেবিলে রেখে ফোন ধরে বললাম; কায়সার বলছি...
‘মাগো, দশ হাজারের মতন মানুষ চিৎকার দিতে দিতে দা-খোন্তা, লাডি-সডা, চাপাতি লই...ধানক্ষেতের চাইর পাশদি ধাই আইয়ের...তখন জানের মায়ায় ঘরবাড়ি সব রাখি পলাই গেই গই অ্যাঁরা...!!!’ – এমনটিই বলছিলেন পরিবারের বয়স্কা মহিলাটি। পাশেই দাঁড়িয়ে থাকা তরুণী বউটি চোখ থেকে ছিটকে বেরিয়ে আসা বোবাকান্না ঢেকে ফেলতে তাড়াতাড়ি আঁচল চাপা দেয়। পরে জানতে পারি, এর বাবা শ্বশুরবাড়িতে মেয়েকে দেখতে এসে সেদিন বেঘোরে প্রাণট