আয় বৃষ্টি ঝেঁপে
আমাদের শহরে আজকাল আর বৃষ্টি হয় না।
গত বছর ঠিক কত মিলি বৃষ্টি হয়েছে তার খবর খুঁজতে ইচ্ছা করছে না, শুধু জানি হাতে গোনা পাঁচদিন বা তারো কম ঝমঝমিয়ে রাস্তা-ঘাট ভিজিয়ে দেয়া দাবদাহে ক্লান্ত মানুষকে এক পশলা শান্তির হাওয়ায় ভিজিয়ে দিয়ে গিয়েছিল বারিধারা।
টাইগারপাসে তিনটা বাঘমামা কিংবা মামীকে কে রাস্তার আশেপাশে সেট করে দেয়া হয়েছে। যদিও এই বাঘ চট্টগ্রামে কখনো দেখা যায়নি। চট্টগ্রামের বাঘ চিতাবাঘ। এই বাঘ সুন্দরবনের রয়েল বেঙ্গল টাইগার। হোক ভিন্ন জেলার বাঘ। বাংলাদেশেরই তো। তবে যিনি এই বাঘের শিল্পী তিনি সম্ভবতঃ সুলতানের ধারা অবলম্বন করতে চেয়েছিলেন ভাস্কর্য তৈরীতে। শিল্পী সুলতানের চিত্রকর্মে মোটাসোটা পেশীবহুল নরনারীর প্রাচুর্য লক্ষনীয়।
শিক্ষা ভবনের সামনেই নেমে যেতে হ'লো। রাস্তা বন্ধ। অল্প কিছু মানুষ হেঁটে ঢুকছে ক্যাম্পাসে। আর সংবাদপত্র, টিভি চ্যানেলের গাড়িগুলি ঢুকতে পারছে। আমার দেড় বছরের ভাতিজা-কে বললাম, চল বাবা দৌড় দেই...। দুজনে দৌড়ে এসে শিশু একাডেমির সামনে, আমার তিন বছরের ভাতিজা কার্জন হলের সামনে লাগানো বিশাআআল পতাকাটা দেখিয়ে প্রবল চিৎকার দিয়ে ব'লে উঠলো "ফুপিইইই, জঅঅয় বাংলাআআদেএএশ!" (ব'লে রাখি আমাদের শেখানো আর তার শুনে
২০১১/২/১১ শুক্রবার
যাযাবরের মত সপ্তাহটা কেটে গেল। দক্ষিণে দুইদিনের সফর শেষে ঘরে একরাত কাটিয়ে আবার উত্তরের পথে যাত্রা। এবার গন্তব্য টরন্টো। টরন্টোর কথা মনে হলেই টরন্টোতে প্রথমদিন ড্রাইভ করার স্মৃতি মনে পড়ে। দুই ঘন্টা ধরে ঘুরেও যখন গন্তব্যে পৌঁছুতে পারছিলাম না তখন হাতের কাছে যে রেস্টুরেন্ট পাওয়া গেল সেখানেই ক্ষুধা মেটানো হয়েছিল। এমন নয় যে গন্তব্য অচেনা ছিল। সমস্যা ছিল--এই লেনে বাঁয়ে মোড় নেয়া যাবেনা তো সেই লেনে অবশ্যই ডানে মোড় নিতে হবে। এরপর কয়েকবার গিয়েছি, অবশ্যই জিপিএস সহ। সেই থেকে টরন্টো আমার কাছে আঙ্গুর ফল টক--এর মত।
আমি শুধু বলি, আমি সেইসব মানুষদের একজন নই যারা অনেক অপেক্ষার পর হাতে পেয়েছে ছোট্ট একটা প্রবেশপত্র, সরাসরি মাঠে বসে উপভোগ করতে পেরেছে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান বিশ্বকাপের।
রাস্তা আজকে তুলনামূলক ফাঁকা তাই দৌড় দেয়া যায় বসুন্ধরা সিটির দিকে, এই ভেবেই বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা থেকে পড়িমরি করে বের হয়ে যাই। তাও বেলা পড়ে এসেছে, অনেক্ষণ ধরে অপেক্ষারত নূপুরাপুর সাথে দেখা করতে পৌঁছুতে পৌঁছুতে ৫টা বাজে। সিলেটের টিপু ভাই এদিকে ঢাকা এসেছেন, তাঁর কাছে শুনলাম অপু ভাইও নাকি ঢাকায়, আজকে একব
[justify]তোমার মৃত্যুতে পৃথিবীর তিনভাগ জল হয়ে গেছে অশ্রু, রাজপথ হয়েছে সাহসী মিছিল। অদ্ভুত সুন্দর এই বাক্যটির রচয়িতা মোজাম্মেল বাবু। বাবু বুয়েটে পড়ত, কবিতা লিখত, রাজনীতির সাথে সরাসরি জড়িত ছিলো। সেসময় রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলো না তেমন কোন ছাত্র আছে কি? “হঠাও এরশাদ বাঁচাও দেশ” শ্লোগান দেয়নি তেমন কুলাঙ্গার কাউকে খুঁজে বের করাটাই মুশকিল সে সময়য়ের জন্য। আমাকে যারা চেনে তারা নিশ্চয়ই আমার এই “কুলাঙ্গার” শব্দচয়নে একটু ভুরু কুঁচকাবেন। আসলে সেটা একটা সময় ছিলো আমাদের জন্য, নিজে বাঁচার আর আমাদের পরবর্তী প্রজন্মের স্বার্থ সংরক্ষণের লড়াইয়ে যারা অংশ নেয়নি তাদের জোর গলায় কুলাঙ্গার বলাতে বিন্দুমাত্র দ্বিধা করব না আমি।
আরিফিন সন্ধি
গতকাল ফেব্রুয়ারী মাসে যে এইরকম বরফ পরতে পারে, তা গত দুই বছর চোখে পরেনি। বিভাগে না যেয়ে মনে সুখে কফি গিলছি আর চ্যাট করছিলাম। মজার খবর জানাই, গতকাল এখানের অফিস সব অলিখিত বন্ধ হয়ে গ্যেছিল, যদিও আমার কোন কারখানাতে (ল্যাব আরকি) কাজ নাই, তাই বিভাগে যেতে হয়না, কিন্তু কতদিন এরকম বরফ আমি চেয়েছি, বিশেষ করে পরীক্ষার দিনগুলোতে!! কেউ কথা রাখেনি
কথা ছিলো ৯ তারিখে খোসা ছাড়ানো হবে “গোয়েন্দা ঝাকানাকা ও জাদুঘরে চুরি রহস্য”-এর।
--------বাড়ি ফেরা/প্রজ্ঞা নাসরিন
সংগীতায়োজন: সঞ্জীব চৌধুরী