কর্পোরেট অফিসের ধুমায়িত কফির আড্ডা আর প্রতিদিনের কঠিন ব্যস্ততায় আমি ভুলতে বসেছিলাম আমার এক বন্ধু রিয়াজকে।
তখন আমি ঢাকা বিশশবিদ্যালয় ৩য় বর্ষের ছাত্রী। পহেলা বৈশাখের এক অনুষ্ঠানে তার সাথে আমার প্রথম পরিচয়। তার পারিবারিক নানা বিষয়ের কথা বলতে বলতে আমরা কার্জন হল পার হয়ে হাইকোর্টের সামনে দিয়ে রিক্সা করে যাচ্ছিলাম ।সে ছিলো একজন দক্ষ আই,টি স্পেশালিস্ট এবং নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিট...
এক দেশে এক সন্ন্যাসী ছিলেন। তিনি গেরুয়া রঙের কাপড় পরিধান করতেন না। নির্জন গাছের তলায় বসে ওম্ শান্তি ওম্ বলে ধ্যান করতেন না। যত্র-তত্র যাকে তাকে যেখানে সেখানে শাপ অথবা বর দিতেন না। সন্ন্যাসী হলেও তিনি ছিলেন পুরো মাত্রায় সংসারী। তাই জনগণ আদর করে তাঁকে সংসারে এক সন্ন্যাসী বলে ডাকতো।
তিনি নিয়মিত আসর জমাতেন - কখনো দারুণ সব ছোট গোল-গাল রুটির মতো সুস্বাদু গল্পে, কখনো কামরাঙা ছড়ায় আবা...

গ্রেট পাওয়ার সিরিজ: পর্ব-১ । পর্ব-২ । পর্ব-৩ । পর্ব-৪
*
হ্যাবসবার্গদের নিয়ে কেনেডির লেখা অধ্যায়টা বিশাল, আর এত নানা দিক থেকে আগাইছে যে কোনদিক দিয়া ধরমু আর কোনদিক দিয়া নাড়মু এখনো ঠিক বুইঝ্যা উঠবার পারলাম না। আবার পড়তেই লাইগা গেল বিশাল সময়! আরো পেইন হইল, কেনেডি মহাশয়ের ল...
প্রথম কিস্তি
সকাল দশটা নাগাদ আমরা ল্য প্যারিফ ছাড়িয়ে E5 এ এসে পড়লাম।
ফরাসী বলেই বোধহয় হাইওয়ের নাম বিমূর্ত অক্ষর আর সংখায় থেমে থাকেনি। তাই প্যারিস থেকে ম্যাসি অব্দি রাস্তাটির নাম হয়ে গেছে রোদেলা সড়ক (অতোখুত দ’ সোলেই), আবার ম্যাসি থেকে বর্দো পর্যন্ত এলাকার নামের সাথে মিলে রাস্তার নামও হয়ে গেছে লাকিতেন। হাইওয়েওয়ালারা দয়া ক...
(১)
আকাশ জুড়ে মেঘের খেলা
মন বসেনা ঘরের কোনে,
ইচ্ছে করে ভাসাই ভেলা
নদীর জলে গহীন বনে।
(২)
প্রকৃতির নির্মম রূক্ষতাকে
উপেক্ষা করে ভেসে যেতে চাই;
অজানা কোনোও দুর্গমতাকে
আপন করে বন্ধু হতে চাই।
(৩)
ছেলেবেলার মধুর সময়
হারিয়ে যাওয়া বন্ধুরা
স্বপ্নে আসে, স্মৃতি জাগায়
কখনো কাঁদায়, কখনো হাসায়।
একদা আমি সাগ্রহে কংক্রিট ম্যাথের একখানা কোর্স লইয়াছিলাম ।
অবশ্য চাইলেও জিনিসটা এড়িয়ে যেতে পারতামনা, তখনো আমাদের অপশন দেয়া শুরু হয়নি । ডিপার্টমেন্ট যেসব কোর্স দিচ্ছে, সবাইকে সবগুলোই নিতে হয় । ক্লাস শুরু হওয়ার কয়েক সপ্তাহ পরেই ক্লাসের মধ্যে ত্রাহি ত্রাহি রব উঠতে শুরু করেদিল । এই জিনিস মানুষের পক্ষে পড়া সম্ভব না । নামে কংক্রিট হলে কি হবে, এই কোর্সে যেসমস্ত কথা বার্তা বলে তার সবই ...
গ্রেট পাওয়ার সিরিজ: পর্ব-১ । পর্ব-২ । পর্ব-৩
***

(উপরের ছবি: চাইলে রং-পেন্সিল নিয়ে ইউরোপের ওপর এখন ঝাপিয়ে পড়তে পারে যে কোন প্রতিভবান শিশু... )
শেষ কিস্তিতে বলেছিলাম আজকে আমরা হ্যাবসবার্গ নিয়ে আলোচনা করবো। ইচ্ছা ছিল ওই আলোচনারই প্রথমাংশে হ্যাবসবার্গদের দাপাদাপির আগে ইউরোপের অবস্থ...
কোনো কোনো মাঝরাতে ঘুম ভেঙ্গে গেলে দেখি অন্ধকারের ফাঁকে ফাঁকে জ্বলে-ওঠা আগুনের দিকে ছুটে যাচ্ছি আমি,
আমাকে তাড়া করছে শীতরাত্রি, আমাকে তাড়া করছে মৃত্যুভয়
আর দেখি শরীরে আগুন নিয়ে তুমি ছুটে আসছো আমার দিকে...
এ কি কোনো বিভ্রম নাকি বিস্ময়চিহ্ন !
কে কাকে চমকাচ্ছে আজ,
কে কাকে মুগ্ধ করছে অবিরত
দীর্ঘ আলাপচারিতার পর
কে বেশী অন্ধকার নিয়ে ফিরে যায়
তোমার চুল ভর্তি লুকানো কথার ছুরি--স্পর্শ...

*আগের পর্ব পড়ুন এখানে
বৃদ্ধা ছেলেটিকে পথ দেখিয়ে বাড়ীর পেছনের দিকের একটি কামরায় নিয়ে গেলেন , রঙ্গীন পুঁতির তৈরী পর্দা দিয়ে এটি বসার ঘর থেকে আলাদা করা । কামরাটিতে আসবাব বলতে কেবল একটি টেবিল , যীশুখ্রীষ্টের পবিত্র হৃদয়ের একটি দেয়ালচিত্র আর দু’টি চেয়ার।
চেয়ারে বসার পর কোন ভণিতা ছাড়াই ছেলেটির হাত দু’টি নিজের দু’হাতে তুলে নিয়ে ...
পলাশী নিয়ে এনকিদুর মন্তব্য দেখেই সন্দেহ হয়েছিল একটা কিছু ঘাপলা হয়েছে। কিন্তু কী হয়েছে তা আঁচ করতে পারিনি। গতকাল সকালে দিলকুশা থেকে ধানমণ্ডি যেতেই ব্যাপারটা পরিষ্কার হল।
যখনই আমাকে সাবেক এশিয়ান হাইওয়ে ধরে চানখাঁর পুল থেকে আজিমপুরের দিকে যেতে হয় তখন বখশীবাজারের মোড় পার হলেই আমার চোখ একবার ডানে একবার বাঁয়ে ঘুরে যায়। প্রথমেই বাঁয়ে চোখে পড়ে ফজলে রাব্বী হলের ভেতরের পোড়ো মন্দি...