পহেলা বৈশাখের আগের দিনটি অবধারিতভাবেই চৈত্র্য সংক্রান্তি ঠিক যেমন মাঘ মাসের প্রথম দিনটির আগের দিন পৌষ সংক্রান্তি। একটা মাস বা বছর শেষ না হলে নতুন মাস বা বছর শুরু হওয়ার প্রশ্ন নেই। বাংলা পঞ্জিকায় ‘পহেলা’ তারিখের আগে তাই ‘সংক্রান্তি’ রয়ে গেছে সবসময়। আর তার সাথে তাল মিলিয়ে আমাদের ছোটবেলার পহেলা বৈশাখগুলোও শুরু হতো চলে যাওয়া বছরের সমাপনী দিনটির রেশ নিয়েই। আজকের শহুরে সংস্কৃতির মতো কেবল একটি দিনকে লাল-
আমি যখন লিখতে শুরু করি। কতই বা বয়স হবে। সদ্য কুড়ি পেরিয়েছে হয়তো। ভয়ে ভয়ে মনের জানালা একটু খানি খুলি। ফুল পাখি লতাপাতা পিঁপড়া যা কিছু আসে মনে তাই নিয়েই লিখে ফেলি কয়েক লাইন। ব্লগে পোস্ট করার পর অপেক্ষার পালা।… কেউ যদি মন্তব্য করে কোনো। কোনো কোনো দিন সারাদিনেও কেউ কিছু বলে না। ব্লগে তখন অনেক সিরিয়াস লেখকরাও আছেন। দেশ-রাজনীতি নিয়ে তুখোড় প্রবন্ধে ঝড় তুলছেন। সে সব পাতায় ঢুকলেও বেশিক্ষণ থাক
গত সপ্তাহে মধ্য-জার্মানীতে ভূতুড়ে আবহাওয়া। এই রোদ এই বৃষ্টি এই তুষার। সেই তুষার আবার মাটিতে পড়তে পড়তে জল। রোদ একটু উঁকি দিতে না দিতেই অশ্লিল মেঘ। পরশু রাত থেকে একটু একটু পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। আজকে দুপুরে বেশ ভালো। শীত থেকে পোলভোল্ট করে গ্রীষ্মে না গিয়ে অন্তত কয়েকটা দিন বসন্ত পাওয়া যাবে আশা করার মত।
১.
গতকাল সন্ধ্যায় ট্রাস্ট পরিবহনের বাসে মিরপুর যাচ্ছিলাম। এয়ারপোর্ট রোড এবং কচুক্ষেত রোডের সংযোগস্থলে বাসগুলো সুযোগ পেলেই ইউটার্ণ নিয়ে অনেক খানি রাস্তা কমিয়ে ফেলে। নয়তো বনানী ১১ থেকে বাঁক নিয়ে সেই মহাখালি ফ্লাই-ওভারের নিচ থেকে ঘুরে এসে কচুক্ষেতের রাস্তায় ঢুকতে হয়। নিয়ম অনুযায়ী সেটাই করার কথা। গতকাল বাসটা সুযোগ পাওয়ার পরেও যখন ট্রাফিক আইন না ভেঙ্গে সেই মহাখালি দিয়ে ঘুরিয়ে আনতে গেল তখন বাসের প্রতিটা যাত্রী ক্ষেপে উঠলো। এই পরিস্থিতিতে প্রথম আক্রমন করা হয় বাস ড্রাইভার আর কন্ডাক্টরকে। বাংলা ভাষায় সর্বনামের তিনটি রূপ থাকায় মানুষের জন্য রাগ বা ঘৃণা প্রকাশের কাজটি বেশ সহজ। প্রথমে আমরা বাস ড্রাইভারকে আপনি আর কন্ডাক্টরকে তুমি দিয়ে শুরু করি এবং এক সময় রাগ আর ক্ষোভের মাত্রা বাড়াতে দুজন'কেই তুই বলা শুরু করি।
আদিতে নারী-পুরুষ ছিলনা, ছিল মানুষ। পরবর্তীতে সেই অখণ্ড মানবসত্তা নারী-পুরুষে বিভাজিত হয়।
ভাষা: লিঙ্গায়েত নির্মানে একটি শক্তিশালী প্রপঞ্চ।
জীবন চলছে, ভাল ভাবে চলছে না খারাপ ভাবে চলছে তার বিচার করিনা। যেমন চলছে চলুক, যা হবে দেখা যাবে টাইপ একটা ব্যাপার এসে গেছে। এ্যামবিশনের খ্যাতা বালিশ পুড়িয়ে সেটার ছাই গাঙের পানিতে ভাসায় দিয়ে মোটামুটি নির্ভার আছি। টুকটাক বই পড়ি, আর অবসরে একটা গেম খেলি, মাঝে মাঝে কিছু ছবি তুলি। ২ মাসের মধ্যেই জীবনে আরেকটা বিরাট পরিবর্তন আসবে, ব্যাপক টেনশনের ব্যাপার স্যাপার, তাই সুযোগ পেলেই ঘুমিয়ে নিচ্ছি বেশি করে। ঘুমাল
হেফাজতে ইসলামের ১৩ দফা দাবি এসেছে বছর দুই আগে। এখনও পর্যন্ত তাদের এই মধ্যযুগীয় বর্বর দাবিনামা থেকে সরে আসার কোন লক্ষণ দেখা যায়নি। আজকে আওয়ামী ওলামা লীগসহ ১২-১৩টি ধর্মীয় সংগঠন যাদেরকে সরকারঘেষা বলে মনে করা হয় তারা একটি মানববন্ধন করেছে। রেকর্ডের সুবিধার্থে দাবিনামাগুলো এখানে টুকে রাখা হলো।
যদি নিজের আপন নিভৃত কোণ হতে বাইরে পদার্পণ করেন, তা সেটা মানুষের সাথে আড্ডায় হোক আর সোশ্যাল নেটওয়ার্কের পাবলিক ডিসকাশনই হোক, উত্তপ্ত বাক-বিতন্ডার ক্রসফায়ারে জর্জরিত হওয়া অনিবার্য। এসব আলাপ-আলোচনা অধিকাংশ সময়েই হেত্বাভাসের ঘন অরণ্যে হারিয়ে যায়; পরিণামে, কোন যৌক্তিক সিদ্ধান্তে উপনীত হতে পারে না। পাবলিক ফোরামের আলোচনায় অংশগ্রহণ করা আমার কাছে ব্যক্তিগতভাবে সময়ের বিকট অপচয় মনে হয়, মানুষকে তার প্রত্যেকটা
[justify]
মানুষ স্মৃতির কাছে ফেরে।
ফেরার কি কোন মাত্রা বা পরিধি থাকে? বর্তমান থেকে অতীতের এই এতোটুকু নাকি সবটুকুতেই ফিরতে পারে মানুষ? স্মৃতিতে ফেরা একটা ভ্রমনই বটে।
ত্রিশবছর আগে যে উচ্চবিদ্যালয়ে বিদ্যার্থী হয়ে প্রবেশ করেছিলাম তার ৭৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে বিশাল আয়োজন ছিলো। ব্যক্তিগত ব্যস্ততা ছিলো প্রবল। এরই ফাঁকে ৪০ মাইল দূরের সেই ছোট্ট শহরে গিয়েছিলাম। সেই শহর আমার প্রথম অনেককিছুই জানে। শৈশবের প্রায় পুরোটা এবং কৈশোরের অনেকটুকুই সেখানে। এইসব আয়োজনে প্রথামাফিক অনেককিছুই থাকে। আমি প্রথা যথসামান্য মেনে বের হয়ে গিয়েছিলাম একটু পুরনো মন্দিরের কাছে। আমাদের শৈশবে মন্দিরটা জরাজীর্ণ ছিলো, একটা টিলার উপর, পাশ দিয়ে নির্জন একটা পায়ে হাঁটা পথ আর স্রোতস্বীনি নদীর দুর্দান্ত একটা বাঁক। মন্দিরের টিলায় উঠলে উত্তরে দীর্ঘ পাহাড়ের নীল হাতছানি। কোন কোন রোদেলা দিনে সেই পাহাড়ে ঝর্ণা ও দেখা যেতো। মন্দিরে উঠার কোন সিঁড়ি ছিলোনা তখন, অনেকগুলো তেঁতুল গাছ ছিলো। পুরহিত মশায়ের প্রায় ভেঙ্গে পড়া একটা চালাঘর ছিলো। তার ছেলে প্রদীপ ছিলো আমাদের বন্ধু।
হ্যারি হুডিনি! পৃথিবী বিখ্যাত জাদুকর। একবার ইউরোপ ভ্রমণে গিয়ে পুরু ইটের দেওয়ালের এপাশ ভেদ করে ওপাশে গিয়ে শার্লক হোমসের জনক স্যার আর্থার কোনান ডোয়েলকে নির্বাক করে দেন। সেই থেকে তাঁদের মধ্যে অসাধারণ এক বন্ধুত্বের সূত্রপাত হয়েছিলো, যদিও এই বন্ধুত্বের শেষটা খুব হৃদয় বিদারক ছিলো। হুডিনি নিয়ে এই লেখার ভূমিকার কারণ তাইওয়ান থেকে বাংলাদেশে আসার সময় বিমানে হুডিনিকে নিয়ে দেখা দুই পর্বের এক মিনি টিভি সিরিজ। তন্ময় হয়ে যাত্রার শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত দেখছিলাম!