Archive

May 9th, 2009

পঁচা কাদায় আটকে পড়া একজন

নীড় সন্ধানী এর ছবি
লিখেছেন নীড় সন্ধানী (তারিখ: শনি, ০৯/০৫/২০০৯ - ১২:২৭অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

অফিসের গেট থেকে সিকিউরিটি ফোন করে জানালো জামান নামের একজন আমার সাথে দেখা করতে চায়।

জামান। আমি দুই সেকেন্ড চুপ থাকলাম নামটা শুনে। বিরক্ত হবো কিনা ভাবছি। দুই সেকেন্ডে আমার মস্তিস্কের কোষগুলো যেন কয়েকশতবার স্মৃতিভ্রমন করে এলো। ওকে অফিসে আসতে দেয়া ঠিক হবে কিনা বুঝতে পারছিলাম না। বললাম- আমি আসছি।

জামান একটা জীবন্ত উপন্যাসের ট্র্যাজিক হিরো কিংবা ভিলেনের নাম। ঔপন্যাসিকের চোখে ...


কত কপি করে রে!

শামীম এর ছবি
লিখেছেন শামীম (তারিখ: শনি, ০৯/০৫/২০০৯ - ১২:২৩অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

(ফালতু ব্লগর ব্লগর)
কয়েকদিন আগেই আগের সেমিস্টার (ট্রাইমিস্টার) শেষ হলো। ঠিক সময়ে খাতা দেখে জমা দেয়া অসম্ভব বলে মনে হয়েছে এ পর্যন্ত। শেষ যেই খাতার বান্ডিলটা ছিল, সেটা দেখে মনে হল - বেশ কয়েকজন ভরপুর নকল করেছে। ঐ পরীক্ষায় ইনভিজিলেটর কে ছিল সেটা খেয়াল নাই (আমি ছিলাম না); তবে সে সম্ভবত পরীক্ষার গার্ড দেয়ার বদলে নিজের ভাগের খাতা দেখেছে বসে বসে।

এই গ্রুপটার খাতা আগেও দেখেছি দুটো মিডটার্...


যে জলে মরা ডুবেনা-১

মামুন হক এর ছবি
লিখেছেন মামুন হক (তারিখ: শনি, ০৯/০৫/২০০৯ - ১২:১১অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

অতি প্রয়োজনীয় দ্রষ্টব্যঃ অত্র কাহিনীমালা আগা গোড়াই বানোয়াট, গাজাখুরী বলিলেও মাত্রাতিরিক্ত হইবেনা। ইহার সহিত জীবিত, মৃত বা জীবন্মৃত কোন ব্যক্তি বা স্থান-কাল-পাত্রের কোনই সামঞ্জস্য নাই। দৈবক্রমে কিছু মিলিয়া গেলে উহাকে উইশফুল থিংকিং বলিয়া গন্য করিতে হইবে।
সতর্কবানীঃ যে বা যাহারা অত্র বানোয়াট কিচ্ছার মধ্য হইতে বাস্তবের লেশ মাত্র খুজিয়া ফিরিবেন, বা খোচা খুচি করিবেন তাহাদিগকে...


অসুখ

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: শনি, ০৯/০৫/২০০৯ - ১১:৩৪পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

অসুখ

মণিকা রশিদ

>>>>>>>>>>>
মৃত্যুর প্রচ্ছদে শুয়ে জানি
ব্যথা তুমি জীবন শেখাও।
বেঁচে থাকা জলকেলী শেষে-তোমার বারান্দায় এসে থামি
অস্পস্ট-মুখর!
হলুদ হীরের মত উদ্বত কবন্ধ খুলে নাচে সবগুলো জীবন অক্ষর
সীমানার বাইরে এসে আবারও যে স্তব্ধ অন্তরায়
ডেকে যায়
আরো কিছুদিন, কিছুদিন থাকো-ও পুরোনো পাতা!

অবাঞ্ছিত ব্যথা তুমি বাঞ্ছিত মমতার কন্ঠে সোহিনী বাজাও
ব্যথা তুমি বিদ্যুতের মতন করে এসে
জীবন শ...


বন্ধু হে আমার রয়েছো দাঁড়ায়ে

s-s এর ছবি
লিখেছেন s-s (তারিখ: শনি, ০৯/০৫/২০০৯ - ৯:৫৯পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আজ সকাল থেকেই ,রুনরুন করে বাজছে আমার কানের ভেতর, প্রাণের ভেতর এই সুর, এই গান। আর কি দেবো বল্ তোকে, আমার ভক্তিরসের নমুনা তো তুই জানিস্ ই, তারপরেও পূজা পর্যায়ের একটা গান কেন এত গেঁথে যায় , এত ভেতরে, কি'জানি রে সোনা। রবিবুড়োর জন্মতিথির পুরোটা কাটলো বিস্মরণে, আর সবচাইতে বড় আবিষ্কার এই চরণ দু'খানি-

ভুবন মিলে যায়, সুরের রণনে
গানের বেদনায় যাই যে হারায়ে

বলতে নেই, প্রেম একটা চমৎকার জিনিস!

Get...


রাত্রিদিনের রবীন্দ্রনাথ

সুমন সুপান্থ এর ছবি
লিখেছেন সুমন সুপান্থ (তারিখ: শনি, ০৯/০৫/২০০৯ - ৬:২৯পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আমি দেখি ছায়া, তসবির, মাখামাখি লেপ্টানো মমতার কাজ
প্রতিদিনের ক্ষয় শেষে প্রষ্ফুটিত রহস্যপ্রবণ ওই ছবি
ক্রমশ আবছা হয়ে আসে ত্বকরেখা, হে রাজাধিরাজ
নিয়ত দিচ্ছো মুছে; আঙুলের ক্যারিসমায় বাজাচ্ছো ভৈরবী

আমি শুনি দূর গ্রামে মানুষের মৃত্যু হলে
ফুটছে কিছু তৃণফুল, তোমারই নামে গুরু হে
জন্ম থেকে মৃত্যু অবধি এইসব গূঢ় কৌতুহলে
কারা যেন ফোটাচ্ছে হুল, বিষপ্রবনতা, দুরগামী রুহে

আমি আর কোথাও না ...


পিছনে বসার ফজিলত

জুলফিকার কবিরাজ এর ছবি
লিখেছেন জুলফিকার কবিরাজ (তারিখ: শনি, ০৯/০৫/২০০৯ - ৫:৪৩পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

সৌজন্যতা বিনিময় শেষে এক আত্মীয়া প্রশ্ন করলেন আকস্মিক ভাবে,
ক্লাশে তুমি কোথায় বস?
আমি বল্লাম, কেন? বরাবরই পিছে।
যুক্তি ছড়ালাম এই বলে:
পিছে বসার অনেক উপকার আছে;
পিছে বসলে সতীর্থদের ফলো করা যায়, কে কত টুকু অমনোযোগী।
কার চুম্বক ক্ষেত্রের বিস্তৃতি কতটুকু তা এঁচে নেয়া যায় ছাত্র-ছাত্রীর দৃষ্টির ক্রসকানেকশন দেখে।

শিক্ষকতাকে কে ব্রত হিসাবে নিতে পেরেছেন,
দ্বায়িত্বে কে খলিফা ওমর - সে ষ্...


তেপান্তরের মাঠ

শামীম রুনা এর ছবি
লিখেছেন শামীম রুনা [অতিথি] (তারিখ: শনি, ০৯/০৫/২০০৯ - ৪:৫৫পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

মাঝে মধ্যে আমার চোখের সামনে ভেসে উঠে তেপান্তরের মাঠ । ধু-ধু সীমানাহীন মস্ত এক মাঠ ! আমার শৈশব কেটেছে রূপকথার তেপান্তরের মাঠের কিচ্ছা শুনে শুনে । যে মাঠের এক প্রান্তর থেকে ওপর প্রান্তর যেতে পক্ষীরাজ ঘোড়ায় চেপে রাজপুত্রের লেগে যেত সাত দিবস-রজনী । আব্বার মুখে , মেজো বোনের মুখে কত বারই না শুনেছি তেপান্তরের মাঠের কিচ্ছা , শুনে শুনে বার বারই মনে হয়েছে এযে আমার খেলার মাঠের গল্প ! যে মাঠে ...


আছো শুধু তুমি গুরুদেব...

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: শনি, ০৯/০৫/২০০৯ - ৪:২৭পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আজ আকাশে, আলো আছে ভরা
চাঁদের পাশে, আছে কত তারা
শুধু তুমি নেই, শুধু তুমি নেই গুরুদেব...

আজো জল পরে
আজো পাতা নড়ে
তবু সে পাতা আজ একা রয়ে যায়,
কাঁদে আজো হিয়া
ফোঁটে ক্যামেলিয়া
তবু তার স্থান নেই, কোন কবিতায়।

কাঁচ ভাঙে নিত্য
সে পুরাতন ভৃত্য
আজ তার কান্না আর কেউ দেখে না,
পাষাণ খয়ে যায়
ছোট নদি বয়ে যায়
তার চলা দেখে আর কেউ শেখে না।

আজ পঁচিশে বৈশাখে
সাজ সাজ চারিদিকে
তোমারই আলো, তোমারই আলো গুর...


আমি আমার মায়ের কথা বলছি। (অখন্ড)।

জাহিদ হোসেন এর ছবি
লিখেছেন জাহিদ হোসেন (তারিখ: শনি, ০৯/০৫/২০০৯ - ১২:৫৫পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

(এই লেখাটি অন্য নামে আরেকটি ব্লগসাইটে প্রকাশিত হয়েছিল প্রায় একবছর আগে। জানিনা এই লেখাটি সচলায়তনের নীতিমালাকে লংঘন করলো কিনা।
লেখাটি একটু বড় বলে প্রথমে অর্ধেকটা দিয়েছিলাম। এখন শেষের অংশটুকুও একসাথে জুড়ে দিলাম। সবার ধৈর্য্যের পরীক্ষা হবে তাতে।)

আমাদের শৈশব বা কৈশোরের সময়টি ছিল বড় অদ্ভুত। আজকের সময়ের সাথে তুলনা করলে মনে হয় কত কিছু জিনিস ছিলনা তখন। এখন যেমন একটি স্কুল বা কলেজ ...