Archive - জুল 6, 2011 - ব্লগ

দেশবিদেশের উপকথা-অর্ফিউস আর ইউরিডাইসের গল্প(গ্রীক)

তুলিরেখা এর ছবি
লিখেছেন তুলিরেখা (তারিখ: বুধ, ০৬/০৭/২০১১ - ১০:০১অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[i]কোথা থেকে শুরু করি অর্ফিউস আর ইউরিডাইসের গল্প? কেবলই মান্ডুর বাজবাহাদুর আর রূপমতীকে মনে পড়িয়ে দিচ্ছে যে! বাজবাহাদুর তারা-ঝমঝম আকাশের তলা দিয়ে রূপমতীর প্রাসাদের দিকে আসছে আর আসছে, কিছুতেই আর পথ ফুরায় না। ঠিক তখনই নিজের প্রাসাদের ছাদের উপরে বসে রূপমতী মধ্যরাতের রাগিণীতে আকাশেবাতাসে ছড়িয়ে দিচ্ছে আকুলতা। ওরা দু'জনেই জানতো বিরহই আসল মিলন, ফুরায় না ফুরায় না ফুরায় না।


তবু কোথাও নিঃশ্বাস আছে, আছে পরিত্রান [ পর্ব এক]

হাসান মোরশেদ এর ছবি
লিখেছেন হাসান মোরশেদ (তারিখ: বুধ, ০৬/০৭/২০১১ - ৫:২৩অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[sup]
বিলেত বাসের দিনগুলোতে ঘুরোঘুরি ছিলো ইচ্ছেমতোন। ঢিল ছুঁড়া দূরত্বে সমুদ্র, পাহাড় আর লেক থাকলে সবচে অলস মানুষ ও কি বসে থাকতে পারে? এমন অনেকদিন আমি, মুন্নী, মৃন্ময় পরিকল্পনা ছাড়াই ঘুরতে ঘুরতে পৌঁছে গেছি অচেনা কোন স্কটিশ গ্রামে- আদিগন্ত উপত্যকা সেখানে, দুশো বছরের পুরনো পাব, হাজার বছরের চার্চ, অনাবিল আকাশ আর মেঘের উদ্দামতা।


শিক্ষক কর্তৃক ছাত্রীকে যৌন নির্যাতন, প্রকাশিত খবর এবং দৈনিক আমাদের সময়ে ৩+৩ পাঠকের মন্তব্য

কুলদা রায় এর ছবি
লিখেছেন কুলদা রায় [অতিথি] (তারিখ: বুধ, ০৬/০৭/২০১১ - ৯:৪৬পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

খবরটি পড়ুন--
ভিকারুননিসা নুন স্কুল এন্ড কলেজের একজন শিক্ষক ছাত্রীর শ্লীলতাহানি করেছেন। নিপীড়িত ছাত্রীর পিতা ঐ শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন। মিটিং মিছিল করছেন স্কুলের ছাত্রী-আভিভাবকগণ। স্কুল কর্তৃপক্ষ শিক্ষককে বরখাস্ত করছেন। পুলিশ উক্ত অভিযুক্ত শিক্ষককে খুঁজছে। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গুরুতর।

বিস্তারিত পড়ুন--


টুকুন পোস্ট। ২।

শুভাশীষ দাশ এর ছবি
লিখেছেন শুভাশীষ দাশ (তারিখ: বুধ, ০৬/০৭/২০১১ - ৯:৪১পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify]১।

দীর্ঘদিনের হরতাল সামনে। ইদানীং মনে হয় আমরা প্রায় সবাই খুব অল্পই জীবন কাটাই, বাকিটা রাজনীতি।

২।


শিক্ষক যখন যৌন নির্যাতনকারী: সাম্প্রতিক ঘটনার প্রেক্ষিতে (আপডেটেড)

ফাহিম হাসান এর ছবি
লিখেছেন ফাহিম হাসান (তারিখ: বুধ, ০৬/০৭/২০১১ - ৯:৩৬পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:


মিডিয়াভিজ্ঞতা: ০১

মির্জা এর ছবি
লিখেছেন মির্জা (তারিখ: বুধ, ০৬/০৭/২০১১ - ৩:২৪পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

“Betaa, I am sorry, I did not mean to be rude, but I did not sleep last night------- so I fell asleep, please don’t mind”

ওনাকে নিজের চোখের সামনে দেখতে পাচ্ছি সেই বিহবলতাতেই আমি কিংকর্তব্যবিমূঢ়!! আর তিনি কিনা চাইছেন ক্ষমা? রেকর্ডিং শেষে গাড়িতে যেতে-যেতে ঘুমে চোখ লেগে যাওয়ায় ওস্তাদ আমজাদ আলি খাঁ আমাদের কাছে ক্ষমা চেয়ে নিয়েছেলেন শুরুর কথাগুলো বলে।

-- -- -- -- --


নীল নাকফুল ৪

শাহীন হাসান এর ছবি
লিখেছেন শাহীন হাসান (তারিখ: বুধ, ০৬/০৭/২০১১ - ২:৫২পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

চেরী ফলের টিপ

তোমার লাল-টিপ্‌গুলো এখনো রয়ে গেছে সবুজ
কাজ চলছে, কবির হৃদয়ে এখনো চলছে কাজ :

চেরী ফলের সবুজ গুটিগুলো
রোদে ভিজে চকচক করছে,
বৃক্ষটা গীতার শ্রীকৃষ্ণের মতো
চতুর্ভঙ্গনৃত্যে ফলবতী ডালগুলোকে
মেলে ধরেছে নিসর্গের উদ্যানে। সেখানে দুপুর বাজিয়ে
চলেছে ঝুমুর, উদাসীন বাঁশি।
পাখিরা ঝোপে জিরিয়ে নিচ্ছে।

জগতের যাবতীয় অকল্যাণ
অগ্রাহ্য করে, একদিন রঙ ধরবে


বাঁচতে চাই; বাঁচাতে চাই

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বুধ, ০৬/০৭/২০১১ - ১:৪০পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

খবরের কাগজে আজকাল অকাল মৃত্যুর খবর দেখলে আগের মতন আর গা শিরশির করে না। স্নায়ুতন্ত্রও বোধহয় বিরক্ত; কত আর প্রতিক্রিয়া দেবে? যখন খবরের কাগজে পড়ি যে চার বছরের শিশু জিহাদকে অপহরণকারীরা পানিতে ডুবিয়ে হত্যা করেছে, তখন হয়তো মূহর্তের জন্য থমকে যাই, অস্ফূট স্বরে ‘ইশ’ বলি, কিন্তু পরের মিনিটেই অন্য খবরে চোখ রাখি। যখন পড়ি শাশুড়ি-বউয়ের ঝগড়ার সময় মায়ের কোল থেকে ছয়-মাসের শিশুকন্যাকে নিয়ে আছড়ে ফেলে হত্যা করা হয়েছে, তখন শিউরে উঠি, কিন্তু পরক্ষনেই দীর্ঘশ্বাস ফেলি এই মনে করে যে গ্রামে এমন কত আরো ঘটনা ঘটছে যা হয়তো খবরের কাগজে জায়গাও পায় না। এটাই বাস্তবতা হিসেবে মেনে নেই। যারা পত্রিকা পড়ি তাদের কাছে এসব সচারচর ঘটনা, এতটাই যে খবরের প্রথমটুকু পড়তে পড়তে শেষটা অনুমান করে ফেলতে পারি। বারবার একই ধরণের নিষ্ঠুর ঘটনাগুলো পড়তে পড়তে আজকাল খুব অবাকও হই না, মেনে নেই, মেনে নিতে হয়। অভিযোজন বা পরিবেশের সাথে নিজেকে খাপ খাইয়ে নেয়া তো শুধু মানব ধর্ম না, অস্তিত্ব রক্ষার জন্য জীবজগতের নিয়ম। রাতে শান্তিতে ঘুমানোর জন্যই আমাদের স্নায়ু সুচতুরভাবে অনুভূতিগুলোকে ভোঁতা করে দেয়।


দু'টি রাস্তার সংযোগস্থলে

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বুধ, ০৬/০৭/২০১১ - ১:৩৮পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

দু'টি রাস্তার সংযোগস্থলে

এম আব্দুল্লাহ

দু'টি রাস্তার সংযোগস্থলে এসে আমি যখন অপক্ষোকৃত অচেনা রাস্তাটি বেছে নিলাম তাতেই তুমি ক্ষেপে গেলে । আমাকে আনস্মার্ট মনে হল তোমার। গো ধরলে একলা চলার। তারপর থেকে একটি বার ফিরে তাকালে না পেছনে। আমার ছেলেকেও নিয়ে গেলে সাথে ।