ব্লগ

'সত্য যে কঠিন'

প্রৌঢ় ভাবনা এর ছবি
লিখেছেন প্রৌঢ় ভাবনা [অতিথি] (তারিখ: সোম, ১৫/০৯/২০১৪ - ১২:৪৬পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

সেদিন গিয়েছিলাম এক আত্মীয়কে দেখতে। তিনি বার্ধক্যজনিত রোগে আক্রান্ত। অনেকদিন ধরেই শয্যাশায়ী। ডাক্তার আগেই জবাব দিয়েছেন। খবর পেয়েছিলাম তাঁর শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক। অন্তিম সময় উপস্থিত।
যানজট এড়াবার জন্য অফিস ছুটির আগেই গিয়েছিলাম।


পাবলো নেরুদার ভালবাসার সনেট - ৬১

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: রবি, ১৪/০৯/২০১৪ - ১১:২৫অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

ভালবাসা তার লম্বা লাঙ্গুলে
একরাশ অদম্য, কর্কশ কাঁটার রেখাপথ রেখে যায়,
আর আমরা দু'জন চোখ মুদে পার হই এ বেভুল পথ,
যেন কোনো জখম আমাদের চিরে ফেলতে না পারে দু'খণ্ডে।

অপরাধী কোরো না তোমার জলভরা চোখ,
তোমার হাত তো বিদ্ধ করেনি তরবারি,
তোমার পদতল খোঁজেনি এ পথ,
এক ঘট শ্যামল বিষণ্ণ মধু, নিজেই এসে ভরেছে হৃদয় তোমার।

যখন বিপুল ঢেউ-তোলা প্রেম, আমাদের লুফে
আছড়ে ফেলে বিশালকায় পাথরের গায়, সে আঘাতে


অকালবোধন

গান্ধর্বী এর ছবি
লিখেছেন গান্ধর্বী [অতিথি] (তারিখ: রবি, ১৪/০৯/২০১৪ - ১১:২৪অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

‘প্রিয় বাতিঘর,

এই সম্বোধনে আপনার মুখে যে একচিলতে হাসি ফুটে উঠেছে সে আমি কল্পনা করে নিতে পারছি। আপনি উপহাসের হাসি হাসতে পারেন কিন্তু এ ছাড়া আর কোনো শব্দ খুঁজে আমি পেলাম না।


পূর্ব ইউরোপ-১ (পরিকল্পনা)

তারেক অণু এর ছবি
লিখেছেন তারেক অণু (তারিখ: রবি, ১৪/০৯/২০১৪ - ৬:৩২অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

ব্লগার ওডিন বলল- অণুদা, যতই ঘোরাঘুরি করেন আপনার বিবেচনায় আপনার সেরা ভ্রমণ অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের উত্তরবঙ্গে আর পূর্ব ইউরোপে! জানতে চাইলাম- কেন?


বাংলার বনফুল-২

আব্দুল গাফফার রনি এর ছবি
লিখেছেন আব্দুল গাফফার রনি [অতিথি] (তারিখ: শনি, ১৩/০৯/২০১৪ - ৫:৩৮অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:


আবৃত্তির আবির্ভাব

পুতুল এর ছবি
লিখেছেন পুতুল (তারিখ: শুক্র, ১২/০৯/২০১৪ - ৩:৫৭অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:


হাওয়ার মুখে বাঁশি ধরে বসে আছে কবি শাহীন হাসান কৃষ্ণের মতো। সখিগন সাথে জলকে চলেছে বুলা, যমুনায়। তার রূপে মুগ্ধ হয়ে বাঁশি রেখে
নিজের কণ্ঠে গান ধরেছে কৃষ্ণ...
কোন বা বৃক্ষের পুষ্প গো লাগে চিনি চিনি
চোখেতে মধুর চাওয়া, মুখে হিরামনি।


তবু কেবলই দৃশ্যের জন্ম হয়- ২

তারেক অণু এর ছবি
লিখেছেন তারেক অণু (তারিখ: বিষ্যুদ, ১১/০৯/২০১৪ - ৭:৪৫অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

শরতের রাত দীর্ঘ তখন, বাংলাদেশ হলে হেমন্ত বলা যেত, উত্তরের দীর্ঘ সূর্যময় দিন আস্তে আস্তে গেরিলা আক্রমণে দখল করে নিচ্ছে আসন্ন শীতের অন্ধকার। সন্ধ্যা এখন ঝুলে থাকে আলোআধারির আকাশে দীর্ঘক্ষণ, রাত্রি দ্বি-প্রহরেও মৃদু আবছা আলো ফেরারি প্রেতাত্মার মত ঘুরে বেড়ায় ইতস্তত। জার্মান বন্ধু ম্যাথিয়াস গ্যাঞ্জারের সাথে গিয়েছি বড়শি দিয়ে মাছ ধরতে এক ফিনিশ হ্রদে। মাছ ধরায় ও রান্নায় দারুণ দড় ছেলেটা, প্রায়ই বিশাল সব পা


জগতজ্যোতি, শেখ মুজিব ও অভিজাততন্ত্রের কালোজাদু

হাসান মোরশেদ এর ছবি
লিখেছেন হাসান মোরশেদ (তারিখ: বিষ্যুদ, ১১/০৯/২০১৪ - ৩:৩৭অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify]
ছোট্ট করে জগতজ্যোতি দাসের কথা বলা যাক।
জগতজ্যোতি কোন মেজর, কর্ণেল, এয়ারমার্শাল কিংবা সৈনিক ও ছিলেন না। ছিলেন মাত্র একুশ বছরের এক সামান্য কলেজ ছাত্র। এই সামান্য ছেলেটা কী করেছিল- একটু মনে করা যাক। ভাটিবাংলার বিশাল হাওরবেস্টিত এলাকা- সুনামগঞ্জ, নেত্রকোনা, কিশোরগঞ্জ,হবিগঞ্জের প্রায় প্রতিটি থানা মুক্তিযুদ্ধের সময় স্বাধীন হয়েছিলো তার নেতৃত্বে। ৩৬ জনের দল নিয়ে তার বাহিনী ‘দাসপার্টি’ । সাব সেক্টর হেডকোয়ার্টার ছিলো তাহিরপুরের বড়ছড়া (টেকেরঘাট)। সেই তাহিরপুর থেকে জামালগঞ্জ, দিরাই, খালিয়াজুড়ি,মদন, মার্কুলি, আজমিরীগঞ্জ, বানিয়াচং, বাহুবল হয়ে আশুগঞ্জ পর্যন্ত সে ছোটে বেড়াতো দেশী নৌকা নিয়ে। মার্কুলির কাছে পাক আর্মির জাহাজ ডুবিয়ে দেয়ার কৃতিত্ব তার। জগতজ্যোতির ও তার দাস পার্টির ভয়ে ভৈরব থেকে সুনামগঞ্জ পর্যন্ত নৌ চলাচল বন্ধ ঘোষনা করতে বাধ্য হয় পাক আর্মি এবং এয়ারফোর্স সাপোর্ট সহ বিশেষ কমান্ডো টিম পাঠানো হয় শুধুমাত্র জগতজ্যোতিকে টার্গেট করে।
১৬ নভেম্বর ১৯৭১ শেষ যুদ্ধে শহীদ হবার পর তার লাশ প্রথমে আজমীরিগঞ্জ বাজারে পেরেক বিদ্ধ করে রাখা হয়েছিলো প্রদর্শনীর জন্য, তারপর নৌকায় করে ঘাটে ঘাটে দেখানো শেষে ভাসিয়ে দেয়া হয়েছিলো ভেড়ামোহনা নদীতে।