গুরুচন্ডালী (সচলায়তন স্পেশাল এডিশন)

ধুসর গোধূলি এর ছবি
লিখেছেন ধুসর গোধূলি (তারিখ: বিষ্যুদ, ০২/০৭/২০০৯ - ৭:০৩পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

ধিকিধিকি আগুন জ্বলে...

নাহ, বুকে ছাই চাপা আগুনের কথা বলছি না। দাবাণলে কোনো বন উজার হওয়ার খবর নিয়েও আসি নাই। বরং বন-এ গরমের চোটে নানান কিছু দেখতে দেখতে অতিষ্ঠ হয়ে যাওয়া চোখের কথা বলছিলাম আরকি! শুষ্ক বাতাসে, প্রচণ্ড তাপদাহে দুম করে বিষণ্ণতা ভর করে বসে মনে। কোনো একটা গানে শুনেছিলাম, দুপুরের রোদগুলো নাকি নীল হয়! কে জানে গায়ক কুমার বিশ্বজিৎ হয়তো তেমনি কোনো এক রোদেলা দুপুরে কোনো এক কন্যাকুমারীর কাছে কয়েক হাজার ভোল্টের ছ্যাঁকা খেয়েছিলেন। বেদনায় নীল হয়ে গিয়েছিলেন হয়তো। সেই তখন থেকেই দুপুরের রোদকে তাঁর কাছে নীলচে নীলচে লাগে, সেই মায়াযুক্ত আলোর মতোন!

আপাততঃ সেই সৌভাগ্য হয়নি বলে এখনো দুপুরের রোদকে আমার ঝলমলে রোদই মনে হয়। রোদেলা দুপুর! (বাহ্, বেশ কাব্যিক একটা নাম দেয়া গেলো বটে!) কিন্তু তাহলে ঐ যে বলছিলাম বিষণ্ণতার কথা, সেটাই বা কেনো! আচ্ছা বলছি।

কচকচে বালু আছে না? ঐ যে সিমেন্টের সাথে মিশিয়ে দালান বানানোতে যে বালু ব্যবহার করে পাবলিক। সাদা সাদা বালু, একদম শুকনো, ঝরঝরে। ঐরকম বালুর ঢিবিতে গিয়ে মুঠি পাকিয়ে খুব শক্ত করে কখনো সেই বালু মুঠোবন্দী করেছেন কেউ? যদি করে থাকেন তাহলে বুঝবেন! আপনি যতো শক্ত করেই মুঠোটা বন্ধ করবেন, আঙুলের ফাঁক গলে ততোই বালু গড়িয়ে পড়ে যাবে। আপনি আবার চেষ্টা করবেন, আবার এক মুঠো বালু তুলবেন, মুঠোর আঁটুনি শক্ত করবেন, আবারো গড়গড়িয়ে পড়ে যাবে সব। খেলাটা মজার না!

এই মজার খেলাটাই আমি খেলি। একেকবার অগোছালো সবকিছু গুছিয়ে আনি, তারপর খুব শক্ত থাবায় আঁকড়ে ধরি, তারপর অসহায়ভাবে আঙুলের ফাঁক দিয়ে তার গড়িয়ে পড়া দেখি। নিজের কোনো কিছুই আর গোছানো হয় না। অগোছালোই থেকে যায় সব, আরও এলোমেলো হয়ে যায়। মনটা ভয়ানক বিষণ্ণ হয় কোনো রোদেলা দুপুরে, যখন আমি একা থাকি, একা হাঁটি নিজের সাথে বোঝাপড়া করতে করতে...!

পুরনো সেই দিনের কথা...

তারিখটা মনে নেই, সালটা ২০০৬ আর মাসটা জানুয়ারী। খুব বাজে সময় কাটে আমার তখন। সারাদিনের কুত্তা ব্যস্ততার শেষে রাতের বেলা রাইনের পাড়ে বসে থাকি, হাঁটি, আলো জ্বেলে চলে যাওয়া কয়লা-পাথর বোঝাই শম্ভুক গতির 'টাইটানিক' দেখি। রাতের শেষ ট্রেন ধরে নিজেকে টেনে টেনে ঘরে ফিরি। পালিয়ে বেড়াই সবকিছু থেকে। আমি আমার একাকীত্ব উপভোগ করি চেটেপুটে। ছুটির দিনগুলোয় সকাল বেলা বেড়িয়ে পড়ি। যেদিকে দুচোখ যায়, চলে যাই। ক্ষিধে পেলে এটা সেটা খাই। দিনের শেষে ঘুরেফিরে আবার সেই রাইনের পাড়, আবারো নিজের সঙ্গে নিজের আড্ডা মারা, আবারো সেই শেষ রাতের ট্রেনে ছোট্ট ঘরে ফেরা। খুব নিঃসঙ্গ, খুব বিষণ্ণ একটা সময়। পাথর সময়।

তেমনি একদিন, প্রথম আলো পড়তে গিয়ে বিশাল বড়ো একটা নাম দেখি একটা সাইটের। সাইটের ব্যাপারে কী কী যেনো সব লেখা ছিলো, ভুলেও গেছি এতোদিনে। ঠিকানাটা কপি করে নিয়ে এক্সপ্লোরারের এ্যাড্রেসবারে পেষ্ট করে এন্টার চাপতেই চোখের সামনে বাংলায় লেখা একটা সাইট ভেসে উঠলো। স্রেফ এতোটুকুই, আর কিছু মনে নেই। কারণ এর বেশি সময় তখন ব্যয় করিনি সাইটটির পেছনে।

তার বেশ কিছুদিন পর দুপুরের দিকে, সময় একটু ফাঁকা পাওয়াতে দিনকয়েকের পুরনো স্মৃতি থেকে তুলে এনে ইংরেজী বর্ণগুলোকে সাজাই একের পর এক, তারপর আলতো এন্টার চাপি। বাংলা লেখার পাশাপাশি দেখি এক লোক ১২ এ্যাপোসলস-এ ঠেস দেয়া নিজের ছবি টাঙিয়ে রেখেছে প্রথম পাতায়। ভদ্রলোকের চোখের গগলস, পরনের বেশের সাথে পোর্ট ক্যাম্পবেল ন্যাশনাল পার্কের বিখ্যাত জায়গাটার এমনতর দূর্লভ ছবি দেখে মজা পেয়ে গেলাম। ভাবলাম, "এইখানে তাইলে আমার চাইতেও বেকুবে সয়লাব হয়ে আছে। যাই ইট্টু মজা লই"। - এই এখান থেকেই আসলে ধুসর গোধূলি'র যাত্রা শুরু, এখান থেকেই জন্ম হয় এক নতুন চরিত্রের।

নতুন বোতলে নতুন পানীয়...

ধুসর গোধূলি'র জন্মের সাথে সাথে এর পেছনের মানুষটা আড়ালে চলে যেতে থাকে ধীরে ধীরে। অনেকটা স্বেচ্ছা নির্বাসনের মতো। ধুসর গোধূলি'র চারপাশে তাকে ঘিরে গড়ে ওঠে একটা আলো ঝলমলে উঠোন। সেই উঠোনে কোনো ক্লান্তি নেই, কোনো ক্লেশ নেই, কোনো খেদ নেই, কোনো বেদনা নেই, কোনো বিরহ নেই, কোনো কষ্ট নেই। আছে কেবলই আনন্দ। ধুসর গোধূলি এমনই একটা অস্তিত্ব যার কোনো কিছুতেই মন খারাপ হয় না, কোনো কিছুতেই সে দুঃখ পায় না। সারাক্ষণ হাসিখুশি, চঞ্চল, চটপটে। খুব ভালো বক্তা সে না, তবে খুব ভালো শ্রোতা। কাউকে মন খারাপ করে থাকতে দেখলে তার ভালো লাগে না। তার আশে পাশে সবারই সবসময় হাসিখুশি থাকা চাই। সবসময় খোঁচাখুঁচি করতে থাকা চাই। জীবনের এগুলোই মূল্যবান লক্ষ!

প্রথম আলো থেকে খুঁজে পাওয়া সেই বাংলা ব্লগিং সাইটে ধুগোময় পদচারণার সাথে সাথে বাড়তে থাকে পরিচিতির গণ্ডি। প্রথমে জার্মানীর একজন, তারপর সেই সূত্রে- এই সূত্রে আরও অনেকে, অনেক জায়গায়। 'একই পালকের পাখিরা সবসময় একই সঙ্গে জড়ো হয়'- কথাটা সত্য প্রমাণ করতেই হয়তো একদিন সচলায়তনের জন্ম হয়ে যায় অনেক ঘটনার মধ্য দিয়ে। তারপর সেটা বাড়তে থাকে সবার কোলে কোলে, আদরে আদরে। পরিণত হয় আজকের বিপুল সংখ্যক সদস্য-শুভানুধ্যায়ী বুকের জমিনে ধারণকারী 'প্রিয় সচলায়তনে'।

দুই হাজার ছ'য়ের জানুয়ারীর শেষ দিকে জন্ম নেয়া সত্তা ধুসর গোধূলি যথাসম্ভব চেষ্টা করেছে নিজের স্বকীয়তা বজায় রাখতে। চেয়েছে নির্বাসনে চলে যাওয়া চরিত্রটাকে চিরকালই দূরে রাখতে। কিন্তু পেরেছে কি? পেছনের সব অমীমাংসিত ঝামেলা নিয়ে নির্বাসিত সত্তার ভূত প্রায়ই ভর করে এসে ধুসর গোধূলি'র কাঁধে। তাই ধুসর গোধূলিও মাঝে মাঝে বিষণ্ণ হয়, ধুসর গোধূলি'রও মাঝে মাঝে মন খারাপ হয়, ধুসর গোধূলি'রও যে মাঝে মাঝে কষ্ট হয়, ভয়ানক কষ্ট...!



[কয়েকটা মন্তব্য পড়ে বুঝলাম, লেখাটা লিখা আসলে ঠিক হয়নি। এই ঠিক না হওয়া কাজটাকে কিছুটা প্রশমন করার জন্যই নিচের অংশটুকু বাড়তি সংযোজন।]

জনগণ এখানে সেখানে নিজের গাওয়া গীত সংযোজন করে, আমিও করলাম সচলায়তনের জন্মদিন উপলক্ষে। কিন্তু ক্যাচাল লাইগা গেলো দেখি! এরম ক্যা?


মন্তব্য

প্রকৃতিপ্রেমিক এর ছবি

জানার মাঝে যেমন অজানারে সন্ধান করতে হয়, তেমনি ধুসরের হাসিহাসি-মজামজা-মন্তব্যমন্তব্যখেলা'র মাঝেই আমি ধুসরকে খুঁজি। চলুক

তবে মাঝে মাঝে ভয় পাই, বেশি হাসিহাসি মানুষ অনেক কিছু লুকিয়ে রাখে। আশা করি সেরকম কিছু নয়।

ধুসর গোধূলি এর ছবি

- হা হা হা পিপিদা, নাহ কিছু লুকায়ে রাখি না। হঠাৎ পুরনো তানপুরাটা নিয়ে ধুলো সরিয়ে একটু টুংটাং করলাম। এই আরকি! হাসি
___________
চাপা মারা চলিবে
কিন্তু চাপায় মারা বিপজ্জনক

ইশতিয়াক রউফ এর ছবি

কোন ব্যাপার না। আরাম করে একটা ঘুম দেন, ঠিক হয়ে যাবে সব। অধমেরও এমন কিছু বিষণ্নতা আছে, সেগুলো পরে বলবো নে। এক সাথে সবার বিমর্ষ হওয়া ঠিক না। খাইছে

ধুসর গোধূলি এর ছবি

- বিদ্যুৎ চমকানোর পর যদি কানে বজ্রপাতের শব্দ চলে আসে তার মানে হলো বাজ ইতোমধ্যে কোথাও পড়ে গেছে!

ধুগোর বিমর্ষের ব্যাপারটাও তেমন। ধুগো সেটা প্রকাশ করে ফেলা মানে আকাশ ফকফকা, পরিষ্কার। অতএব আপনি চাইলে এখনই বলতে পারেন বিমর্ষের কথামালা। কিন্তু মনে রাখবেন, বিষণ্ণতা একটি রোগ! হাসি

আরাম করে ঘুম তো দিতে পারলাম না। এই দুঃখে এখন সারাটা দিন ঘুমাতে ইচ্ছে করছে। মন খারাপ
___________
চাপা মারা চলিবে
কিন্তু চাপায় মারা বিপজ্জনক

ইশতিয়াক রউফ এর ছবি

নাহ, বিষণ্নতা কম হয় আমার। যেটা বেশি বেশি হয় সেটা হইলো মেজাজ খ্রাপ।

আর কয়েক ঘন্টা পর যাচ্ছি পুলসিরাত পার হওয়ার চেষ্টা করতে। বিফলে ফিরে এসে আমিও একটা ধুগো-ইয় পোস্ট দেবো নে। মন খারাপ

গানটা কইলাম ব্রাদার সিরাম হইসে! দেঁতো হাসি

ধুসর গোধূলি এর ছবি

- আপনি তো দেখি ফল লাভের আগেই বিফল হয়ে বসে আছেন।
কেবল বিফলেই ধুগো-ইয় পোস্ট দেয়ার সিস্টেম আছে? নাইলে নাই? আপনে তো দেখি ডুবাইলেন রে ভাই, ধুগোর ধুগোগিরি মিট্টিমে মিলা দিয়া রে! মন খারাপ
___________
চাপা মারা চলিবে
কিন্তু চাপায় মারা বিপজ্জনক

সাইফ তাহসিন এর ছবি

কি ধুগোদা, খালামনিরে না পাওয়ার কষ্টে মন খারাপ করসে চোখ টিপি

=================================
বাংলাদেশই আমার ভূ-স্বর্গ, জননী জন্মভূমিশ্চ স্বর্গাদপি গরিয়সী

ধুসর গোধূলি এর ছবি

- আপনে সেইফ ভাই লুক ভালু না। ডাক্তর মানুষ ইরম ক্যা? কী সব নাউযুবিল্লাহ মার্কা ফটুক দেখায়া আমার মতো ঈমানি বান্দার ঈমান আকিদা পোক্ত কীনা পরীক্ষা নেন! মন খারাপ
___________
চাপা মারা চলিবে
কিন্তু চাপায় মারা বিপজ্জনক

সাইফ তাহসিন এর ছবি

ওই মিয়া, আপনে হইলেন ধুসর গোধুলী , আপনার তো ঈমান ও ধুসর হইবার কথা, কাজেই একটু কলসি পিটায় না দেখলে চলে?

=================================
বাংলাদেশই আমার ভূ-স্বর্গ, জননী জন্মভূমিশ্চ স্বর্গাদপি গরিয়সী

ভুতুম এর ছবি

ঝাইড়া ফালান সব বিষণ্নতা বস্, সচলে কত মানুষরে কত লক্ষবার হাসাইছেন আপনি তার কোন শেষ নাই। এখন নিজে মুখ গোমড়া করে রাখলে চলবো?

-----------------------------------------------------------------------------
সোনা কাঠির পাশে রুপো কাঠি
পকেটে নিয়ে আমি পথ হাঁটি

ধুসর গোধূলি এর ছবি

- বলেন কী! এই গুণ আবার আমার কবে ছিলো? আগে জানলে ঠিকই পঞ্চাশ পয়সা পা/হা (পার হাসি) হিসাব করে নিতাম, বিরাট লস হয়ে গেলো দেখি! মন খারাপ
___________
চাপা মারা চলিবে
কিন্তু চাপায় মারা বিপজ্জনক

অনিকেত এর ছবি

ধু গো,
বড় মর্মস্পর্শী লেখা।

তোমার এই বিখ্যাত Alter ego -এর জন্ম কাহিনী শুনলাম। কিন্তু খুব চমকালাম তোমার সাথে আমার কিছু জায়গায় ভীষন রকমের মিল দেখে। ঠিক তোমারই মতন প্রবাসের প্রথম দিনগুলো আমাকে নির্জনতা ঘাড়ে করে নিয়ে ঘুরতে হয়েছে। কত অসম্ভব রকমের কষ্ট হয়েছে ! এক সময়ে সেটাও সয়ে গিয়েছে।

প্রবাসী সবারই গল্প মনে হয় এই রকমই---

আজ আমরা সকলেই বেঁচে আছি, লড়াই করে যাচ্ছি যার যার অবস্থান থেকে। কেউ হয়ত স্বস্তির নিশ্বাস ফেলার একটু সময় করে নিতে পারছে--অনেকেই পারছে না।

জীবনের এই কষ্টের সময় গুলোতে আমি একটা জিনিস লক্ষ করেছিলাম----আশে পাশের মানুষ সব সময় চায় যন্ত্রণা থেকে একটু ছুটি (হে হে হে ---বিরাট অব্জারভেশান(!)----সেটা কে না চায়?)।আর সামনা সামনি ভদ্রতা করলেও, খুব কম লোকই আসলে অন্যের দুঃখ শোনার মত মানসিকতা লালন করে। সারাদিন হাড়-ভাঙ্গা খাটুনি শেষে ঘরে ফেরতা মানুষ চায় ডানার রৌদ্রের গন্ধ মুছে ফেলতে।

তুমি হয়ত সময়ের সেই রকম এক ত্রিবেনীসঙ্গমে দাঁড়িয়ে বদলে নিয়েছিলে তোমার বহিরাঙ্গ। হয়ত শপথ নিয়েছিলে---যতখন মানুষের আসে-পাশে রইব---ততখন শুধু অফুরাণ হাসি আর ঠাট্টা----সচলায়তনে তোমার কমেন্ট পড়ে সারাটা বিশ্বের আনাচে-কানাচে ছড়িয়ে থাকা কত মানুষ হাসি মুখে ঘুমুতে যায়। প্রচন্ড বাজে একটা দিনের মাঝে হঠাৎ করে স্বস্তির সুবাতাস এসে ছুঁয়ে যায়।কয়েকজন হয়ত হাসতে হাসতে চোখের পানি মুছতে মুছতে ভাবে, উফফ ছেলেটা পারেও--!!!!

আর সব খেলা সাঙ্গ হলে--হয়ত তুমি রয়ে যাও একলা, একাকী। ঘরে ঢোকার আগে দরজার বাইরে রেখে আস তোমার হাসিমুখ।

হয়ত তোমার এইসব কিছুই হয় না।
হয়ত তুমি আসলেই খুব হাসি-খুশি লোক ---
( তোমার আজকের লেখাটা কিন্তু অন্য কথা কইছে---)

বহুদিন আগে নিজের কাছে একটা শপথ নিয়েছিলাম----আমি দিনের পর দিন 'সুখে থাকার ভান' করব। এতে লাভ হল দুইটা। আসে পাশের মানুষ প্রসন্ন থাকে।মন খারাপ থাকলে সেই সুবাদে আরো কয়েকজনের মন ভার করে দেয়ার অনুতাপে পুড়তে হয় না।

আর দ্বিতীয় লাভ হল---এইরকম 'ভান' করতে করতে এক সময় হয়ত নিজেকে যথেষ্ট পরিমানে প্রতারিত করতে পারব---হয়ত তখন 'সত্যি সত্যি' মনে হবে আমি সুখে আছি।

তোমার কথাগুলো পড়ে কেন যেন মনে হল---তুমিও হয়ত তাই করছ---
কি জানি---

ভাল থাকিস, পাগলা---

ধুসর গোধূলি এর ছবি
পান্থ রহমান রেজা এর ছবি

ধূসর গোধুলি'র কথ অজানা কথা জানা গেল! জানা গেল জন্মের ধূসরীয় ইতিহাসখানাও।
বস, জীবন এমনই। বিষন্নতা মাখানো নিঃসঙ্গতাকে সঙ্গী করে। ব্যার্পানা।

ধুসর গোধূলি এর ছবি

- ধুসর গোধূলি লেখার ব্যাপারে খুবই অগোছালো। এখানে দেয় এক খাবলা, তো ঐখানে দেয় আরেক খাবলা। শেষে হয়না কিছুই, না ডাল না খিচুড়ি।

ধন্যবাদ পান্থ ভাই।
___________
চাপা মারা চলিবে
কিন্তু চাপায় মারা বিপজ্জনক

কীর্তিনাশা এর ছবি

গুরু কষ্টগুলা দেন মাটিচাপা
বাগানে ফুটুক দোলনচাঁপা
আর হাসতে হাসতে ব্যাথা হোক
আপনার মুখের চাপা ! দেঁতো হাসি

দুঃখ কষ্টের কোনো ভাত নাই আমগো কাছে, হ ....... !!

-------------------------------
আকালের স্রোতে ভেসে চলি নিশাচর।

-------------------------------
আকালের স্রোতে ভেসে চলি নিশাচর।

ধুসর গোধূলি এর ছবি

- চাপা মারতে মারতেই তো মুখের চাপা ব্যথা হয়ে আছে নাশু ভাই, হাসতে হাসতে তো এখন চাপা ব্যথা করে না। অন্যকিছু হয়। হাসি

ঠিক কইছেন, দুঃখের আসলে ভাত নাই। দুঃখরে ইটালি পাঠাইয়া দিয়া পাস্তা-স্প্যাগেটি খাওয়াইয়া আনি চলেন।
___________
চাপা মারা চলিবে
কিন্তু চাপায় মারা বিপজ্জনক

বিপ্লব রহমান এর ছবি

হের রূমন, কেনো এতো মন খারাপ করে দেন? মন খারাপ


একটা ঘাড় ভাঙা ঘোড়া, উঠে দাঁড়ালো
একটা পাখ ভাঙা পাখি, উড়াল দিলো...


একটা ঘাড় ভাঙা ঘোড়া, উঠে দাঁড়ালো
একটা পাখ ভাঙা পাখি, উড়াল দিলো...

ধুসর গোধূলি এর ছবি

- খুবই দুঃখিত বিপ্লব ভাই। আপনি ভালো করে দেন না। ছাড়েন কিছু মজাদার কাহিনী। এতো সমৃদ্ধ ঝুলি আপনার!
___________
চাপা মারা চলিবে
কিন্তু চাপায় মারা বিপজ্জনক

বিপ্লব রহমান এর ছবি

কস্কি মমিন!


একটা ঘাড় ভাঙা ঘোড়া, উঠে দাঁড়ালো
একটা পাখ ভাঙা পাখি, উড়াল দিলো...


একটা ঘাড় ভাঙা ঘোড়া, উঠে দাঁড়ালো
একটা পাখ ভাঙা পাখি, উড়াল দিলো...

রায়হান আবীর এর ছবি

গুরু, আই লাভ ইয়ু। নো কষ্ট উইল হার্ট ইয়ু, নট এনিমোর। হাসি

অমিত আহমেদ এর ছবি

ধুগো'দা, নানান সমস্যা মাথায় নিয়ে চলি। যখন মনে হয় সব ঠিক, তখনই আপনার সেই বালুর ঘটনা। মানুষের বৈরি আচরণে কষ্ট পাই আবার পাই না। পৃথিবীর রুষ্ঠতায় হতাশ হই আবার হই না। সব মিলিয়ে আমরা তো আমরাই, না? নিজের কাছে নিজে যতোদিন সৎ আছি, সঠিক আছি... যতোদিন আয়নায় নিজেকে দেখে মাথা নিচু না হয়, ততোদিন পর্যন্ত এক অমিত আহমেদ, কিংবা এক ধুসর গোধূলি, কিংবা এক অন্য কেউ এই দুনিয়াতে মাথা উঁচু করে দম্ভেই চলবে। আর কিছুই আসে যায় না!

চিয়ার আপ বস্‌!


ওয়েবসাইট | ব্লগস্পট | ফেসবুক | ইমেইল

ধুসর গোধূলি এর ছবি
দময়ন্তী এর ছবি

একদম ঠিক অমিত৷
-------------------------------------------
"নিভন্ত এই চুল্লিতে মা
একটু আগুন দে
আরেকটু কাল বেঁচেই থাকি
বাঁচার আনন্দে৷'

-----------------------------------------------------
"চিলেকোঠার দরজা ভাঙা, পাল্লা উধাও
রোদ ঢুকেছে চোরের মত, গঞ্জনা দাও'

কিংকর্তব্যবিমূঢ় এর ছবি

আরে বস আর কত মন খারাপ কইরা থাকবেন, ঊঠেন, চলেন আখের রস খায়া আসি দেঁতো হাসি
................................................................................................
খাদে নামতে আজ ভয় করে, নেই যে কেউ আর হাতটাকে ধরা ...

ধুসর গোধূলি এর ছবি

- নাহ, এখন আখের রস খামু না। এখন সংগীত চর্চা করবো আমরা। জনগণরে দেখি কমেন্টে পোস্টে নিজের গলায় গান পোস্টায়। বলি আমাদের কি গলা নাই? আমরা কি গাইতে পারি না? দিলাম, একটা গান পোস্টের শরীরে সেঁটে।

কিন্তু এই গান সামনের পাতায় চলে গেলো ক্যানো? এখন পাবলিক তো আমার পিছে কলম হাতে নিয়া দৌঁড়াবে। মন খারাপ

সামনের পাতা থেকে সরানোর উপায় কী? ওহে রংধনু মডুগণ...!
___________
চাপা মারা চলিবে
কিন্তু চাপায় মারা বিপজ্জনক

প্রকৃতিপ্রেমিক এর ছবি

প্রিয় ধুগো,
গানটা গাওয়ার আগে কি কোন কারণে ভয় পেয়েছিলেন বা কান্না করেছিলেন? চোখ টিপি

ধুসর গোধূলি এর ছবি

- ছিঃ পিপিদা, গুণী শিল্পীরে নিয়া এইসব কী বলেন!
আমি তো অরিজিনাল গায়কের (এই ব্লগের, নাঁকি গলার অধিকারী) গলা অনুকরণ করলাম। দেখেন না কথার কোনো ঠিক নাই। ভুলে গেছিলাম গানের কথা, তবে ঐ ব্যাটা গাতকের সুরটা মনে আছিলো। বুঝেন তাইলে কী রকম পেইন দিছে ঐ গানটা শোনায়া! মন খারাপ
___________
চাপা মারা চলিবে
কিন্তু চাপায় মারা বিপজ্জনক

সুহান রিজওয়ান এর ছবি

বহুদিন পর পড়েও দেখলাম, ধুগোদার লেখা আগের মতই আছে...
(অতএব, আখের রস খাওয়াই চলেন ...!!)
---------------------------------------------------------------------------
- আমি ভালোবাসি মেঘ। যে মেঘেরা উড়ে যায় এই ওখানে- ওই সেখানে।সত্যি, কী বিস্ময়কর ওই মেঘদল !!!

ধুসর গোধূলি এর ছবি
মামুন হক এর ছবি

কিলিক টু প্লে কিন্তু মন্তব্য দেয়ার চান্স নাই, নাইলে ধুগোরে কইতাম কয়ডা কতা। আমার কান গেলরে কিলিক মাইরা দেঁতো হাসি

ধুসর গোধূলি এর ছবি

- গুণীর কদর তো দিতে শিখলেন না বড় ভাই! মন খারাপ

নাঁকি গলায় গেয়ে এই গানটা আরও একজন সচলায়তনে পোষ্টায় সুযোগ পেলেই। এইটা তার প্রতি একটা হুঁশিয়ারনামা। আমাদের ব্যাণ্ড অফ বেসুরা ভোকালস ইজ অন দ্য ওয়ে।

কিন্তু গানখানা সামনের পাতায় গিয়াই যতো ভেজালটা লাগাইলো। এখন মুছতেও পারতেছি না। মন খারাপ
___________
চাপা মারা চলিবে
কিন্তু চাপায় মারা বিপজ্জনক

সাজেদ এর ছবি

"প্রথম আলো থেকে খুঁজে পাওয়া সেই বাংলা ব্লগিং সাইটে ধুগোময় পদচারণার সাথে সাথে বাড়তে থাকে পরিচিতির গণ্ডি। প্রথমে জার্মানীর একজন, তারপর সেই সূত্রে- এই সূত্রে আরও অনেকে, অনেক জায়গায়"

ভাসুরের নামটা জানি কি চোখ টিপি

ধুসর গোধূলি এর ছবি

- ভাসুরের নাম মুখে আনা বেয়াদবি জানেন না? হাসি

তবে আপনের নামটা মনে পড়ছে। যে আবাল বেকুবরে প্রথমদিন দেখেছিলাম বিশাল মাটির ঢিবিতে ঠেস দেয়া ফটুক দিছে, (যেখানে কী না যাওয়ার অধিকার ভয়ঙ্করভাবে সংরক্ষিত) তার নামটাও কিন্তু সাজেদ-ই ছিলো। কে জানে, আপনেই সেই ব্যক্তি কীনা! চোখ টিপি
___________
চাপা মারা চলিবে
কিন্তু চাপায় মারা বিপজ্জনক

সুমন সুপান্থ এর ছবি

তোমার এই লেখাটা অন্যরকম ধুঃগোঃ !
তুমিও এমন সব লেখা লিখো !

আর গান ! কি আর বলি , শালিমহল দৌড়ে পালাচ্ছে !!!

---------------------------------------------------------
তুমি এসো অন্যদিন,অন্য লোক লিখবে সব
আমি তো সংসারবদ্ধ, আমি তো জীবিকাবদ্ধ শব !

---------------------------------------------------------
তুমি এসো অন্যদিন,অন্য লোক লিখবে সব
আমি তো সংসারবদ্ধ, আমি তো জীবিকাবদ্ধ শব !

ধুসর গোধূলি এর ছবি

- লেখাটায় আসলে আমার কোনো কৃতিত্ব নেই সুপান্থ'দা। সচলায়তনের জন্মদিনে ধুসর গোধূলি'র জন্ম নিয়ে কিছু বলতে চেয়েছিলাম। বের হয়ে গেলো না বলতে চাওয়া কিছু আবঝাব।

গুছিয়ে লেখাটা কোনোদিনই রপ্ত করা হবে না এই আপনাদের মতো অগ্রজদের পাশে থেকেও। মন খারাপ

শালিমহল একটু জগিং করে আসুক। স্বাস্থ্য ভালো থাকবে। দেঁতো হাসি
___________
চাপা মারা চলিবে
কিন্তু চাপায় মারা বিপজ্জনক

রায়হান আবীর এর ছবি

গান শুনে আমিও বলবো-

সখী মহল চলার বদলে দৌড়ে পালাচ্ছে। দেঁতো হাসি

ধুসর গোধূলি এর ছবি

- হৈ মিয়া, নিজের লুক হৈয়া ব্যাণ্ডের মেইন ভোকালের বিরুদ্ধে এগুলা বললে হবে? উৎসাহ দিতে হবে, মাইক্রোফোনটা এগিয়ে দিতে হবে, তবেই না আমরা জয় করতে পারবো! দেঁতো হাসি

আর সখী মহল দৌঁড়ে পালালে কী ক্ষতি। সখীদের মহলে টানার জন্য গান গাইছি নাকি! চোখ টিপি
___________
চাপা মারা চলিবে
কিন্তু চাপায় মারা বিপজ্জনক

ভূঁতের বাচ্চা এর ছবি

মন খারাপ করা লেখা আপনার থেকে কখনোই আশা করিনা। তেমন ভারী লেখাও পড়তে ইচ্ছা করেনা ধুসর গোধূলির কাছ থেকে। তবে অনেকদিন পর এমন লেখা পড়লাম আপনার লেখা। সময় আসলেই অনেক তাড়াতাড়ি চলে যায়।
-------------------------------------------------------------

--------------------------------------------------------

ধুসর গোধূলি এর ছবি

- এটাতো ধুসর গোধূলি'র কাছ থেকে আসা লেখা না। এটা হলো তার পেছনের মানুষের কথা। খাড়ান, ঐ ব্যাটারে আবার নির্বাসনে পাঠাচ্ছি এখনই, প্যাঁদিয়ে। হাসি
___________
চাপা মারা চলিবে
কিন্তু চাপায় মারা বিপজ্জনক

ভূঁতের বাচ্চা এর ছবি

হু ঐ পেছনের মানুষটার বেইল নাই। ভালমতন প্যাঁদানি দ্যান। যেন আর না ফেরত আসতে পারে এইখানে।
-------------------------------------------------------

--------------------------------------------------------

লুৎফুল আরেফীন এর ছবি

ধুগো ভাই,

প্রবাসের জীবন আমার শুরু হয় এমন একটা শহর দিয়ে যেখানে মানুষরুপী কতিপয় ফেরেস্তা বসবাস করতেন। তাদের জ্বালায় তেমন একটা বুঝি নাই প্রবাস জীবন আসলেই কেমন।

তবে ....

প্রথম প্রথম, সেটা জন্মভূমির সাথে শেকড় ছিন্ন করার কারণেই হোক আর প্রিয় মুখগুলো হাত বাড়িয়ে ছুঁতে না পারার যন্ত্রণাতেই হোক, কান্নাকাটি করি নাই এমন রাত কম-ই পার করেছি।

এবার ....

বিয়ে থা করে ফেলেন। একজন সঙ্গিনী জোগাড় করেন। অনেক কিছুই ঠিক হয়ে যাবে।

লেখাটা অতি মর্মস্পর্শী হয়েছে! অতি সুন্দরও হয়েছে!

ধুসর গোধূলি এর ছবি

- উলমে কি আপনার সঙ্গে আমার দেখা হয়েছিলো সুজন ভাই?

আমার সমস্যা হলো কাঁদতে পারি না। ভেতরে সব দুমড়ে মুচড়ে যেতে থাকে একে একে। একেবারেই ভেঙে যাই। যখন হাতের ফোকর গলে একে একে সবকিছু বেরিয়ে যায় তখন ভ্যাবলার মতো তাকিয়ে থাকা ছাড়া আর কিছুই করতে পারি না। কে জানে, যদি কাঁদতে পারতাম তাহলে হয়তো পরিস্থিতি অনেক হালকা লাগতো!
___________
চাপা মারা চলিবে
কিন্তু চাপায় মারা বিপজ্জনক

লুৎফুল আরেফীন এর ছবি

উলমে কি আপনার সঙ্গে আমার দেখা হয়েছিলো সুজন ভাই?

---হু হইছিলো। বায়জিদ আমাকে সেরকমই বলছে। কিন্তু আমি মনে করতে পারি নাই। এখন আফসোস হয়। তবে আশা করছি, আবারও দেখা হবে। শীঘ্রই। আমি জানাবো।

ধুসর গোধূলি এর ছবি

- আমারও মনে নাই। তবে আপনি আমারে ঝারি দিলে মনে পড়তে পারে। দেঁতো হাসি

হাসিব ভাই সামহোয়্যারে দিছিলেন। আমি প্রথমে চিনি নাই কোন হাসিব। পরে একদিন তিনি কারে জানি বললেন, "এই ব্যাটা ধুগারে আমি কই মাছ ভাইজা খাওয়াইছি, আর এখন এই শয়তান আমারে চিনে না!" ব্যস, টং করে কাজ হয়ে গেলো, আমি হাসিব ভাইকে চিনে ফেল্লাম বাংলা সিনেমা স্টাইলে। হাসি

দেখেন ঐরকম কিছু মনে পড়ে কিনা। কিছু তো একটা নিশ্চই করেছিলেন। খালি লাইনটা ধরায়া দেন, ধুগোর মেমরী খারাপ না কৈলাম। চোখ টিপি
___________
চাপা মারা চলিবে
কিন্তু চাপায় মারা বিপজ্জনক

অনিন্দিতা চৌধুরী এর ছবি

আহা মন খারাপ থাকলে চেপে রাখতে নেই।
মানুষের তো মন খারাপ হবেই।
কে কী ভাবল তা নিয়ে এত চিন্তার কী আছে?
আমাদের সচলায়তন তো আছেই ।
আনন্দ দুঃখ সব এখানে নির্দ্বিধায় ঝেড়ে ফেলবেন।
ভাল থাকবেন।

ধুসর গোধূলি এর ছবি

- ধন্যবাদ।

আপনি হলেন আমার বান্ধা পাঠক। আপনার মন্তব্যগুলো সবসময়ই খুব প্রাণদীপ্ত হয় আমার জন্য। আবারো ধন্যবাদ আমার এইসব আবঝাব সময় করে পড়েন বলে।
___________
চাপা মারা চলিবে
কিন্তু চাপায় মারা বিপজ্জনক

স্বপ্নাহত এর ছবি

বড় হয়া আমি ধুসর গোধূলি হইতে চাই গুরু গুরু

গানটা শুনতেই আসি, শুনতেই আসি, শুনতেই আসি.. বুঝতেসিনা তাও ঘুম আসতেসেনা ক্যান দেঁতো হাসি

---------------------------------

তবে যে ভারি ল্যাজ উঁচিয়ে পুটুস্‌ পাটুস্‌ চাও?!

---------------------------------

বাঁইচ্যা আছি

ধুসর গোধূলি এর ছবি

- ধুসর গোধূলি হইলে আর কপালে বিবাহ নাই। সারাজীবন এইরকম "জলসাঘরে এবার যাই" বলে ডাকতে ডাকতেই যাবে, কেউ সাড়া আর দিবে না। হাসি
___________
চাপা মারা চলিবে
কিন্তু চাপায় মারা বিপজ্জনক

রানা মেহের এর ছবি

ধরে বেঁধে চামে ধুগোর জন্মইতিহাস শুনিয়ে দিলেন? চোখ টিপি
-----------------------------------
আমার মাঝে এক মানবীর ধবল বসবাস
আমার সাথেই সেই মানবীর তুমুল সহবাস

-----------------------------------
আমার মাঝে এক মানবীর ধবল বসবাস
আমার সাথেই সেই মানবীর তুমুল সহবাস

ধুসর গোধূলি এর ছবি
রণদীপম বসু এর ছবি

ধুগো, আপনার লেখাটা হৃদয়স্পর্শী। এই লেখার মধ্যে দিয়ে ধুগো-মুদ্রার যে অপর পিঠটা দেখার সুযোগ হলো সেই ধুগোকে আমার স্যালুটসহ অভিনন্দন। বর্তমান ধুগোর সাথে খুঁজে পাওয়া সেই ধুগোকে আমি পাশাপাশি সবসময় দেখতে চাইবো। কারণ-
যে ব্যক্তি জীবনে বিষণ্নতার স্বাদ পায় নি সে জীবনের মহার্ঘতা থেকে বঞ্চিত। জীবনের গভীরে হৃদয়ের যে আয়নাটা থাকে, সেখানে নিজের একান্ত রূপটাকে দেখতে হলে বঞ্চনা আর বিষণ্নতার মধ্য দিয়েই যেতে হয়। এই বঞ্চনা বা শূন্যতার দেখা যে পায়নি, জীবনের আর কোন পাওয়াকেই সে যথাযথ ধারণ করতে পারে না। তাঁর বোধ, তাঁর উপলব্ধি সে পাওয়ার মহার্ঘতার মূল্যায়নও করতে পারে না। ফলে সে কখনো প্রাণ খুলে হাসতে পারে না। প্রাণ খুলে হাসতে হলে প্রাণের যে দরজাটাকে উন্মুক্ত করতে হয়, সে দরজার সন্ধানই তো এরা পায় না ! যারা পায়, তাদেরকে আমি এক ও একটা মাত্র মানব-জীবনের ভাগ্যবান সত্তা হিসেবে সম্মান করি। শেষ বিচারে এরাই আসলে জীবনের কোন মহার্ঘ-প্রাপ্তিতে সমৃদ্ধ মানুষ। আর এই উপলব্ধি থেকে বঞ্চিত মানুষেরা বুঝতেও পারে না যে কী জিনিস তারা পায়নি !

অতএব ধুগো, নিজেকে ভাগ্যবান ভাবুন। যে গানে হৃদয় স্পর্শ করার মতো কষ্টবোধ নেই, সে গান কেউ মনে রাখে না। যে হাসি দুঃখ গলিয়ে নদীর কলকল গুঞ্জন তুলে না, সে হাসির কোন অর্থ নেই। তার চেয়ে কান্না ভালো। যে উল্লাসের মধ্যে দূরাগত বাঁশির উতলা কষ্ট নেই, সে উল্লাসে প্রাণ নেই।

আমাদের কষ্টগুলো নুনের মতো। জীবনের ব্যঞ্জনকে তা পানসে জলো হওয়া থেকে বাঁচিয়ে দেয়। শেষ পর্যন্ত জীবনকে তা উপভোগ্য করে তুলে।

আপনার এ লেখাটায় সেই অনিবার্য নুনের স্বাদটাই পেয়েছি। অন্তত ধুগোর কাছ থেকে আমি এবং ব্যক্তিগতভাবে আমি তা হারাতে চাইবো না। লেখালেখির জগৎটাকে আপনার অনেক কিছু দেয়ার আছে। সার্বক্ষণিক না হলেও আশা করি সেই দেয়াটাকে বঞ্চিত করবেন না।

-------------------------------------------
‘চিন্তারাজিকে লুকিয়ে রাখার মধ্যে কোন মাহাত্ম্য নেই।’

অনিকেত এর ছবি

রণ দা, অনন্য সাধারণ একটা মন্তব্যের জন্যে পঁচিশ লক্ষ তারা----

দময়ন্তী এর ছবি

@রণদীপম,
চলুক চলুক চলুক

------------------------------------------------
"নিভন্ত এই চুল্লিতে মা
একটু আগুন দে
আরেকটু কাল বেঁচেই থাকি
বাঁচার আনন্দে৷'

-----------------------------------------------------
"চিলেকোঠার দরজা ভাঙা, পাল্লা উধাও
রোদ ঢুকেছে চোরের মত, গঞ্জনা দাও'

ধুসর গোধূলি এর ছবি

- আপনার এই মন্তব্যটা যখন আমি পড়ছিলাম, তখন আমি ট্রেইনে। এয়ারপোর্ট যাচ্ছিলাম। আর এখনও ট্রেইনে, ফিরতেছি। মাঝের এই ঘণ্টা পাঁচেক সময় মাথায় পুরো জায়গাটা দখল করে ছিলো আপনার বলা কথাগুলো। কী অদ্ভুত সুন্দর করেই না কথাগুলো বললেন। মাঝে মাঝে নিজেকে ছোট থেকে ছোটতর ভাবি আপনাদের মতো বিশাল হৃদয়ের মানুষের কাছাকাছি থেকেও তাঁদের মতো করে ভাবতে শিখতে পারছি না বলে! এটা বলতে আমার কোনো দ্বিধা নেই যে আমি আসলেই এভাবে ভাবি নি। কেবল না পাওয়ার হিসেবটাই করে গেছি বারবার। কী পেয়েছি, সেই হিসাবটা একবারের জন্যও মাথায় আসে নি। নাই বা হলো সেই হিসেবটা অনেক বড়, নাইবা হলো অনেক সফলতার, কিন্তু প্রাপ্তি তো নেহায়েতই কম না।

আসলে ক্ষুদ্র মানুষের যা হয় আরকি! অনেক সীমাবদ্ধতা। যখন মনে প্রাণে কিছু চাওয়া হয়, সেটা যখন চোখের সামনে দিয়ে চলে যায়, পাওয়া হয় না, তখন আসলে নিজেকে ধরে রাখা যায় না। ধরে রাখতে যে বিদগ্ধতা প্রয়োজন, সেরকম বিদগ্ধ আসলে আমি এখনও হই নি। আমার কেবলই নিজের উপর দোষ চাপাতে ইচ্ছে করে, অন্য কিছুর পরে না।

আপনাকে প্রাণের গহীন থেকে ধন্যবাদ রণ'দা। ধুগোকে, তার সকল ব্যর্থতাকে অসাধারণ ভাবে মূল্যায়নের জন্য। ধুগো আপনার প্রতি কৃতজ্ঞ।
___________
চাপা মারা চলিবে
কিন্তু চাপায় মারা বিপজ্জনক

রণদীপম বসু এর ছবি

ধুগো, আমাকে ভুল বুঝবেন না প্লীজ ! সনাতন বাঙালি মানসিকতায় জ্ঞানদানের সুযোগ পেলে এরকম একটু-আধটু ঝুলি ছেড়ে দেই আর কি ! নিজে কতটুকু লালন বা পালন করতে পারি সেটা হয়তো তখন ভাবনার উঠোনে খুঁজে দেখি না। তবে যেটুকু বলেছি তা অনেকটা ইয়োগা'র মতো আর কি ! নিজের দ্বারা সবগুলোর চর্চা সম্ভব না হলেও উপস্থাপন করি, এটা ভেবেই যে, আমি না পারলেও আরেকজন পারবে না তা কি করে হয় ! নিশ্চয়ই কেউ না কেউ তা পারবে, উপকৃত হবে। নিজের সীমাবদ্ধতাটুকু উহ্য রেখে কথাগুলো শুধুমাত্র বোধের দরজায় পৌঁছে দেয়ার চেষ্টা করেছি কেবল। প্রত্যেকেরই কোন না কোন সীমাবদ্ধতা থাকে। তাই বলে আমারটুকুই আরেকজনের থাকবে তা তো সব সময় সত্য হতে পারে না।
আমাদের ভাবনার কাঠামো প্রত্যেকের ভিন্ন ভিন্ন। তবু কিছু কিছু অনুভব, কিছু কিছু কষ্ট পাবার ব্যথা একরকমই প্রায়। সে বিবেচনায় আপনার মানসিক ও মানবিক শক্তিকে আরো বেশি পল্লবিত করায় সহযোগী ব্লগার ও বন্ধু হিসেবে উপলব্ধির মর্মমূলে সামান্য জলসিঞ্চনের চেষ্টা করেছি মাত্র।
কারণ আপনার চমৎকার হৃদয়স্পর্শী লেখাটা আমার বোধ-কেও নাড়া দিয়ে গেছে !

[চাপা মেরেছিলাম ঠিক, তবে চাপায় মারিনি কিন্তু ! হা হা হা !]

-------------------------------------------
‘চিন্তারাজিকে লুকিয়ে রাখার মধ্যে কোন মাহাত্ম্য নেই।’

সুলতানা পারভীন শিমুল এর ছবি

অলৌকিক আনন্দের ভার বিধাতা যারে দেন
বক্ষে তার বেদনা অপার...

...........................

সংশোধনহীন স্বপ্ন দেখার স্বপ্ন দেখি একদিন

...........................

একটি নিমেষ ধরতে চেয়ে আমার এমন কাঙালপনা

ধুসর গোধূলি এর ছবি

- দুইটা বাক্য একই সঙ্গে সত্যি হওয়া বোধহয় সবসময় সম্ভব না। যেকোনো একটা সত্যি, বাকীটা অভিনয়!
___________
চাপা মারা চলিবে
কিন্তু চাপায় মারা বিপজ্জনক

নিবিড় এর ছবি

সবাই দেখি উপরে সব কথা বলে দিছে। আপনার জন্ম ইতিহাস শুনে মন বড়ই খারাপ হইল কিন্তু তারপর আবার আপনার আরেকটা কথা মনে পড়ল তাই বলি গুরু মন খারাপ কইরেন না কারণ আজ মরলে কাল বাদে পরশু তিন দিন হাসি


মানুষ তার স্বপ্নের সমান বড় ।

ধুসর গোধূলি এর ছবি

- আপনার মন্তব্যের পরে সিগনেচারটা অসাধারণ নিবিড়। স্বপ্নগুলোই আসলে আমাদের বড় করে বাঁচিয়ে রাখে।

ধন্যবাদ ম্যান।
___________
চাপা মারা চলিবে
কিন্তু চাপায় মারা বিপজ্জনক

রণদীপম বসু এর ছবি

আচ্ছা, কমেন্টের নিচে সিগনেচার সেট করে কিভাবে, একটু বলে দেবেন কি ?

-------------------------------------------
‘চিন্তারাজিকে লুকিয়ে রাখার মধ্যে কোন মাহাত্ম্য নেই।’

রণদীপম বসু এর ছবি

[পরীক্ষামূলক] সিগনেচার ট্রাই যখন দিমুই, জায়গামতোই দেই ! হইলে ধন্যবাদ, না হইলে প্রত্যাহার !

-------------------------------------------
‘চিন্তারাজিকে লুকিয়ে রাখার মধ্যে কোন মাহাত্ম্য নেই।’

-------------------------------------------
‘চিন্তারাজিকে লুকিয়ে রাখার মধ্যে কোন মাহাত্ম্য নেই।’

পরিবর্তনশীল এর ছবি

বড় বেশি ভালো লাগলো লেখাটা।
সচলায়তনের যে কয়েকটা প্রাণ আছে ধূগো তাদের একজন।
---------------------------------
ছেঁড়া স্যান্ডেল

সিরাত এর ছবি

এমুন দুঃখ করলেন কিল্লাই শেষদিকে?!

ধুসর গোধূলি এর ছবি
তুলিরেখা এর ছবি

অসাধারণ।
এইসব গদ্য এমনই অসাধারণ যে কোনো শব্দেই বলতে পারবো না।
এমন সব লেখা আরো লিখেন ধূ গো।
(গান শুনি নাই, স্পিকার অফ! হাসি )
----------------------------------------------
কোন দূর নক্ষত্রের চোখের বিস্ময়
তাহার মানুষ-চোখে ছবি দেখে
একা জেগে রয় -

-----------------------------------------------
কোন্‌ দূর নক্ষত্রের চোখের বিস্ময়
তাহার মানুষ-চোখে ছবি দেখে
একা জেগে রয় -

ধুসর গোধূলি এর ছবি

- আমাদের সবারই বুকে একটা করে বহমান নদী আছে। সেই নদীটাকে ধুগোর পেছনের মানুষটাকে ভাসিয়ে নিয়ে গেলেও ধুগোকে যেনো ছুঁতে না পারে সেই চেষ্টা করি সবসময়। দূরে সরিয়ে রাখি ধুগোর পেছনের সত্তাটাকে। ঐ ব্যাটা সামনে এলে আর কিছুই করা হবে নয় আমার। এসব লেখাতো দূর অস্ত।

গানটা শোনেন নাই, এইটা একটা কাজ করলেন? জলদি শোনেন, তারপর ফীডব্যাক দেন। ব্যাণ্ড দল গঠন করুম তো, আমি আবার মেইন ভোকাল কীনা! হাসি
___________
চাপা মারা চলিবে
কিন্তু চাপায় মারা বিপজ্জনক

ফারুক হাসান এর ছবি

আমাদের সবারই বুকে একটা করে বহমান নদী আছে। সেই নদীটাকে ধুগোর পেছনের মানুষটাকে ভাসিয়ে নিয়ে গেলেও ধুগোকে যেনো ছুঁতে না পারে সেই চেষ্টা করি সবসময়। দূরে সরিয়ে রাখি ধুগোর পেছনের সত্তাটাকে। ঐ ব্যাটা সামনে এলে আর কিছুই করা হবে নয় আমার। এসব লেখাতো দূর অস্ত।

---

দময়ন্তী এর ছবি

হুম!
বিষদ কিছু খারাপ জিনিষ নয় অবশ্য, তবে বিষণ্ণ থাকা অভ্যাস হয়ে গেলে মুশকিল৷ ভালথাকাটা একবার অভ্যেস করে নিতে পারলে আর সমস্যা নাই৷

দেরীতে পড়ার একটা সুবিধা হল, কেউ না কেউ দেখি আমার কথাটা ঠিক বলে দিয়ে গেছে৷
নিন গান শুনুন৷

Get this widget | Track details | eSnips Social DNA

--------------------------------------------------
"নিভন্ত এই চুল্লিতে মা
একটু আগুন দে
আরেকটু কাল বেঁচেই থাকি
বাঁচার আনন্দে৷'

-----------------------------------------------------
"চিলেকোঠার দরজা ভাঙা, পাল্লা উধাও
রোদ ঢুকেছে চোরের মত, গঞ্জনা দাও'

ধুসর গোধূলি এর ছবি

- সবাই আপনার কথাটা বলে ফেললেও গানটা দেয়নি দময়ন্তী। এই প্রথম সুযোগ হলো শোনার। বেশ ভালো লাগছে। এই নিয়ে তিনবার শুনে ফেললাম। আরও কয়েকবার চলবে মনেহয়! হাসি
___________
চাপা মারা চলিবে
কিন্তু চাপায় মারা বিপজ্জনক

সুমন সুপান্থ এর ছবি

প্রতুলের এই গানটা যে কী প্রিয় আমার! মিছিলের বন্ধুরা মিলে হেঁড়ে গলায় কত্তো গেয়েছি। আজ আর মিছিল নেই । আমিও নেই বৃত্তে । লাল টুকটুকে স্বপ্ন বিকিয়ে দিয়েও দেখি, গানটা তবু জানান দেয়- বুকের জ্বালা বুকেই জ্বলুক, কান্না বেচো না !
আপনাকে ধন্যবাদ দয়মন্তী। আপনার বদৌলতে আবার শুনা হলো।

---------------------------------------------------------
তুমি এসো অন্যদিন,অন্য লোক লিখবে সব
আমি তো সংসারবদ্ধ, আমি তো জীবিকাবদ্ধ শব !

---------------------------------------------------------
তুমি এসো অন্যদিন,অন্য লোক লিখবে সব
আমি তো সংসারবদ্ধ, আমি তো জীবিকাবদ্ধ শব !

ধুসর গোধূলি এর ছবি

- লাল টুকটুকে স্বপ্নটা বিকিয়ে দিলে পরে আর কি কিছু বাকি থাকে! স্বপ্নটাই যদি হাতছাড়া হয়ে যায় তো আর কান্না বুকে আগলে রেখে কী হবে!
___________
চাপা মারা চলিবে
কিন্তু চাপায় মারা বিপজ্জনক

দময়ন্তী এর ছবি

ধুসসস লাল টুকটুকে স্বপ্ন কি আর চাইলেই বিকানো যায় নাকি! ও ঠিক নাছোড় হয়ে মনের কোণায় ঘাপটি মেরে থেকে যায়৷

প্রতুলদার গান বইমেলার একটা বড় আকর্ষণ৷
-----------------------------------------------------
"চিলেকোঠার দরজা ভাঙা, পাল্লা উধাও
রোদ ঢুকেছে চোরের মত, গঞ্জনা দাও'

-----------------------------------------------------
"চিলেকোঠার দরজা ভাঙা, পাল্লা উধাও
রোদ ঢুকেছে চোরের মত, গঞ্জনা দাও'

শামীম রুনা এর ছবি

খুবই অসাধারণ একটি লেখা। এই লেখার জন্য মুদ্রার অপর পিঠও আমাদের দেখা হয়ে গেলো। সব মানুষের ভেতরে বুঝি একাকী একজনের বাস।

_________________________________________________________
খাতার দিকে তাকিয়ে দেখি,এক পৃথিবী লিখবো বলে-একটা পাতাও শেষ করিনি।

_________________________________________________________
খাতার দিকে তাকিয়ে দেখি,এক পৃথিবী লিখবো বলে-একটা পাতাও শেষ করিনি। ( জয় গোস্মামী)

আনোয়ার সাদাত শিমুল এর ছবি

ধু-গো কে নিয়ে আমার একটা ব্লগেষণাপত্র লেখার ইচ্ছা অনেক দিনের। প্রস্তর যুগ থেকে দেখছি ধু-গো'কে।
একটু একটু করে কীভাবে বদলে গেলো ধু-গো; সব লেখার ইচ্ছা রইলো।

সচলের আগামী জন্মদিনে ধু-গো'কে দোকা দেখতে চাই!!! দেঁতো হাসি

ধুসর গোধূলি এর ছবি

এই লেখাটা লেখার পর থেকেই মনে হচ্ছিলো শিমুল যদি ধুগোকে নিয়ে লিখতো, তাহলে আরও অনেক সুন্দর করে তুলে আনতে পারতো নিজের পারঙ্গমতা দিয়ে।

তবে বাপু এই ভয়টাও হয়। এই বৃদ্ধ বয়সে এসেও পঁচানি খেতে হবে? মন খারাপ
___________
চাপা মারা চলিবে
কিন্তু চাপায় মারা বিপজ্জনক

আনোয়ার সাদাত শিমুল এর ছবি

অনলাইনে আমি বোধ হয় 'ধুসর গোধুলী'কে নিয়েই বেশি ফিকশন করেছি।
কখনো কি কোনো অনুযোগ করেছেন?
তাহলে!

ধুসর গোধূলি এর ছবি
ধুসর গোধূলি এর ছবি

- @ শামীম রুনা,

সব মানুষের ভেতরে বুঝি একাকী একজনের বাস
একদম সত্যি কথা। সেই ভেতরের 'একজন'টা সামনে চলে এলেই যতো সমস্যারে ভাই।
___________
চাপা মারা চলিবে
কিন্তু চাপায় মারা বিপজ্জনক

ফারুক হাসান এর ছবি

ধুগো ভাইজানকে নিয়া চিন্তায় পড়লাম, কি এবং কয়টা টানছিলেন? গান গাওয়ার আগে না, ঐটা ঠিকাছে, বলতেছিলাম পোষ্টটা লেখার আগে কিছু টানছিলেন? একেবারে ঝাজরা করে দিয়ে যাওয়া পোষ্ট!
অফটপিক: আপনার 'চল না, চল না' টানটা যা চুইট! আমি নিশ্চিত কোনো শ্যালিকাই আর ছলনা করে ঘরে বসে থাকতে পারবে না।

ধুসর গোধূলি এর ছবি

- টানছিলাম তো বটেই! দুই বাটি বিষণ্ণতার হেমলক, আর কয়েকটা সিগারেট। হাসি

গানের ব্যাপারে আপনার পিঠ চুলকানী মাথা পেতে নিলাম। কিন্তু ভয়ে আছি, গানটার আসল ব্লগীয় গায়ক আমারে হাতের কাছে পেলে কিলাকিলি ছাড়াও চব্বিশ ইউরোর জায়গায় কতো টাকা দাবী করে কে জানে! তার গানের এগারোটা ঊনষাট বাজিয়ে ফেলার দরুণ। দেঁতো হাসি
___________
চাপা মারা চলিবে
কিন্তু চাপায় মারা বিপজ্জনক

দুষ্ট বালিকা এর ছবি

ধুগোদা, আপনার সাথে আমার অনেক মিল আছে। কি সর্বনাশ!

--------------------
কালো যদি মন্দ তবে
কেশ পাকিলে কান্দ কেনে?

**************************************************
“মসজিদ ভাঙলে আল্লার কিছু যায় আসে না, মন্দির ভাঙলে ভগবানের কিছু যায়-আসে না; যায়-আসে শুধু ধর্মান্ধদের। ওরাই মসজিদ ভাঙে, মন্দির ভাঙে।

মসজিদ তোলা আর ভাঙার নাম রাজনীতি, মন্দির ভাঙা আর তোলার নাম রাজনীতি।

মামুন হক এর ছবি

আহেম...ঘটক পাখি ভাই হিয়ার দেঁতো হাসি

দুষ্ট বালিকা এর ছবি

[বহুদিন বাদে ঘুরতে ঘুরতে আবার এলাম]

মামুন ভাই... আপুনি একজন দুষ্ট লোক...! [মিচকা হাসি!] খাইছে

----------------------------------------------
আয়েশ করে আলসেমীতে ২৩ বছর পার, ভাল্লাগেনা আর!

**************************************************
“মসজিদ ভাঙলে আল্লার কিছু যায় আসে না, মন্দির ভাঙলে ভগবানের কিছু যায়-আসে না; যায়-আসে শুধু ধর্মান্ধদের। ওরাই মসজিদ ভাঙে, মন্দির ভাঙে।

মসজিদ তোলা আর ভাঙার নাম রাজনীতি, মন্দির ভাঙা আর তোলার নাম রাজনীতি।

ধুসর গোধূলি এর ছবি
ধুসর গোধূলি এর ছবি

- মিল থাকাটা মোটেও সর্বনাশের কিছু নারে ভাই। অন্ত্যমিল তো আমাদের সবার মধ্যেই আছে। এটা খুবই স্বাভাবিক।
___________
চাপা মারা চলিবে
কিন্তু চাপায় মারা বিপজ্জনক

জি.এম.তানিম এর ছবি

কি মন খারাপ করা লেখা দিসেন... এ যেন এক অন্য ধুগো!
-----------------------------------------------------------------
কাচের জগে, বালতি-মগে, চায়ের কাপে ছাই,
অন্ধকারে ভূতের কোরাস, “মুন্ডু কেটে খাই” ।

-----------------------------------------------------------------
কাচের জগে, বালতি-মগে, চায়ের কাপে ছাই,
অন্ধকারে ভূতের কোরাস, “মুন্ডু কেটে খাই” ।

ধুসর গোধূলি এর ছবি

- এই লেখাটা দেয়ার পরেই তো প্রায়শ্চিত্য করতে গানটা গাইলাম এবং দিলাম। এবার বলেন জিএমটি, ধুগো কি এখনো 'অন্য ধুগো'! হাসি
___________
চাপা মারা চলিবে
কিন্তু চাপায় মারা বিপজ্জনক

সৌরভ এর ছবি

পাব্লিকে কি গান শুনসে? এই গান শুনলে তো মাইয়া সব পলাইবো। ধূগোর আবার মন খারাপ? পাব্লিকে তাইলে ধূগোরে চেনে না।



২৭. বেহেস্ত যাওনের খায়েশ হগ্গলের, আপত্তি শুধু মরনে


আবার লিখবো হয়তো কোন দিন

ধুসর গোধূলি এর ছবি

- হ শ্বশুর আব্বা হুজুর, কেহ চিনিলোনা আপনের এই মেয়ে জামাইরে। এমনকি আপনের ধম্মমেয়েও চিনলো না এখনো! মন খারাপ
___________
চাপা মারা চলিবে
কিন্তু চাপায় মারা বিপজ্জনক

দ্রোহী এর ছবি

লেখাটা আগেই পড়েছিলাম অফলাইনে। তাই মন্তব্য করা হয়নি।

ধু.গো - মাঝে মাঝে মন খারাপ হওয়া ভালো। তবে মন ভালো থাকুক আর খারাপ থাকুক সচলায়তনে আমাদের হৈ হুল্লোড় জারী থাকবে সবসময়। কথায় আছে না, "কী আছে জীবনে? আইছি নেংটা, যামু নেংটা।"

ধুসর গোধূলি এর ছবি

- সচলায়তনে ৭৪৩১তম কমেন্ট করতেছি মেম্বর। আপনার কতো? মোটে ৩১০১টা। আপনের ডাবলেরও বেশি কমেন্ট মিয়া আমার। তাইলে হৈ হুল্লোড় কে বেশি করে? আপনে কি বুড়া হয়ে গেলেন? সত্যি কইরা বলেন তো মেম্বর, সচলায়তনে কমেন্ট করলে মেম্বরনী আপনারে মারে না? (জাকাজা'র ইন্টেল কিন্তু তাই বলে) চোখ টিপি

আসেন আবার ঝাঁপায়ে পড়ি কমেন্ট কমেন্ট খেলায়। চিপাইতে চিপাইতে চিপাগলির চিপায় নিয়া যাই সিরিয়াস কোনও পোস্ট। একটা টার্গেট ঠিক করেন, কে বেশি সিরিয়াস লেখা লিখে! তাঁর পোস্টেরেই ধরি আগে। দেঁতো হাসি
___________
চাপা মারা চলিবে
কিন্তু চাপায় মারা বিপজ্জনক

হিমু এর ছবি

এই লেখার ছত্রে ছত্রে শোনা যাচ্ছে জার্মান ইস্টিলের করাত দিয়ে জার্মান ডাবল খাট চিরে সিঙ্গল বানানোর মর্মান্তিক শব্দ। দোস্ত, কান্দিস্না। তোর খোমার একখান পরিষ্কার ফটুক আর একখান সিভি পাঠা। দেখি, কী করা যায়। আফটার অল, আমরা মুরুব্বি। একটা দায়িত্ব আছে। একটা কর্তব্য আছে। একটা ইনসাফ আছে। মা কসম ঠাকুর, তোর বিয়ে আগামী পাঁচ-সাত বছরের মধ্যে দিয়েই ছাড়বো। ২৪ ইউরো মেরে দিয়েছিস তো কী হয়েছে, তোকে তো আর রাস্তায় ফেলে দেয়া যায় না!



হাঁটুপানির জলদস্যু আলো দিয়ে লিখি

ধুসর গোধূলি এর ছবি

- তোরে দিমু আমার খোমার ছবি, তাও পরিষ্কার? আমারে কি দুঃস্বপ্নে তোর গানে তাড়া করছে নাকি? আমার ফটুক পাঠায়া দিবি তোর হবু জ্যাঠায়েসের বাড়ির ঠিকানায়। দিয়া কইবি, "এই যে রেগুলার বুকধড়ফড় কোম্পানীর মেকআপ মাখানি ফটুকটা দেখতেছেন, হেহ হেহ হেহ ঐটাই আমি! আর দূরে যে কার্বন পেপারের মতো একটা অবয়ব দেখতেছেন, ঐটা আমার দোস্ত, ধুসর গোধূলি। হালায় একটা ঋণখেলাপী!"

তোরে আমি চিনি না মনে করছোস মুরুব্বী?
___________
চাপা মারা চলিবে
কিন্তু চাপায় মারা বিপজ্জনক

হিমু এর ছবি

হুমম, তোর পরিষ্কার ছবিতে যদি তোর সাথে আমারেও দেখা যায়, তাহলে তো শুরুতেই হবু সংসারে ফাটল ধরবে। ফোটোশপ মেরে দেখ আমারে সরাইতে পারস কি না। আর কিছু ভালো ভালো মিছা কথা লিখ জীবনবৃত্তান্তে। তারপর মেইল মার। হ্যালির ধূমকেতুর আলোয় হইলেও তোরে কনের মুখ দেখামু, মা কসম ঠাকুর!



হাঁটুপানির জলদস্যু আলো দিয়ে লিখি

ধুসর গোধূলি এর ছবি

- তোরে সরানি কোনো ফ্যাক্টর না দোস্ত। ছবিতে একটু ব্রাইটনেস কমায়া দিলেই তুই টাটা। কিন্তু কথা হইলো, হ্যালির ধূমকেতু আসতে আসতে তো তুই আমি দুইজনেই পগারপার! ঠাকুরের মার কসম কাইটাই বলি, যদি তখনও তুই আমারে কনের মুখ না দেখাইতে পারোস, তাইলে তোর একলতি কনেরে বগলদাবা কইরাই হাঁটা দিমু, এই আমি কয়ে দিনু!
___________
চাপা মারা চলিবে
কিন্তু চাপায় মারা বিপজ্জনক

অতন্দ্র প্রহরী এর ছবি

ডিলিটেড সীন পড়ার পরে এইটা পড়তে গিয়ে মনে হলো, পুরাই ভিন্ন মেজাজের দুইটা লেখা, অনুভূতি-আবেগের প্রকাশে যেন প্রায় দুই মেরুর। একটাতে আনন্দ-উচ্ছ্বাস, আর আরেকটাতে উদাসীনতা-বিষণ্নতা। তারপরেও কী ভীষণ ধুসর গোধূলিয়! আপনার এই বৈচিত্র্যতাটুকুই তো এত ভাল লাগে। এজন্যই খুব বেশি আপন মনে হয়। হাসি

কেন যেন খুব বেশিই ভাল লাগল লেখাটা চলুক

ধুসর গোধূলি এর ছবি
তুলিরেখা এর ছবি

আরে ধূ গো, পরের লেখাটা কই?
-----------------------------------------------
কোন দূর নক্ষত্রের চোখের বিস্ময়
তাহার মানুষ-চোখে ছবি দেখে
একা জেগে রয় -

-----------------------------------------------
কোন্‌ দূর নক্ষত্রের চোখের বিস্ময়
তাহার মানুষ-চোখে ছবি দেখে
একা জেগে রয় -

নাতাশা এর ছবি

লেখা দুঃখ দুঃখ হইসে কিন্তু গান হিহিহি।

ধুসর গোধূলি এর ছবি

- "গান হিহিহি" ব্যাপারটা কি বাতাসা? (দুঃখিত, ভুলে ভুল টাইপ করে ফেলসি)

এতো মজার একটা না-বলা কাহিনী বললাম, এইটাও দুঃখ দুঃখ হইলো? মন খারাপ
___________
চাপা মারা চলিবে
কিন্তু চাপায় মারা বিপজ্জনক

নতুন মন্তব্য করুন

এই ঘরটির বিষয়বস্তু গোপন রাখা হবে এবং জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে না।