| ‹ পুরোনো ব্লগ | সব ব্লগ | নতুন ব্লগ › |
বেড়াল জিনিসটা সহ্য করতে পারিনা একদম ছোটবেলা থেকেই।
আব্বা যখন ছিলেন সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে ঋদযন্ত্র দ্বিতীয়বার বন্ধ করে যন্ত্র নয় মানুষ প্রমান করায়, তখন সোহরাওয়ার্দীতে দেখা যেতো শয়ে শয়ে বিড়াল।
আমি ভয়ে ভয়ে গিয়ে বসতাম আব্বার বিছানায়। ছোট ছোট বেড়ালের বাচ্চা আমার কাঁধে ঝাপ দিতো। পায়ের কাছে বসে উচ্ছিষ্ট খেতো। লাথি দিতে চাইলে ফুসে উঠতো মা বেড়াল।
সেইসব দিন থেকে বেড়াল ঘৃনা করি আমি।
সিলেটের ভাষাটা পছন্দ হলো না আমার। শুধু তৃতীয় দিন পুরো কুমার পাড়া খুজেও যখন একটা বেড়ালও পাওয়া গেলোনা তখন বাসা ভালোবেসে ফেললাম। ভাষার দুঃখ ভুললাম কিছু।
ততদিনে আমার বেড়াল ভীতি - ঘৃনা আম্মা আর বাবুর পুরো সমর্থন আদায় করে নিয়েছে। বাসায় বেড়াল ঢুকলে আমি তারস্বরে চিতকার করতে করতে বাসার সবচেয়ে উঁচু জায়গা ডাইনিং টেবিলে উঠে দাঁড়িয়ে থাকি। আম্মা বাবু ঝাড়ু - লাঠি হাতে তাকে তাড়া করে।
একটা বেহায়া বাদামী বেড়াল বারবার তবু আসছিলো। বুয়া তাকে বাজারের ব্যাগে ভরে ছেড়ে আসলো কোথায়। আমার বাদামী শার্ট একদিন পড়তে দেবার শর্তে বাবু ব্যাগের ওপর গরম চায়ের কেতলী খালি করে দিলো।
(পরে জেনেছি চা ছিল ঠান্ডা। আমার ভাইয়ের মন খুব নরম কিনা)
তো বাবু যখন প্রথম বেড়ালের মাংশ মুখে দিলো, আম্মা ছিলেন একটু ভয়ে। বমি টমি করে দেয় যদি। সে শুধু বললো পরেরবার কালো দেখে এনো তো। শাদা বলে বোধহয় মাংশ টা একটু নরম। আম্মা স্বস্তি পেলেন। ঝোল বেশী নেই দেখে আমি একটু রাগ দেখালাম।
শুধু বেড়ালে হচ্ছিলো না আর। ঝর্নারপাড় তো আর সোহরাওয়ার্দী নয় যে লাখে লাখে বেড়াল চড়ে বেড়াবে। একটার বেশী দুটো পাওয়া যায়না একসাথে। এইটুকু খাবারে পেট ভরেনা তিনজনের। মাঝে মাঝে আম্মার লোভীর মতো খাওয়া দেখে বিরক্ত হই আমি। একদিন দেখি লুকিয়ে মাথাটা খাচ্ছে। ধরা পড়ে বলে, সারাদিন ঘরের কাজ করে খিদা লেগে যায় বাবা।
সেই আম্মা আর বাবুকে নিয়ে মহা সমস্যা। একটা ছোট কুকুর কাটবেনা কিছুতেই। সে নাকি কোনভাবে আম্মাকে মা বলে ডেকেছে। ছোটভাইও দেখি সুর মেলায়। আব্বা থাকলে,,,,। আরে শুয়োর, আব্বা থাকলে তো তুই শিং মাছই খেতি।
তবু তাদের দিকে তাকিয়ে মায়া হয়। পকেটের শেষ টাকা শেষ করে সব্জি কিনে আনি। সাথে ভাত। হায় ভাগ্য। সেদিনই ছোটচাচী এসে হাজির হন।আম্মা বোঝান, রানা - বাবু কেউ তো মাংশ খেতেই চায়না। ছোটচাচী দীর্ঘশ্বাস ফেলেন, ভাইজান বেঁচে থাকলে,,,,,,,
আমরা বেড়াল খাই কুকুর খাই ইঁদুর খাই। তেতো করলা পেলে শেয়াল খাই। কেন যেন এমনি খাওয়া যায়না এই মাংশ টা । ভাত কখনোই আমার তেমন পছন্দ না। এখন তো সহজ হিসাব। পাই না তাই খাইনা।
খুব যন্ত্রনা যাচ্ছে কদিন ধরে । খাদ্যযোগ্য কোনকিছুই সুলভ নয় আর। সেদিন দেখলাম হুজুর চাচার ছেলে মনজুরএকটা মরা কাক নিয়ে চোরের মতো কোথায় যেন যাচ্ছে। আরে সবাই কি আমাদের রাস্তা পেয়ে গেলো নাকি?
রাতে খেতে বসে মেজাজ খারাপ হয়ে গেল খুব। বস্তা বাধা তিনটা কুকুরের বাচ্চা পেয়ে নিয়ে এসেছিলাম। তিনটা কুকুরে এইটুকু মাত্র মাংশ হতেই পারেনা।
এরমধ্যে পায়ের একটা মাংশ নিয়ে বাবু আর আম্মার মাঝে বেঁধে গেল তুমুল ঝগড়া। আম্মা বলছেন এই টুকরো টা তিনিই আলাদা করে রেখেছিলেন খাবার জন্য। বাবু চেচাচ্ছে তোমাকে তো একঘন্টা হেঁটে কলেজে যেতে হয়না, তোমাকেই কেন খেতে হবে?
আমারো মাথা গরম হয়ে যায়। বাবু কত কষ্ট করে লেখাপড়া করে। আমার দম বের হয় ঘরের খরচ যোগাতে আর এই মহিলা ।
আমিও তর্ক শুরু করি বাবুর পক্ষে। তোমার লজ্জা করেনা কুকুরের মতো কুকুরের মাংশ খেতে?
আম্মা আমাদের দিকে ভীত চোখে তাকিয়ে থাকেন। আমরা লোভী চোখে চেয়ে থাকি আম্মার দিকে। কদিন পর হয়তো আমরা আম্মাকেও কেটেকুটে খেয়ে ফেলবো।
২
ওয়াও!!!
দূর্দান্ত হয়েছে!!!
স্যালুট, রানা মেহের।
৩
শিমুল
হাঁটু বাহিনীতে আপনি ভর্তি হলেন
না আমাকে ভর্তি করালেন?
৫
তব্দা খাইয়া থাকলাম কিছুক্ষণ
========================
যার ঘড়ি সে তৈয়ার করে,ঘড়ির ভিতর লুকাইছে
৬
এইটা এইখানে ছাড়লেন ক্যান? সংকলনে যাওয়া উচিৎ আছিলো ...
................................................................................
objects in the rear view mirror may appear closer than they are ...
৮
বস আমিতো ব্লগার ... গল্প-কবিতা লিখি নাই কখনো, পারিও না ... তাই শুধু পড়ি ![]()
................................................................................
objects in the rear view mirror may appear closer than they are ...
৯
রানা মেহের ,
তৃতীয় বা চতুর্থ শ্রেনীতে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীনের আঁকা " ছেয়াত্তরের মনন্তর " শুধু চোখে দেখেছিলাম , আপনিই দিলেন এর লিখিত রূপ।
তবে গল্প সংক্রান্ত কথা আছে। ঘোর কেটে গেলে বলা যাবে।
অভিনন্দন সহ
১০
একটি সংশোধনী। যদি বুঝতে ভুল না করে থাকি, আপনি যে ছবিগুলির কথা বলেছেন - জয়নুলের আঁকা মন্বন্তরের ওই ছবিগুলি তেতাল্লিশের (বাংলা সন পঞ্চাশের)। জয়নুল আবেদীনের মৃত্যু হয় ৭৬-এ।
১১
কিন্তু "ছিয়াত্তরের মনন্তর" টার্মটা আমিও শুনছি ... এটা কোথা থেকে আসলো?
................................................................................
objects in the rear view mirror may appear closer than they are ...
১২
বাংলা এগারোশো ছিয়াত্তর সনের দুর্ভিক্ষ। চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের ফল সম্ভবত। বাংলার তিনভাগের একভাগ মানুষ মারা গিয়েছিলো এই দুর্ভিক্ষে।
১৪
আমি সঠিক মনে করতে পারছি না। আপনিই হয়ত সঠিক হবেন। কিন্তু " মনন্তর " শব্দটি ছিল , আমি নিশ্চিত। মনন্তর তো ছেয়াত্তরের সাথেই সবচেয়ে বেশি উচ্চারিত হয়।
আমি আবার ঘেঁটে দেখব। এবং আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
১৫
মনন্তর বানানটা আমি যেভাবে লিখেছি , আপনি লিখেছেন ভিন্ন ভাবে। আমার কাছে কোন রেফারেন্স নেই , আপনি যদি অনুগ্রহ করে জানান কোন বানানটা সঠিক কৃতজ্ঞ থাকব।
১৬
শব্দটির বানান মন্বন্তর। চলন্তিকা অভিধান বলছে:
মন্বন্তর - দেশব্যাপী বিপত্তি বা দুর্ভিক্ষ ('ছিয়াত্তরের ---')
১৭
বহুদিন পর তোমার লেখা পড়া হলো রানা । যথারীতি তোমার লেখার উত্তাপ এখানেও মিললো !
শুভ কামনা থাকলো । অবিরাম নয়, বরং ভালো লিখো নিয়মিত ।
---------------------------------------------------------
নীল সার্ট নেই বলে কেউ আমাকে নাবিক বলেনি !
অথচ সমুদ্রে-ই ছিলাম আমি
১৮
omg .... আপনার লেখা পরে আমি কিছুক্খন স্তব্ধ হয়ে গেলাম। আপনার এই লেখার আমার পক্খে কমেন্ট করা সম্ভব না তবুও করতে ইচ্ছে হচ্ছে ... দারুন লিখেছেন
১৯
ভয়ঙ্কর গল্প! ভালো গল্প! অতি ভাল লেখার হাত! অদ্ভুত!
**********************************
যাহা বলিব সত্য বলিব
২১
অন্যরকম একটা গল্প নিঃসন্দেহে । ভালো লাগলো ।
২২
আরে ভাই, তুখোড়!
তিনবার তুখোড় বলবার পরে একবার বলি, 'গল্পটায় পরিবারের বর্ণনা আরো কিছুটা সংলাপ যোগ করা যেতেও পারে।
ডাবল পাঁচ!!!
::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::
মনে হয় তবু স্বপ্ন থেকে জেগে
মানুষের মুখচ্ছবি দেখি বাতি জ্বেলে
২৩
নাহ! একটা মন্তব্যে পোষাল না। আমার মন এরকম একটা কিছু খুঁজছিল এই সময়কে প্রকাশ করার জন্য। অভিবাদন।
::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::
মনে হয় তবু স্বপ্ন থেকে জেগে
মানুষের মুখচ্ছবি দেখি বাতি জ্বেলে
২৪
সুপান্থ ভাইয়া, মুম, তীরন্দাজ, ধুসর গোধুলী, কানন
সবাইকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।
ফারুক ওয়াসিক - আমার নিজেরো মনে হয়েছে পরিবার টাকে আরেকটু ঠিকঠাক তুলে ধরা উচিত ছিল।
কিন্তু মাথা খেলেনা রে ভাই। ডাবল ধন্যবাদ ডাবল মন্তব্যের জন্য
২৫
মন্তব্য নেই । তব্দা খেয়েছি নি:সন্দেহে ।
বুকে চির ধরানো গল্প পড়ি মাঝে মাঝে , ফাটল ধরানো গল্প পড়লাম বহুদিন পরে ।
রানা মেহেরের আরেকটি ক্লাসিক মাইলস্টোন ।
২৬
দুর্দান্ত গল্প। এই লেখা পড়ে স্তব্ধ হয়ে যাওয়া ছাড়া আর কী প্রতিক্রিয়া সম্ভব?
গল্পের নামকরণটি ঠিক কী নির্দেশ করে বুঝতে পারিনি। কতকটা বিমূর্ত লাগলো।
২৮
আসলে ভাবলাম। রূপকার্থে নামটার অসাধারণ একটা অর্থ করা যায়।
পোকাদের দল বলতে আমরা ধরে নিতে পারি বোঝানো হচ্ছে আমাদেরকে। আম জনতাকে। আমরা পোকাদের মত শয়ে শয়ে জন্মাই। শয়ে শয়ে মরি। কেউ হিসাব রাখে না। কেউ ফিরে তাকায় না।
পাতকুয়া-কে বলা যায় অন্ধকার। পাতকুয়োর অন্তরালে সূর্যের আলো যায় না। এই অন্ধকার হতে পারে সভ্যতার অনুপস্থিতি। বর্বরতা। জ্ঞানহীণ। অন্ধত্ব। কিন্তু সেই পাতকুয়া কিন্তু থাকে সভ্যতার কাছাকাছি। সভ্য মানুষেরাই নিজ প্রয়োজনে কুয়ো খুঁড়ে নেয়।
অন্ধকার, অসভ্যতা থেকে আমরা, পোকামাকড়েরা সভ্য হয়েছি। হয়ে আবার প্রয়োজন মেটাতেই পাত কুয়োর অন্ধকারে ফিরে গিয়েছি।
২৯
অসাধারণ !!!!!
৩০
রানা
কী এটা? কী?
৯৫এ আহমদ মিহনাজের প্রবন্ধ লেখা দেখে ঘোষণা দিয়ে প্রবন্ধ লেখা ছেড়েদিয়েছিলাম। তারপর আর একটা অক্ষরও লিখিনি
এই গল্পটা পড়ার পরে মনে হচ্ছে নিজের সবগুলো গল্প- সবগুলো কবিতা-সবগুলো বই ডিলিট করে ফেলি- পুড়িয়ে ফেলি
০২
কান্না নয়
আমার চোখ থেকে কেন যেন পানি পড়ছে আর সবকিছু ঝাপসা লাগছে গল্পটা পড়ার পরে
আমার মা বেশ স্বাস্থ্যবান মানুষ
হয়তো অচিরেই তাকে আমার খাদ্য তালিকায় ঢুকিয়ে দেবার মতো স্থানে চলে যাবো আমি কিংবা আমরা....
৩১
এমন ভয়ংকর সুন্দর গল্প বোধ হয় কখনো পড়িনি!
৩২
মডু ভাইরা কে কোথায় আছেন, আমি সচলায়তনে আমি আগে যা সব লিখছি সব মুছে দেন। যেখানে এরকম একটা গল্প লেখা হয় সে জায়গাতে কলম চালানোর সাহস আমার আর নাই। এই গল্পে কোন কমেন্ট করার সাহস ও নাই।
৩৪
আরিফ ভাইয়া - আর গালি দিওনা!!!
৩৫
মুহম্মদ জুবায়ের - ধন্যবাদ।
আমি কখনো গল্পের নাম দিতে পারিনা। (এমনকি মানুষেরো!)
অতি প্রিয় একজন গল্পটা শুনে তিনটা নাম পাঠিয়েছিলেন।
এই নাম টাই কেন যেন কারণ ছাড়াই মনে হলো, যায়।
৩৬
লীলেন ভাই
আপনি বলেন তো আমিই লেখা ছেড়ে দিই।
আর মা?
আমাদের মা যেন থাকেন দুধে ভাতে
৩৭
স্নিগ্ধা অনিন্দিতা হিমু - অনেক ধন্যবাদ।
উদাস - এভাবে বলবেন না । বরং আপনি আরো বেশি লিখুন। আমরা কিছু ভালো লেখা পড়ি
৩৮
অদ্ভুত সুন্দর !!!
নন্দিনী
৩৯
যাক,অন্ততঃ লেখার সেই হাত বদলায়নি ।
---------------
..অথবা সময় ছিলো;আমারই অস্তিত্ব ছিলোনা
৪১
গল্পটা কয়েকবার পড়লাম, কিন্তু মন্তব্য করার সাহস হলোনা !
"অবিরাম নয়, বরং ভালো লিখুন নিয়মিত " - সুমন সুপান্থ'র মত এই দাবী আমারও
শুভ কামনা
জনৈক "বেক্কল ছড়াকার"
৪২
এই পোষ্টে সমস্যা কি বুঝতে পারছি না।
কাল রাত থেকে তিনবার চেষ্টা করলাম। মন্তব্য পাঠাই আর লাইন অফ হয়ে যায়। ৪র্থবার এবং শেষ বার বলতে চাচ্ছি, অসম্ভব এবং ভয়ংকর রকম সুন্দর একটা গল্প ! খুব অন্যরকম লাগলো।
...........................
সংশোধনহীন স্বপ্ন দেখার স্বপ্ন দেখি একদিন
৪৩
অসাধারণ গল্প!! ধাক্কা খেয়ে গেছি!!
৪৪
এই গল্পটা মিস করাটা আমার একদমই উচিত হয়নি। অণুগল্প লিখছিলাম, এখন আর একটা লাইনও বেরুচ্ছে না ....
আপনি আমার ক্ষতি করলেন ..
এবং ক্ষতি করতেই থাকবেন যেন ...
To Make God Laugh, Tell Him Your Plans
৪৫
অলৌকিক - আমি জানি অলৌকিক কিছু ঘটবেনা।
খুব সাধারণ ভাবেই আপনি চমতকার অণুগল্প লেখে ফেলবেন।
মোরশেদ ভাইয়া অমিত আহমেদ বেক্কল ছড়াকার সুলতানা পারভিন শিমুল অতিথি লেখক - সবাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ
৪৬
নন্দিনী - এই মাত্র আপনার মন্তব্য দেখলাম। ধন্যবাদ
৪৯
ভয়ন্কর!!!! গল্পটা পড়ার পর থেকে মায়ের দিকে তাকাতে পারছিনা.....
কল্পনা আক্তার
কল্পনাআক্তার@হটমেইল.কম
.......................................................
সব মানুষ নিজের জন্য বাঁচেনা
৫০
কিছু কিছু লেখা পড়ে রাগে দুঃখে লেখা ছেড়ে দিতে ইচ্ছে হয়। মনে হয় খামাখা সময় নষ্ট করছি।
এই লেখাটি তেমনই একটি লেখা। ভয়াবহ রকমের সুন্দর।
_____________________________
যতদূর গেলে পলায়ন হয়, ততদূর কেউ আর পারেনা যেতে।
৫১
অমিত আহমেদ - শিরোনামের এতো চমতকার ব্যাখা আমি দিতে পারতামনা কোনভাবেই। কেন যেন মনে হচ্ছিল শিরোনাম ঠিক আছে। কেন ঠিক আছে বুঝতে পারছিলাম না। আপনো বুঝিয়ে দিলেন। অনেক অনেক অনেক ধন্যবাদ
৫২
কল্পনা - ধন্যবাদ।
জাহিদ হোসেন - নির্বাসনে যাবার হাতছানি দেয়া লেখক, তাকে থেমে গেলে চলে?
৫৩
কি পড়লাম এটা?
কি বলব...রানা মেহের, প্লিজ লিখুন আরও। আ
১
এখানে মন্তব্য করার ক্ষমতা আমার নাই
ভুল সময়ের মর্মাহত বাউল