বর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে সচলদের কাছ থেকে পরামর্শ কামনা

সচলায়তন এর ছবি
লিখেছেন সচলায়তন (তারিখ: মঙ্গল, ০৫/০৫/২০০৯ - ১১:২৯অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আগামী ১ জুলাই, ২০০৯ তৃতীয় বছরে পা রাখতে যাচ্ছে সচলায়তন। ২০০৭ এর ১ জুলাই আনুষ্ঠানিকভাবে অনলাইন লেখক সমাবেশ হিসেবে সচলায়তন আত্মপ্রকাশ করে।

গত দুই বছরে সচলায়তনের পথচলা খুব মসৃণ ছিলো, এমনটা মনে করা সঙ্গত নয়। প্রতিনিয়ত এর নির্মাণ, সংস্কার ও সংরক্ষণ নিয়ে বিভিন্ন মতৈক্য ও মতানৈক্য হয়েছে স্বতস্ফূর্তভাবে। সচলায়তনের সীমিত সম্পদ ও রক্ষণশীল বিস্তারনীতির কারণে বাংলা ব্লগমণ্ডলে সচলায়তন আদৃত হবার পাশাপাশি নিন্দিতও হয়েছে নানা মহলে। এই আদর ও নিন্দা, উভয়কেই সাথে নিয়ে সচলায়তন এগিয়ে চলেছে এর সদস্যদের উদ্দীপনাকে ভরসা করে।

তারপরও বিভিন্ন ইস্যুতে সচলায়তনের বাইরে সচলায়তনের চারিত্র্য সম্পর্কে নানা সন্দেহ ও আশঙ্কার বিস্তার চান্দ্রমাসের নিয়মানুবর্তিতা নিয়ে আবির্ভূত হচ্ছে। এর ছোঁয়াচ কখনো কখনো সচলদের ওপরও আসে। তাই সচলদের সাথে আলোচনার জন্যেই এই পোস্টের অবতারণা।

মন্তব্য করার আগে এই পোস্টটি পড়ে নেবেন দয়া করে।

অনিবন্ধিত অতিথিদের মন্তব্য এই পোস্টে প্রকাশিত হবে না বলে আগাম দুঃখপ্রকাশ করছি।

প্রথম আলোচ্য বিষয়ঃ মডারেটরদের ভূমিকা ও আচরণ

সচলায়তন যখন নির্মীয়মান, তখনও সেখানে কোন মডারেটর ছিলো না। অরূপ কামাল ও এস এম মাহবুব মুর্শেদ কয়েক মাসের অক্লান্ত পরিশ্রমে সচলায়তনকে লাইভ রেখে নির্মাণ করেছিলেন। এর অস্থিতে মাংসযোগের স্মৃতি ২০০৭ এর জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত সক্রিয় সচল, অতিথি ও পাঠকদের মনে থাকবে। এ ছাড়া ২০০৭ এর জুন মাসে তৎকালীন সচলদের সাথে রুদ্ধদ্বার পরীক্ষাকালীন আলাপে সচলের ভূমিকা নিয়ে বিশদ আলোচনা হয়, যেখানে সচলের নীতিমালার রূপরেখাটি গড়ে ওঠে।

সচলায়তনের নীতিমালার ছয়টি ধারা মূলত পূর্বতন কমিউনিটি ব্লগে মিথষ্ক্রিয়ার অভিজ্ঞতার কথা স্মরণে রেখে গড়ে উঠেছে। নীতিমালাটি প্রসূত হবার পর লক্ষ্য করা হয়, এটি অনুসৃত হচ্ছে কিছু অসামঞ্জস্য রেখে। সবার জন্যে এই নীতিমালা অনুসরণের ব্যাপারটি নিশ্চিত করার জন্যেই সচলায়তনে মডারেটরদের উপস্থিতি। বলাই বাহুল্য, মডারেটররা সক্রিয় ব্লগারও। তাই মাঝে মাঝেই তাঁদের কলম ফেলে লাঠি [কলম আর লাঠি দুই-ই রূপকার্থে] ধরতে দেখা গেছে।

এ কথা অস্বীকার্য নয় যে নীতিমালা কার্যকর করতে মডারেটরদের বেগ পেতে হয়েছে, পাশাপাশি সচলদেরও অনভিপ্রেত পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়েছে।

সচলায়তনের আজকের স্ফীতি ও পরিবেশের জন্যে সচলায়তনের নীতিমালাকে আমরা সমুন্নত রাখবো। সচলায়তন যে একটি লেখক সমাবেশের পাশাপাশি একটি স্ফীত পরিবারের চেহারা নিতে পেরেছে, তার জন্যে এই নীতিমালার ভূমিকা অনস্বীকার্য।

তবুও প্রশ্ন উঠেছে এবং ওঠে, মডারেটরদের ভূমিকা ও আচরণ কেমন হওয়া উচিত? এ নিয়ে আপনাদের কাছে পরিষ্কার ফিডব্যাক প্রয়োজন।

দ্বিতীয় আলোচ্য বিষয়ঃ সচলদের ভূমিকা ও আচরণ

প্রথম আলোচ্য বিষয়ের সাথে ধারাবাহিকতা বজায় রেখেই দ্বিতীয় আলোচ্য বিষয়টি আসে। সচলায়তনে একজন সচলের ভূমিকা ও আচরণ কেমন হওয়া উচিত বলে আপনারা মনে করেন? কেন একজন সচলকে আদৌ কোন মডারেশনের ভেতর দিয়ে যেতে হতে পারে, যেখানে তিনি দীর্ঘকাল অতিথি হিসেবে লিখে এমন একটি লেখক সমাবেশের অংশ হবার জন্যে নিজের যোগ্যতার পরিচয় ও পরীক্ষা দিয়ে আসেন?

তৃতীয় আলোচ্য বিষয়ঃ সচলায়তনের ভূমিকা ও আচরণ

সচলায়তন বাংলা ব্লগমন্ডলের একটি নাতিবৃহৎ নিশ অধিকার করে আছে। এখানে পরস্পরের পিঠ চুলকানো হয় বলে একটি অপবাদ বহুলাংশে চালু, কিন্তু পরস্পরের পশ্চাতে মধ্যমা প্রবিষ্ট করার অপবাদ থেকেও সচলায়তন নিজেকে সাফল্যের সাথে মুক্ত রাখতে পেরেছে। সচলায়তনে নির্ভার প্রাণোচ্ছল আলোচনা চলে, টুকরো টুকরো লেখার আকর্ষণেই পাঠকরা সচলে আসেন, সীমাছাড়া কুতর্কের মজা লুটতে কেউ আসেন না। প্রচুর সদস্যের কোলাহলের বদলে সচলায়তনে একটি বৈঠকী ঘরানাই গড়ে উঠেছে।

সচলায়তনকে একটি লেখক সমাবেশ হিসেবে কেমন ভূমিকা নেয়া উচিত? আপনাদের দুই পয়সা যোগ করুন।



আপনাদের রেস্ট্রিকটেড মন্তব্যের জন্যে ধন্যবাদ।

সচল থাকুন, সচল রাখুন।


মন্তব্য

এস এম মাহবুব মুর্শেদ এর ছবি

====
চিত্ত থাকুক সমুন্নত, উচ্চ থাকুক শির

ইশতিয়াক রউফ এর ছবি

এনকিদু এর ছবি

সচলায়তনের সদস্যরা কঠোর মডারেশনের পর পরিবারের একজন সদস্য হিসেবেই যোগ দেন। তাঁদের উপর লেখা/মন্তব্য বিচারের ভারটি দেওয়াই যায়। এতে মডুরামদের কষ্টও লাঘব হবে।

নাহ আমি এই প্রস্থাবটা ঠিক মানতে পারলাম না । যেমন মনে করেন আমি । আমারে যেই মাসে ঐ প্যানেলে অনারারি মডু করা হবে, আমি প্রথম দিনেই এমন ব্যারাছ্যারা লাগাব যে সচলায়তনেরই বদনাম হয়ে যাবে ।


অনেক দূরে যাব
যেখানে আকাশ লাল, মাটিটা ধূসর নীল ...


অনেক দূরে যাব
যেখানে আকাশ লাল, মাটিটা ধূসর নীল ...

আনোয়ার সাদাত শিমুল এর ছবি

ফারুক হাসান এর ছবি

শিমুলের বক্তব্যে আমি একমত।

প্রকৃতিপ্রেমিক এর ছবি

আলমগীর এর ছবি

আনোয়ার সাদাত শিমুল এর ছবি

আলমগীর এর ছবি

ভুলে গেছিলাম তো দেখি!
নাহ, এমন কিছু আর লিখুম না যে লোকজন বাজে রেটিং দেয়।
কী খবর আপনার, মমিন পইড়া রইছে, পড়ছেন?

রেনেট এর ছবি

---------------------------------------------------------------------------
No one can save me
The damage is done

---------------------------------------------------------------------------
একা একা লাগে

মৃদুল আহমেদ এর ছবি

ভয়ানকভাবে একমত।
---------------------------------------------
বুদ্ধিমানেরা তর্ক করে, প্রতিভাবানেরা এগিয়ে যায়...

--------------------------------------------------------------------------------------------
বললুম, 'আমার মনের সব কপাট খোলা ভোজরাজজী। আমি হাঁচি-টিকটিকি-ভূত-প্রেত-দত্যি-দানো-বেদবেদান্ত-আইনস্টাইন-ফাইনস্টাইন সব মানি!'

এনকিদু এর ছবি

সুন্দর প্রস্তাব ।


অনেক দূরে যাব
যেখানে আকাশ লাল, মাটিটা ধূসর নীল ...


অনেক দূরে যাব
যেখানে আকাশ লাল, মাটিটা ধূসর নীল ...

ইশতিয়াক রউফ এর ছবি

প্রকৃতিপ্রেমিক এর ছবি

আলমগীর এর ছবি

অরূপ, মাহবুব মুর্শেদ, হিমু, কনফুসিয়াস, সুমন চৌধুরী।

আপনে মিয়া পরীক্ষা দিয়া সচল হন নাই চোখ টিপি

প্রকৃতিপ্রেমিক এর ছবি

বিপ্রতীপ এর ছবি
হিমু এর ছবি

সব সচল ও অতিথি সচলের কাছ থেকেই মত কাম্য। কারণ দেখা যাচ্ছে যখন মতামত কাঙ্খিত, আমরা তখন কথা বলি না, কিন্তু কোন একটি পরিস্থিতির উদ্ভব ঘটলে বিদ্রুপের ভারটুকু সেখানে লাঘব করে এসে হালকা হই। এমনটি অনুচিত বলে মনে হয়। কার্যপদ্ধতিতে মতামতের ১০০% প্রতিফলন হয়তো একবারে ঘটবে না, কিন্তু প্রস্তাবনা একটা আকার পাবে।

আমার প্রস্তাবঃ

১. মডারেটরদের আচরণ ব্লগেরমালিকসুলভ হওয়া উচিত নয়। মডারেটরের কাজ নীতিমালার কথা স্মরণ করিয়ে দেয়া, কালেভদ্রে প্রয়োগ করা। সচলরা নিজেদের প্রশ্ন করে দেখতে পারেন, কে কে এ পর্যন্ত সচলাবস্থায় মডারেশনের শিকার হয়েছেন।

২. সচলদের ভূমিকা বা আচরণের কথা নীতিমালায় স্পষ্ট করা আছে। মডারেটরদের হস্তক্ষেপে তাঁরা আক্রান্তবোধ করলে এ নিয়ে আলোচনার একটি সুযোগ ও কাঠামো তৈরি করা উচিত।

৩. সচলায়তনের ভূমিকা লেখক সমাবেশের অতিরিক্ত কিছু হওয়া উচিত নয়। একটি অলাভজনক লেখক পরিবার হিসেবেই সচল সক্রিয় থাকুক।



হাঁটুপানির জলদস্যু আলো দিয়ে লিখি

সুমন চৌধুরী এর ছবি

একটা বিষয়ের উল্লেখ খুব কম হয় বা হয়ই না। সচলায়তন শুধু বাংলা নয়, ইংরেজী ও জার্মান ভাষায় আমার পরিচিত কমিউনিটি প্লাটফর্ম গুলির মধ্যে একমাত্র জায়গা যেটা একটা বিপ্লবের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত। সচলায়তনের এই মৌলিক বৈশিষ্ট্য আড়ালে চলে গেলে তলানিতে শুধু আমলাতান্ত্রিকতা মুখ ভেঙচি দিতে থাকে। বিপ্লবটা ঘটিয়েছে কয়েকজন ঘাড়ত্যাড়া যুবক। ঘাড়ের রগ সোজা থাকলে কোনরকম বৈষয়িক স্বার্থ ছাড়া এইরকম উদ্যোগ নেওয়ার উদাহরন ইতিহাসে নেই অথবা অতি অল্প। ইতিহাসে দেখা গেছে বিপ্লবের প্রধান শত্রুদের তালিকায় শুধু বাহ্যিক ষড়যন্ত্র আর অর্ন্তঘাতই না আমলাতান্ত্রিকতাও খুব গুরুত্বপূর্ন অবস্থানে থাকে। আমলাতান্ত্রিক কেন্দ্রিকতা যে অলিগার্কি সৃষ্টি করে, পুঁথিগতভাবে তাঁর দায় ব্যবস্থাপনার হলেও বিপ্লবের রাজনৈতিক শত্রুরা তাকে বিপ্লবী পরিবর্তনের ত্রুটি হিসেবে দেখিয়ে ভবিতব্য তত্ত্ব ঝাড়েন। অন্যদিকে প্রয়োগ করতে ডিটারমিনেশান আবশ্যক। সুতরাং আইন কানুন এবং আইন প্রয়োগকারীদের একটা কাঠামো থাকতেই হয়। সচলায়তনেরও সেরকম একটা কাঠামো আছে। যে আর্থ-রাজনৈতিক বাস্তবতায় আমরা বসবাস করছি, তাতে সচলায়তনের মতো উদ্যোগের শত্রুর অভাব সংগত কারণেই হয়নি। এই বাস্তবতায় মডারেশন খুবই জরুরি ছিল এবং এখনো আছে। কিন্তু মডারেটরের দ্বায়িত্ব যারা পালন করছেন তারা সচলায়তনের মালিক নন। সচলায়তনের মালিক এর লেখক-পাঠকবৃন্দ। লেখকপাঠকদের বাদ দিলে একরাশ পরিত্যক্ত আঁকাবাঁকা চুল ছাড়া আর কিছুই থাকে না। পৌনে দুইবছর পার করে সচলায়তন আজকে যেখানে এসেছে তাঁর মূল কৃতিত্ব সচলের লেখকদের।

আমার প্রস্তাব যা আগেই অনেকে বলেছেন,

১) নিজ নিকে কেউ মডারেটর নয়। নিজ নামে কাউকে মডারেশন ক্ষমতা প্রয়োগ করতে নিরুৎসাহিত করছি। উদ্ভুত অনাকাঙ্খিত পরিস্থিতিতে সচলায়তন বা সন্দেশ নিকটি ব্যবহৃত হতে হবে।

এছাড়া মুর্শেদের ২ এবং ৩ নং প্রস্তাব সমর্থন করছি।

বাংলা ব্লগোস্ফিয়ার বিকশিত হবার যে পর্যায়ে যেভাবে সচলায়তনের শুরু তাতে তার পেছনে ফেরার পথ বন্ধ। সচলায়তনকে বেঁচে থাকতেই হবে।



অজ্ঞাতবাস

বিপ্লব রহমান এর ছবি

(মানিক)


একটা ঘাড় ভাঙা ঘোড়া, উঠে দাঁড়ালো
একটা পাখ ভাঙা পাখি, উড়াল দিলো...


একটা ঘাড় ভাঙা ঘোড়া, উঠে দাঁড়ালো
একটা পাখ ভাঙা পাখি, উড়াল দিলো...

নজরুল ইসলাম এর ছবি

উপদেশ দিতে পারুম না। কিন্তু পছন্দ অপছন্দগুলা জানায়া যাই।

১. আমি সম্পূর্ণভাবে মডারেশনের পক্ষে। মডারেশন না থাকলে কী হয় তা দেখছি অন্য ব্লগগুলাতে। মাফ চাই বাবা।
২. সচল শুরুর কিছুদিন পর থেকেই আমি এখানে আছি। হয়তো প্রথমে লিখতাম না। কিন্তু পড়তাম। আমার কখনোই মডারেটরদেরকে ডাকাইত মনে হয় নাই।
৩. এবং এই কারনেই আমি মডারেটর প্যানেলে পরিবর্তনের দরকার মনে করি নাই। এখনো করতেছি না। মাসে মাসে অতিথি মডারেটর নেওয়ারও দরকার আছে বলে মনে করি না। তবে তারা যদি মনে করেন খাটনি কিছু কমানো দরকার, তাহলে কিছু দায়িত্ব (রুটিন ওয়ার্ক জাতিয় যদি কিছু থাকে) সাবমডারেশনে দিতে পারেন।
৪. আমরা যখন সচলায়তনে আসি, তখন জেনেই আসি যে এইটা একটা মডারেটেড ব্লগ। এইখানে আইসা মডারেশনের বিরুদ্ধে কথা বলাটা বোকামী মনে হয় আমার কাছে।
পান্তা ভাত খাইতে বইসা পান্তা কেন ভিজা, শুকায়া দেও টাইপ কথা আমি বলতে পারবো না। আমার পান্তা ভালো লাগে, আমি পান্তাই খাবো, খিচুড়ি খাইতে চাইলে খিচুড়ি খাবো। কাহিনী শেষ।
৫. আমি নিজে পার্ফেক্ট মানুষ না, পৃথিবীর কোনো কিছু থেকেই আমি ১০০% আশা করি না। নির্বাচনে সৎ প্রার্থী খুঁজিনা, প্রেমে কুমারী খুঁজি না... এইসব আর কি।
তো আমি মোটেই কখনো আশা করি না যে মডারেটররা সবকিছু এক্কেবারে ঠিকঠাক দায়িত্ব পালন করবো। আমি মডারেটরদের মডারেটরই মনে করি। চাকর না, ফেরেশতাও না।
৬. আর যা যা কইতে চাইছিলাম এখন আর মনে নাই।
৭. সবশেষে একটাই উপদেশ... যেমনে চলতেছে তেমনেই চলুক।
______________________________________
পথই আমার পথের আড়াল

______________________________________
পথই আমার পথের আড়াল

সংসারে এক সন্ন্যাসী এর ছবি

প্রত্যেকটা অক্ষরের সাথে একমত।

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
টাকা দিয়ে যা কেনা যায় না, তার পেছনেই সবচেয়ে বেশি অর্থ ব্যয় করতে হয় কেনু, কেনু, কেনু? চিন্তিত

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
টাকা দিয়ে যা কেনা যায় না, তার পেছনেই সবচেয়ে বেশি অর্থ ব্যয় করতে হয় কেনু, কেনু, কেনু? চিন্তিত

স্নিগ্ধা এর ছবি

অসহ্য নইজ্যা আমার সব কথা আমি বলার আগেই বলে দিসে মন খারাপ মোট কথা আমিও একমত।

কীর্তিনাশা এর ছবি

আমিও সহমত জানাইলাম হাসি

-------------------------------
আকালের স্রোতে ভেসে চলি নিশাচর।

-------------------------------
আকালের স্রোতে ভেসে চলি নিশাচর।

এনকিদু এর ছবি

আমিও, একশত ভাগ ।


অনেক দূরে যাব
যেখানে আকাশ লাল, মাটিটা ধূসর নীল ...


অনেক দূরে যাব
যেখানে আকাশ লাল, মাটিটা ধূসর নীল ...

তানবীরা এর ছবি

ঝাইঝা দিলাম।

তানবীরা
---------------------------------------------------------
চাই না কিছুই কিন্তু পেলে ভালো লাগে

*******************************************
পদে পদে ভুলভ্রান্তি অথচ জীবন তারচেয়ে বড় ঢের ঢের বড়

অছ্যুৎ বলাই এর ছবি

---------
চাবি থাকনই শেষ কথা নয়; তালার হদিস রাখতে হইবো

লুৎফুল আরেফীন এর ছবি

এক. মডু বিষয়ে শিমুলের বক্তব্যকে সমর্থন দিচ্ছি।

দুই. আমি প্রত্যেক পাতার একেবারে শেষে এসে একটা 'নীড়পাতা' বা 'পাতার শুরুতে' জাতীয় একটা লিঙ্ক চাই। অনেক মন্তব্য সম্পন্ন লেখাগুলোতে মন্তব্য পড়া/করার পরে স্ক্রল করে ওপরে উঠে তারপর নীড়পাতায় ফেরা লাগে, এই কষ্ট হুদাই কেন করবো?!

তিন. নীতিমালা অপরিবর্তিত রাখেন। জাফর ইকবার স্যার বলেছেন, Never Change a running system, যেটা চলছে সেটাকে না বদলে, যেটা আটকে আছে সেটাকে চালানোর উদ্যোগ নেওয়াই ভালো।

শুভেচ্ছা

___________________________
বাংলাদেশ আমার বাংলাদেশ

ধুসর গোধূলি এর ছবি

- সুজন ভাই, একটা ফাঁকিবাজী বুদ্ধি ধরায়ে দেই। বিশাল মন্তব্য সম্বলিত কোনো পোস্টের একদম শেষে গিয়ে আপনার কীবোর্ডের "pos1" বোতামটা চাপলেই দেখবেন আলাদিনের জ্বীনির চাইতেও দ্রুত গতিতে আপনি ঐ পাতার একেবারে শুরুতে চলে যাবেন। ব্যস, তখন আপনি নীড়পাতা, বাঁশপাতা, আমপাতা কি জামপাতা- যেকোনো পাতাতেই যেতে চান নির্দ্বিধায় চলে যেতে পারবেন।

অফ টপিকঃ এই বুদ্ধির জন্য আমাকে কোনো কমিশন দিতে হবে না। আরামসে কার্যকর করতে থাকেন নিজের মনে করে। ইয়া হাবিবি। চলুক
___________
চাপা মারা চলিবে
কিন্তু চাপায় মারা বিপজ্জনক

লুৎফুল আরেফীন এর ছবি

ডানকেশ্যূন
___________________________
বাংলাদেশ আমার বাংলাদেশ

রানা মেহের এর ছবি

সচলায়তন সম্পর্কে পরামর্শ অনুরোধ যাই বলুন না কেন একটাই আছে,
সচল যেমন আছে তেমনই থাক।

মডারেশন নীতি শিথিল কিংবা পরিবর্তনের একদম বিপক্ষে দাঁড়াচ্ছি।

তার থেকে বেশী বিপক্ষে দাঁড়াচ্ছি
তিন মাস পরপর মডারেটর বদলানোর প্রস্তাবে

এই মাত্র একটা লেখা পড়ে এসেছি সামহোয়্যারে।
মেজাজ মন দুটোই খারাপ হয়ে আছে
-----------------------------------
আমার মাঝে এক মানবীর ধবল বসবাস
আমার সাথেই সেই মানবীর তুমুল সহবাস

-----------------------------------
আমার মাঝে এক মানবীর ধবল বসবাস
আমার সাথেই সেই মানবীর তুমুল সহবাস

অবাঞ্ছিত এর ছবি

__________________________
ঈশ্বর সরে দাঁড়াও।
উপাসনার অতিক্রান্ত লগ্নে
তোমার লাল স্বর্গের মেঘেরা
আজ শুকনো নীল...

__________________________
ঈশ্বর সরে দাঁড়াও।
উপাসনার অতিক্রান্ত লগ্নে
তোমার লাল স্বর্গের মেঘেরা
আজ শুকনো নীল...

প্রকৃতিপ্রেমিক এর ছবি

চলুক

s-s এর ছবি
এনকিদু এর ছবি

'স্ট্রিক্টলী' (এইটার বাংলা কি বাল)

এইটারে বাংলায় বলে ' কড়াকড়ি ' ।


অনেক দূরে যাব
যেখানে আকাশ লাল, মাটিটা ধূসর নীল ...


অনেক দূরে যাব
যেখানে আকাশ লাল, মাটিটা ধূসর নীল ...

অনিকেত এর ছবি

আমি দুঃখিত যে পুরোপুরি মন-পসন্দ কথা বলতে পারব না বলে। আশা করছি সেটা এখানে কেউ চাইছেন ও না।

১। আমি চাই মডুদের আচরনে আরো স্বছতা আসুক। কোন সচলের সাথে বিবাদ বা বিতর্কের ফলাফল যদি হয় কারো বহিস্কার সেটা আমাদের সবাইকে জানানো হোক। সেই সাথে তাকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেয়া হোক।

২।মডারেটররা যেন ডিক্টেটরের ভুমিকায় না আসতে পারেন সেইটা মনিটর করার কোন ব্যবস্থা থাকা দরকার। আমি ঠিক নিশ্চিত নই কিভাবে এইটা করা যেতে পারে। হয়ত মডারেটরদের আচরন নিয়ন্ত্রন করার জন্যে সচলদের তরফ থেকে একটা কমিটি থাকতে পারে---যারা 'অশিষ্ট' আচরনের জন্যে সংশ্লিষ্ট মডারেটরকে কাঠগড়ায় দাঁড় করাতে পারবেন। এইটা জনসমক্ষে হতে হবে এমন কোন কথা নেই। কিন্তু একজন মডারেটর যে নিজে ঈশ্বর নন---এই অনুভূতিটুকু থাকা খুব জরুরী। Power tends to corrupt---এর মত সত্য খুব কমই আছে।

৩। লেখা মডারেশানের শিকার আমি নিজে কখনো হইনি। আমি যা লিখেছি---সেসব অক্ষরে অক্ষরে প্রকাশিত হয়েছে। শুধু তাই নয়, আমি প্রতিটি ঈদে,উৎসবে মডারেটরদের কাছ থেকে ব্যক্তিগত শুভেচ্ছা পেয়েছি। এইটে আমাকে এখানে অনেকটুকু sense of belonging দিয়েছে। আমি চাই এই জিনিসটা বহাল থাকুক। এখানে একটি ই-বুক প্রকাশের সময় একজন মডারেটর যে ভাবে ব্যক্তিগত ভাবে আমার সাথে যোগাযোগ করে লেখা চেয়েছেন----আমি সেটাতে যারপরনাই মুগ্ধ। আপনাকে ধন্যবাদ(আপনি কে সেটা নিশ্চয়ই জানেন)!!

৪। লেখা অটো-সেভ করার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করলে ভাল হয়। এই বিষয়ে কিছুদিন আগেই কেউ একজন সম্ভবত কথা বলছিলেন এবং একজন মডারেটর আশ্বস্ত করেছেন এই বলে যে সেটা শীঘ্রই যুক্ত হতে যাচ্ছে।

৫। কোন একটা লেখা প্রকাশ করার পর লেখক যখন পরে লগ-ইন করেন তখন নতুন মন্তব্য যুক্ত হয়েছে কি না সেটা জানানোর ব্যবস্থা করা গেলে ভাল হয়। এখন যেমন লগ-ইন করলে নতুন কোন মেইল ইনবক্সে আছে কিনা সেটা জানান দেয়া হয়--সেইরকম কিছু কী করা সম্ভব?

৬। ছবি সংযুক্তির ব্যাপারটা আরেকটু সহজতর করার কী কোন উপায় আছে? একটা আর্টিকেলে পর পর কিছু ছবি কিভাবে দেয়া যায়? হয়ত ব্যবস্থাটা এখানে আছে--কিন্তু আমি খুঁজে পাইনি।

সবশেষে বলব---সচলায়তন আমার একমাত্র নিশ্বাস ফেলার জায়গা। আমার একমাত্র স্বস্তির স্থান। এখানে ভালবাসা যেমন আছে, বিরোধও থাকবে অবশ্যই। একটি সুশীল পরিবেশ আমরা সবাই আশা করি--- সেটা মডারেটর ও সচল সকলের পক্ষ থেকেই। সচলায়তন আজকে এই অবস্থায় এসেছে শুধু একটি গ্রুপের অবদানের নয়---মডু ও সচল--দুই পক্ষের সমান অবদানে--এইটা যেন আমরা সকলেই মনে রাখি।

আমার মন্তব্য এখানে সচলায়তনকে ভালবেসেই করা। কাউকে হেয় প্রতিপন্ন করা বা আক্রমন করা আমার উদ্দেশ্য নয়।

শুভেচ্ছা রইল।

ইশতিয়াক রউফ এর ছবি

ছবি সংযুক্তির ব্যাপারটা আরেকটু সহজতর করার কী কোন উপায় আছে?

HTML ট্যাগ ব্যবহার করি আমি, তাহলেই ঠিক হয়ে যায়।

<*table>
<*tr><*td> ... <*/td><*/tr>
<*/table>

এতেই ছবি পরপর আসে। একটু ঝামেলা, কিন্তু তবু কাজে দেয় ভালই। তারকা গুলা উঠায় দিতে হবে, বুঝেনই তো। খাইছে

s-s এর ছবি
ঘুমহারা  এর ছবি

হয়ত মডারেটরদের আচরন নিয়ন্ত্রন করার জন্যে সচলদের তরফ থেকে একটা কমিটি থাকতে পারে---যারা 'অশিষ্ট' আচরনের জন্যে সংশ্লিষ্ট মডারেটরকে কাঠগড়ায় দাঁড় করাতে পারবেন।

দুষ্টলোকে বলে এইরকম এক কমিটি নাকি আছে সচলে যারা মডুদের ধামকি দিতে পারেন, কিন্তু প্রকাশ্যে নিরীহ সচল সেজে থাকেন আর মডুরা উলটা পালটা করে ধরা খাইলে তারা এদের বাঁচাতে মাঠে নামেন । এই কমিটির একজনরে নাকি আজকে সচলে খুব এক্টিভ দেখা গেছে হাসি

আমরা সাধারন পাঠকেরা এই সাইটকে ভালোবাসি এইখানে ভালো লেখা হয় বলে । আপনারা সকলে মিলে এই সাইটকে ভালো করে চালালে ভালোই হয় । গালাগালি মুক্ত একটা বাংলা সাইট থাকা দরকার আছে ।

হাসান মোরশেদ এর ছবি

বাইরে থেকে তো দেখি আপনারা আরো বেশী জানেন, সচলায়তনের ভেতরে থেকে আমরা যতোটুকু না জানি ।
এই সাইটের কপাল এই- এখানে বাইরের বিষয় নিয়ে আলোচনা যতো কম হয়, বাইরে একে নিয়ে মাথাব্যথা হয় আরো বেশী ।
-------------------------------------
জীবনযাপনে আজ যতো ক্লান্তি থাক,
বেঁচে থাকা শ্লাঘনীয় তবু ।।

-------------------------------------
জীবনযাপনে আজ যতো ক্লান্তি থাক,
বেঁচে থাকা শ্লাঘনীয় তবু ।।

পলাশ দত্ত এর ছবি

সকলে মিলে এই সাইটকে ভালো করে চালালে ভালোই হয় ।

সাইটটা ভালো করে চালালে তো দুষ্টলোকের কিছু বলার থাকবে না। তারচে থাক এমন; আর আপনার মতো সাধারণ পাঠকরা দুষ্টলোকের কথা শুনুন। চোখ টিপি
==========================
পৃথিবীর তাবৎ গ্রাম আজ বসন্তের মতো ক্ষীণায়ু

==========================
পৃথিবীর তাবৎ গ্রাম আজ বসন্তের মতো ক্ষীণায়ু

দৃশা এর ছবি

পার্ট বাই পার্ট কইতে পারুম না। তয় একটা জিনিসই চাই মডুদের থেইকা। ট্রান্সপেরেন্সি। কেন কুন বিষয়ে কোন সিদ্ধান্ত নেওয়া হইল, যেহেতু এইখানে সবাই ছোট একটা পরিবারের মতই আছে, সুতরাং সবার জানার অধিকারটাও অচিরেই জন্মাইয়া যায়। মডারেশন ছাড়া আর একটা সামু দেখার খায়েশ নাই। বরং যথাযথ ভাবে প্রয়োগ করলেই খুশি।

দৃশা

দ্রোহী এর ছবি

আমি মডারেশনের পক্ষপাতী। "রাত তিনটায় ঢাকায় আসলাম" টাইপ পোস্টে আমার কিঞ্চিৎ অ্যালার্জি আছে।

তবে ব্যক্তিগত ভাবে মডু হিমু, মডু অরূপ কে ব্লগার হিমু, ব্লগার অরূপ হিসাবে দেখতে চাই। আর সবার মত আমিও বলি মডারেশনের কাজটুকু সন্দেশ, রসগোল্লা, কালোজাম অ্যাকাউন্ট থেকেই করা হোক।

আরেকটা ব্যাপার, "যে কোন মডারেশনের সিদ্ধান্তে অন্ততপক্ষে তিনজন মডারেটরকে একমত হতে হবে" টাইপ একটা কিছু করলে ভালো হয়। তাতে করে একজনের মাথা গরম থাকলেও অন্য দুইজন ব্যাপারটা সামাল দিতে পারবে।

সচলায়তন থেকে কেউ চলে যাক এটা চাই না। এইসব যাওয়া যাওয়ি নাটক দেখতে দেখতে ক্লান্ত। আরে বাবা, ব্লগইতো! এটাতো আর জীবন না! এতো সিরিয়াস হবার কী আছে?

দ্রোহী এর ছবি

একটু সম্পাদনা।

মডু অ্যাকাউন্ট সন্দেশ, রসগোল্লা, কালোজামের বদলে দ্রোহী [অতিথি] এর আদলে হিমু [মডুরাম], অরূপ[মডুরাম] প্রস্তাবটাই বেশি মনে ধরেছে। কারন সন্দেশ, রসগোল্লায় একটা আড়াল থাকে। মডারেশন যখন হবেই তখন লুঙ্গি তুলেই হোক।

ইশতিয়াক রউফ এর ছবি

r

নজরুল ইসলাম এর ছবি

আরে বাবা, ব্লগইতো! এটাতো আর জীবন না! এতো সিরিয়াস হবার কী আছে?

এইটাই...
______________________________________
পথই আমার পথের আড়াল

______________________________________
পথই আমার পথের আড়াল

নজমুল আলবাব এর ছবি
মুস্তাফিজ এর ছবি

প্রথম আলোচ্চ্যঃ মডারেটরদের ভূমিকা ও আচরণ কেমন হওয়া উচিত?
মডারেটিং করা সবসময়ই বিরক্তিকর, আর ব্যক্তিগত শত্রু তৈরী করে। সচলায়তনে মডারেটরদের ভুমিকা কতদূর পর্যন্ত বিস্তৃত থাকবে সেটা যারা মডারেটিং করছেন তারাই ঠিক করবেন কিন্তু এক্ষেত্রে একটা স্বচ্ছ ধারনা সকল সদস্যের থাকা উচিৎ। কিছু সিদ্ধান্ত একক (যেমন প্রকাশিত লেখার এলাইনমেন্ট বা ছবি ছোট করে দেয়া) এবং কিছু যৌথ (যেমন আপত্তিকর মন্তব্য মুছে দেয়া), কিছু সকল মডারেটরদের মিলিত সিদ্ধান্তে (যেমন কারো সদস্যপদ স্থগিত কিংবা অনুমোদন) এলে ভালো হয়। এছাড়া সচলায়তনের মূল ধারনার সাথে যায়না তেমন কোন সিদ্ধান্ত নিতে হলে অবশ্যই সদস্য সচলদের মতামত নেয়াটা ভালো মনে করি। সকল মডারেটরের উচিত তার উপর অর্পিত দায়িত্ব নিজস্ব ক্ষমতাগন্ডীর ভেতরে থেকে সিদ্ধান্ত প্রদান। মডারেটিং এর চাপ কমানোর জন্য আপনারা আরেকটা কাজ করতে পারেন তা হলো ২৪ঘন্টা কে ৬ ভাগে ভাগ করে দায়িত্ব ভাগাভাগি করে নেয়া, সেক্ষেত্রে লোকবলের অভাব সচল সদস্যদের মাঝথেকে পূরন হতে পারে। এটা কেমন শোনায় যে বর্তমানে যারা মডারেটর আছেন তারা এড্‌মিন প্যানেলে থেকে শুধুমাত্র নির্ধারিত দায়িত্বটুকু পালনের ক্ষমতা দিয়ে (উপরে বর্নিত একক এবং যৌথ সিদ্ধান্ত) যদি মডারেটর নিয়োগ করা হয়?
দ্বিতীয় আলোচ্চ্যঃ সচলদের ভূমিকা ও আচরণ কেমন হবে?
আশা করা যায় সচলরা পারস্পরিক সহযোগিতা এবং সহমর্মিতা মূলক মনোভাব সকলক্ষেত্রে পোষন করবেন। ব্যক্তিগত আক্রমন কিংবা গোষ্ঠী ঘৃণা (রাজাকার ছাড়া) জাতীয় কথাবার্তা কারও লেখা কিংবা মন্তব্যে না আসাই ভালো। সঠিক সূত্র কিংবা প্রমান সহ এরূপ কথাবার্তা অবশ্যই আসতে পারে, সেক্ষেত্রে প্রকাশের সাথে সাথেই মডারেটররা সেগুলো যাচাই করে নেবেন। আরেকটা জরুরী বিষয় ভাষা, মন্তব্য কিংবা লেখায় (গল্প কবিতা ছাড়া) এমন ভাষা ব্যবহার করা উচিত না যা ব্যক্তিগত বা পারিবারিক আবহে আমরা ব্যবহার করিনা। আমি আরো আশা করি সচলরা সবাই সহনশীল হবেন, কোন বিরূপ মন্তব্যে তাৎক্ষনিক প্রতিক্রিয়া না জানিয়ে দ্বিতীয়বার এমনকি তৃতীয়বার চিন্তা করুন। এটাকে আবার মাথা নীচু করে থাকা ভাববেন না।
তৃতীয় আলোচ্চঃ সচলায়তনের ভূমিকা ও আচরণঃ আমাদের যদি নিজের ক্ষমতা, দায়িত্ব এবং সামর্থ সম্পর্কে ধারনা থাকে তাহলেই সচলায়তনের ভূমিকা ও আচরণ দিন দিন সমৃদ্ধ হবে।

কল্পনা আক্তার এর ছবি

আমার সচলায়তনে আসার পেছনের কারণ ছিল একজন সচলের একটি মন্তব্য যার সাথে আমি একমত ছিলাম না। আমার কাছে মনে হয়েছিল তিনি তথ্যর অভাবে এমন মন্তব্য করছেন আর তার সঠিক উত্তর আমার দেয় প্রয়োজন। অন্য কোন ব্লগ হলে আমি হয়তো এসেই ওই মন্তব্যকারীকে ঝেড়ে চলে যেতাম। কিন্তু আমি সচলায়তনে আসার পর এই ব্লগটির ভিন্নরুপ (পরিচ্ছন্নতা) দেখতে পেলাম এবং এই পরিচ্ছন্নতার একটি কারণ আমার আছে পরিস্কার ছিল আর তা হচ্ছে মডারেশন।

মডারেটর এবং মডারেশন অবশ্যই প্রয়োজন, এই দুটি যদি সচলায়তনে না থাকতো তাহলে আমার মতো অনেকের পিসিতে সারাক্ষন সচলায়তনের পাতাটি খোলা থাকতো না। তবে সাথে সাথে এর স্বচ্ছতাও প্রয়োজন যা উপরে অনেকে বলে গেছেন।

আমি শুধু বলবো কোন কারণেই যাতে সচলের লেখক ও পাঠকদের মনে মডু/মডারেশন ভীতি না তৈরী হয় সে বিষয়ে মডুদের সজাগ দৃষ্টি রাখা আর একই সাথে যারা এই ব্লগের লেখক এবং পাঠক তাদের উভয়েরই নিজের দায়িত্ব ও কর্ত্বব্য সম্পর্কে সচেতন হওয়া।আমি বিশ্বাস করি একটি ব্লগে মডু+ব্লগার+পাঠক সবাই গুরুত্বপূর্ণ এবং এক অন্যের সম্পূরক।

........................................................................................................
সব মানুষ নিজের জন্য বাঁচেনা


........................................................................................................
সব মানুষ নিজের জন্য বাঁচেনা

পান্থ রহমান রেজা এর ছবি

আরিফ জেবতিক এর ছবি

রেনেট এর ছবি

একমত
---------------------------------------------------------------------------
No one can save me
The damage is done

---------------------------------------------------------------------------
একা একা লাগে

গৌতম এর ছবি

একমত।
.............................................
আজকে ভোরের আলোয় উজ্জ্বল
এই জীবনের পদ্মপাতার জল - জীবনানন্দ দাশ

::: http://www.bdeduarticle.com
::: http://www.facebook.com/profile.php?id=614262553/

.............................................
আজকে ভোরের আলোয় উজ্জ্বল
এই জীবনের পদ্মপাতার জল - জীবনানন্দ দাশ

নুরুজ্জামান মানিক এর ছবি

আরিফ ভাইয়ের সাথে একমত ।

নুরুজ্জামান মানিক
*******************************************
বলে এক আর করে আর এক যারা
তারাই প্রচণ্ড বাঁচা বেঁচে আছে দাপটে হরষে
এই প্রতারক কালে (মুজিব মেহদী)

নুরুজ্জামান মানিক
*******************************************
বলে এক আর করে আর এক যারা
তারাই প্রচণ্ড বাঁচা বেঁচে আছে দাপটে হরষে
এই প্রতারক কালে (মুজিব মেহদী)

ইশতিয়াক রউফ এর ছবি

s-s এর ছবি

অভির এই সহমর্মিতামূলক উদ্যোগকে অভি-নন্দন :)। মডারেটর হবেন?হাসি
আদৌ কি পরিপাটি হয় কোনো ক্লেদ?ঋণ শুধু শরীরেরই, মন ঋণহীন??

স্বপ্নাহত এর ছবি

অভি ভাইরে আশীর্বাদ করলেন নাকি অভিশাপ দিলেন? খাইছে

---------------------------------

তাও তো ভারী লেজ উঁচিয়ে পুটুশ পাটুশ চাও!

---------------------------------

বাঁইচ্যা আছি

ইশতিয়াক রউফ এর ছবি

আমারও এটাই প্রতিক্রিয়া ছিল... দেঁতো হাসি

হাসান মোরশেদ এর ছবি

অভি ছেলেটা বেশ মডারেট ( বলেছেন s-s)
-------------------------------------
জীবনযাপনে আজ যতো ক্লান্তি থাক,
বেঁচে থাকা শ্লাঘনীয় তবু ।।

-------------------------------------
জীবনযাপনে আজ যতো ক্লান্তি থাক,
বেঁচে থাকা শ্লাঘনীয় তবু ।।

নতুন মন্তব্য করুন

এই ঘরটির বিষয়বস্তু গোপন রাখা হবে এবং জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে না।
Image CAPTCHA