Warning: Creating default object from empty value in i18ntaxonomy_term_page() (line 34 of /var/www/sachalayatan/s6/sites/all/modules/i18n/i18ntaxonomy/i18ntaxonomy.pages.inc).

দিনপঞ্জি

ভিনগ্রহের কমলা রঙের রোদ

তারেক অণু এর ছবি
লিখেছেন তারেক অণু (তারিখ: শনি, ২৭/১২/২০১৪ - ১১:২১অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

কাল রাত্তিরে ওয়ারনামবুল শহরের আকাশে কালপুরুষ দেখে বেশ আয়েশ করে ঘাড় বেঁকিয়ে দেখতে যেয়ে চমকে উঠলাম, পুরা তারামণ্ডলটাই উল্টে আছে! কাঁধের আদ্রা চলে এসেছে নিচে, হাঁটুর বাণরাজ ডিগবাজি মেরে উপরে এবং উল্টো দিকে! বিশাল কালপুরুষের বেল্ট আর তার নিচের নীহারিকা চলে গেছে কাঁধের কাছাকাছি! কী কেলেংকারি! এমন অদ্ভুতুড়ে ঘটনা কেন হবে? আমি তো আর উল্টো হয়ে ঝুলে নেই !


রবিবার এবং কফি - ৪

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: মঙ্গল, ২৩/১২/২০১৪ - ৭:৪৮অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

লেখার জন্য কেউ অপেক্ষা করছে ভাবতে ভালোলাগে, সেই একজনটা না’হয় হোক আমার অবচেতন মন কিংবা দু’একজন সত্য বন্ধু।
রবিবার গুলো কেটে যায় আলসেমি না করে, রাজকন্যা কঙ্কাবতীর মতো কফিতে আয়েশি চুমুক দেয়া হয় না আজ ক’মাস। তবে মাথার ভেতর লেখা চলে, অবিরাম নতুন ভাবনা উঁকি দেয়।


বিজয় দিবসে আমাদের স্পর্ধা

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: রবি, ২১/১২/২০১৪ - ৮:৩৮অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

প্রায় পাঁচ বছর পর ডিসেম্বর মাসটা ঢাকা শহরে কাটাচ্ছি। ৩০ বছরের জীবনের ২৫টা বছরই কেটেছে ঢাকায়। গত পাঁচ বছরের প্রবাস জীবনে এক-দু’বার যা দেশে আসা হয়েছে তা হয় বছরের মাঝামাঝি, অথবা যীশুখ্রীষ্টের জন্মদিনের পরে। বিজয় দিবসে নগরীর সাজ সাজ রবের ব্যাপারটাই প্রায় ভুলতে বসেছিলাম। এবার তাই সদ্য কেনা স্মার্টফোন হাতে বেশ তৈরি হয়েই বেড়িয়েছি প্রতিদিন, স্মৃতির খাতা ঝালাই করব বলে। কত কিছু যে পাল্টেছে, কত কিছু আবার ঠিক


রাশিয়ার দিনলিপি: সকালের চাঁদ

নীলকান্ত এর ছবি
লিখেছেন নীলকান্ত (তারিখ: শনি, ২০/১২/২০১৪ - ১১:৫০পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আগের দিন প্লেন থেকে নেমেই একটা ছবি তুলে ব্লগ পোস্ট করেছিলাম, লেখাটা তাই হয়ে গিয়েছিল ছোট। আজকেরটা কতটুকু হবে বলতে পারছি না, রাশিয়ান সময় সকাল নয়টা বাজছে প্রায়।

ছুটি দীর্ঘদিনের হলেও কাজ সাথে করে কিছু সবসময় আনা হয়। এর মধ্যে ল্যাপটপ নিয়ে আসা হয়নি, কাজ যাতে কম করা হয়। পেনড্রাইভে সব ফাইল অবশ্য নিয়ে রেখেছিলাম, যা বর্তমানে ল্যাপটপের সাথে দুই ফুট বাই এক ফুট এক ড্রয়ারে অবস্থান করছে।


রাশিয়ার দিনলিপি

নীলকান্ত এর ছবি
লিখেছেন নীলকান্ত (তারিখ: বিষ্যুদ, ১৮/১২/২০১৪ - ৭:৩৩পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

"হুয়াই ইউ আর হিয়ার?"
ভাঙ্গা ভাঙ্গা ইংলিশে রুশ রমণীর জিজ্ঞাসা। কাউন্টারের এক পাশে দাঁড়ানো আমি তার বয়স বোঝার চেষ্টা করি। রুশ নারীদের বয়স বোঝা অধিকাংশ ক্ষেত্রে কঠিন, ভারী সাজসজ্জা আর পোশাকের ভিড়ে।
বিষয়টা এমন নয় যে, রাশিয়ান মেয়েরা দেখতে অসুন্দর। বিষয়টা হলো, তাহারা সর্বদা পরিপাটি (মেকাপ) থাকতে পছন্দ করে। ভিখারীর পোশাকও আমার পোশাকের চেয়ে দামী।


ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট

সুমিমা ইয়াসমিন এর ছবি
লিখেছেন সুমিমা ইয়াসমিন [অতিথি] (তারিখ: বুধ, ১৭/১২/২০১৪ - ৪:২৬অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

মানুষ দেখতে বড় ভালো লাগে আমার। ভিড় অপছন্দ, তবু ভিড়ের মুখগুলোতে বৈচিত্র্য খুঁজতে ভালো লাগে। বিজয় দিবসের বিকেলে শাহবাগ, জাদুঘর, পাবলিক লাইব্রেরি, ছবিরহাট, টিএসসি, বাংলা একাডেমি ঘুরলাম। ঢাকার সব মানুষ যেন এই এলাকায় জড়ো হয়েছে! সেজেগুজে পুরো পরিবার নিয়ে ঘুরছে মানুষ। উৎসব-উৎসব আমেজ চারিদিকে! প্রায় সবার পরনে কিছুটা হলেও লাল-সবুজের ছোঁয়া। রিকশাওয়ালা, ফল বিক্রেতা, চুড়ি বিক্রেতা, পথশিশু এবং গার্মেন্টস শ্রমিকদের অনেকেও পোশাকে লাল-সবুজ ধারন করেছে। এতো সুন্দর লাগছিল! আমাদের বিজয় উৎসবের রং লাল-সবুজ। এই রং সর্বজনীন।


সুখের দিন ছিল.....

তাহসিন রেজা এর ছবি
লিখেছেন তাহসিন রেজা [অতিথি] (তারিখ: রবি, ০৭/১২/২০১৪ - ৪:০১অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

গ্রাম্য শীতের সকালের কেমন যেন একটা নিজস্ব গন্ধ থাকে। হালকা কুয়াশায় সেই গন্ধ মিশে থাকে। মিশে থাকে মেঠো রাস্তার উপর পড়ে থাকা হলদেটে সবুজ পাতায় লেগে থাকা শিশিরে। এই গন্ধ ভর করে ফসলের ক্ষেতে কাকতাড়ুয়ার মাথার উপর বসে থাকা দোয়েল অথবা লেজ ঝোলা ফিঙের ডানায়। ভোরের প্রথম আলোতে যে কৃষক পরম মমতায় হাত বুলায় তাঁর সাধের ফসলে, এই গন্ধ মিশে থাকে তাঁর ধূসর রঙের চাদরে। এই গন্ধ বসত গাড়ে বাঁশ ঝাড়ের শিশিরে ভেজা পাতায় আ


মিশন নাগাল্যান্ড, মিশন কামাখ্যা- ০, পরিকল্পনা

তারেক অণু এর ছবি
লিখেছেন তারেক অণু (তারিখ: বুধ, ০৩/১২/২০১৪ - ১১:৫১অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

হর্নবিল ফেস্টিভ্যাল নামটা কি পরিচিত লাগছে?


জীবন নদীর পাঁকে পাঁকে

পুতুল এর ছবি
লিখেছেন পুতুল (তারিখ: সোম, ১৭/১১/২০১৪ - ২:১১পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

শুভ, আমি তোমাকে আমার প্রিয় কবিতাটির মত মুখস্ত করতে চাই। প্রথম নিঃশ্বাসের শব্দ থেকে হৃদয়ের প্রথম স্পন্ধন পর্যন্ত। তোমার ভাবনা গুলো, ইচ্ছে গুলো, চাওয়া পাওয়া গুলো আপনার করতে চাই, তবে তোমাকে গ্রাস না করে। আমি তোমাকে আমার অঙ্গে ধারণ করি নাই, অন্তরে, মনে, চিন্তায় চেতনায় বপন করেছি। সে বপিত বীজে পত্র-পল্লব অঙ্কুরিত হয়েছে, ফুটেছে ফুল। তার সৈরভ, গৌরব, ছায়া,গন্ধ আমাকে মায়ায় আচ্ছন্ন করে রাখে সারাদিন, সারাক্ষণ