Warning: Creating default object from empty value in i18ntaxonomy_term_page() (line 34 of /var/www/sachalayatan/s6/sites/all/modules/i18n/i18ntaxonomy/i18ntaxonomy.pages.inc).

ব্লগরব্লগর

অসংলগ্ন কথাবার্তা

তাপস শর্মা এর ছবি
লিখেছেন তাপস শর্মা [অতিথি] (তারিখ: শনি, ০৬/০৭/২০১৩ - ৮:১৯অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

'একাধিক শোকে অশ্রুর একাধিক ধারা বহে না' -- সৈয়দ শামসুল হক

অসংখ্য কথা জমে মেঘ হয়ে আছে...

অতএব প্লাস্টিকের হাসি দিতে দিতে খুচরা হিসেবগুলি নগদে সেরে ফেলার নাম নাগরিক সভ্যতা। আমি জানি চাঁদের বাহারি জৌলুস, এরপর বজ্রপাত সহ বৃষ্টি, আবার ভ্যাপসা গরম এবং দুইশোর উপরে বিপি। পরিত্যক্ত এই রাত্রিটাও কেটে যাবে আরেকটা সকাল হবে বলে। দুঃস্বপ্নের হাতপাখা নাড়তে নাড়তে একদিন খয়েরি হয়ে যায় জংধরা অনামি মানুষ; আমি সেই মানুষদের দলে...বছর কুড়ি আগের শৈশবটায় দেড় হাত লম্বা আমিটাই ভালো ছিলাম। কেন যে হুদামিছা বয়েস বেড়ে গেলো, আর জীবনের সীমানাটাও সাড়ে তিন হাত লম্বা হয়ে গেলো... কখনো কখনো ভাবি একটা মাত্রই তো জীবন, তাতেই যদি সব নিয়ম মেলে চলি তাহলে তো 'নাগরিক মানুষ' হয়ে যাবো। তারচেয়ে বরং চলুক না অনার্য জীবন...


তুমি যে সুরের আগুন লাগিয়ে দিলে

মনি শামিম এর ছবি
লিখেছেন মনি শামিম [অতিথি] (তারিখ: শনি, ০৬/০৭/২০১৩ - ৮:১৮অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

boithoki 2


বেশি করে পোশাক পরুন, ধর্ষণ প্রতিরোধ করুন!

তারেক অণু এর ছবি
লিখেছেন তারেক অণু (তারিখ: শুক্র, ০৫/০৭/২০১৩ - ৯:০৮অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

শিব ঠাকুরের আপন দেশে, আইন-কানুন সর্বনেশে !

এতে অবাক হবার কিছুই নেই, তারপরও অবাক হতে হয়। যে মহাবিজ্ঞ মানুষেরা দিনরাত নিজেদের সৃষ্টির সেরা জীব মনে করে তারা কিভাবে দৈনন্দিন জীবনের এই সমস্ত বিষয়গুলো পাশ কাটিয়ে চিন্তা ভাবনা করতে পারে তাতে অবাক হওয়া ছাড়া কোন গতি দেখি না।


সরকারী অফিসে ওয়াইফাই ও আমার দুই পয়সা

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বিষ্যুদ, ০৪/০৭/২০১৩ - ১:৩০অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

গতকাল বিডিনিউজের পাতায় চোখ বুলাতে যেয়ে একটা খবরে আটকে গেলাম। খবরের শিরোনাম, সরকারি সব অফিসে ওয়াইফাই। আপাতদৃষ্টিতে অত্যন্ত আনন্দের সংবাদ। তথ্য প্রযুক্তির পথে আমরা এখনো বেশ পিছিয়ে, বিশেষ করে সরকারি পর্যায়ে। সেই বিবেচনায় নিঃসন্দেহে খুশি হওয়ার মতো খবর। কিন্তু খুশিটা একটু ম্লাণ হয়ে গেলো কয়েকটা জিনিস চিন্তা করে। সে চিন্তাগুলি সব


আসল কথা : নকল কথা : 'কমিনিষ্ট'

নীড় সন্ধানী এর ছবি
লিখেছেন নীড় সন্ধানী (তারিখ: মঙ্গল, ০২/০৭/২০১৩ - ৪:২৩অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

মানুষ কেন লেখে? এই ভাবনার যে উত্তরটা আমি নিজের কাছ থেকে পাই তা হলো - মানুষের চুলকায় বলে লেখে। কথা কি অশ্লীল হলো? চুলকানি কি অশ্লীল হতে পারে? যেমন চুদুরবুদুর? চুদুরবুদুর অশ্লীল নয় বলে ঘোষণা এসেছে। আমার পড়াশোনা কম, ডিকশেনারি উল্টাই না বহুদিন। তাছাড়া দিনরাত যেসব শব্দ নিয়ে কারবার তা কেউ ডিকশেনারীতে খোঁজে না। তবে বুঝি চুলকানি শব্দটা কখনো কখনো সেমি অশ্লীল। ধরেন কারো কথা শুনে আমার ইচ্ছে হলো তার পাছায় একটা গদাম লাথি দিতে, অথচ ভদ্রতার খাতিরে দিতে পারছি না, সেক্ষেত্রে বলি- "কি রে ভাই, চুলকায় নাকি?"


মনোপলি

তানভীর এর ছবি
লিখেছেন তানভীর (তারিখ: মঙ্গল, ০২/০৭/২০১৩ - ১:৩৫অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

Vulnerability নিয়ে সামারে একটা ক্লাস পড়াচ্ছি। Vulnerability-এর বাংলা প্রতিশব্দ কী হতে পারে- ভঙ্গুরতা, ভগ্নতা?


ইউরোপে এবারের সচলাড্ডা

অনার্য সঙ্গীত এর ছবি
লিখেছেন অনার্য সঙ্গীত (তারিখ: মঙ্গল, ০২/০৭/২০১৩ - ৭:২৮পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

এইবার সচলাড্ডা হলো হুট করে। কিন্তু ভালই হলো। অন্যবার আগে থেকে প্লান করে করেও খুব জনসমাগম হয়না। সবাই সময় করে উঠতে পারেন না। হুট করে ইউরোপে আসাও সবার জন্য সম্ভব হয়না। এইবার হুট করে আয়োজন হলেও আড্ডাবাজ সমাগম হলো ভালই। মুর্শেদ ভাই প্রতিবারই আমার মতো গরীব ছেলেপেলের ফারশাইনের (জার্মান রেল টিকিট) পয়সা দেন। তারপর আড্ডায় এসে উনি বসে বসে সচলায়তন সামলান আর আমরা আড্ডা মারি। আমি প্রতিবারই ঘোষণা দেই, সচল


| নাস্তিক্য বনাম আস্তিক্য, শুধুই কি সত্যাসত্য দ্বন্দ্ব ?---০৪/৪ (শেষ পর্ব)

রণদীপম বসু এর ছবি
লিখেছেন রণদীপম বসু (তারিখ: সোম, ০১/০৭/২০১৩ - ১১:৫২অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:


---
এবার নাহয় শব্দ দুটোর ব্যুৎপত্তি খোঁজা যাক্। বর্তমান প্রচলিত অর্থে যাঁরা ঈশ্বরে বিশ্বাস করেন তাঁদেরকে আস্তিক এবং যাঁরা ঈশ্বরে বিশ্বাস করেন না তাঁদেরকে নাস্তিক বলা হলেও প্রাচীন ভারতীয় দর্শনে আস্তিক ও নাস্তিক শব্দদুটি বর্তমান অর্থে নয়, বরং এক বিশেষ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
---


নীলাভ দুখীর হলুদাভ বসন্ত

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: সোম, ০১/০৭/২০১৩ - ১১:১৩অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

সে আর কিছু বলতে পারছিলো না। তার পাশের চেয়ারে গিয়ে বসলাম। জিজ্ঞেস করলাম, “মাথা ব্যাথা?” মাথা নেড়ে বোঝালো না। আবার জিজ্ঞেস করলাম, “শরীর খারাপ?” -আবার না সূচক মাথা নাড়ালো। বুঝলাম মেয়েটা কাঁদছে। যেন-তেন কান্না নয়। ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কেঁদে চলা যাকে বলে। সাঁজ-গোছ করে শাড়ী পরা একটা মেয়ে কান্না করে যাচ্ছে। এটা মানায় না। তবুও মেয়েটি কাঁদছে। কান্নাটা একদম শব্দহীন বললেই চলে। আশেপাশের ম


অরণ্যে রোদন

নীল রোদ্দুর এর ছবি
লিখেছেন নীল রোদ্দুর [অতিথি] (তারিখ: সোম, ০১/০৭/২০১৩ - ১১:০৬অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify]ছোটবেলায় যখন বই পড়ার নেশাটা প্রথম মাথায় ওঠে, সেই সময়গুলোতে একটা বই হাতে পেতে অথবা পড়তে তখন আমায় মেলা কাঠ খড় পোড়াতে হত। সেইসব দিনগুলোতে আমার প্রধান অন্তরায় ছিলেন আমার মা। সারাটা জীবন অনেক রাগ করেছি, দুষেছি তাকে এই সব কারণে। আজ একটু ভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে মাকে দেখতে বসলাম। বাংলার নারীদের দেখতে বসলাম আসলে।