Warning: Creating default object from empty value in i18ntaxonomy_term_page() (line 34 of /var/www/sachalayatan/s6/sites/all/modules/i18n/i18ntaxonomy/i18ntaxonomy.pages.inc).

গ্রন্থালোচনা

আমার রূপকথা আজও আছে :)

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বুধ, ৩০/১২/২০১৫ - ৬:৪২পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

১.

কাপড়ে বাঁধাই করা ঠাকু'মার ঝুলির এই মিত্র এবং ঘোষ পাবলিশার্সের সংস্করণ কখনোই আমার ছিল না। আমার সম্পত্তি ঠাকুরমার ঝুলি ছিল অন্যকোনো ব্যক্তি সম্পাদিত, অন্য কিছু গল্প নিয়ে। যেটা সম্ভবত এই সংস্করণে আখ্যা দেয়া "অনুকরণগ্রন্থের" কাতারে পরে। যাক, সে বইয়ের কথা অন্য দিন বলবো। আজ এটার কথা বলি। 'গল্প বলা' ক্লাসে আমার স্কুলের মেয়েরা যার যার সম্পত্তি সমুদয় বই দেখাতে নিয়ে আসতো তাদের কারুরই এই বই ছিল বলে মনে পড়ে না। তবে গল্পগুলো ছিল এবং আছে। আমার কাছে এসেছিল মৌখিক ভাবে, পত্রিকার পাতায় বা অন্য কোনো ছোটদের গল্প সংকলনের মাধ্যমে।


একাত্তরের ‘ইতিহাসকরণ’ কাকে বলে?

কৌস্তুভ এর ছবি
লিখেছেন কৌস্তুভ (তারিখ: সোম, ০২/১১/২০১৫ - ৬:৪৯অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

সম্প্রতি Historicizing 1971 Genocide: State versus Person নামে একটা বই হাতে পেলাম। ২০০৯ সালে প্রকাশিত বইটির লেখক Imtiaz Ahmed, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, সেখানকার Centre for Genocide Studies এর ডিরেক্টর।

বইটির শিরোনাম, ‘একাত্তরের ইতিহাসকরণ’ অবশ্যই ইন্টারেস্টিং এবং প্রমিসিং, সুষ্ঠুভাবে একাত্তরের ঘটনাবলীর ইতিহাস লেখার যে কোনো প্রয়াসই প্রশংসনীয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক সে কাজ করতেই পারেন। বিশেষত লেখক নিজেই বলছেন যে তিনি একাত্তরের জিনোসাইড বিষয়ে প্রায়ই একাডেমিক বক্তৃতা দেন, যাতে নাকি এমনকি পাকিস্তানি গবেষকরাও আগ্রহী। তবে বইটির উপ-শিরোনাম অদ্ভুত লাগল, একাত্তরের ইতিহাস রচনার প্রয়াসকে ‘রাষ্ট্র বনাম ব্যক্তির দ্বন্দ্ব’ হিসাবে দেখানোর প্রয়োজন আছে কি?


জসীম উদদীনের ভ্রমণকাহিনী ‘চলে মুসাফির’

তারেক অণু এর ছবি
লিখেছেন তারেক অণু (তারিখ: বিষ্যুদ, ২৯/১০/২০১৫ - ১:০০অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

পল্লী কবি জসীম উদদীন ১৯৫০ সালে মার্কিন দেশে গেছিলেন সরকারি সহায়তায়, পথিমধ্যে থেমেছিলেন বাহরাইন, লন্ডনে এবং আইসল্যান্ডে অল্প সময়ের জন্য, আবার আমেরিকার থেকে ফিরে গিয়েছিলেন তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তানে। সেই সময়ের অধিবাসীদের গল্প লিখেছিলেন সরল ভাষায় ‘চলে মুসাফির’ বইতে। গতকাল সন্ধ্যায় হাচল সৈয়দ আখতারুজ্জামানের সংগ্রহে বইটি দেখা মাত্রই ধার নিয়ে একটানা পড়ে শেষ করে ফেললাম, ১২৮ পাতার কলেবরকে খুব একটা বড় বলা য


পড়ুয়ার ডায়েরি-১: কেউ ভোলে না কেউ ভোলে

তাহসিন রেজা এর ছবি
লিখেছেন তাহসিন রেজা [অতিথি] (তারিখ: রবি, ০৪/১০/২০১৫ - ১২:০৬পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

অনেকদিন আগে শৈলজানন্দ মুখোপাধ্যায়ের “বদলি মঞ্জুর” নামে একটি ছোট গল্প পড়েছিলাম। করুণ সেই গল্পটি মনে দাগ কেটেছিল। এরপর তাঁর আরো কয়েকটি ছোটগল্প পড়ে মুগ্ধ হয়েছিলাম। কল্লোল যুগের প্রতিনিধি এই সাহিত্যিক এবং চলচ্চিত্র পরিচালকের আর কোন গল্প কিংবা উপন্যাস পড়া হয়নি। দেখা হয়নি তাঁর কোন চলচ্চিত্র। সেদিন বইয়ের দোকান গুলিতে ঢুঁ মারতে মারতে হঠাৎ দৃষ্টি চলে গেল তাঁর নামাঙ্কিত একটি বইয়ের দিকে।


রূপান্তর(The Metamorphosis) ~ ফ্রান্ জ্ কাফকা।

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বুধ, ৩০/০৯/২০১৫ - ৪:২৭অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

প্রত্যেক মানুষ আশায় বুক বাঁধে,সপ্ন দেখে। যতই সংকটময় মুহূর্ত আসুক না কেনো সে সপ্ন দেখে চলে সংকট সময় থেকে কি করে বের হওয়া যায়।চিন্তা করতে থাকে তার কাছে কি কি উপায় অবশিষ্ট আছে।পাশের আপন মানুষ গুলোর কাছে একটু প্রেরণা পেতে চাই তখন,যেন তাঁর সম্পর্কে তাঁরা একটু ইতিবাচক ভাবুক,যদিও সে তার চিন্তা চেতনা অনেক সময় অন্যকে বুঝিয়ে উঠতে পারেনা।আর অবশেষে চাই একটু উৎসাহ উঠে দাড়াঁবার এবং কর্মক্ষম হওয়ার।


দ্যা গিভিং ট্রি

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: শনি, ০৫/০৯/২০১৫ - ২:২৭পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

The Giving Tree
by
Shel Silverstein


নয়া চীনের গল্প সংকলন

ষষ্ঠ পাণ্ডব এর ছবি
লিখেছেন ষষ্ঠ পাণ্ডব (তারিখ: সোম, ২৪/০৮/২০১৫ - ৩:২৯অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

এই লেখাটি প্রচলিত অর্থে বুক রিভিউ নয়। গল্প পড়ে যে যে বিষয় নিয়ে আলোচনা করা আমার কাছে প্রয়োজন মনে হয়েছে আমি তাই বলার চেষ্টা করেছি। সুতরাং লোকমান্য পদ্ধতির বুক রিভিউ যেখানে ‘বাকী অংশ রূপালী পর্দায় দেখুন’ ফরম্যাট অনুসরণ করা হয় আমি তার ধার ধারিনি। কারণ, বইয়ের বাণিজ্য যেন ক্ষতিগ্রস্থ না হয় সেই বিবেচনায় আলোচনার গলাকে খাটো করার ব্যাপারে আমার আপত্তি আছে। আমার এই আপত্তির ব্যাপারটি যারা মানতে রাজী নন্‌ তারা এই লেখাটি পড়া এখানেই ছেড়ে দিন।


গো সেট এ ওয়াচম্যানঃ পড়বেন?

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: মঙ্গল, ০৪/০৮/২০১৫ - ৫:৪৭অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

হারপার লি’র টু কিল এ মকিংবার্ড পড়েছিলাম এইচএসসি পরীক্ষার পরপর। কালো মলাটের ছোটখাট পেপারব্যাকটা ফ্যান্টাসি বইপোকা এই আমার কাছে শুরুতে বেশ ধীরলয়ের লাগছিলো, কিন্তু একটু পর দেখলাম গল্পের ভেতরে ঢুকে গেছি, ১৯৩০ এর আমেরিকান সাউথের ছোট শহর মেকোম্ব শহরে হেঁটে বেড়াচ্ছি।


বই আলোচনাঃ শিম কিভাবে রান্না করতে হয়

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: সোম, ০৩/০৮/২০১৫ - ১:১৩পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

‘শিম কিভাবে রান্না করতে হয়’ সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ’র ইংরেজী ভাষায় লিখিত স্যাটায়ার ‘How does one cook beans' এর বাংলা অনুবাদ। রচনাটির একটি subtitle বা উপশিরোনাম আছে, 'এক এশীয়র ফ্রান্স অভিযান'। দীর্ঘদিন অপ্রকাশিত থাকা লেখাটির প্রচার প্রচারণা নিতান্ত কম বলে লেখকের দেয়া মূল ইংরেজী উপশিরোনামটি পেলামনা; তাই অনুবাদকের শব্দচয়নের রুচির ওপরই এ বেলা ভরসা করতে হচ্ছে। আমাদের এশীয়দের চোখে ইয়োরোপীয়দের অনেক আচরণই অদ্ভু


হুমায়ুন আজাদের শিল্পকলার বিমানবিকরণ বনাম অর্তেগা গাসেতের “Dehumanization of art”

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বুধ, ২৯/০৭/২০১৫ - ৩:৪৯পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

শিল্পকলার বিমানবিকরন বইটির ভূমিকায় হুমায়ুন আজাদ নিজেই লিখেছেন, যে বইটি ওর্তেগা ই গাসেতের ভাবানুবাদ। অনুবাদকর্মকে কুম্ভলকবৃত্তি, চোর্জবৃত্তি, প্লেইজারিজম বলা যায় কি? উত্তর হচ্ছেঃ না। তাই বইটি নিয়ে খুব বেশী লেখার আপাতত কোনও দরকার দেখছি না, তবে কিছু আলোচনার দরকার আছে।

শিবলি আজাদ লিখেছিলেন,