Warning: Creating default object from empty value in i18ntaxonomy_term_page() (line 34 of /var/www/sachalayatan/s6/sites/all/modules/i18n/i18ntaxonomy/i18ntaxonomy.pages.inc).

গ্রন্থালোচনা

"মফস্বলি বৃত্তান্ত": যে জীবনের গল্পপাঠ 'ফড়িংয়ের দোয়েলের' জীবন না দেখার রোমান্টিকতায় সপাটে চড় কষায়!

আয়নামতি এর ছবি
লিখেছেন আয়নামতি [অতিথি] (তারিখ: বুধ, ২৭/০১/২০১৬ - ২:৪৭অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

সাহিত্যিক সন্তোষকুমার ঘোষ তার একটি লেখায় বলেছিলেন, "পৃথিবীর সব গল্প বলা হয়ে গেছে, এখন কীভাবে বলতে হবে সেটাই জানা প্রয়োজন।" এ ব্যক্তব্যের পক্ষে বিপক্ষে যথেষ্ট যুক্তিতর্কের অবকাশ আছে। সে প্রসঙ্গে যাচ্ছি না। তবে বলে ফেলা গল্পগুলোকেও অন্যভাবে বলবার আকাঙ্ক্ষায় কেউ কেউ কলম ধরেন বৈকি। তখন জানা কাহিনি কিংবা জানাশোনা জনপদের চেহারা নতুনভাবে ধরা দেয় যেন আমাদের চোখে। নইলে ক্ষুধার্ত জনজীবন কিংবা নিম্নবর


ব্যক্তি বঙ্গবন্ধুকে আবিষ্কার

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বুধ, ২৭/০১/২০১৬ - ৩:১০পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

সন্দেশের বই নিয়ে লেখার আমন্ত্রণ দেখার পর থেকেই ভাবছি কিছু একটা নিয়ে লিখব। কিন্তু কোন বইটা নিয়ে লেখা যায় সেটা ঠিক করতে করতেই মাস পার হয়ে গেল। ২০১৫ সালে সবচেয়ে বেশি বই কিনেছি আর সবচেয়ে কম পড়েছি! তারপরেও কোন বইটা মনে সবচেয়ে বেশি দাগ কেটেছে ভাবতে গিয়েই মনে হল বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনীর কথা। অবশ্যই এটাই ২০১৫ সালের আমার আবিষ্কার।


তাক থেকে নামিয়ে - ০১

সাক্ষী সত্যানন্দ এর ছবি
লিখেছেন সাক্ষী সত্যানন্দ [অতিথি] (তারিখ: শনি, ১৬/০১/২০১৬ - ৯:৩৬অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

বাতাসের হিমে তিরিশ লক্ষ শহিদের করতল
জনপদ জুড়ে হাওয়ার কোরাসে আহ্বান অবিচল,
আমাদের বুকে রৌদ্র লিখেছে নিহতজনের নাম-
গণহত্যার বিচার করবো, প্রতিজ্ঞা করলাম...


এলিস ওয়াকার এবং 'দ্যা কালার পারপল"

নাবিলা এর ছবি
লিখেছেন নাবিলা [অতিথি] (তারিখ: শনি, ০৯/০১/২০১৬ - ৪:৩৫পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আমি একটি অনলাইন লাইব্রেরীর সদস্য। সেখানে ঘুরতে ঘুরতে একদিন চোখে পড়লো একজন ফেরত দিয়ে গেছেন এলিস ওয়াকারের লেখা 'দ্য কালার পারপল'। বিবরণ দেখতেই বেরিয়ে এলো এটি ১৯৮৩ সালে পুলিৎজার পুরস্কারপ্রাপ্ত। ২০১৫ তে একটি রিডিং উইশলিস্ট ফলো করছিলাম, তাতে পুলিৎজার পুরষ্কার প্রাপ্ত একটি বই পড়বার কথা আছে। এটিই কি পড়বো? ঠিক করার আগে গুডরিডসে ঢুঁ মেরে আসা যাক, দেখি পড়ুয়া বন্ধুরা কে কী বলছেন। গুডরিডসে ঢুকে দেখি বন্ধুদের কোনও বক্তব্য নেই তবে সাড়ে তিনলাখেরও বেশি গুডরিডস সদস্য বইখানা পড়ে ফেলেছেন। ঠিক করে ফেললাম এটিই পড়বো, ঝটপট লাইব্রেরী থেকে নামিয়ে নিলাম, অন্য কেউ নিয়ে নেবার আগেই।


চিত্রনাট্যের চরিত্রের প্রাকগবেষণা

শেহাব এর ছবি
লিখেছেন শেহাব (তারিখ: সোম, ০৪/০১/২০১৬ - ২:৫২অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

সম্প্রতি আমি লিন্ডা সিগারের লেখা ক্রিয়েটিং আনফরগটেবল ক‌্যারেকটারস বইটি পড়া শুরু করেছি। কোন সিনেমার চিত্রনাট্যের জন্য কিভাবে একটি চরিত্র সাজাতে হয় তার উপর এই বই।


হিমালয়ের কন্দরে - পরিমল ভ্ট্টাচার্য্যের দুটি বই

দময়ন্তী এর ছবি
লিখেছেন দময়ন্তী (তারিখ: রবি, ০৩/০১/২০১৬ - ৭:৩১অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

একটা গোটা বছর চলে গেল, সচলে কিচ্ছুটি লিখিনি| আগে তাও মাসে একটা করে লিখতাম, সেটা কমে এলো বছরে একটা, তাও হয় না| এখানে একটা বিরস মুখের ইমোজি দেওয়াই যেত, কিন্তু থাক --- কী হবে! যা হয় নি, হয় নি| ২০১৫য পড়া বই নিয়ে, লেখককে নিয়ে লেখার আহ্বানটা দেখে অবশেষে লিখেই ফেললাম| আগের কয়েকটা বছরের তুলনায় ২০১৫ তে পড়া হয়েছে প্রচুর| কাজেই লিখতে গেলে তিন চারখানা ব্লগ লিখে ফেলাই যায়| আপাতত বেশী ভ্যানতাড়া না করে একটা অন্তত লিখেই ফেলি|

"ড্যাঞ্চীনামা' দিয়ে পরিমল ভট্টাচার্য্য পড়া শুরু করেছি ২০১২তে, কিন্তু এই লেখককে নতুনভাবে আবিষ্কার করলাম ২০১৫তেই| যে দুটো বই চেটেপুটে পড়েছি --
১) "শাংগ্রিলার খোঁজেঃ- হিমালয়ে গুপ্তচারণার তিন শতক"
২) "দার্জিলিং ঃ- স্মৃতি সমাজ ইতিহাস"


ইন দা উডস আর ট্যানা ফ্রেঞ্চঃ রহস্যগল্পকে ছাপিয়ে

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: রবি, ০৩/০১/২০১৬ - ১২:২৮অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

পাঠক হিসেবে ২০১৫ চমৎকার কেটেছে, গুডরিডসের হিসেব মতে ৫৪টা বই পড়েছি, প্রকৃত সংখ্যা আরো একটু বেশি হতে পারে। ২০১৫ সালে প্রথম আবিষ্কার করেছি এমন কোন একজন লেখকের বই নিয়ে লিখতে বসে দেখলাম এই সংখ্যাটাও বাংলা ইংরেজি মিলিয়ে নেহায়েত কম না। শেষ পর্যন্ত এমন একটা বইতে কম্পাসের কাঁটা স্থির করলাম যেই লেখক/ যার লেখা বই এর কথা গুডরিডস রেকমেন্ডেশানের আগে কখনো শুনিনি-বই এর নাম ‘[url=https://www.goodreads.com/book/sh


আমার রূপকথা আজও আছে :)

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বুধ, ৩০/১২/২০১৫ - ৬:৪২পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

১.

কাপড়ে বাঁধাই করা ঠাকু'মার ঝুলির এই মিত্র এবং ঘোষ পাবলিশার্সের সংস্করণ কখনোই আমার ছিল না। আমার সম্পত্তি ঠাকুরমার ঝুলি ছিল অন্যকোনো ব্যক্তি সম্পাদিত, অন্য কিছু গল্প নিয়ে। যেটা সম্ভবত এই সংস্করণে আখ্যা দেয়া "অনুকরণগ্রন্থের" কাতারে পরে। যাক, সে বইয়ের কথা অন্য দিন বলবো। আজ এটার কথা বলি। 'গল্প বলা' ক্লাসে আমার স্কুলের মেয়েরা যার যার সম্পত্তি সমুদয় বই দেখাতে নিয়ে আসতো তাদের কারুরই এই বই ছিল বলে মনে পড়ে না। তবে গল্পগুলো ছিল এবং আছে। আমার কাছে এসেছিল মৌখিক ভাবে, পত্রিকার পাতায় বা অন্য কোনো ছোটদের গল্প সংকলনের মাধ্যমে।


একাত্তরের ‘ইতিহাসকরণ’ কাকে বলে?

কৌস্তুভ এর ছবি
লিখেছেন কৌস্তুভ (তারিখ: সোম, ০২/১১/২০১৫ - ৬:৪৯অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

সম্প্রতি Historicizing 1971 Genocide: State versus Person নামে একটা বই হাতে পেলাম। ২০০৯ সালে প্রকাশিত বইটির লেখক Imtiaz Ahmed, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, সেখানকার Centre for Genocide Studies এর ডিরেক্টর।

বইটির শিরোনাম, ‘একাত্তরের ইতিহাসকরণ’ অবশ্যই ইন্টারেস্টিং এবং প্রমিসিং, সুষ্ঠুভাবে একাত্তরের ঘটনাবলীর ইতিহাস লেখার যে কোনো প্রয়াসই প্রশংসনীয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক সে কাজ করতেই পারেন। বিশেষত লেখক নিজেই বলছেন যে তিনি একাত্তরের জিনোসাইড বিষয়ে প্রায়ই একাডেমিক বক্তৃতা দেন, যাতে নাকি এমনকি পাকিস্তানি গবেষকরাও আগ্রহী। তবে বইটির উপ-শিরোনাম অদ্ভুত লাগল, একাত্তরের ইতিহাস রচনার প্রয়াসকে ‘রাষ্ট্র বনাম ব্যক্তির দ্বন্দ্ব’ হিসাবে দেখানোর প্রয়োজন আছে কি?


জসীম উদদীনের ভ্রমণকাহিনী ‘চলে মুসাফির’

তারেক অণু এর ছবি
লিখেছেন তারেক অণু (তারিখ: বিষ্যুদ, ২৯/১০/২০১৫ - ১:০০অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

পল্লী কবি জসীম উদদীন ১৯৫০ সালে মার্কিন দেশে গেছিলেন সরকারি সহায়তায়, পথিমধ্যে থেমেছিলেন বাহরাইন, লন্ডনে এবং আইসল্যান্ডে অল্প সময়ের জন্য, আবার আমেরিকার থেকে ফিরে গিয়েছিলেন তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তানে। সেই সময়ের অধিবাসীদের গল্প লিখেছিলেন সরল ভাষায় ‘চলে মুসাফির’ বইতে। গতকাল সন্ধ্যায় হাচল সৈয়দ আখতারুজ্জামানের সংগ্রহে বইটি দেখা মাত্রই ধার নিয়ে একটানা পড়ে শেষ করে ফেললাম, ১২৮ পাতার কলেবরকে খুব একটা বড় বলা য