Archive - জ্যান 2, 2010

শহীদদের তালিকায় উপেক্ষিত নারী

জোবাইদা নাসরীন এর ছবি
লিখেছেন জোবাইদা নাসরীন [অতিথি] (তারিখ: শনি, ০২/০১/২০১০ - ১০:২৯অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

১৯৭১ সালের সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত আমাদের স্বাধীনতার ইতিহাস জাতীয় জীবনের সর্বোচ্চ গৌরবের ইতিহাস। সেই ইতিহাস নিয়ে আমাদের গর্ব আছে, আছে পূর্বসূরীদের প্রতি এই প্রজন্মের গভীর সন্মানবোধ। রাষ্ট্রীয়ভাবে তাঁদের প্রতি সম্মান জানাতে এই পর্যন্ত জাতীয়ভাবে তৈরি করা হযেছে মুক্তিযোদ্ধাদের পাঁচটি তালিকা (সূত্র দৈনিক প্রথম আলো, ১৭ ডিসেম্বর প্রকাশিত সংবাদ)। সেই তালিকার সঙ...


বরাহপোনাদের ঘৃণ্য কুকর্মের নতুন ধরন

আলমগীর এর ছবি
লিখেছেন আলমগীর (তারিখ: শনি, ০২/০১/২০১০ - ৭:০২অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

ইন্টারনেটে বাংলা ব্লগে, ফোরামে দেশের যে ব্যক্তিটিকে নিয়ে সবচেয়ে বেশী আলোচনা সমালোচনা বাদানুবাদ হয় তিনি হচ্ছেন ড. জাফর ইকবাল। তিনি আমেরিকায় কী করেছেন, কীসে পাস করে কীসে প্রফেসর হয়েছেন, পাব্লিকেশন কী করেছেন, কার কার লেখা চুরি করে সায়েন্স ফিকশন লিখছেন, দুর্নীতি করে কাকে চাকুরি বঞ্চিত করলেন, ভারতের দালালী করলেন, আওয়ামী লিগের চামচামি করলেন, টিপাইমুখ নিয়ে কিছু বললেন না, শিক...


ফটোব্লগ -স্বপ্নাতুল -

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: শনি, ০২/০১/২০১০ - ১২:১৭অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

রাত ২টা কিন্তু ঘুম কেন পাচ্ছে না?এত অস্বস্তি কেন লাগছে? কেন এমন হচ্ছে? সন্ধ্যার সেই সুন্দর সময় টা কেন বার বার মনে পরছে?শীতের এই রাতে ঘুম টা তো বেশ আসার কথা।পানি খাওয়া দরকার, হ্যাঁ এখন বেশ ভালো লাগছে নিশ্বাস টা গাড় হয়ে আসছে।

ওই তো দূরে কি সুন্দর আলোর খেলা, আস্তে আস্তে নিভে আসছে আলো,আমি হারিয়ে যাচ্ছি কোনো দূর সময় এ। সামনে কিছু হইত আসবে, কিছু সুন্দর স্বপ্ন,আমাকে দেখতে হবে। অনুভূতি টা ...


আয়েশ করে আলসেমিতে ৩৮ বছর পার ... ভাল্লাগে না আর

সুজন চৌধুরী এর ছবি
লিখেছেন সুজন চৌধুরী (তারিখ: শনি, ০২/০১/২০১০ - ৯:১২পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের ওয়াদা কইরা মহাজোট ক্ষমতায় আইলো।

তারপর খালি ছুতারের ঠুকঠাক শুনি।

কামারের এক ঘায়ের অপেক্ষায় আছি, কিন্তু হাতুড়িই না জানি মাঝখান দিয়া হাত বদল হয়!

২০০৯ তো গেলগা। ২০১০ আইলো। দেখি কী হয়!

আর দেখার পাশাপাশি করার মতো কাজ তো একটাই।

বরাহশিকার!
.
.
.

...


নীলাভ সেই জল

তুলিরেখা এর ছবি
লিখেছেন তুলিরেখা (তারিখ: শনি, ০২/০১/২০১০ - ৫:৫৫পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

মুখ আঁটা খাম। উপরে ঠিকানা লেখা। হাতের লেখাটা চেনা। খুলি না খাম, হাতে নিয়ে চুপ করে বসে থাকি, খামের উপরে আলতো করে হাত বোলাই। পুরানো বন্ধুর চিঠি।

বন্ধু? একদিন খুব বন্ধুই তো ছিলো, প্রিয় বন্ধু! পাশাপাশি হেঁটে গেছি কত মাইল পথ! সে হাঁটা সাত পায়ের অনেক বেশী। সাত লক্ষ পা নাকি সাত কোটি পা নাকি তারও বেশী? কিজানি! তারপরেই কি ঝড় এসেছিলো? সেই ঝড়ে আর পাশে পেলাম না তাকে? আমাকে ঝড়ের আকাশের নিচে অন্ধ...


দেশে ফেরা - ১ (শেষের কথন)

রেশনুভা এর ছবি
লিখেছেন রেশনুভা (তারিখ: শনি, ০২/০১/২০১০ - ৫:৩৪পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify]
মাথার উপরে ছাদ আর চারপাশে দেয়ালঘেরা শেষ রাতটারও অনেকখানি পার হয়ে গেল। বাবা, মা, বোন সবাই ঘুমুচ্ছেন; আমি বসে আছি আর ভাবছি যে এই রাতটাও, আমার ছুটিটাও প্রায় শেষ হয়ে গেল।

দেশে ফেরার পথেই ঠিক করে রেখেছিলাম ছুটির এ’কটা দিনের, আমার এই সাধারণ জীবনের অতি সাধারণ দিনপঞ্জি লিখে রাখবো। দেশে ফিরে আর সময় খুঁজে পেলাম না। এত এত মানুষের ভালোবাসায় কীভাবে যে এই ২২ দিনের ছুটিটা হুড়মুড়িয়ে চলে গেল...


বুদ্বুদওয়ালাকে

রাহিন হায়দার এর ছবি
লিখেছেন রাহিন হায়দার [অতিথি] (তারিখ: শনি, ০২/০১/২০১০ - ৪:৫৬পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

জীবিকার টানে তোমার ফুৎকার,
রঙিন প্রতিফলক
বন্দী বাতাসের পাহারাদার।

ইচ্ছা অনিচ্ছায়,
জনতা তোমার বন্দীরে দেয় মুক্তি;
তপ্ত বায়ুরে অভিশাপে, চায়
একটি পশলা বৃষ্টি।

আজ মধ্যাহ্নে এই প্রজাতন্ত্রে
যদি বৃষ্টি নেমেই যায়,
অস্থায়ী কারার কর্ণধার,
তুমি যাবে কোথায়?


নদীতে বালির দাগ

আনন্দী কল্যাণ এর ছবি
লিখেছেন আনন্দী কল্যাণ (তারিখ: শনি, ০২/০১/২০১০ - ৩:৩৮পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify]মাধবী যখন প্রথম আমাদের বাসায় আসল, আমরা দুবোন ওকে দেখে বেশ একটু নাক কুঁচকেছিলাম। লাল লাল চুল, নোংরা জামা, নাক-কান ফুটা করে সুতার দুল পরা, আর গায়ে একটা বিচিত্র গন্ধ। কিছুদিনের মাঝেই মা ওকে মানুষ করে ফেলল। গা থেকে সরষে ফুল, লক্ষীর পাঁচালী, নবান্ন টপাটপ ঝেড়ে “ কিউ কি সাস ভি কাভি বহু থি” তে ট্রান্সফার হয়ে গেল। পরভাষা ওকে কাঁদায়, হাসায়। বাংলা লেখা শেখাতে গেলেই নতুন কিছু বর্ণের সৃষ্টি হ...


কালো বাক্স

খেকশিয়াল এর ছবি
লিখেছেন খেকশিয়াল (তারিখ: শনি, ০২/০১/২০১০ - ১:২৫পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

বেশ রাত হয়েছে। শীতের রাত। অবিনাশবাবু দ্রুত হাঁটতে লাগলেন। এমনিতে তেমন একটা বাজারে যান না তিনি। আর গেলেও এতো রাত করে কোনদিন ফিরেননি। আগে যখন বন্ধু বান্ধবের সাথে আড্ডা দিতেন তখন বলতে গেলে ওখানেই পড়ে থাকতেন। সারাদিন আড্ডাবাজি, তাস পেটানো, রংবাজি সবই ওখানে। এখন সে বন্ধু বান্ধবের তেমন কেউই নেই, থাকলেও তারই মত ব্যস্ত। মাঝে মাঝে দু একজনের সাথে দেখা হয় তার। "কীরে.. শালা! .. কেমন আছিস .. কী ক...