Archive

December 13th, 2010

বেলতলা

তারাপ কোয়াস এর ছবি
লিখেছেন তারাপ কোয়াস [অতিথি] (তারিখ: সোম, ১৩/১২/২০১০ - ১১:০০পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

সূচনা

:দাউদ, একটা বাইক কিনবার চাই
:নতুন না ২হাত?
:২হাত।
:তাইলে ইমোতে দেখ। সব ধরনের মালই পাইবা।

দাউদ(ডেভিড) হইলো আমার দেখা অদ্বিতীয় গোবেচারা বারমুডিয়ান যুবক! নিশ্চিন্তে ভরসা করা যায় এই যুবকের কথায়। ওর সাথে পরিচয় কিভাবে সেইটা গুরুত্বপূর্ণ না তবে ওর সাজেশনটা কিভাবে একের পর এক ট্রাজেডি তৈরি করছে আমাদের বাঙালি জনজীবনে সেই কাহিনীই কইতে চাইতাছি। যাইহোক ইমোতে ঢুইকা দেখি বাইকে ...


বৃষ্টির রঙ

তুলিরেখা এর ছবি
লিখেছেন তুলিরেখা (তারিখ: সোম, ১৩/১২/২০১০ - ৭:৫৪পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

সন্ধ্যার আকাশ ভরে তারারা জেগে উঠছে। নির্জন দ্বীপের বাতিঘরে আলো জ্বলছে। আশমানি জলের ধারের পাথরে বসে আছে চুপ করে। সমুদ্রের ধারে কী প্রবল হাওয়া! ঐ যে দূরে জলদিগন্ত, পশ্চিমের সেই জলরেখার উপরে আকাশ, সেখানে আশ্চর্য রঙীন সূর্যাস্তের রেশ রয়ে গেছে এখনো।

দিনের আলো যতক্ষণ ছিলো আশমানি কথা বলেছে অনেক। ঝিনুক কুড়িয়ে কুড়িয়ে রেখেছে রুমালে জড়িয়ে। এখন সে চুপ, পাথরের উপরে বসে আছে একেবারে পাথর ...


মেয়ের নাম ফেলি

দময়ন্তী এর ছবি
লিখেছেন দময়ন্তী (তারিখ: রবি, ১২/১২/২০১০ - ১০:২৫অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আসলে ফেলি একদম দৌড়াতে পারে না তো, তাই ওকে কেউ দলে নিতে চায় না৷ বুড়ি-বসন্তী খেলার জন্য যখন দলভাগ হয়, তখন শুভ্রা আর সুলগ্নার দলে সবাই যেতে চায়৷ আর ওরাও দেখেশুনে বেছেবেছে ভাল দৌড়াতে পারা মেয়েদেরই নেয়৷ ফেলি খুব ওদের দলে ঢুকতে চায়, কিন্তু ওকে দলে নিলেও, 'তুই এখন বোস, ইলা খেলুক' বলে ওকে বসিয়ে দেয় সবাই৷ ইলা, শীলা, টুম্পা, মিনি সব্বাই বেশ দৌড়াতে পারে৷ ফেলি একটু দৌড়িয়েই হ্যা হ্য ...


মাসাই মারায় ৩ দিনঃ লাইফটাইম এক্সপেরিয়েন্স

রাতঃস্মরণীয় এর ছবি
লিখেছেন রাতঃস্মরণীয় [অতিথি] (তারিখ: রবি, ১২/১২/২০১০ - ৮:৪০অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

(একটাই দুঃখ, সাথে একটা ভালো ক্যামেরা ছিলোনা। সেই ২০০৫ সালে কেনা একটা Samsung i5 অটো দিয়েই ছবি তুলেছি। ক্যামেরাটা তার উপর নষ্ট ছিলো, ভালো ছবি উঠছিলোনা। আফসোস।)


December 12th

যুদ্ধাপরাধী তুই হবে তোর ফাঁসি

লুৎফর রহমান রিটন এর ছবি
লিখেছেন লুৎফর রহমান রিটন (তারিখ: রবি, ১২/১২/২০১০ - ৯:১৩পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

যুদ্ধাপরাধী তুই নেই তোর ক্ষমা
ইতিহাসে আছে তোর অপরাধ জমা।
হাতে তোর লেগে আছে রক্তের দাগ
এখনো গেলো না তোর পাকি অনুরাগ!

তোর চোখে আজো দেখি শকুনের ছায়া
তোর মুখে থুতু দেয় জননী ও জায়া।
কন্যার কাছে তুই ধর্ষক পিতা
নিজ হাতে জ্বেলেছিলি বাঙালির চিতা।
সে চিতায় তুলেছিলি তুই নিজ মাকে
মনুষ্য পরিচয় তোর কিছু থাকে!

তোর প্রতি বাঙালির ঘৃণা শুধু ঘৃণা
পশুরও অধম তুই রক্ষা পাবি না।
মানবিকতার তুই জ ...


মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক তথ্যের সবচেয়ে বড় ব্যক্তিগত সংগ্রহটি অনলাইনে প্রকাশিত হচ্ছে আজ

সৈয়দ নজরুল ইসলাম দেলগীর এর ছবি
লিখেছেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম দেলগীর (তারিখ: রবি, ১২/১২/২০১০ - ১২:৫৫পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

সচলায়তনের বামপাশে "উইকিযুদ্ধ" নামে একটি ট্যাগ দীর্ঘদিন ধরে ঝুলছে। এখানে কোনো নড়াচড়া না থাকলেও কাজ কিন্তু থেমে থাকেনি। ঠিক একবছর আগে শুরু করা কাজটি আজ পূর্ণতা পাচ্ছে। ব্যক্তিগত সংগ্রহে থাকা মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সবচেয়ে বড় তথ্যভাণ্ডারটি যা গত ৪০ বছর লোকচক্ষুর আড়ালে ছিলো, তা ডিজিটাল ফর্মেটে প্রকাশ করা সম্ভব হচ্ছে। ১২ ডিসেম্বর ২০১০ তারিখ বিকেল ৫টায় মুক্তিযুদ্ধ ...


সেই নির্দয় বেড়ালটা

সুরঞ্জনা এর ছবি
লিখেছেন সুরঞ্জনা (তারিখ: শনি, ১১/১২/২০১০ - ৭:২৬অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

২. তুলির গল্প

একটা বেড়াল ছিল। সে একা একা থাকত, তার আর কারোকে ভাল লাগতো না, আর কারোরও তাকে ভাল লাগতো না। সবাইকে ছিল তার অপছন্দ, কিন্তু সবার মধ্যেও তার সবচাইতে অপছন্দ ছিল ছোট ছানা বেড়ালদের। কারণ ছোট ছানা বেড়ালদের সবাইকে ভাল লাগে, আর সবার ছোট বেড়ালছানাদেরও ভালো লাগে। তাই সে ছোট বেড়াল ছানা পেলে ছাদের কার্নিশে পাখি দেখাতে নিয়ে যেত , আর তারপর কার্নিশ থেকে ধাক্কা দিয়ে নিচে ফেলে দিতো।


আমাদের এক জন শাহরুখের বড় প্রয়োজন ছিল

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: শনি, ১১/১২/২০১০ - ৭:২৬অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

শাহরুখ খান এলেন, দেখলেন এবং জয় করলেন। এটা তার কাছ থেকে আমাদের কাম্য ছিল। অনেকেই উপর থেকে দেখেছেন পুরো ব্যাপারটা। ব্লগে ব্লগে আমরা ঝড় তুলেছি তার আসার পক্ষে বিপক্ষে। তিনি চলে গেছেন গত রাতেই। কিন্তু পাখি চলে যায় কিন্তু পালক রেখে যায়। তিনি যেমন রেখে গেছেন তার পালক গাযি মোহাম্মাদ ইলিয়াস কে। এখন আমরা ব্লগে ব্লগে ঝড় তুলছি তার পক্ষে বিপক্ষে লিখে। কিন্তু প্রিয় পাঠক আপনারা কি দেখতে পাচ্ ...


December 11th

আমিন বকশীর তিন অপছন্দ

নীড় সন্ধানী এর ছবি
লিখেছেন নীড় সন্ধানী (তারিখ: শনি, ১১/১২/২০১০ - ৩:৪৩অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আমি একজন অসাধারণ মানুষ। আমার কোন তুলনা হয় না। আমার কোন প্রতিপক্ষ নাই। আমি নিজেই নিজের প্রতিপক্ষ। নিজেই নিজের প্রতিদ্বন্দ্বী। কিন্তু আমি নিজেকে তীব্ররকমের অপছন্দ করি।
.
প্রথম অপছন্দ...... আমার নামটা। আমার গভীর বিশ্বাস জন্মকালে আমার নামকরনের ব্যাপারটা একটা ষড়যন্ত্র কিংবা অবহেলার ফসল।
.
প্রত্যেক পরিবারে সন্তানের নাম রাখে পিতামাতা। কিন্তু আমার নাম রেখেছিল আমার মেজফুপা। মেজফুপ ...


দেশবিদেশের উপকথা- স্কটিশ (সুজন ও সমুদ্রকুমারী)

তুলিরেখা এর ছবি
লিখেছেন তুলিরেখা (তারিখ: শনি, ১১/১২/২০১০ - ৮:৪৪পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

সমুদ্রতীরের ছোট্টো গ্রামে থাকতো সুজন। বাপদাদাদের আমল থেকে তারা দক্ষ জেলে, সমুদ্রে মাছ ধরাই তাদের প্রধান কাজ। সুজন কিশোর বয়স থেকেই বাবার সঙ্গে যেত মাছ ধরতে। এখন তার বাবা-মা দুজনেই পরলোকে, এখন সে একাই মাছ ধরতে যায় নিজের নৌকা, জাল আর লোকজন নিয়ে।

সুজন কাজেকর্মে যেমন দড় তেমনি দেখতেও ভারী চমৎকার। তার সতেজ সবল দীর্ঘ চেহারা দেখে সবাই খুব প্রীত হয়। গ্রামের কুমারী মেয়েরা তাকে বিবাহ ক ...