Archive - জ্যান 1970 - ব্লগ

তারিখ
  • সব
  • জ্যান
  • ফেব
  • মার্চ
  • এপ্র
  • মে
  • জুন
  • জুল
  • আগ
  • সেপ
  • অক্টো
  • নভ
  • ডিস
  • সব
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • 12
  • 13
  • 14
  • 15
  • 16
  • 17
  • 18
  • 19
  • 20
  • 21
  • 22
  • 23
  • 24
  • 25
  • 26
  • 27
  • 28
  • 29
  • 30
  • 31
ধরন

April 22nd

বিয়েটি বিয়োগান্ত

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বিষ্যুদ, ২১/০৪/২০১১ - ৭:১২অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

প্রদীপ যেমন নিভার আগে একবার দপ্ করে জ্বলে ওঠে, তেমনি কাসেম সাহেব বছর খানেক আগে সাতাত্তুর বছর বয়সে জ্বলে উঠেছিলেন একবার। ‘নিরবকুঞ্জ’ নামের ছায়া সুনিবিড় বাড়ীটিতে তিনি তাঁর পুরাতন স্ত্রীকে নিয়ে থাকেন, তবে আলাদা খাটে। আর ছেলে-মেয়েরা নিজেদের ‘নিউক্লিয়ার ফ্যামিলি’ নিয়ে স্ব-স্ব ফ্ল্যাটে ব্যস্ত। সকলেই আর্থিক ভাবে বেশ স্বচ্ছল। বাবা-মা’র সব ধরনের প্রয়োজন মেটাতে কেউ সামান্যতম কার্পণ্য করে না, শুধুমাত্র সঙ্গ


April 21st

আনন্দ-বিস্ময়-প্রেম সম্পর্কিত কয়েক টুকরো তোবড়ানো দর্শন

নীড় সন্ধানী এর ছবি
লিখেছেন নীড় সন্ধানী (তারিখ: বিষ্যুদ, ২১/০৪/২০১১ - ৫:০৪অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

১.
হাইস্কুল জীবনটা ছিল মোটামুটি জঘন্য রকমের। ক্লাস সিক্সে ওঠার পর ভুগোল, ইতিহাস, ধর্ম, বাংলা ব্যাকরন, ইংরেজী গ্রামার,পাটীগনিত, জ্যামিতি ইত্যাদির অত্যাচারে দম বন্ধ হয়ে আসতো সময় সময়। সিক্স থেকে এইট এই তিন বছরের যেসব স্মৃতি আছে সব জ্যৈষ্ঠের খরতপ্ত দুপুরের মতো ঝলসানো। বেত নামক লিকলিকে ভয়ংকর বস্তুটার সাথে প্রতিদিন দেখা সাক্ষাত হলে, আর বাড়ির কাজ যথাসময়ে শেষ না করলে যা হবার কথা আর কি।


শিলং শিলং

সুমন তুরহান এর ছবি
লিখেছেন সুমন তুরহান [অতিথি] (তারিখ: বিষ্যুদ, ২১/০৪/২০১১ - ৯:০০পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

শিলং শিলং

হঠাৎ কালিম্পং! তুষারিত নদীটির তীর,
সেখানে লাবণ্যপ্রভা বসে থাকে অবসাদে একা
শেষের কবিতা রূপে সে বিষাদ হয়েছিলো দেখা
করুণ স্বপ্ন নিয়ে বুনে যায় আজো তার নীড়।

ভরপুর ঝরে পড়া ধাঁধাশীল ভালোবাসা তুই,
চেরাপুঞ্জির পথে ধাবমান নদীর ওপর
সন্ধ্যারা বাড়ি এলে পাখি পরে পাতার টোপর
চারফোঁটা নোনাজল সোনাঝরা আবেগী চড়ুই।


অপ্রত্যাশিত সাক্ষাত

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বিষ্যুদ, ২১/০৪/২০১১ - ৮:৫৮পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify]নির্লিপ্ত নটরডেম কলেজ থেকে বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণে গিয়েছিল লৌহজং। তাদের সাথে হলিক্রস কলেজের কিছু মেয়েও গিয়েছিল। এদের মাঝে একজন ছিল অন্তরা বিশ্বাস। সেই সূত্রেই প্রথম পরিচয়। প্রথম পরিচয়ে অন্তরা অবশ্য নিজের সারনেম ভুল দিয়েছিল। সেই নামেই অন্তরাকে চিনে নির্লিপ্ত।


কুকুর

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বিষ্যুদ, ২১/০৪/২০১১ - ৮:৫৪পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

নতুন কেনা লেক্সাসের নরম চামড়ায় হেলান দিয়ে মুচকি হাসির সাথে একটা তৃপ্তির শ্বাস ছাড়ে নুমায়ের মাহমেদ। সুমি আনাদিল খান, না! হট বেইব, হট নেইম! মাগী দামী গাড়ি আর দামী রেস্টোরান্ট পছন্দ করে,গতির পেছনে ছোটে। সেই গতি নুমায়ের দিতে পারে এখন, কিন্তু আনাদিলের জন্য আর কতটাই বা বরাদ্দ রাখা যায় তার মহামূল্যবান সময়ের? সাময়িক বিনোদন, ছুঁড়ে ফেলে দাও একটু পরেই, এমন কত খানম-চৌধুরানী পেছন পেছন ঘুরবে!


বিসর্জনের পৃষ্ঠা

বালক এর ছবি
লিখেছেন বালক (তারিখ: বিষ্যুদ, ২১/০৪/২০১১ - ৮:৪৪পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

উন্মোচিত গল্পের রাত পার হয়ে যায়
পেছনে রেখে আসি ঝিঁঝিঁর ঘুঙুর।
নরম-শান্ত এক টুকরো আলো আসন পাতে
চোখের ভেতর আর পাখির পরশে
মগ্নতা ভাঙে বেকার আকাশ-

বিছিন্ন জীবনের ওপর ধূলো ছিটিয়ে দূরের পথে
চলে গেলো একজোড়া পা।
বিসর্জনের পৃষ্ঠা ওল্টাতে গেলে বুক ফেটে যায়
অথৈ পিপাসায়। তবু প্রার্থনা; বৃষ্টি নামুক এ-শহরে,
আরো একবার কাঁদুক একলা পাথর!

তারপরও রোদ, টুকরানো চিঠির মতোন


অশান্ত পাহাড়

আনন্দী কল্যাণ এর ছবি
লিখেছেন আনন্দী কল্যাণ (তারিখ: বিষ্যুদ, ২১/০৪/২০১১ - ৩:৪১পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify]ফেসবুকে ঘোরাঘুরি করছিলাম। কারো বিয়ের ছবি, গ্র্যাজুয়েশনের ছবি, জন্মদিনের শুভেচ্ছা ইত্যাদি দেখছিলাম, টুকটাক মন্তব্য করছিলাম। এই ফেসবুক জায়গাটা আমার খুবই আজব লাগে। একটা নিউজ ফিডে হয়ত দেখছি, কেউ লিখেছে "অন ক্লাউড নাইন"। আর তার ঠিক নিচেই রক্তাক্ত পার্বত্য চট্টগ্রাম। এখন ভাল থাকার উপায় হল, সুখবরগুলি দেখা, এবং দুঃসংবাদগুলি এড়িয়ে যাওয়া। যে কোন খারাপ ঘটনাতেই আমার খুব প্রতিক্রিয়া হয়, আমি সাধারণত ফে


হাওয়াই মিঠাই ১৭: নেপালি পরিবার

কনফুসিয়াস এর ছবি
লিখেছেন কনফুসিয়াস (তারিখ: বুধ, ২০/০৪/২০১১ - ৭:৪৩অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

ডারবানে পৌঁছে এয়ারপোর্ট থেকে নেমেই সোজা আমার ডিপার্টমেন্টে চলে গেলাম। সব সময়ের মত ওখানেও আমি লেইট, ক্লাশ শুরু হয়ে গেছে এক সপ্তাহ আগেই। আমার ভিসা অফিসার কুম্ভকর্ণের মত দ্রুতগতিসম্পন্ন হওয়ায় আমার প্লেনে চাপতেও দেরি হয়ে গেলো।
ইউনি-র কোন একটা হল-এ থাকবো আমি। জানা আছে আগেই, কিন্তু তার আগে ডিপার্টমেন্টে গিয়ে কাগজ পত্রের ফর্মালিটি সারতে হবে।
অফিসের করণিক মহিলা হাসিমুখে আমাকে একটা ফরম দিলো, সেই ফরম পূরণ করতে গিয়েই লাগলো প্রথম গোলযোগ। নাম-ধাম ঠিকানা পরিচয়ের পরে একটা ঘর আছে সেখানে, এথনিসিটি। পৃথিবীর আর কোন দেশে এই অদ্ভুতুড়ে তথ্য জানতে চায় কি না জানি না, কিন্তু ওদের ওখানে এটাই স্বাভাবিক।
অপশান মাত্র চারটা। সাদা, কালো, কালারড এবং ইন্ডিয়ান।


April 20th

ডেল চিহুলি’র কাচকলা

কৌস্তুভ এর ছবি
লিখেছেন কৌস্তুভ (তারিখ: বুধ, ২০/০৪/২০১১ - ১:২১অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

এপ্রিলের মাঝামাঝি হয়ে গেল অথচ এই হতচ্ছাড়া জায়গায় এখনও স্প্রিং এল না, একটু যে বাগানে গিয়ে ফুলটুল দেখব তার উপায় নেই। এদিকে কাজের চাপ যতই বাড়ে ততই মাঝেমধ্যে একটুআধটু ছিটকে অন্যদিকে যেতে ইচ্ছা করে। তাই যখন খবর পেলাম যে ডেল চিহুলি’র কারুশিল্প প্রদর্শনী আমাদের বাসার কাছেই মিউজিয়াম অফ ফাইন আর্ট-এ আসছে, এক বন্ধুকে সাথে নিয়ে সটান চলে গেলাম ক্যামেরা হাতে। কিছু ছবি আপনাদের জন্য সাজিয়ে দিলাম।