মেলার শেষ ঘন্টা বাজাবার আয়োজন চলছে।
সবগুলো বইয়ের কাজ এখনো শেষ করতে পারিনি।
অসহায়ের মতো সারাদিন পজিটিভ-প্লেট-প্রেসে দৌড়াই।
বাঁধাইকারদের মন জোগাতে তেল মারি।
রাত আটটার পরে বাধ্যতামুলক প্রেস বন্ধ রাখতে হয়।
দিনে সাকুল্যে চার ঘন্টা বিদ্যুত পাওয়া যায়।
কাল বিকেলে টের পেলাম ঘাড়ের রগ ফুলে গিয়ে শক্ত হয়ে যাচ্ছে।
মেলায় গিয়ে রনদীপমদা’র যোগাপোদেশে সুস্থ বোধ করলাম।
ফেরার পথে আবারো বাঁ...
শ্রদ্ধেয় ‘মুরতাদ’ আহমদ শরীফ
জুলফিকার কবিরাজ
আহমদ শরীফের মরদেহের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন যখন শেষ পর্যায়ে তখন কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের উত্তর দিকের গাছ তলায় চেয়ারে বসে ছিলেন হুমায়ন আজাদ। পাশ দিয়েই যাচ্ছিলেন ফকীর আলমগীর। তিনি তাকেঁ ডেকে বললেন ‘তুমি একুশে পদক পাওয়াতে আমি খুব খুশি হয়েছি’। ফকীর আলমগীর বিনয় করে বললেন ‘কোন কোন সময় পদক দ্বারা ব্যক্তিকে সম্মানিত করা হয়, আবার কোন সম...
তখন বোখারীদের মধ্যে একজন চালাকচতুর নেতা আর্বিভূত হলো। এই নেতার নাম লতিফুর রহমান। বোখারার জনগণ ছিল খুবই আবেগপ্রবণ। যে কোনো কিছু বাড়িয়ে বলার প্রবণতা ছিল তাদের সাধারণ বৈশিষ্ট্য। ত্রিশ হাজার লোক মারা গেলে তারা বলতো ত্রিশ লক্ষ। গুনে দেখার পরিশ্রম করতে রাজী ছিল না।
লতিফুর রহমানের আগে তাদের নিজেদের কোনো একক নেতা ছিল না। লতিফুর খুব ভাল বক্তৃতা করতে পারতো। সে বোখারা ভাষার ফুলঝুরি ...
মস্তিষ্কে জমানো কর্মস্তুপের চাপ
প্রকুপিত ভাবাবেগ বাষ্পাঞ্চলে-
অবোধ্য শব্দাবলীর পদচারণা
মননে অনুপ্রবেশকারী আচরণ-
নিপীত আলোকের শেষ নিনাদ
কোষে কোষে অরিন্দমের জাগরণ।।
১।
রাস্তাটা পাশাপাশি এক মানুষ লম্বা হলেও দৈর্ঘ্যে বেশ বড়ই হবে। ভাঙ্গা চাঁদের আলোয় যতটুকু দেখা যায় তাতে তাই মনে হল পরিতোষের দেখে।
‘ধ্যাত শালা! আবারও হারিয়েছি!’
ছুটিতে গ্রামের বাড়ি এসেছিল ও কদিন বেড়াবার জন্য। এমনিতেই করে এক বিরক্তিকর চাকরী, আর এ কবছরের খাটুনিতে অস্থির হয়েই ও ঠিক করেছিল যে নাহ, গ্রামের দিকে এবার একটা ঢু মারতেই হবে, অনেকদিন যাওয়া হয় না। তিনদিন কাটিয়ে আজকে রাতের গা...
কালোজাম 8330 সিমুলেটরের চেহারাটা এরকম
১
একুশে ফেব্রুয়ারি রাত সাড়ে নয়টার দিকে মেলা থেকে বেরিয়ে এসে সামনের রাস্তায় হাঁটাহাঁটি করছি । সাথে ছিলেন সপরিবার নজু ভাই । ধীরে সুস্থে হেঁটে হেঁটে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল । এমন সময় ফোন করলেন সহকর্মী মারদুক । কিছুটা সাহায্য দরকার ।
একটা ফ্রিল্যান্স কাজ পাওয়া গিয়েছে, কিন্তু কাজটা করার মত সময় নাকি কারো হচ্ছে ...
একদা আমি পুলাপাইন ছিলাম। সেইকালে সঙ্গীতের বড়ই ভক্ত ছিলাম। সঙ্গীত বলতে কথা সর্বস্ব সঙ্গীত না, বরং কথাহীন সঙ্গীত। বোদ্ধারা যাকে যন্ত্রসঙ্গীত বা ইন্সট্রুমেন্টাল বলেন। আমাদের ঘরে তখনো সিডি প্লেয়ার আসেনি। প্রথমে একটা টুইন ওয়ান ছিলো। শেষটা যদিও আর হয়ে ওঠেনি তবে শুরুটা ছিলো সেখান থেকেই। একটা একটা করে নানা পদের মিউজিক্যাল এ্যালবাম দিয়ে ভরে ফেললাম ড্রয়ার। যখন চোখ ফুটতে শুরু করলো, ত...
“কি গো আমাদের মেয়ের নাম কি ঠিক করলে?” সাথীর আচমকা প্রশ্নে সম্বিত ফেরে আবীরের। আবারও সাথীর খোঁচা “কি গো মেয়ের বাপ হয়েছো বলে কি এখন থেকেই দুশ্চিন্তা শুরু করে দেবে”!
মুচকি হাসি ফেরত দিতে দিতে নার্সিং হোমের বেডে সদ্য মা হওয়া সাথীর মাথায় হাত বুলাতে থাকে আবীর
এক-একটা দিন আসে যখন মনে হয় যা হচ্ছে যা ঘটে চলেছে সবই যেনো ভালো হচ্ছে, বোধহয় এর থেকে ভালো আর কিছু হ...
যাযাবরের সেই বিখ্যাত লাইন স্মরণীয়- বিজ্ঞান দিয়েছে বেগ, কেড়ে নিয়েছে আবেগ।
আবেগের দিকে এখন আর না যাই, বেগ নিয়ে যদি বলি, তো বলতেই হবে, কথা সত্য। প্রাত্যহিক সব কাজ-কর্ম নিঃসন্দেহে গতি-প্রাপ্ত হয়ে গেছে বিজ্ঞানের কল্যাণে। আর আমার মত কিছু সুযোগ সন্ধানী মানুষজন নিজের আলসে স্বভাবটাকে এই সুযোগে পাখির ডিমের মত তা দিয়ে দিয়ে বাড়তে দিয়েছে।
লিখবার জন্যে কাগজ কলমের ব্যবহার অনেক আগেই কমিয়ে দিয়...
শ্রীহট্টে দু'দিনের অন্যশ্রী - ২
[প্রতিশ্রুত ২য় পর্ব- পরিশ্রুত নয় মোটেই। 
আরো একটা ডিসক্লেইমার এবার আগেই দিয়ে রাখি- এটা তথ্যসমৃদ্ধ ভ্রমণদলিল নয়, এটা সিলেটের পর্যটন-প্রবন্ধ নয়, এটা আমার একটা সিলেট-বেড়ানোর ব্যক্তিগত গল্পমাত্র, যেটা শ্রেফ ভাগ করছি ভাবাত্নীয় সচল-বন্ধুদের জন্য। অসম্পূর্ণতা বা ভুলত্রুটি সবাই ক্ষমা ক'রে নেবেন নিজ নিজ গুণে। বিষ হজমের জন্য সবাইকে অনেক ধন্যবাদ, সকৃত...