মনে করুন আপনার চেনা জগতের পাশাপাশি এমন একটি জগৎ রয়েছে, যেখানে ঠিক আপনার মতই ঠিক আরেকজন রয়েছে? ১ অথবা এমন কি হতে পারে যে আমাদের এই পৃথিবীর মতই আরেকটি পৃথিবীর অস্তিত্ব আছে? ঠিক ধরেছেন, আমি প্যারালাল ইউনিভার্সের কথাই বলছি।
[justify]
[justify]গত পর্ব থেকে আমরা জলবায়ু বিজ্ঞানের মৌলিক জ্ঞানার্জনের পথে পা বাড়িয়েছিলাম। আমরা দেখেছিলাম কিভাবে গত ১৩০ বছর ধরে পৃথিবীর তাপমাত্রা একটু একটু করে বেড়ে যাচ্ছে এবং এ তাপমাত্রা বৃদ্ধিতে গ্রীন হাউস গ্যাস বিশেষত কার্বন ডাইঅক্সাইড কিভাবে ভূমিকা রাখছে সেটি নিয়ে আলোচনা করেছিলাম। মূল বিবেচ্য বিষয় ছিল গত কয়েক দশক ধরে, বিশেষতঃ শিল্প বিপ্লবের পর থেকে বা
সপ্তাহখানেক আগে শিক্ষাসফরে মাওয়া যেতে হয়েছিলো। পথের মধ্যে নির্মানাধীন যাত্রাবাড়ি গুলিস্থান উড়াল রাস্তার অংশটুকু পার হতে হয়েছিল। ঐ এলাকায় বাতাস ধূলাবালি দিয়ে ভর্তি - এক অসহ্য অসভ্য অবস্থা; অথচ আমি প্রায় নিশ্চিত যে ঐ প্রকল্প অনুমোদন দেয়ার সময়ে নির্মানকালে এই ধরণের বায়ু দূষণ রোধ করার জন্য বিভিন্ন ব্যবস্থা নিশ্চিত করার বিষয়ে অঙ্গীকারনামা দেয়া হয়েছিল - এই ধরণের অঙ্গীকারনামা ছাড়া কোন প্রক
শৈশব আমার কাছে খুব প্রিয় একটি বিষয়।
কারণ আমার শৈশবে আমি ছিলাম এক রূপকথার রাজ্যের মানুষ---
সাধারণ কোন হেঁজিপেজি মানুষ নয়---আমি ছিলাম এক রাজকুমার!
এই তো এই গ্রীষ্মের কথা , মানে মার্কিন হিসাবে জুন থেকে অগাস্ট, স্কুল তিন মাসের ছুটি , আমি মেরিল্যান্ড থেকে কালিফোর্নিয়াতে | google map এ সারা পৃথিবী চষে বেড়াই, এই তো মাউস এ একটা ক্লিক আর আমি প্রশান্ত মহাসাগর এ , আর একটু এগোই তো মেক্সিকো | এভাবে কি আর কাজ করা যায় ? এমন হাতের নাগালে পাহাড় আর সমুদ্র এমন লোভ দেখাচ্ছে তো আমি কী কোরে আর ডেস্কএ বসে কেবল মাউস আর কিবোর্ড নিয়ে থাকি !
মেহেরজানের আজ মন খারাপ। গোলাপী মলাটের ডাইরির শূণ্য পাতার দিকে এক দৃষ্টে চেয়ে থাকে সে। পাতার উপরে কোণায় ডিসেম্বরের ৩ তারীখটা যেন তার দিকে তাকিয়ে মিটমিট করে হাসতে থাকে। পাশেই খোলা আজকের প্রথম আলো। আবার খেলার পাতাটা হাতে নেয়। কয়বার পড়া হলো আজকের খেলার খবরগুলো?
অনেক অনেক কাল আগের কথা!
পথে যেতে যেতে মনে হল রাইট ব্রাদার্স রা নিশ্চয়ই প্রেমে পড়েছিল। না হলে উড়ার কায়দা আবিষ্কার করেছিল কিভাবে? আমি ও উড়ছিলাম। জিজ্ঞেস করলাম কোন ক্লাসে পড়? “নাইন”। সে ত হবেই। ক্লাস নাইনের চেয়ে জীবনে মধুর কিছু হতে পারে?
“পড়াবি?”
বাল্যবন্ধু সুমনের পাল্লায় পড়ে ‘মহাকবি’ বনে যাবার উপক্রম হয়েছিল কিছুদিন আগে। এরপর থেকে টিউশনি নিবার আগে যোগ-বিয়োগ করি অনেক।
“ছাত্র না ছাত্রী?”
“ছাত্রী।”
“কস্মিন কালেও না!”
“মানে? আরে ব্যাটা ক্লাস ওয়ানের ‘শিশু’, লজ্জা পাওয়ার কিছু নাই।”