Archive - ব্লগ

December 10th, 2011

দিনে দিনে পোক্ত হয় স্মৃতি, ঝাপসা হয় চোখ

সেলিনা তুলি এর ছবি
লিখেছেন সেলিনা তুলি (তারিখ: শনি, ১০/১২/২০১১ - ৫:২৪অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:


একটি অনুমিত ষড়যন্ত্র

নীড় সন্ধানী এর ছবি
লিখেছেন নীড় সন্ধানী (তারিখ: শনি, ১০/১২/২০১১ - ১২:১৯অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

সামান্য একটা বোতামের কাছে হেরে গিয়েছিল আবুল হোসেন।

গত অর্ধশতকে তার এরকম ঘটনা ঘটেনি। ঘটনাটা একবার ঘটলে দুর্ঘটনা বলা যেতো। কিন্তু পরপর তিনবার ঘটার পর মনে হলো এটা দুর্ঘটনা নয়, নিশ্চিত ষড়যন্ত্র।


ইস্তাম্বুলের বাজারে

তারেক অণু এর ছবি
লিখেছেন তারেক অণু (তারিখ: শনি, ১০/১২/২০১১ - ৭:০৮পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

IMG_8100


রাজশাহীনামা-০৫

যাযাবর ব্যাকপ্যাকার এর ছবি
লিখেছেন যাযাবর ব্যাকপ্যাকার (তারিখ: শনি, ১০/১২/২০১১ - ৬:০৬পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

রেড ড্রাগন

আমাদের ছোটবেলায় খুব বেশি রেস্টুরেন্ট-টেন্ট ছিল না, আর মানুষের মাঝে বাইরে খেতে যাবার মানে যাকে বলে eating বা dining out এই প্রবণতাটা ছিল দুর্লভ। এখন যেমন অনেকেই রুচি বদল করতে বা ছোটখাটো উদযাপনে রেস্তোরাঁয় যান মাঝেমাঝেই, পনের-কুড়ি বছর আগে সেরকম চিন্তাভাবনা মধ্যবিত্তের মাঝে বেশ কম দেখা যেত। একটা কারণ মনে হয় সে সময়ে সাধ্যের মাঝে ভালো ভালো খাবার জায়গা ছিল কম, স্কয়ার ফিট মাপা অ্যাপার্টমেন্ট বাড়িও ছিল কম, কাজেই বাড়িতে দাওয়াত দিলে অতিথিদের স্থান সঙ্কুলানের সমস্যা হবে এমনটা কেউ ভাবতে পারতো না। ছোটখাটো অনুষ্ঠান তো বটেই, বিশালাকার বৈবাহিক যজ্ঞও সকলে নিজের বাড়িতেই সুসম্পন্ন করতেন।


অকৃতজ্ঞ প্রতিরূপ

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: শুক্র, ০৯/১২/২০১১ - ১১:৩৩অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

একঃ


লাইফ সাক্স

চরম উদাস এর ছবি
লিখেছেন চরম উদাস (তারিখ: শুক্র, ০৯/১২/২০১১ - ১১:২১অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

- আমি কি তবে বলদ?
- ধুর ব্যাটা, তাই কইলাম নাকি?
- তবে কি আমি পাঁঠা?
- উহু
- তাইলে আমারে মুড়ি খেতে বলেন কেন?
- জীবন মানেই মুড়ি খাওয়া রে মূর্খ। ভাগ্যবানে ইয়ে করে মুড়ি খায় আর অভাগা এমনে এমনেই খায়।

বদরুল ভাই মতিনকে জীবনের মানে বোঝানোর চেষ্টা করেন।

- আমি কি তবে বলদ?

- ধুর ব্যাটা, তাই কইলাম নাকি?

- তবে কি আমি পাঁঠা?

- উহু


খাঁচার ভিতরে পাখিদের কথা

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: শুক্র, ০৯/১২/২০১১ - ৯:০৮অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

অনেক্ষণ ধরে বসে আছি এই হাসপাতালে, একাকি। নাহ, আরো অনেক মানুষই আছে। কিন্তু আমি যোগাযোগহীন। হয়ত ভাষার জন্য, হয়তবা বয়স বা বর্ণ, অথবা আমি নিজেই। পাখি গুলো কথা বলতে থাকে। খুব সুন্দর চড়ুই এর মত দেখতে অনেক গুলো পাখি। আটকে আছে দুটো দেয়ালের মাঝখানে। এখানে আসা বৃদ্ধ রোগিদের বিনোদনের জন্য। আমিও এসেছি এক বৃদ্ধকে নিয়ে। আমার বাসার কাছেই থাকেন তিনি। আমেরিকার এই ছোট গ্রামে অল্প কয়টি বাঙালির আমরা এই দুই জন।


পশ্চিম আফ্রিকার রূপকথা-২

সুমাদ্রী এর ছবি
লিখেছেন সুমাদ্রী (তারিখ: শুক্র, ০৯/১২/২০১১ - ৮:৫৮অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

তাওয়েলোরো
- বের্নার বাঁলাঁ দাদিয়ে।

সে ছিল চাঁদের মত সুন্দর, বাছাটি আমার !
তাওয়েলোরো রে! তাওয়েলোরো !
যাদুমনিরে, সে ছিল দিনের ঔজ্জ্বল্যের মত সুন্দর !
ওরে আমার তাওয়েলোরো! তাওয়েলোরো রে!

সে এক দীর্ঘ অতীতের কথা, যখন পশুপাখিরা কথা কইত, যখন মানুষ, পশুপাখি আর জড় বস্তু একে অপরের ভাষা বুঝতে পারত।

তাওয়েলোরো! তাওয়েলোরো !


কাদের, তুমি কাদের লোক?

দ্রোহী এর ছবি
লিখেছেন দ্রোহী (তারিখ: শুক্র, ০৯/১২/২০১১ - ৮:২১অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আমাদের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিজয়ের ইতিহাস। গৌরবের ইতিহাসে সবাই চায় নায়ক হতে। সে কারণে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসেও নায়কের চরিত্রের দাবিদারের কমতি নেই।

আমাদের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস কিছুদিন পর পর বদলে যায়। ক্ষমতার হাত বদলের সাথে সাথে বদল হয়ে যায় নায়ক চরিত্রের দাবিদারদের নাম।


December 9th

গল্প প্রচেষ্টা-১৭

ষষ্ঠ পাণ্ডব এর ছবি
লিখেছেন ষষ্ঠ পাণ্ডব (তারিখ: শুক্র, ০৯/১২/২০১১ - ৫:০৮অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

প্রতিরোধ সরণি

মাঝে মাঝে এমন একটা দিন আসে যেদিন কোন কিছুই ঠিকভাবে যায় না। নবী হোসেন সকালেই সন্দেহ করেছিল যে দিনটা সুবিধার যাবে না। মাথার কাছে রাখা মোবাইলে ঠিক সময়ে অ্যালার্ম বাজা সত্ত্বেও ঘুমকে তাড়ানো যায়নি, তাই দেরি করে ওঠার মাশুল হিসেবে দিনটা শুরু হয় দৌড়াদৌড়ি দিয়ে। জোরে অ্যালার্ম বাজে এমন একটা দেয়ালঘড়ি কিনেছিল একবার। কিন্তু এখনকার দেয়ালঘড়িগুলো তো আর আগের আমলের গ্রান্ডফাদার ক্লকের মতো কিছু না যে কয়েক পুরুষ ধরে চলবে। এগুলো দু’দিন চলতে না চলতে ব্যাটারী পাল্টাতে হয়, সাত দিনের মাথায় স্লো বা ফার্স্ট হয়ে চলতে থাকে, এক মাসের মাথায় মিনিট আর ঘন্টার কাঁটা একসাথে চলতে থাকে - তখন ফেলে দেয়া ছাড়া উপায় থাকেনা।