সবুজ আলোয় ঢেউ তোলা তরল
পুকুরজুড়ে কেন্দ্রাতিগ বৃত্ত এঁকে গেল
আর নীল দ্রবণ একটু গা বাঁচিয়ে
জলের বালতিতে ছটফট করতে করতে
ঝাঁপ দিলো সবুজ বেড়ি ভেঙে নিজের দখল নিতে...
স্বর্গের ওপেনিং-ডে তে শয়তান এসে এমনই কিছু মন্ত্র পড়লেন
স্বর্গবাসীরা চুপ, শুধু সবার পকেটের টাকারা কথা বলে উঠলো
আনন্দময় করতালিতে ফেটে গেল চত্ত্বর
শয়তান আরও কিছু বললেন
নির্বাক মানুষের কাছ থেকে টাকাগুলো
হৈ-করে উড়ে গেল মঞ্চে
পাঁজরের কবিতা
যে পাঁজর মেখেছিলো জাফরান রোদ
সে পাঁজর এখনো কি বাজায় সরোদ?
কবিতা তোমার ঠোঁট মরমী আঙুল
কবিতা জলের ফোঁটা করোটির ফুল।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা ও সঙ্গীত বিভাগ
উপাচার্যের স্বেচ্ছাচারিতার শিকার শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নিরঙ্কুশ ক্ষমতা ও বেনজির স্বেচ্ছাচারিতার শিকার হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়টির নাট্যকলা ও সঙ্গীত বিভাগ। গত ২৩শে জুলাই বিভাগের এ্যাডহক নিয়োগপ্রাপ্ত ৩ শিক্ষকের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পর চাকরীর সময়সীমা নবায়ন না করা নিয়ে নাট্যকলা ও সঙ্গীত বিভাগে এই অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।
আজকের গল্প আটালান্টার। সে যখন ফুটফুটে একটা মেয়ে, সবেমাত্র জন্মেছে, তখনই তার বাবা-মা তাকে ফেলে এলো বনের ধারে। তখন শীতের শুরু, রাতের বেলা বেশ শীত পড়ে। বাচ্চা শীতেই মরে যাবে না হলে আমিষাশী বন্যজন্তুরাই বাচ্চাটাকে খেয়ে ফেলবে, ঝামেলা শেষ। এই ভেবে বাবা-মা ফিরে চলে গেল, তাদের পুত্রসন্তান চাই, মেয়ে দিয়ে কোন কচুটা হবে?
শেষবারের মত ঘুরে আসা যাক ধূলিময় প্রিয় প্রান্তর
যেখানে আমার গতিময় পদচ্ছাপ
চাপা পড়েছে বিকট কংক্রিটের নিচে
সেই এক জলমগ্ন নৌকার খোলে আমার সর্পভীতি
রূপান্তরিত হয় জলাবদ্ধতায় অদৃশ্য ম্যানহোলের অন্ধকারে
শেষবারের মত আমি সেই গা-ছমছম দৃশ্যটি ছুঁতে চাই।
এখনো আমি খুব বিমর্ষতায় ভোরের ঘুম-ভাঙা মাঠের
শিশির জড়ানো আলোতে
আঁকড়ে ধরি গোলপোস্ট, কর্নার কিক, রেফারির বাঁশি
আজ অন্যরকম একটা আমেজ খেলা করছিল শাজাহান মিয়ার পুরো দেহ-মন জুড়ে। অন্যরকম না বলে বরং বলা উচিৎ সুখের একটা আমেজ। যা থাকলে নিজেকে মনে হয় প্রচন্ড সুখী কেউ, চিরপরিচিত স্থানটিও আর তেমন বিরক্তিকর লাগে না! উৎসাহের খাতিরে ডবল পানের সাথে একটা বিদেশী দামী সিগারেটও কিনে ফেলল সে।
এই পৃথিবীতে এক স্থান আছে,
সবচেয়ে ঊষর, রূক্ষ, জনমানবহীন, প্রাণশূন্য---
রমজান মাসে জগাখিচুড়ি ল্যাখলে বউ বলছে খুন্তির বাড়ি দিয়া মাথা ফাটায়ে দিবে, তাই এখন বিষণ্ণ বদনে ছড়া লেখি বসে বসে।
খেলার সাথে রাজনীতি না
বলতে বলতে আপনি পাগল
ছক্কা মারে আফ্রিদি আর
আপনি বসে বাজান বগল
নাই বা থাকুক ছাগলা দাড়ি
আম্নে কিন্তু পুরাই ছাগল।
জাফর ইকবাল, সে কোন আবাল
কয়টা জার্নাল করেন গুগল
কোথায় ব্যাটার মৌলিক কাজ
কবিতা পড়তে তেমন ইচ্ছে করত না সেসময় । একদিন এক সিনিয়র বললেন, “আবুল হাসান” পড়ে দেখ। কবির নামটা অতি সাধারণ মনে হল-এরকম কত নাম ঘুরে আমাদের চারপাশে। তাই পড়া হয়ে উঠলনা তখন।
১৯৯৭ সালের মার্চ বা এপ্রিল মাস। তারিখটা আজ এতদিন পরে মনে নেই। ঢাকায় আসার উত্তেজনায় তখন আমি বিভোর। আগে থেকেই ঠিক করে রেখেছি নটরডেম নয়তো ঢাকা কলেজে পড়ব। কলেজ দুটোর ব্যাপারে ছোটবেলাতেই বাবার কাছে গল্প শুনেছি। শুনেছি এখানে যারা পড়ে তারা নাকি অনেক বড় বড় জ্ঞানী। আর সেই কলেজে আমি ভর্তি হতে পারবো ভাবতেই যেন আমার ঘুম আসছিলো না।