ঠিক কবে আপনার নাম কোনো লিস্টে উঠেছিল বলতে পারেন? খুব সম্ভবত আপনার কোনো নাম হওয়ার আগেই। মানে আপনার জন্মের আগেই। আপনার মা-বাবা থেকে শুরু করে আপনার আত্নীয়-স্বজন হয়ত আপনার নামের লিস্ট করে রেখেছিলেন। হোক না সবগুলো নাম আপনার জোটেনি। তাও আপনার সম্ভাব্য নামের লিস্টতো! গতকাল থেকেই এই ব্যাপারটা আমার মাথার মধ্যে এমনভাবে কাজ করছে যে না লিখেও স্বস্তি পাচ্ছিনা।
[justify]
১৯৭২ সালের অক্টোবর মাসে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সংবিধান গৃহীত হয় যে সংসদে, তার একজন সদস্য ছিলেন মানবেন্দ্র নারায়ন লারমা।১৯৭০ এর বাঙ্গালী জাতীয়তাবাদী গনজোয়ারের নির্বাচনে ও লারমা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবেই নির্বাচিত হয়েছিলেন পার্বত্য অঞ্চল থেকে।
নতুন সংবিধানের সংবিধানের ৩ নম্বর ধারায় বলা হয়:
[justify]এই গ্রীষ্মে - ক্যালগেরির পথে ।। ক্যালগেরি পৌছলাম। ক্যালগেরির সময় অনুযায়ী তখন প্রায় সাড়ে বারোটা। আগেই বলেছি, আমাদের এই ট্যুরের থীম ছিল, 'সময়ের সর্বোচ্চ সদ্ব্যাবহার', তাই আমরা কোন হোটেল টোটেলের ঝামেলায় যাইনি। আমরা দরিদ্র গ্রাজুয়েট স্টুডেন্ট; টাকা পয়সা বেঁচে যাওয়াও যে এর অন্যতম কারণ ছিল না, এটা অবশ্য আমি বলছি না। যাই হোক, আমা
তুমি ভুলে যাবে - জানি,
গেলেই বা,
আমি যেন না ভুলি,
এই একটুকরো সন্ধ্যা,
এই অচেনা গোধুলি;
এই অপ্রশস্ত ফুটপাত,
এই হিরন্ময় নীরবতা,
এই চলাচল,
আমাদের এই শেষ হাঁটা -
এ-ক-সা-থে,
আমাদের সিক্ত মন,
তার দোলাচল,
তুমি ভুলে যাবে জানি,
গেলেই বা,
আমি যেন না ভুলি,
এই এক একটুকরো সন্ধ্যা,
ভালোলাগার শেষ মুহুর্তগুলি।
আঁধার ছুয়েছে কার্ণিশ -
কার্জনের;
পাখিরা ফিরছে ঘরে,
(হাবিজাবি ধরনের লেখা। কাল একবার পোস্ট করে স্পিডের কারনে আটকায় গেল, বুঝতে পারিনি পোস্ট হল কিনা। তাই আবার পোস্ট করলাম আজকে। যদি মডারেশন প্যানেলে গতকালই আটকে থাকে তবে আবারো পোস্ট করার জন্য দুঃখিত। মুছে দেয়ার অনুরোধ থাকলো।)
***************
ব্লগে সাধারণত ধর্ম আর অধর্ম নিয়ে তর্ক করি না। আমি একটা জিনিস মানি তা হলো প্রাপ্ত বয়ষ্ক একজন ব্যক্তিকে কোন কিছু বুঝানো সম্ভব নয় যদি না তিনি সেটা নিজে থেকে বুঝেন। তাই আমি যেটার চেষ্টা করি তা হলো নিজের জাজমেন্ট অন্যের কাছে চাপিয়ে না দিয়ে বরং তথ্য এবং যুক্তি গুলো তুলে ধরি, তারপরে সিদ্ধান্ত নেওয়ার পালা অন্যের।
অন্যের বিশ্বাসে আমার আপত্তি নেই ততক্ষন, যতক্ষন তার বিশ্বাস আমার জন্যে অস্বস্থিকর না হয়। সমস্যা হলো যে যেকোন বিশ্বাস/ধারণাই হোক (সেটা ধর্ম হোক, গনতন্ত্র হোক, জাতিয়তাবাদী হোক, মানবতাবাদী হোক, বা নাস্তিকতাই হোক) সেটার কাজই হচ্ছে ভাইরাসের মতো ছড়িয়ে যাওয়া। কিন্তু যে বিশ্বাস ন্যাচারাল সিলেকশনে উন্নতর সুবিধে প্রদান করবে মানুষকে, সে বিশ্বাসই পরবর্তী প্রজন্মে বেশি করে ছড়িয়ে যাবে এবং টিকে থাকবে। যে বিশ্বাসগুলো টিকে থাকায় বাড়তি সুবিধে প্রদান করবে না তারাই ধীরে ধীরে হারিয়ে যাবে। যেমন হারিয়ে গিয়েছে বহু ভাষা, বহু সংস্কৃতি, বহু জাতি। ধর্ম গুলো এর বাহিরে নয়।
(ডিসক্লেইমারঃ প্রবলভাবে জেনারেলাইজ করা পোস্ট! মুড়ি-মুড়কি-চিনি-সয়াবিন তেল-ছোলা সবই একদর। বেশি দামী জিনিসের প্রবেশ নিষেধ!)
১৯৭১ সালের আগস্ট মাস; এক ভয়াল সময় অতিক্রম করছে বাংলাদেশের অগণিত মানুষ। বিশ্বের বৃহৎ পশ্চিমী রাষ্ট্রগুলি বাংলাদেশে পাকিস্তানী সামরিক বাহিনীর গণহত্যা আর ধ্বংসযজ্ঞের ব্যাপারে সচেতন হচ্ছে না। বাংলাদেশের মানুষের যৌক্তিক দাবী দমন করার জন্য পাকিস্তানী সামরিক সরকার বেছে নিলো নির্মম সামরিক আক্রমণের পথ; অজস্র বাঙালী তাদের ঘরবাড়ি ছেড়ে, কেবল প্রাণ বাঁচানোর তাগিদে ভারতে শরণার্থী হিসেবে আশ্রয় নিলো। শুরু হল
ফেইসবুকে একটা ভাইরাল ভিডিও ছড়িয়েছে। ওমানে বাংলাদেশ অ্যাম্বাসেডর নুরুল আলম চৌধুরী একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য রেখেছেন। ভিডিও কবে ধারণ করা সেটা নিশ্চিত না হলেও ইউটিউবে জুন ২০১১ তে আপলোড করা হয়েছে। কথা না বাড়িয়ে প্রথমে ভিডিওটি শেয়ার করি।
অনেকদিন পর সাইকেল নিয়ে বের হলাম। সাইকেলের অবস্থা যদিও খারাপ। মাসখানেকের উপরে চালানো হয় না। হাওয়া বের হয়ে গেছে।
গরমে জীবন হাঁপিয়ে উঠেছে, আমিও জীবনের বাইরের কেউ নই। এর মধ্যে সাইকেল চালানো নির্বুদ্ধিতার পরিচয় দেওয়ার নামান্তর মাত্র। কিন্তু ক্যাড়া উঠলে কে আর বসে থাকে বলুন। আমিও বসে থাকলাম না।