বিশ্বকাপ ক্রিকেট শুরুর সময় একটা ভিডিও দেখে মন জুড়িয়ে গিয়েছিলো। বিউটিফুল বাংলাদেশঃ দি স্কুল অব লাইফ।
টিপিক্যাল প্রবাসী বাংলাদেশিদের মত আমিও নিয়ম করে ক’দিন পর পর ছিচকাঁদুনে গীত গাই, দেশের জন্যে আহা উহু করি। সেই আহা উহুর মাত্রা বহুগুণে বাড়িয়ে দিয়েছিল সেই ভিডিওটা। ভিডিওটির পরিবেশনা, বলাই বাহুল্য চমৎকার ছিলো, আমাদের দেশের সৌন্দর্য দেখে মুগ্ধ হয়ে গিয়েছিলাম। দেশের মানুষদের সরলতা দেখে মনে হয়েছিলো, আহা, সত্যিই তো, এমন দেশটি কোথাও খুঁজে পাবে না কো তুমি। ফেইসবুক আর ইউটিউবে ভেসে বেড়িয়েছে বেশ কিছুদিন এই ভিডিওটা।
দুদিন হলো আরেকটা ভিডিও ভাসছে এখন ফেইসবুকে, এবং ইউটিউবে। ভুল ব্যাকরণে এই ভিডিওটির টাইটেল দেয়া- মিলন কিলিং। গতকাল সকালে উঠে পত্রিকা পড়ে ইতিমধ্যেই মিলনের ঘটনাটা জেনে গেছি, জেনে হতভম্ব হয়ে গেছি। মানুষের নিষ্ঠুরতায় বিহবল হয়ে পড়েছি। ফেইসবুকে অনেকের প্রোফাইলে শেয়ার দেয়া আছে মিলন হত্যার ভিডিওটা, কিন্তু এখনও সাহস করে একবারও দেখে উঠতে পারিনি সেটা, হয়তো পারবোও না।
স্টারবাক্স-এ কফি খেতে গিয়ে আগে একবার খুবই বেকুব হয়েছিলাম। অনার্য সঙ্গীতের ভাষায় বললে 'কুত্তামারা' কফি। ওদিকে অনেকগুলো টাকা বেরিয়ে গেছে সেই কফি কিনতে। এত বড় এক মগে দিয়েছে যে খাবো না গোসল করব সেটাই বুঝতে পারছি না। অর্ডারের সময় সাইজের অপশন ছিলো তিনটা। সবচেয়ে বাম দিকে লেখা 'tall' মানে লম্বা। তাই সেদিকে না গিয়ে, আমি সবচেয়ে ডান দিকের অপশনটা অর্ডার দিলাম। ভাবলাম ওদিকে নিশ্চই 'শর্ট' বা ছোটোখাটো টাইপ কিছু
মিলন নামের এই কিশোরটির দিকে যতোবার তাকাচ্ছি ততোবারই চোখ ফিরিয়ে নিতে বাধ্য হচ্ছি। এক ধরনের মস্ত অপরাধবোধে আমি তার চোখে চোখ রেখে কথা বলতে পারছি না।
১. গত ১৭বছরের ইতিহাসে বারমুডায় খতরনাক খরা মৌসুম চলছে। বৃষ্টির দেখা নেই। অভিমানে মেঘ উড়ে উড়ে চলে যায়, বৃষ্টি হয়ে নামে না। উঁচু স্থানে বসবাসকারীদের সকলের পানির ট্যাংক প্রায় শূন্য। চাহিদা মেটাতে পারছেনা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহ। গরম অসহ্য। হঠাৎ চারিদিক অন্ধকার করে নেমে এলো বহু প্রতীক্ষিত সেই বৃষ্টি! এক নিমিষে সমস্ত গ্লানি, খেদ সব তাড়িয়ে নিয়ে চলে গেল অতলান্তিক সাগরের গভীরে।
পুলিশ তাদের গাড়ি থেকে একটা কিশোর অথবা তরুণকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিলো, চিৎকার করে বল্ল এরে মেরে পিটাও, এ হলো ডাকাত। বীর বাংগালের সকল বীরত্ব জেগে উঠলো, সে পিটাতে শুরু করলো, যার যা কিছু আছে তাই নিয়ে ঝাপিয়ে পড়লো, পেটাতে পেটাতে যখন বুঝলো কাজ শেষ, তখন ক্ষান্ত দিলো। পুলিশ সেই লাশ উঠিয়ে নিয়ে চলে গেলো। কি অসাধারণ দৃশ্য। টিভিতে এটি দেখানো হয়েছে, পত্রিকার অনলাই এডিশনে ভিডিও ক্লিপটি জুড়ে দেয়া হয়েছে। এবং এজন্য দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে এক দারোগা আর দুই সিপাহীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। মাশাল্লাহ।
আজকাল বিভিন্ন ব্লগে আস্তিকতা বা নাস্তিকতা নিয়ে ভয়ানক আলোচনা হচ্ছে। স্পস্ট দুইটা পক্ষ দেখা যাচ্ছে। পক্ষ দুইটা যুক্তি, পাল্টা-যুক্তি, কু-যুক্তি দিয়ে সমানে লড়ে যাচ্ছে। প্রতটি ক্ষেত্রে এমন একটা সুর “আমি যেভাবে ব্যখ্যা করছি সেটাই সঠিক, আর সবাই ভুল”। পুরো ব্যাপারটা কি হাস্যকর হয়ে যাচ্ছে না?
"হ্যালো, সাকিব বলছেন?"
"স্লামালিকুম। আপনি কে ভাই?"
"আমাকে চিনবেন না। আমি অছ্যুৎ বলাই।"
"কি যে কন! আপনাকে না চেনার কি হলো উৎপাত ভাই! দেশের সবচেয়ে বড়ো ক্রীড়া সাংবাদিক আপনে, আর আপনেরে চিনুম না এইডা তো কবীরাহ গুনাহ হইবো রোজা-রমজানের মাস।"
মাঝখানে নিষ্ঠুর জীবনের উথাল পাথাল নানান টানাপোড়নে ধারাবাহিক এই লেখায় লম্বা একটা বিরতি পরে গেলো। তাই হয়তো কিছুটা খেই হারিয়ে ফেলেছি। সে যাই হোক, আগের পর্বে ‘চলবে’ লিখে ফেলেছি বলে কথা। এখন না লিখলে পরে মুখ দেখানো বন্ধ হয়ে যাবে।
সাত চল্লিশে দেশভাগের কারণে অনেক হিন্দু দেশত্যাগ করে ভারতে চলে গিয়েছিলেন। ভারত থেকে অনেক মুসলমান পূর্ব বাংলা বা পূর্ব পাকিস্তানে চলে এসেছিলেন। যারা দেশত্যাগ করেননি, তারা এই দেশবিভাজনের রাজনীতিটাই মানেননি। তারা জানেন যে, দেশটি তাদের জন্মভূমি। এই দেশের আলো হাওয়ার মাটির সঙ্গে তাদের যোগ। যে দেশভাগ হচ্ছে--যে দেশত্যাগ করতে হচ্ছে তার সঙ্গে মনুষ্যত্বের কোনো সম্পর্ক নেই। মনুষ্যত্ব হচ্ছে--মানুষে মানুষে মিল
আমার ধারনা প্রাচীন মিসর এর বাসিন্দারাই প্রথম বলেছিল প্রতিটি মানুষ ব্যাক্তি ৬ বা ৭ টি ভিন্ন ভিন্ন উপাদান দ্বারা তৈরি। যদিও বাইবেল তিনটি উপাদান এর কথা বলে, এক – শরীর , দুই – আত্মা আর তিন - অতি আত্মা বা বিদেহী আত্মা। এই প্রাচীন মিসরীয়রা আমাদের ধারনার চাইতে বেশী বুদ্ধিমান ছিলেন এবং এসব ভাবার মত যথেষ্ট সময় এদের ছিল। আমি এসব ব্যাপারে নির্বিকার হলেও তাদের ধারনা যা বুঝেছি তাতে এই মানব শরীর ভিন্ন ভিন্ন তত্তের একক মুল ধারক, আমাদের দেহ কেবল রক্ত মাংসের একটি আবরন। অথবা সহজ করে বলা যেতে পারে আমাদের এই দেহ একটি বাড়ি ,যেখানে এইসব তারা মাঝে মাঝে থাকে, কখনো কখনো একসাথে। কিন্তু একটি সব সময়ই থাকে যা এই বাড়ি আলোকিত আর কর্মক্ষম করে রাখে।