আমাদের সেই সাঁকোটা হারিয়ে গিয়েছে
এলজিআরডির কালভার্ট প্রিয় খালটারে দখল করেছে
হারিয়েছে দিগন্তের বুকে তার গুনচিহ্নের কাটাকাটি
ভি-ফ্রেমেবন্দি ওপাড়ের বয়সী বট, এবং
হঠাৎ আটকে যাওয়া কিশোরীর নীল ওড়না ।
সবকিছু এখন ছেলেবেলা হয়ে গ্যাছে,
এখন বাড়ী ফেরার আর কোন রহস্য নাই,
রিক্সাওয়ালা নেমে টেনে তুলে ব্রিজের চূড়া পর্যন্ত,
ক্যামন জানি একটা পর্বতাহোরণের স্বাদ হয়,
তারপর ঢালে ধীরে সহজ পতন,


[justify]বিশ্বকাপ ক্রিকেটের আমেজ সবখানে। ব্লগ উপচে পড়ছে বাংলদেশের জয়ের আবেগে। আমি খেলা ভালো বুঝি না। বন্ধুরা যখন তুমুল তর্কে ব্যস্ত, আমি তখন দুই দিকেই মাথা নাড়ি। সাধারণ জ্ঞানে এইটুকু বুঝি - যে কোন খেলাতেই জিততে হলে কৌশলী হতে হয়। দুই পক্ষের মাঝে সামর্থ্যের তারতম্য থাকতেই পারে, কিন্তু সঠিক সময়ে নেওয়া সঠিক সিদ্ধান্ত, কূট বুদ্ধির যথাযথ প্রয়োগ অপেক্ষাকৃত দুর্বল দলকেও জিতিয়ে দিতে পারে।
“আমরা সবাই জেতার সুখে আজকে পাগলপারা,
জেতার মত দেশ কি আছে আমার এ দেশ ছাড়া?
নিজের দিনে কাউরে এখন আর করিনা ভয়-
ঠিক ‘ধরে দেই’; দিনের শেষে আমরা করি জয়!!
***************************************************
‘পরিসংখ্যান একটা গাধা’- কথাটা ক্রিকেট রিপোর্টে অনেকবার পড়েছি এবং সন্দেহাতীতভাবেই আরো অনেকবার নিশ্চিতভাবে পড়তে হবে। কিন্তু তাতে করে এর আবেদন একটুখানি কমেনি আর মনে হয় না সহসাই কমবে।
পায় না প্রকাশ ঘরের প্রতি টান,
বাবা-মা এর খোঁজ দিতে যে চাপা অভিমান।
কয়টা টাকা , ইকটু আহার সবার প্রতি তাদের আহবান।
ওরা পথের ধারে পরে থাকা অনাথ , এতিম,
দুস্থ শিশু ।
চেয়ে দেখ ছুটছে ওরা তুমার পিছু পিছু।
কয়েছ কি কোন কথা ইকটু খানি আদর মাখা?
জানি বলনি !
দিয়েছ তাড়িয়ে,
যে এসেছিল হতভাগিনী।
আমিও করি অমন,
ভয় হয় সেদিন ভেবে
বিধি মোদের জবাব নিবে যেদিন ।
বিশ্বকাপ খেলা শুরুর পর থেকেই খুব অবাক হয়ে লক্ষ করলাম পত্রিকান্তরে বিভিন্নভাবে সাংবাদিকরা বিভ্রান্তকর রিপোর্টের মাধ্যমে বাংলাদেশ দলের বিপক্ষে এক প্রকার যুদ্ধে লিপ্ত হয়েছে। এই রিপোর্টগুলো মন দিয়ে পড়লে দেখা যায় প্রতিটা লেখার কিছু সাধারণ বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান। যেমন -
১। আশরাফুল লেহন
২। সাকিব এর বিরুদ্ধে বিষাদগার
৩। সিডন্সের বিরুদ্ধে বিষাদগার
৪। দলীয় কোন্দল সৃষ্টি ইত্যাদি
[justify]আজকে ওয়েবে বাংলার যে রূপটা দেখা যায় সেটা মোটা দাগে বললে ওপেন সোর্সভিত্তিক। মোস্তফা জব্বারের প্রোপ্রাইটারি বিজয় সফটওয়্যার পাবলিকেশনের কাজের বাইরে আর কোন ব্যবহার হয়না বললেই চলে। কম্পিউটারে বাংলা প্রচলনের এই কর্মযজ্ঞের একটা অংশ হলো বিভিন্ন ওয়েবসাইট, সফটওয়্যারের বাংলা অনুবাদ। এই প্রচেষ্টার ফল হিসেবে আজকে আমরা সফটওয়্যার থেকে শুরু করে অপারেটিং সিস্টেম পর্যন্ত বাংলায় পাচ্ছি। এইসব অনুবাদ প্রচেষ্ট
কে যেন জড়িয়ে ধরলো শক্ত করে। চিনি কি তাকে ? নাতো। বিজয়ের আনন্দ কি আপন পর ভেদাভেদ ভুলিয়ে দেয় ? আলিঙ্গন যন্ত্রণা থেকে মুক্ত হতেই ভুভুজেলার আওয়াজে কান ঝালাপালা। আর ঢাকের শব্দে উন্মাতাল জনসমুদ্র। "আমরা জিতে গেছি ভাই।" কান ফাটিয়ে চিল্লায় পাশের জন। জানি তো। এতক্ষনতো পাশে বসেই খেলা দেখলাম। মানুষকি পাগল হয়ে গেছে? এরাই কি সেই জনতা যারা পুরা দলকে একসাথে গালাগালি করেছে বিপর্যস্ত হতাশায়?
[left]
৫০ শব্দের মধ্যে একটা হত্যা-রহস্যের গল্প
কুমার সুদর্শন, সদাহাস্যময় যুবক। দু'মাস হল সাম্পাথ যোগ দিয়েছে তার সাথে। একদিন রঙিন পানির আসরে কুমার সাম্পাথকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিল।
"আমি বলছি তুমি ৫০ শব্দের মধ্যে একটা হত্যারহস্যের গল্প লিখতে পারবে না।"
"অবশ্যই পারবো।"
"কিভাবে ?"
বিপ্লব নিয়ে কবিতা লেখা মানায় না আমাকে।
সুবিধা ও ভোগ, এই দুই বাদের ভোক্তা আমি।
আর অবসরে টিভির পর্দায় ভোক্তা, বিপ্লবের।
তাহরির স্কয়ার, বেনগাজি বা নূর হোসেন স্কয়ারে নিপাত যাওয়া একনায়কেরা
আমার মীমাংসিত দৈনন্দিনে উত্তেজনা দেয় কিছুটা।
এই তো।
না-যুদ্ধ, না-প্রেম, না-তীব্র, টিপটিপ যাপন করা দিনে,
দায়সারা সাবধানী আত্মপ্রেমিকতা।
তবুও হঠাৎ সাবধানের পকেট কেটে বেরিয়ে পড়ে দু-একটা আধুলি ইচ্ছা।