গতকাল (মে ০২, ২০১৩) বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে একটি দীর্ঘ সাক্ষাৎকার দিয়েছেন CNN-এর ক্রিশ্চিয়ান আমানপুর-কে। সাক্ষাৎকারের বিষয় ছিলো সম্প্রতি সাভারের ভবন ধ্বস। সাক্ষাৎকারটি প্রচার হওয়ার পর থেকে খুব স্পষ্ট বিভাজন দেখতে পাচ্ছি প্রতিক্রিয়ায়। দলীয় আনুগত্যে অন্ধ এই প্রতিক্রিয়াগুলোর ভিড়ে আমার নিজের কিছু প্রশ্ন রেখে যাওয়ার জন্য এই পোস্ট। কিছু প্রশ্নের জবাব আমার জানা নেই, কেউ সেই বিষয়ে আলোকপাত করতে পারলে আগাম ধন্যবাদ রইলো।

কাজের ফাঁকে একটুখানিক মানিক ...
আর্টিস্ট মুর্তজা বশীর গাড়ি কিনলেন, তারপর স্ত্রীকে নিয়ে সেই গাড়িতে চড়ে নিউমার্কেট গেলেন। গাড়ি পার্ক করে রেখে নিউমার্কেটে কেনাকাটা শেষ করে অভ্যাসবশত রিক্সা নিয়ে বাড়ি ফিরলেন। অনেকক্ষণ পরে মনে পড়লো, তিনি তো একটা গাড়ির মালিক! গাড়ি তখনো নিউমার্কেটের সামনের রাস্তায় পার্ক করা!

তারপর সে ভয়ে ভয়ে বনের মধ্যকার সুঁড়িপথ দিয়ে বিছুটি লতার কর্কশ স্পর্শ গায়ে মেখে, সেঁয়াকুল কাঁটায় শাড়ির প্রান্ত ছিঁড়ে অতিকষ্টে এসে গ্রাম-প্রান্তের কাওয়ার পাড়ায় পা দিলে।
—ইছামতী, বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
বাংলার পল্লী গাঁয়ে সিঁদেল চোরদের নাম বেশ শোনা যায়। রাতের অন্ধকারে চুপি চুপি অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে সিঁদকাটি (এক ধরনের ছোট শাবল বিশেষ) দিয়ে মাটি কেটে গর্ত করে ঘরে ঢুকে সব সাবার করে দেয় এবং বেশীর ভাগ ক্ষেত্রেই ঘরের মানুষজন কেউ কিছুই টের পায় না। এ এক কঠিন শিল্প বটে!
আমার সহ-কামলা নাজির সাহেব। ভালো মানুষ, অফিস ফাঁকি দিয়ে গেটের বাইরে বিড়ি ফুঁকতে যাওয়া ছাড়া তেমন কোন বদভ্যাস নেই (সাথে অবশ্য আমাকেও নিয়ে যায়, বিড়ি ফুঁকি না, চা খাই)।
বোলোনিয়া শহরের একজন নাম না জানা শাসকের মোজাইক দিয়ে নির্মিত পোর্ট্রেট। ছবিটি বোলোনিয়ার সিভিক মিউজিয়াম থেকে তোলা হয়েছে।
প্রদোষচন্দ্র মিত্র নামের মানুষটিকে আমার অতিমানব বলে মনে হত, চোখ বন্ধ করলেই ভেসে উঠত জ্বলন্ত চারমিনার হাতে অন্তর্ভেদী দৃষ্টি নিয়ে বসে থাকা এক যুবক, দুর্ধর্ষ শত্রু মগনলাল মেঘরাজকে নাস্তানাবুদ করার প্ল্যান আঁটতে থাকা, তার সাথে তোপসে আর লালমোহনবাবুকে আমি সত্যি সত্যি হিংসা করতাম। তখন আমি ছিলাম এক ভিন্ন জগতের বাসিন্দা, অনন্যসাধারন সেই জগতে এই ত্রিরত্নের সাথে আমি নিয়মিত ঘুরে বেড়াতাম কখনও বোম্বাই, কখনও কা
আজ পহেলা মে। মে দিবস, মহান মে দিবস। সারা বিশ্বের জন্য এদিনটি শ্রমিকদের মুক্তিগাঁথা হলেও বাংলাদেশের শ্রমিকদের জন্য এটি প্রহসন ব্যতীত আর কিছু নয়। ১৯৭১ সালের পূর্বে পরাধীন কালের কথা বাদ দিলাম, স্বাধীনতা অর্জনের ৪২ টি বছর চলে গেলেও আমাদের শ্রমিকদের কোন স্বাধীনতা নেই, মুক্তি নেই; তারা আজও পুঁজীবাদ আর কর্পোরেট বাণিজ্যের শেকলে আবদ্ধ।
বাংলাদেশের সংবিধানের মূলনীতির একটি হল সমাজতন্ত্র। এটি প্রচলিতভাবে সংজ্ঞায়িত সমাজতন্ত্র না হলেও ন্যূণতমভাবে রাষ্ট্র রাষ্ট্রের সকলের জন্য সমান দৃষ্টি রাখবে সে দাবিটি রাখে। কিন্তু এ দাবিটি বাংলাদেশের জন্য বারবার অসার হিসেবেই প্রমাণিত হয়েছে। গরিবেরা বরাবরের মতনই নিগৃহীত, শ্রমিক শ্রেণিটি আরো বেশি অবহেলিত।