সম্প্রতি আমি লিন্ডা সিগারের লেখা ক্রিয়েটিং আনফরগটেবল ক্যারেকটারস বইটি পড়া শুরু করেছি। কোন সিনেমার চিত্রনাট্যের জন্য কিভাবে একটি চরিত্র সাজাতে হয় তার উপর এই বই।
লেখাটির ছোট্ট একটা ভূমিকা দিতে হবে। এই লেখাটি পড়ুয়াদের ২০১৫ আহবানকে সাড়া দিয়ে লিখেছি। কিন্তু সে অর্থে কোন রিভিউ নয়। সন্দেশের আহবানের সূত্রে অনেকদিন পর আবার লেখা হল। আর সেই সাথে যদি তরুণ প্রজন্মের ছোট একটা অংশকে খানিকটা প্রভাবিত করা যায় সেটি হবে বাড়তি পাওনা।
২০০৪ সালে জফির সেতু আর আমার রক্ত দিয়া যে শুদ্ধস্বর প্রকাশনীর শুরু হইছিল। এক যুগ পরে আহমেদুর রশীদ টুটুলের রক্তপাত দিয়া কি সেই শুদ্ধস্বর বন্ধ হয়ে যাবে?
দুই মাস ধইরা খালি এই প্রশ্নটা আমার মাথায় ঘোরে। তিনজনের মাঝে দুইজন রক্ত দান কইরা শুরু করছিলাম। তৃতীয়জন কি রক্ত ঝরাইয়া বন্ধ করবে শুদ্ধস্বর?
ঢাকা এসেছিলাম হপ্তা দুইয়ের জন্য। বছরের প্রথম প্রহরে আবার ফিরে যাবো, ফিরে যাবো আস্তমাথা নিয়ে।।
ঘর ছাড়ার সময় ছেলেটা বলেছে, "বাবা আমি তোমাকে নিমো (নেবো)", তারপর ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে অশ্রুপাত। ছোটো ছেলেটার মনে অনেক দুঃখ। পিছনে আরও একটা খবর্কায় ছায়ামুতর্িকে দেখি। এইটা আমার মা। আমি জানি না মা-রা আদৌ মনের কথা পড়তে পারে কিনা। কিন্তু মনে মনে আমি অনেক কথা বলে যাই। হয়তো মা তার কিছুটা আন্দাজ করতে পারে।
প্রায় তিন বছর পর আজ ব্লগার রাজীব হায়দার হত্যা মামলার রায় হতে যাচ্ছে। এই হত্যাকান্ডের দায় দায়িত্ব আনুষ্ঠানিকভাবে আল কায়েদা অফ ইনডিয়ান সাবকনটিনেন্টের সহযোগী সংগঠন আনসারুল্লাহ স্বীকার করে।
রাজীব হায়দারকে ব্যক্তিগতভাবে চিনতাম না। এমনকি তার কোন লেখাও আমার কখনও পড়া হয়নি তার মৃত্যুর আগে। কিন্তু একটা অপরিচিত মানুষ কারো জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে, তার সবচেয়ে বড় উদহারন আমার কাছে এই রাজীব হায়দার।
১.
অগোছালো এবং অসংলগ্ন
জীবনের ডিসেম্বর
জীবনের ডিসেম্বরগুলো সবসময় অদ্ভূত।
হয়তো বা শীতকাল বিধায়। এখন পর্যন্ত এমন কোন অঞ্চলে ডিসেম্বর কাটানো হলো না যেখানে ডিসেম্বর মানে গরমকাল।