Warning: Creating default object from empty value in i18ntaxonomy_term_page() (line 34 of /var/www/sachalayatan/s6/sites/all/modules/i18n/i18ntaxonomy/i18ntaxonomy.pages.inc).

স্মরণ

সৈয়দ মুজতবা আলী : প্রসঙ্গ, অপ্রসঙ্গ

তারেক অণু এর ছবি
লিখেছেন তারেক অণু (তারিখ: শনি, ১৫/০২/২০১৪ - ১১:২২অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

এপ্রিল ২৮, ১৯৭১ পাটোয়ার বাগান লেন

আজ আমার জন্য খুব দুঃখের দিন। সৈয়দ মুজতবা আলী আমাকে তার ৫ নং পার্ল রোডের তেতলার ঘর থেকে বের করে দিলেন।


রূপকথার ডাক্তার

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: শনি, ১৫/০২/২০১৪ - ১২:০৩পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

পদ্মা পার হয়ে মাধবদিয়ার চর। সেই চরে রোগী দেখতে গেলেন এক ডাক্তার। রোগী হতদরিদ্র। রোগী দেখার পর যখন প্রেসক্রিপশন লিখছিলেন, তখন ডাক্তার দেখলেন রোগীর বাবা গোয়াল থেকে হালের বলদ বের করছেন। আর একজন বলদের দড়ি ধরে টানাটানি করছে কিন্তু বলদ নড়ে না। বৃদ্ধ কেঁদে কেঁদে বলছেন, “তোরে আমি রাখতে পারলাম নারে। আমারে কোন দোষ দিস না। পরের বাড়িত যাইয়া সুখে থাকিস।”


মুন্নাঃ ভুল দেশে জন্ম নেয়া এক অসাধারণ ফুটবলার!

স্বপ্নহারা এর ছবি
লিখেছেন স্বপ্নহারা (তারিখ: বিষ্যুদ, ১৩/০২/২০১৪ - ১২:৪০পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

‘He was mistakenly born in Bangladesh’—Otto Pfister

আজকের দিনে হাজারো ক্রিকেটারদের ভিড়ে মনে পড়ে গেল, বাংলাদেশের ফুটবলের স্বর্ণযুগের অসাধারণ ফুটবলার মুন্নার কথা। যারা তার খেলা দেখেনি বোঝা সম্ভব না তিনি কী অসাধারণ একজন ফুটবলার ছিলেন!!


অবিশ্বস্ত জনপদে আস্থাহীন প্রাণ

মোহছেনা ঝর্ণা এর ছবি
লিখেছেন মোহছেনা ঝর্ণা [অতিথি] (তারিখ: শুক্র, ৩১/০১/২০১৪ - ৫:১৪পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

একটা কাটা দাগের চিহ্ন মুছে যেতে কতদিন সময় লাগে? কিংবা আদৌ কি মুছে যায়?


সুশীলের ত্যানাসমগ্র : আনু-আল হক

আনু-আল হক এর ছবি
লিখেছেন আনু-আল হক [অতিথি] (তারিখ: বুধ, ২৫/১২/২০১৩ - ৩:৩৭অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

সুশীলের ত্যানাসমগ্র

আনু-আল হক
------------

১. “যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই” বললেই বিষয়টা ‘রাজনৈতিক’, আর থামায়া দেয়াটা খুব অ-রাজনৈতিক!


আমার সুরে গাইবে তুমি, নীরব হয়ে শুনব আমি।। -ওস্তাদ রবিউল হোসেন।

পুতুল এর ছবি
লিখেছেন পুতুল (তারিখ: শনি, ২১/১২/২০১৩ - ৫:৪২পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

ওস্তাদজী-কে চা দেয়া হয়েছে। সাথে কয়েকটা বিস্কিট। তিনি শিক্ষার্থীর সুর সাধনা শোনার ফাঁকে ফাঁকে চায়ে চুমুক দিলেন বটে, কিন্তু বিস্কিট গুলো ছুঁয়েও দেখলেন না। যাবার সময় ছাত্রীকে বললেন; শুভ একটা কাগজ দাও। ওস্তাদজী কাগজ হাতে পেয়ে তার ভেতর বিস্কিট গুলো মুড়িয়ে নিলেন, রুমালে পয়সা বাঁধার মতো খুব যত্নে। মুখে একটা সহজ ভাব এনে বললেন; আমার মেয়েটার জন্য নিয়ে যাই, ও খুব খুশী হবে।


আমার পরিবারের ২ জন মুক্তিযোদ্ধা (১): বাবা

সুমন_সাস্ট এর ছবি
লিখেছেন সুমন_সাস্ট [অতিথি] (তারিখ: রবি, ১৫/১২/২০১৩ - ১:৪২অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

এই গল্প মুক্তিযুদ্ধের সময়কার গল্প নিয়ে লিখা না; এটা ২ জন মুক্তিযোদ্ধার ব্যক্তিজীবন নিয়ে লিখা, যার একজন আমার বাবা, আরেকজন আমার মামা। আমি সবসময় নিজেকে খুব ভাগ্যবান মনে করি; জন্মের পরপরই যে ২ জন মানুষ সবার প্রথম রোল মডেল হিসাবে সামনে এসেছেন, তাদের ২ জনই মুক্তিযোদ্ধা। মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়ে উনারা দেশের জন্যে কতো বড় সাফল্য বয়ে এনেছেন, সেটা নিয়েতো আর আলাদা করে বলার কিছু নাই। আমি বরং বলতে চাই উনারা ব্যক্ত


এক টুকরো শৈশব

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: সোম, ০৯/১২/২০১৩ - ১১:০৫অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

কতবার ভেবেছি কিছু লিখি কিন্তু লেখা হয়নি। সেই কাগজ কলমের সময় থেকে আজ এই কিবোর্ডে লেখার যুগে এসেও অনেকবার লেখা শুরু করেও কোন লেখা শেষ করতে পারিনি। কখনো দুই লাইন কখনো দুই অনুচ্ছেদ এর বেশী গাড়ি চলেনি। কতবারই তো ভেবেছি লিখিনা সেই মুরুব্বীর সাইকেল থেকে আখ (কুইশুর) নিয়ে ভো-দৌড়ের কথা কিংবা বারাদি খেলতে যাওয়ার সেই দুঃসহ যাত্রার কথা। এসব না পারলেও নিদেনপক্ষে আমার গ্রামের সেই সুন্দর দিনগুলি যখন সারা গ্রাম ম