Warning: Creating default object from empty value in i18ntaxonomy_term_page() (line 34 of /var/www/sachalayatan/s6/sites/all/modules/i18n/i18ntaxonomy/i18ntaxonomy.pages.inc).

স্মরণ

বড্ড মরে যেতে ইচ্ছে করছে স্যার!

আব্দুল গাফফার রনি এর ছবি
লিখেছেন আব্দুল গাফফার রনি [অতিথি] (তারিখ: শনি, ১৪/০২/২০১৫ - ৪:৫৩অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:


সব মিলিয়ে বিশ বছরেরও বেশি শিক্ষাজীবন। বিশ বছরে কত শিক্ষককে পেয়েছি, কত জনের কাছে পড়েছি, অনেকের নাম হয়তো মনে করতে পারব না। এতসব শিক্ষককের ভিড়ে সবাই প্রিয় হতে পারেননি। সবাইকে ভাল লাগেনি। কিন্তু কিছু কিছু মানুষ থাকেন, তাদের ব্যক্তিত্বই তাঁদেরকে ভাল লাগাতে বাধ্য করে। আকাশে লক্ষ কোটি তারার ভিড়ে যেমন ধ্রুব তারাকে খুব সহজে আলাদা করে চেনা যায়। তেমনি বিশ বছরের শিক্ষজীবনের বহু শিক্ষক থেকে প্রিয় শিক্ষক বেছে নিতে কষ্ট করতে হয় না একটুও। তিনি শ্রী বিশ্বরঞ্জন চট্টোপাধ্যায়। আমাদের বিশু স্যার। প্রাথমিক জীবনের শিক্ষক। আমাদের আইডল।


"হত্যাযজ্ঞের পেছনে সিআইএ'র অশুভ হাত?" - দৈনিক বাংলা, জানুয়ারী ২, ১৯৭২

শেহাব এর ছবি
লিখেছেন শেহাব (তারিখ: বিষ্যুদ, ২২/০১/২০১৫ - ৭:৩৮পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

এই খবরটি দৈনিক বাংলায় এসেছিল ১৯৭২ সালের দোসরা জানুয়ারী। বিজয়ের পরপর জেনারেল রাও ফরমান আলীর ডেস্ক ডায়রী সরকারের লোকজনের হাতে আসে। রাও ফরমান আলী হল সেই পাকিস্তানী সামরিক কর্মকর্তা যে শহীদ বুদ্ধিজীবি হত্যার পরিকল্পনা সাজিয়েছিল। বাংলাদেশকে মেধাশূন্য করার পরিকল্পনা যে সাময়িকভাবে কিছুটা সফল হয়েছে তার প্রমাণ হল দেশের সর্বাধিক প্রচারিত দৈনিক প্রথম আলোর [url=http://www.prothom-alo.com/opinion/article/4294


অচলপত্র প্রসঙ্গে যৎকিঞ্চিৎ-২

দিগন্ত চৌধুরী এর ছবি
লিখেছেন দিগন্ত চৌধুরী [অতিথি] (তারিখ: বুধ, ২১/০১/২০১৫ - ৮:৪৬অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আগের কিস্তি


অচলপত্রের একটি প্রচ্ছদ : রবীন্দ্র-হতবার্ষিকী


"যে কোন মূল্যে আইন শৃংখলা বজায় রাখুন" - তাজউদ্দীন

শেহাব এর ছবি
লিখেছেন শেহাব (তারিখ: শুক্র, ১৬/০১/২০১৫ - ১:৫৪পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আমি একটু একটু করে স্বাধীনতার পর পর আমাদের নেতাদের দেয়া বক্তৃতাগুলো পড়ার চেষ্টা করছি। এই বক্তৃতাগুলো থেকে আমরা জানতে পারব কি করে ধর্মনিরপেক্ষতা, জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র এই জিনিসগুলো মুক্তিযুদ্ধের পর পর বাংলাদেশে বোঝার, বোঝানোর ও চর্চার চেষ্টা করা হচ্ছিল। অল্প কিছুদিনের মধ্যেই এই ধারণাগুলো একটি সর্বদলীয় কমিটির মাধ্যমে আমাদের বাহাত্তরের সংবিধানে জায়গা করে নেয়। বক্তৃতাগুলো থেকে আমরা বুঝতে পার


একাত্তরের জিয়ারা

শেহাব এর ছবি
লিখেছেন শেহাব (তারিখ: সোম, ০৫/০১/২০১৫ - ১:১৪অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

১৯৭২ সালের পত্রিকায় দুটি লেখার খোঁজ পেলাম। প্রথমটি ২রা জানুয়ারী প্রকাশিত তৎকালীন পাকিস্তান সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা মেজর জিয়ার স্ত্রী, পরবর্তীতে স্বাধীন বাংলাদেশের একসময়ের প্রধানমন্ত্রী ও এই মুহুর্তে সন্ত্রাসী পদ্ধতিতে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে আগ্রহী রাজনীতিবিদ খালেদা জিয়ার পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর হাতে গ্রেফতার হওয়া নিয়ে।


২০১৪ সালে সচলায়তনে উল্লেখযোগ্য লেখা কোনগুলো?

মাসুদ সজীব এর ছবি
লিখেছেন মাসুদ সজীব [অতিথি] (তারিখ: বিষ্যুদ, ০১/০১/২০১৫ - ১২:০৮পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

সময়ের নিয়মেই সময় বয়ে চলে, সেই বয়ে চলাতে ভবিষৎ একসময় বর্তমানে এসে পৌছে আর বর্তমান একদিন অতীত হয়ে স্মৃতি হয়ে বেঁচে থাকে। সেই ফেলে আসা অতীতের ভুল-চুক যেমন আমাদেরকে আগামী দিনের পথ চলাতে আরো সাবধান করে, তেমনি অতীতের অর্জন ভবিষ্যতের অজানা পথে সাহসের প্রদীপ জ্বেলে রাখে। ২০১৪র সেই অর্জনের গল্প, আনন্দ-বেদনার গল্প কিংবা ভুল-চুকের গল্প প্রিয় সচলাতায়নে প্রতিটি দিন উঠে এসেছে অসংখ্য সচল-হাচল আর অতিথিদের হাত ধরে


আমাদের স্বাধীনতা ঘোষণা নিয়ে দুটি দলিল

শেহাব এর ছবি
লিখেছেন শেহাব (তারিখ: বিষ্যুদ, ২৫/১২/২০১৪ - ২:০৭পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

এই লেখাটি মূলত: আমাদের স্বাধীনতা ঘোষণার কিছু দলিলের স্ক্রিনশটের ডকুমেন্টেশন। স্বাধীনতা ঘোষণা নিয়ে বিস্তারিত জানতে হলে এই লেখাগুলো পড়তে হবে।


সুরে ও বাণীর মালা দিয়ে তুমি...

পুতুল এর ছবি
লিখেছেন পুতুল (তারিখ: সোম, ২২/১২/২০১৪ - ১২:৩৯পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

>বাবা! তুমি আবার ঐ পাঁজী গুলোর সাথে পাল্লা দিয়ে গাড়ি চালাচ্ছ!<
বিপদ আর কাকে বলে! আঁচলকে নিয়ে গিয়েছিলাম গান শেখাতে। সেখান থেকে ফিরছি। ভেবেছিলাম ছুটির দিনে রাস্তা এত ব্যাস্ত থাকবে না। কিন্তু পথে নেমে দেখি; কাজের দিনের চেয়ে ভীড় কম না। প্রতি দিকের তিনটি করে গাড়ি চলার লাইন। তারপরেও গাড়ি গুলো পথ পাচ্ছে না। কর্পোরেট জীবনে ছুটি বলে কোন কথা নেই। সবাই ছুটছে। কীসের পেছনে?


বাংলাদেশের দিন

সুহান রিজওয়ান এর ছবি
লিখেছেন সুহান রিজওয়ান (তারিখ: সোম, ১৫/১২/২০১৪ - ১১:৪৯অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify]
সকালের ঘন কুয়াশায় আচ্ছন্ন চারপাশ, দুরবিন চোখে দিয়েও সেতুর ওপারের ঢাকা শহরকে এখান থেকে দেখা যাচ্ছে না। জেনারেল নাগরার মুখে তাই সামান্য বিরক্তির ভাব, সেটা দেখে কেউ ধারণা করতে পারবে না এই মুহূর্তে তার বুকের ভেতর কেমন সব অনুভূতির উথালপাতাল।