[justify]
"হ্যাঁ দোস্ত, নামটা আরেকবার বল দেখি..." ওপার থেকে মাসুদের গলা শোনা যায়।
মাসুদ আমার বাল্যবন্ধু। ওকে আমরা বলি “অনলাইন মাসুদ”। আমেরিকাতে একটা কোম্পানিতে আইটির কাজ করে। সারাদিন ল্যাপটপ নিয়ে নেটে ঘোরাঘোরি। ফোন করলে জবাব পাওয়া যায় না, ওকে ধরতে হলে নাকি আইএম অথবা ই-মেইল করতে হবে। কম্পিউটারে আমার বড়ই অনীহা, তাই ই-মেইল করে বলেছিলাম ফোন ধরতে। সেই কারণেই ওর গলাটা শুনতে পাচ্ছি। একটা কাজেই ফোন করেছি।
১)
আজকে গুগলে সচলায়তন সার্চ করে দেখছিলাম অতি সম্প্রতি রিডাইরেক্ট করা লিংকগুলো এখনো গুগলের ক্যাশে আছে কিনা। সার্চ রেজাল্ট হিসেবে খুঁজে পেলাম 'সচলায়তন ক্রোম প্লাগইন'। বর্ণনায় লেখা সচলায়তনের সাম্প্রতিক পোস্টগুলোর একটা তালিকা দেখা যাবে।
অনেকদিন পরে দেখা হওয়াই বোধহয়, নাভেদ আমার দিকে ভুরু কুচকে তাকায়। তারপর বলে, 'তোর সমস্যা কী? এত যে দেশ বিদেশ ঘুরে বেড়াস, চেহারা থেকে গাইয়া ভাবটা যায় না কেন?' আমি হাসি। সন্তর্পনে একবার কোমরের দিকে তাকাই, প্যান্টে গোজা শার্টের ঝুল কি কোথাও বেরিয়ে এসেছে? না, বের হয়নি। তবু নাভেদের ঝা চকচকে চেহারার সামনে আমাকে মলিনই হয়তো মনে হয়। অন্তত নাভেদের চোখে তো বটেই।
০১.
নন্দদুলাল, দুলালীরা সবকিছুতেই হাই
হাই এটিচ্যুড, তাপ্পি-বাজি - ফরেন লাগা চাই;
দেখলে পরে মনে হবে ভিনদেশি এক ভুল
ভুল বলেনা ভুল বলেনা বলতে হবে ‘কুওওওল’।
০২.
তাল পেকেছে গাছের ডালে, চুল পেকেছে খোলে,
পাকতে নাকি বয়স লাগে, হদ্দ-দাদু বলে;
এইযে দেখি শিশুরা সব -- ইচ্ছে পাকাপাকি
কম্পুদাদুর চুল-দাঁড়িটা পাকিয়ে দেবে ঠিকই;
পৃথিবীটা হাতের মুঠোয় যথেষ্ট এক ক্লিকই
ফিসফিসিয়ে শীত এসেছিল, থেকেও গেল বেশ কিছুদিন। হিম কনকনে উত্তুরে হাওয়ায় কাঁপিয়ে- ঝাঁপিয়ে দিচ্ছিল, মাঝে মধ্যেই অবশ্য চলে যাচ্ছিল অন্য কোনোদিকে, অন্য কোথাও, কিন্তু আবার ফিরেও আসছিল। এবার যেন চলেই গেল দুম করে। মাঘের সবে চব্বিশ। বাঘ পালাবে কেন, শীতই পালিয়ে গেল।
