আইডিয়াল স্কুলে পড়তাম। বাচ্চা ক্লাসে থাকার সময় স্কুলে কোনো অনুষ্ঠান হলে আমন্ত্রণ পত্র বিতরণ করা হতো ছাত্র/ছাত্রীদের মাঝে। মজার ব্যাপার ছিলো, আমন্ত্রণ পত্র দুই প্রকারের। একটা বেশভুষাহীন সাধারণ প্রিন্ট করা কাগজ, আরেকটা সাদা খামে মোড়ানো হার্ডকাভারে প্রিন্টেড। উন্নতমানের আমন্ত্রণ পত্র 'ডোনেশন' দিয়ে ভর্তি হয়েছে যারা তাদের জন্য। দপ্তরি পত্র বিতরণে এসে প্রথমেই ডোনেশনে ভর্তি হয়েছে যারা তাদের হাত উঁচ
আজ কিছুদিন হল চাকরিটা হারিয়েছে আদনান। সারাদিন বাসায় বসে থাকা আর টিভি দেখা ছাড়া আর কোনো কাজ নেই তার। তার স্ত্রী মৌ কাজ করে একটা খাবার দোকানে। দুজন মিলে সংসারের ঘানিটা ভালই চালিয়ে নিচ্ছিল। একটাই মেয়ে পুষ্পিতা নার্সারি তে পড়ে। আগে স্বামি-স্ত্রী দুজন মিলে মিশে বাচ্চাকে পালতেন। মৌ সকালে কাজ করত আর তিনি রাতে। লণ্ডন শহরে একটুখানি সুখের আশায় দিনরাত খাটনিতে কোনো বাধা ছিলনা মনে। হঠাৎ করে চাকরিটা চলে
দোর্দন্ড প্রতাপশালী ইংরেজের কামানের সামনে পলকা বাঁশের কেল্লা নিয়ে দাঁড়িয়ে গিয়েছিলেন আমাদের বাংলার তিতুমীর। তিনি ছিলেন একটি আস্ত মৌলবাদী, শুধু ইংরেজ নয় সকল কাফিরের বিরুদ্ধেই তার গুষ্টি কিলাই মনোভাব ছিল। তবে ইংরেজদের সাথে ঘাড় ত্যাড়ামি করার জন্য তাকে হাই ফাইভ দেয়া যায়।
নিল আর্মস্ট্রং কে?
উত্তর সবারই জানা, চাঁদে পা দেওয়া প্রথম মানব।
এখানে আগের পর্ব ৫। আমি আর আরেনুশ কিছু কিছু সকালের ক্লাস একসঙ্গে করি, প্রধানত চিত্রকলার ক্লাস৷ দুপুরে একসঙ্গে দু'জনে টিফিন খাই, তারপরেই আরেনুশ চলে যায় এক দূর প্রান্তরে যেখানে অনেক ছোটো বড়ো মিনার আর প্রার্থনালয় তৈরী হচ্ছে, সেখানে দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ও ভাস্কর্যের কাজ করে৷
যুধিষ্ঠিরের সাজেশনের উপর ভিত্তি করে সচলায়তনে আরো কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে।
আজ খুব সকালে ঘুম ভাঙল আমার। সকাল ৮ টায় একটা ক্লাস আছে। সকাল ৮ টার ক্লাস সাধারণত আমি করি না। কিন্তু আজ কেন যেন মনে হচ্ছে আজ একটা অন্যরকম দিন। যাই হোক, সকালে উঠেই মুখে ব্রাশ ঢুকিয়ে বাথরুমে ঢুকলাম গোসল করার জন্য। ঢুকেই যে জিনিসটা দেখে খুব অবাক হলাম তা হল কলে পানি আছে। গত চারদিন ধরে তো এলাকাতেই পানি নাই। বুঝলাম না কিছু।
১.
হাসানুজ্জামান টের পায়, তার মুখে একটা হাসি ফুটে আছে। সেটা এই পরিস্থিতিতে তাকে খুব একটা সাহায্য করবে না, তা সে জানে, কিন্তু হাসিটা মুছতে গিয়ে কষ্ট হয় তার।

কুলদা রায়
এমএমআর জালাল
প্রজানিপীড়ণ খণ্ড : এক
-----------------------------
অধ্যাপক আহম্মদ শরীফ ১৯৮৫ সালে ‘রবীন্দ্রোত্তর তৃতীয় প্রজন্মে রবীন্দ্র মূল্যায়ন’ প্রবন্ধের জন্য গবেষক অধ্যাপক আবুল আহসান চৌধুরীকে কাঙাল হরিনাথের ‘গ্রামবার্তা’ এবং ঠাকুর জমিদারদের সম্পর্কে জানতে চেয়ে একটি চিঠি লেখেন।