- উৎসর্গের পাতার এই ঝরঝরে লেখনীর সাথে আমরা সবাই কমবেশি পরিচিত বটে! জ্বী পাঠক, ঠিক ধরেছেন, দাদাভাইর লেখা। সচলে যার লেখার বিস্তারিত পড়তে হয় কাট্ কাট্, চমক লাগা লাইনগুলোর লোভে।
“ত্রিধা”তে এর ব্যতিক্রম হওয়ারতো কথা নয়। বরং বাড়তি কিছু পাওয়া গেল কিনা তাই দেখার বিষয়। “ত্রিধা” বইমেলা ২...
যারা প্রথম পর্ব পড়েন নি, তাদের জন্য তারার হাতছানি(প্রথম পর্ব) 
০৩
অরিত্র বসে আছে বাঁশি হাতে... আজ সে বাজাচ্ছে না। মন তো এখন অন্য খেয়ালে। অরিত্রের উত্তেজনা দেখে মনে হয় গাছ আর গাছের বানরগুলোও মজা পাচ্ছে। কিন্তু সেদিকে কি আজ তার খেয়াল আছে! তার যেন আজ মূহুর্ত কাটে না... সময় যাচ্ছে বড় ধীরে... অরিত্র শুধু একটু পর পর এদিক ওদিক তাকায়। একসময় তার মনে হয়, ঠিক তার পিছনেই দাঁড়িয়...
ঘনকালো পর্দায় ঢাকা সেই রাতের কথা নাহয় একেবারে সমাধিস্থ হয়ে যাক, অনেক অনেক গভীরে, সূর্যতারাহীন অন্ধকারে। সব ক্ষত সব ক্ষতি সব প্রতিশোধবাসনা সব ভুল সব হিংসা চাপা পড়ে থাক সেখানে। বিপুল মৃত্যুর স্তর সরিয়ে জীবন ভেসে উঠুক তেজী রাজহংসীর মত। তার আলোর মতন পাখায় লেগে থাক নতুন আকাশের প্রতিশ্রুতি। এসো, চোখ মেলি বাউল ভোরে।
এসো আবার চোখ মেলি বাউল ভোরের হাওয়ায়-
অনিঃশেষ রাতের জলতরঙ্গ অন্ধকা...
ফাল্গুনের 'ছয়' সর্বানন্দ ভবনের আলো হাওয়া, নিয়ম-নীতিহীন খামখেয়ালীতে, ধাঁনসিড়ির বুক জুড়ে এমন কল্লোল তুলে দিয়েছিলো যে, বহু বছর পর তেমনি এক বসন্ত রাতে ‘আমাদের দেশের সেই ছেলে’ দেখে ফেলে
এই পৃথিবীতে এক স্থান আছে___ সবচেয়ে সুন্দর করুণ;
যেখানে সবুজ ডাঙা ভ’রে আছে মধুকূপী ঘাসে অবিরল
তারও আটাত্তুর বছর পর একই দিনে জন্ম নেবার, জন্ম নিয়ে আনন্দবেদনাভালোবাসার ব্যাখ্যারহিত পুলকে মেয়েটি ভাসতে ...
এই আমাদের ছাদে
দত্যি দানোর মজমা জমে,
অসহ্য আহ্লাদে।
জোট বেঁধে সব ঘোট পাকিয়ে
ফন্দি ফিকির ফাঁদে।
আমার নিজের ছাদে।
কী ভাবে সব?
এই তান্ডব
সইব নির্বিবাদে?
খুঁটিগাড়া প্রেতবাহিনীর
টুঁটি ছেড়ার আশায়
এই আমাদের বাসায়
ওঝা আসেন সদলবলে।
তাঁদের সেবায় ফুলে ফলে
উপচে পড়ে ডালা।
শালা!
সরষে দানায়
ভূতের ছানা
ঘাপটি মেরে বসে।
হাতুড়েদের দোষে
পিশাচেরা দাপিয়ে বেড়ায়
এখনো এই ছাদে।
জলখাবারের স্বাদ...
১৯৩৩
তোমার শরীর —
তাই নিয়ে এসেছিলে একবার — তারপর — মানুষের ভিড়
রাত্রি আর দিন
তোমারে নিয়েছে ডেকে কোন্ দিকে জানি নি তা — মানুষের ভিড়
রাত্রি আর দিন
তোমারে নিয়েছে ডেকে কোনদিকে জানি নি তা — হয়েছে মলিন
চক্ষু এই — ছিঁড়ে গেছি — ফেঁড়ে গেছি — পৃথিবীর পথে হেঁটে হেঁটে
কত দিন — রাত্রি গেছে কেটে!
কত দেহ এল, গেল, হাত ছুঁয়ে ছুঁয়ে
দিয়েছি ফি...
[justify]আমি অনেকদিন ধরে একটা গল্পের কথা ভেবেছি। মাপে খুব বেশি বড় হবে না। একটা ছোটগল্প। চরিত্রের নামধাম, গল্পের শিরোনাম কি প্লট কিছু কিছু লিখে রেখেছি আমার নোটখাতায়। ঠিক করে গোছানো এখনো হয় নি। মজার ব্যাপার, আমার গল্পের চরিত্রেরা আমার সাথে সময় সুযোগ মতো কথা বলে, আবদার করে। আমি একা ডাইনিং টেবিলে বসলে সীমা এসে বসে। বলে, ওর চরিত্রের বাচালতা একদম পছন্দ হচ্ছে না। কথা কম বলাতে হবে। বলি, ঠিক কর...
বিবিধ বসন্তের ছাপ
==============
আবার দেখা না ও হতে পারে। অথবা না ও হতে পারে ফুল কুড়ানো
ফালগুনের সাথে গভীর মিত্রতা। কোনো কোকিল কিংবা কর্তব্যরত
সেবিকার এ্যপ্রোনে না ও লেগে থাকতে পারে বিরহী সুরের লালাচিহ্ন।
একটা গানের উত্থান থেমে যেতে পারে এভাবেই।পূবাল হাওয়ার চোখে
উদাসী চাঁদ দেখে আমাদের দরোজা থেকে ফিরে যেতে পারে এইসব
নবীন বসন্ত। তারপরও একদিন স্রোত ছিল শ্রাবণের ঘ্রাণে, ছিল
জোয়ারের জৈ...
লাঞ্চে ভালোমন্দ ভোজন করিয়া ঈশ্বর কিঞ্চিৎ তন্দ্রালু হইয়া পড়িলেন।
স্বর্গে ইদানিং গরমও বেজায় পড়িয়াছে। তাহার উপর যোগ হইয়াছে ইরির সিজনের লোড শেডিং। একটু পরপরই বিদ্যুৎ প্রবাহ বাধাগ্রস্থ হইতেছে। ঈশ্বরের কক্ষে যে আইপিএস লাগানোর কথা হইতেছিলো, তাহাও আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় পড়িয়া স্বর্গের সচিবালয়ে এই টেবিল সেই টেবিল করিতেছে, কাজের কাজ অগ্রগতির পরিমান মানকঁচু!
হাতে তালপাতার পাখা ...