[justify]
১
দেশ ছেড়েছি অনেকদিন। প্রথম একবছর অনলাইনে পত্রিকা পড়তাম, দেশের খবরাখবর জানার চেষ্টা করতাম। এখন ছেড়ে দিয়েছি; কালেভদ্রে টোকা দেয়া হয়। অঘটন, দুঃসহ সংবাদগুলো মনকে শুধু বিমর্ষ করে না; শরীরের উপর-ও প্রভাব ফেলে।
শুরু হয়েছে নাম পাল্টানোর খেলা। টাকার উপর বঙ্গবন্ধুর ছবি ছাপানো। জিয়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নাম পাল্টানো। হেনতেন। জনগণের টাকা নিয়ে এরা যে হাঁসের মতো নির্লজ্জভাবে ...
মাঝে মাঝে কেন যেন কিছুতেই কাজে মন বসে না। এখন ল্যাবে বসে আছি, আজকের দিনের মাঝে দুইটা write up শেষ করতে হবে, অথচ মন চলে যাচ্ছে সেই ছোটবেলায়।
পড়তে শেখার পর থেকে সেটাকে কাজে লাগাতে কার্পণ্য করি নি। এক নিজের পাঠ্যবই ছাড়া যে কোন লিখিত জিনিস পেলেই সেটা পড়া নিজের পবিত্র কর্তব্য মনে করে এসেছি। কিন্তু ছোটবেলায় বড় হওয়ার খুব ইচ্ছে থেকেই মনে হয় রূপকথা পড়তে ভাল লাগত না তত, যতটা এখন লাগে।
...
অনেকখানি ঢং করে এই লেখাটা শুরু করতে যাচ্ছিলাম। তারপর হাসি পেল। যাকে নিয়ে লিখছি তাঁকে সচলরা আমার চাইতে ভাল চেনেন। হয়তো তাঁর সঙ্গে আমার অনেকটা পথ একসঙ্গে রিক্সায় টুকরো-টাকরা কথা বলতে বলতে আসা হয় প্রায়শই। কিন্তু সেটাতে তাঁর সবটা পরিচয় মেলেনা। তার সবটা পরিচয় মেলে তাঁর লেখায়। সেইখানে একজন মানুষের ভেতরে একজন ঈশ্বরকে দেখা যায়। সে ঈশ্বর কবিতার আর গল্পের। সে ঈশ্বর ভাষার।
সত্যি [url=http://ww...
লোকটা একটা লম্বা নিঃশ্বাস ফেলে বাইরের দিকে তাকালো।
সামনে দিগন্তজোড়া সমুদ্র, ঢেউ তেমন একটা নেই। যেন একটা বিশাল চকচকে ইস্পাতের পাত কেউ বিছিয়ে রেখেছে। দুপুরের সূর্যের তীব্র আলো সেখানে প্রতিফলিত হয়ে ওর চোখ ধাঁধিয়ে দিচ্ছে। হেলমেটের শেডটা টেনে নামাতে গিয়ে থেমে গেলো সে।
চোখদুটো জ্বালা করছে ওর, মনে হয় এক্ষুনি ভিজে যাবে। এত সুন্দর, ঝকঝকে একটা দিন, কিন্তু আকাশে যদি একটু মেঘ করতো, যদ...
ঝুম বৃষ্টি দরকার!
মিনমিনে-ফ্যাতফ্যাতে-ইলশে গুড়ি না,
কোনও কিছুকে তোয়াক্কা করেনা যে বৃষ্টি,
সেরকমটাই চাই!
এর কম কিছু না,
বরং পারলে আরও বেশি,
একটা ব্যক্তিগত কালবোশেখী চাই,
তছনছ চাই একটা,
তুমুল ধ্বংসযজ্ঞ!
একটু নাহয় বেহিসেবী হই,
গাছের সবক'টা আম নাহয় নাই বা পাকলো।
হাতের পাঁচটা আঙ্গুল সমান কি হয় কখনও?
নাহয় একটু উশৃংখল আমি,
একটু খেপাটে,
কান্ডজ্ঞানেরও নাহয় একটু বেশিই অভাব রইলো আমা...
জিজ্ঞাসা মিথ্যা হয় কথায়, বাঁকে বাঁকে উথালা হাওয়ায়
আমার জিজ্ঞাসার ভেতর মুছে যায় চোখ; পরিচিত মুখ
প্রত্যাশিত আশার’চে রোদটুকু চুষে নিক আলোর পোশাক
পতনের কথা ঘুরেফিরে আসুক; এভাবে চলে কি সময়?
আমার আসা-যাওয়া, ঠিক সময়ের সাথে বেড়ে ওঠা অ-মঙ্গল
আমার চেনা অনুভব; তোর পরিচিত চোখে আবিষ্কৃত ব্যাপার
বলছে কি পেলাম না বহুকাল ধরে? কি যেনো স্পর্শ দরকার
আশা আমার প্রিয়বন্ধু; তোর পূর্ণতৃষ্ণা ধরে রাখা...
আমার একজন পিতা আছেন
আমি তাকে আব্বা বলে ডাকতাম...
আমার খুব মনে আছে,
তিনি যখন কোরান পড়তেন -
সুবেহ সাদিকের স্বর্গীয় নীরবতার মধ্যে
তার কণ্ঠস্বর অদ্ভুতভাবে বেজে উঠত
তার সৌম্য অবয়ব হতে কোন এক
অন্য ভুবনের আলো ঠিকরে বেরুতে দেখতাম -
আমি, তখন ভুল শুনতাম
আমার দেখায় ভুল ছিল ।
আমার একজন আম্মাও ছিলেন
আমি তাকে কোনদিন হাসতে শুনিনি...
সারাটা বছর থাকতেন রোগাক্রান্ত
পর্দার আড়ালে দুর্বল, শীর্ণ, কাল...
বিকেল হলে ছাদের ওপাশটায় ভাড়াটিয়াদের ছেলেপুলে ও তাদের বন্ধুরা ঘুড়ি ওড়ায় অর্থাৎ ঘুড়ি নিয়ে খেলে। মাগরিবের আজান পর্যন্ত চলে তাদের ঘুড়ি নিয়ে কাড়াকাড়ি। কারও কারও মুখ দেখে অনুমান করা যায় যে, বিকালটা তার ভাল কাটে নাই, নিশ্চয়ই ঘুড়ি কাটা পরেছে; অবশ্য এরকম-ই হয় বেশিরভাগ দিনে। কানে সংগীতের যন্ত্র ভরে চুপচাপ বা একটু-আধটু এদিক-ওদিক করে সারাটা বিকেল হয়তো এইসব দেখে কেটে যায...
সময়: মধ্যদুপুর
স্থান: গুলশানের এক অভিজাত জাপানি রেস্তোরাঁ
লক্ষ্য: সুশি আস্বাদন
কেন্দ্রীয় চরিত্র: ভেতো-১ আর ভেতো-২, দুই তরুণ হাভাতে বাঙালি যারা তাদের ভেতো জিভে অচেনা বিজাতীয় স্বাদ ছোঁয়াবার বাঁধভাঙ্গা বিলাসী ইচ্ছের তাড়নায় ঢাকা ঢুঁরে খুঁজে বের করেছে এই রেস্তোরাঁটি।
পার্শ্বচরিত্র: জুডো, রেস্তোরাঁর খাদ্যপরিবেশনকারী যুবক।
দৃশ্য-১
ভেতো-১ আর ভেতো-২ জাপানি কেতায় সাজানো রেস্তোরাঁ ...