Archive

June 13th, 2011

বর্ষায় ভালোবাসা

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: রবি, ১২/০৬/২০১১ - ৮:৪১অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

এই বর্ষায় তুমি আসবে স্বপ্না?

অনেক অনেক ভালোবাসবো।
গাঢ় নীল রঙের ভালোবাসা
সত্যি বলছি।


June 12th

কাজ ক্ষমতা শক্তি

শুভাশীষ দাশ এর ছবি
লিখেছেন শুভাশীষ দাশ (তারিখ: রবি, ১২/০৬/২০১১ - ১২:০১অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify]টিভির ওপরে মানিপ্ল্যান্ট গাছটা কারণ ছাড়াই বেড়ে উঠছে। এই দুর্মূল্যের বাজারে বেড়ে ওঠার অপরাধটুকু ঢাকার কোনোপ্রকার আড়ষ্টতা ওর মধ্যে নেই। তরুশিশু থেকে তরুযুবকে পরিণত হওয়া আমি নিজেও খেয়াল করি নি। মাঝে মাঝে টিভির চ্যানেল পাল্টাতে গিয়ে এক আধবার দেখি বা দেখিনা, এর বেশি কিছু নয়। তবে ইদানীং কেনো জানি চোখে পড়ে। ক্লান্তি নিয়ে আমার বেড়ে ওঠার সাথে সাথে মানিপ্ল্যান্টের নির্লজ্জ বাড়বাড়ন্তে কষ্ট পাই। হিংস


বহুদিন হয়ে গেল...

অনার্য সঙ্গীত এর ছবি
লিখেছেন অনার্য সঙ্গীত (তারিখ: রবি, ১২/০৬/২০১১ - ৫:১৩পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

শুনশান চুপচাপ নেই কোনো শব্দ
কতদিন হয়ে গেল আকতার স্তব্ধ
শব্দের ভাঁজে ভাঁজে বারুদের হুঙ্কার
বহুদিন হয়ে গেল, শুনিনা তো, আকতার


কার্বন যুগ : অধ্যায় ১ (দ্বিতীয় অংশ)

ফারুক হাসান এর ছবি
লিখেছেন ফারুক হাসান (তারিখ: রবি, ১২/০৬/২০১১ - ১:৫৫পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

অধ্যায় ১ (প্রথম অংশ)

কার্বনের প্রাগৈতিহাসিক গল্পের মতন একটি চমৎকার গোছানো বৈজ্ঞানিক আখ্যানের পূর্ণতা পেতে দশকের পর দশক সময় লাগে। এই সময়ে প্রস্তাবিত নানান প্রকল্পের (hypothesis) মধ্যে কোনটি বেশি গ্রহনযোগ্য তাই নিয়ে চলে তুমুল প্রতিযোগিতা। বিজ্ঞানিরা হন্যে হয়ে বিভিন্ন প্রকল্পের পক্ষে বিপক্ষে উপযুক্ত প্রমাণ খুঁজে বেড়ান। বিজ্ঞানিরাও মানুষ, তাদের জীবিকার চিন্তা করতে হয়, তারাও ভুল করেন, প্রভাবিত হন। কিন্তু আশার কথা হচ্ছে, বিশ্বজুড়ে শত শত বছর ধরে আমরা এমন এক বিজ্ঞানের চর্চা করছি যার লক্ষ্য হচ্ছে সমস্ত ব্যক্তিপ্রবণতা আর ভুলত্রুটি দূর করে কেবল বাস্তব প্রমাণ আর অকাট্য যুক্তিতর্কের উপর ভিত্তি করে একটি ক্রমবর্ধমান জ্ঞানের সমষ্টি গড়ে তোলা। পেশাদার বিজ্ঞানির দল শুধুমাত্র সম্ভাবনাময় চিন্তাধারাকে গ্রহন করেন। বাস্তবপ্রমাণহীন ধারণাগুলি সময়ের ভাগারে নিক্ষিপ্ত হয়।


রৌদ্রদহন

মৃত্যুময় ঈষৎ এর ছবি
লিখেছেন মৃত্যুময় ঈষৎ [অতিথি] (তারিখ: রবি, ১২/০৬/২০১১ - ১২:২৪পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

শিরোনাম:: 'রৌদ্রদহন'
মনন:: নাগরিক।
লিখিত:: ১১ জুন ২০১১।

ছিন্নপথটাও নগরে শীর্ণকায়ে ধুঁকে
পথিকের পদপাত আটকে ধরে
অকার্বন রসে তেষ্টা মেটে কিছু;
শুকিয়ে তাও সবকাঠ, সূর্য ঢেলে দেয়
নতুন উত্তপ্ত তরঙ্গ অবাধ- সে
পথে তবু এক চিলতে শূন্যস্থান নেই-
লোকের দাবানলেও পুড়ছে এ নগর!


প্রিয় মেহেদী

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: শনি, ১১/০৬/২০১১ - ৯:৪৩অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

প্রিয় মেহেদী,


তিন কন্যা

ফকির লালন এর ছবি
লিখেছেন ফকির লালন (তারিখ: শনি, ১১/০৬/২০১১ - ৮:৫৩অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আজ পূর্নিমার রাতে তিন কন্যা
বেড়িয়েছে আকাশ ভ্রমনে, আজ
তারা কিছু যুবকের বুকে নেশা
বুনে দেবে, দেবে কষ্টের বীজ,
কিছু হাহাকার আর অপূর্ণতা,
আজ পূর্ণিমার রাতে তিন কন্যা
বেড়িয়েছে চরাচর ভ্রমনে। আজ
তারা কিছু যুবককে ভীড়ের মাঝে
ক্যামন একা করে দেবে, ওরা -

যেমন তুমি-আমি, বুঝি তেমনইবা
অতি সাধারণ, শুধু পূর্ণিমা এলেই
জোয়ারের নদীর মতো মন খারাপের
রোগ হবে ওদের, কেবলই মনে হবে,


তিনচাকার নবাব

আশালতা এর ছবি
লিখেছেন আশালতা (তারিখ: শনি, ১১/০৬/২০১১ - ৬:০৬অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

'ওয়াকিং ডিসট্যান্স' কথাটার মাজেজা দেশের বাইরে যারা গিয়েছেন তাঁরা সম্ভবত হাড়ে হাড়েই বোঝেন । একবার কলকাতায় গিয়ে হাতে কলমে শিখেছিলাম আমিও । যে হোটেলে গেলাম প্রথমে, সেটায় খাবার বন্দোবস্ত ছিলনা । বলল, চিন্তা কি দিদি, এই তো সামনেই খাবার দোকান, ওয়াকিং ডিসট্যান্স । ওদের 'ওয়াকিং ডিসট্যান্স' এর সংজ্ঞাটি তখনও জানা ছিলনা বলে পট করে হোটেল নিয়ে নিলাম । এদিকে ক্ষিধের মুখে বের হয়ে দেখি ত্রিসীমানায় ক


চোখ - হৃদয়ের আয়না

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: শনি, ১১/০৬/২০১১ - ৬:০৫অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

মানুষের চোখ নাকি মনের কথা বলে। কবিরা চোখ নিয়ে লিখে গেছেন কত কাব্য । এক চোখের মাঝেই রাগ, কষ্ট, আনন্দ, প্রেম, বেদনা, ভয় সহ দুনিয়ার সব অনুভুতি ফুটে উঠে, একজন মানুষের ভিতর কি চলে তা হাজার চেষ্টা করেও চোখ থেকে লুকাতে পারেনা। প্রেম করার দিনগুলাতে প্রেমিক-প্রেমিকার চোখের দিকে তাকিয়ে পার করে ফেলে কত ঘণ্টার পর ঘণ্টা ...মুখে কোন কথা না হলেও চোখে চোখেই গাথা হয়ে যায় জীবনের কাব্য।


June 11th

নীল জলের গল্প থেকে যায়

মণিকা রশিদ এর ছবি
লিখেছেন মণিকা রশিদ (তারিখ: শনি, ১১/০৬/২০১১ - ৮:৫৬পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

সবুজ বৃষ্টিতে থেমে
চাঁদের আলোয় কিছু গল্প লেখা ছিল
সেখানেই থেমে গেলে, মুখে নিয়ে মুগ্ধ চিরকূট
তোমাকে তখন আর কামড়ে খেতে হতো না অক্ষর;
নিষিদ্ধ দুপুর নিয়ে কেউ আর ফিরত না ভাঙা উপকূলে।

রাত্রি তবু নিঙড়ে নেবে হৃদয়ের ভাঁজ থেকে ভেজা বিরহ
একাকী হওনি বলে আঁধারমথের বুঝি অর্থ বোঝ না
একাকী হওনি বলে খেয়ে ফেলো বিস্মিত রক্তের কালো দাগ
একাকী হওনি বলে
এখনো মালতীর মত হেসে ওঠো যথার্থ সুযোগে