Archive

June 17th, 2011

স্বপ্ন

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বিষ্যুদ, ১৬/০৬/২০১১ - ৯:০৯অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

স্বপ্ন তো ছিল স্বপ্ন না দেখার………….

প্রথম বিকেলে, তোমার কাঠলিচু চোখ
হঠাৎ ধসে পড়ল আমার চোখে

আর স্বপ্নরাও খসে পড়তে থাকল
অবরিাম নৃত্যপটু পাখিদের ডানা থেকে
ক্রমাগত প্রণয়সিক্ত ফুলের সুরভি থেকে
এমনকি কোমর বাঁকিয়ে তারা এল
দুবেলা রান্না করা আটপৌরে গিন্নীদের চোখ থেকেও।

স্বপ্নরা রক্তাক্ত হরিণের ক্ষুর
শিশির ফোটার মতো হাওয়ায়ও মিলিয়ে গেল খুব


আগমনী বরষা

মৃত্যুময় ঈষৎ এর ছবি
লিখেছেন মৃত্যুময় ঈষৎ [অতিথি] (তারিখ: বিষ্যুদ, ১৬/০৬/২০১১ - ৮:৫৩অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

নীল নেই, ধূসর মেঘে আকাশ ছেয়ে
আছে বরোষার আগমনী পাখায়
চেপে ভাসিয়ে দিচ্ছে স্মৃতি-
স্মৃতিতে বর্ষণমুখর সন্ধ্যা অপেক্ষায়


June 16th

কাজ-কর্ম নিয়ে উর্বর(!) চিন্তাভাবনা

শামীম এর ছবি
লিখেছেন শামীম (তারিখ: বিষ্যুদ, ১৬/০৬/২০১১ - ২:৫৫অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

ঢিসক্লেইমার: এই লেখাটা আমার উর্বর মস্তিষ্কের সাময়িক উত্তেজনা এবং কিছু দীর্ঘমেয়াদী উত্তেজনা হ্রাস করার উদ্দেশ্যে নামানো হয়েছে। কাজেই ইহার কোন তথ্যসূত্র চাইলে নিজ দায়িত্বে খুঁজিয়া লইতে হইবেক -- আমার মনে হয়, এর সূত্রগুচ্ছগুলোর কিছু অংশ আমার তথাকথিত উর্বর মস্তিষ্কে জটা পাকাইয়া রহিয়াছে।
---
যদি বলা হয় কী কাজ কর? তাহলে আমার মেয়ে হয়তো বলবে "কুকুল দেখি' -- আসলেই সে ইউটিউবে চালিয়ে রাখা কুকুরের ঘেউ ঘেউ দেখছে। কিন্তু আমাকে জিজ্ঞেস করলে আমার প্রতিষ্ঠান আর পদবী বলবো হয়তো। অর্থাৎ কাজ বলতে আমি চাকুরী বাকুরীকেই বুঝিয়ে থাকি -- এই কাজের বিনিময়ে আমি বেতন পাই। এই লেখার পয়েন্ট অব ভিউ হল, যেই কাজ কোন না কোন ভাবে সমাজে অবদান রাখে। ... ... নাহ্ ঠিক মনমত হল না ... ... আরেকবার একটু গুছিয়ে শুরু করার চেষ্টা করি:


দিদিমণি

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বিষ্যুদ, ১৬/০৬/২০১১ - ১০:১৮পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আমার দিদিমণি-কোনো অসাধারণ নারী হয়তো নন, কিন্তু এই সাধারণ নারীটি তার অভিজ্ঞতার ঝুলি দিয়ে অন্তত একটি জীবনকে ঋদ্ধ করেছেন। আমি তার কাছে ঋণী। সাতচল্লিশের দেশবিভাগে বাংলাদেশের যেই বাড়িটি সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সেই বাড়ির সেই ভয়ালরাতের নির্মমতার প্রত্যক্ষদর্শী, মুক্তিসংগ্রামের অস্থির সেই দিনের সাক্ষী এই নারী গত ১৫ই জুন,২০১১ সবাইকে ছেড়ে চলে গেছেন। এ কবিতায় তাঁর প্রতি আমার শ্রদ্ধাঞ্জলি জানাই।


গল্প আর ছবিঃ ক্ষুধা

তাসনীম এর ছবি
লিখেছেন তাসনীম (তারিখ: বিষ্যুদ, ১৬/০৬/২০১১ - ১:৫৬পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify]
সকালবেলা অফিসে যাওয়ার সময় বিলবোর্ডটা চোখে পড়ে। বাসা থেকে দুই কদম দূরেই। সকালের নরম আলোও শব্দগুলোর কাঠিন্য কমাতে পারে না। আবার বিকেলে অফিস থেকে বের হয়ে রাস্তায় উঠলেও সেই একই বিলবোর্ডটাই দেখি। এই খোদ মার্কিন দেশে আমার প্রতিদিনের আসা এবং যাওয়ার রাস্তার দুদিকেই মাত্র কয়েক মাইল ব্যবধানে লাস্যময়ী নারীর বদলে আছে ক্ষুধার বিজ্ঞাপন।


আষাঢ়ে

মাহবুব লীলেন এর ছবি
লিখেছেন মাহবুব লীলেন (তারিখ: বিষ্যুদ, ১৬/০৬/২০১১ - ১২:১৫পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

বৃষ্টি ঝরাতে হলে হাত উল্টো করে প্রার্থনা করতে হয় কিংবা মেঘমল্লার গাওয়া তানসেন হতে হয় কিংবা কাদাকুদো মেখে ব্যাঙের বিয়ে দিতে হয় কিংবা মেঘ দে পানি দে বলে আব্বাসউদ্দিনের মতো জিকির করতে হয় কিংবা নিদেনপক্ষে স্বচ্ছ শাড়িপরা সিনেমার নায়িকা নাচাতে হয়...


পিএইচডিকাহন

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বুধ, ১৫/০৬/২০১১ - ৯:৫৩অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

"যদি তুমি সফল হতে পারো, তাহলে ২০১৫ সালে এটা বাস্তবায়ন হবে", বলল ডেভিড। হাত মিলিয়ে যেতে যেতে বলল "আর মনে রেখো এটা কিন্তু টপ সিক্রেট। আমরা কাউকে জানতে দিতে চাই না যে আমরা এরকম কিছু নিয়ে কাজ করছি। বেস্ট অফ লাক। আশা করি তুমি সফল হতে পারবে"। আমার হার্ট বিট কি একটা মিস হলো? এত বছরের পরিশ্রম আর গবেষণা কি সফল হতে যাচ্ছে?


আষাঢ়স্য প্রথম দিবস

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বুধ, ১৫/০৬/২০১১ - ৯:৩১অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আজ আষাঢ় মাসের প্রথম দিন। আষাঢ়স্য প্রথম দিবস।
বৃষ্টি হল, নামে মাত্র।
তাতে আমার কি?
সড়ক দ্বীপের কাঠাল চাপা আর কদমেরা আমাকে টানেনা আর।
ভালবাসি কিনা তাতেও কিছু যায় আসেনা আর।
তীব্র ভালোবাসা না হলে তীব্র ঘৃণা'ও করা যায় না। বোঝনা?

(লেখালেখি করুন, ক্লিক করে ঢুকতেই চোখে পড়লো, ব্লগ হচ্ছে অনলাইন ্জার্নাল বা ডাইরি। আজ এই দিনের মনের কথগুলোই হোক তবে ডাইরির প্রথম পাতা।)

পদ্মজা।


হঠাৎ বৃষ্টি

রোমেল চৌধুরী এর ছবি
লিখেছেন রোমেল চৌধুরী [অতিথি] (তারিখ: বুধ, ১৫/০৬/২০১১ - ৯:২৬অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

কতদিন পরে অঝোর ধারায়
নামলো বৃষ্টি আমার বিজন ঘরে;
____________________


June 15th

বিরহ উদাম

শেখ জলিল এর ছবি
লিখেছেন শেখ জলিল (তারিখ: বুধ, ১৫/০৬/২০১১ - ১২:২৩অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

কালো মেঘ ছুঁয়ে গেলো জানালার কাঁচ
দৃষ্টির পাখিরা বিপর্যস্ত দিগ্বিদিক ঝড়ে
ভাঙচুর সময় হাঁটে কণ্টক পথে বেসামাল
জানে না সে কতো দূরে নীলাঞ্জনাদের বাড়ি!

একটা কাজলা দিঘি ছিলো এই পথে হেঁটে যেতে
বুক জুড়ে ছিলো অগণন শ্বেতপদ্মের হাসি
হাওয়ায় মেঘেরা উড়ে এসে দিতো ছায়া দিনভর
হিজলতলায় পাশাপাশি বসা দুজনার চোখেমুখে।

জানে কি সে কতো ঝড় গেলে মিলবে শিমুলতলী গ্রাম
প্রণয়ের শাড়ি খুলে দেখো সব আজ বিরহ উদাম!