Archive

June 22nd, 2011

প্রথম পূর্ব পুরুষ

মৃত্যুময় ঈষৎ এর ছবি
লিখেছেন মৃত্যুময় ঈষৎ [অতিথি] (তারিখ: মঙ্গল, ২১/০৬/২০১১ - ৭:৩৭অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

ছায়াটি দীর্ঘতর হয়ে আছে কাছে, টের পাই
তার গাঢ় অস্তিত্ব; যখন অগ্নিজ্বরের দাবদাহে
শরীর ভিসুভিয়াসের মত ফুটন্ত- ছায়া রিক্ত-
চোখের উপর এসে পরে; পেলব স্পর্শানুভূতি
হয়, শিউরে উঠি, জীর্ণ শৈশব ফিরে আসে পথে
ধূপখোলার শু'নো কাঠালপাতা মোড়া বিরানির
অক্ষয়িষ্ণু ঘ্রাণ পাই, মগ্নরাত মধ্যভাগে থাকত তখন
শেষ পথিকের পদাংক এঁকে উনি নির্বিকার ছুটতেন-
সুঘ্রাণ নিয়ে আসলে অবাধ্য দ্রুতিতে গোগ্রাসে গিলতাম!


পেয়ে হারাই খুঁজে বেড়াই

আশালতা এর ছবি
লিখেছেন আশালতা (তারিখ: মঙ্গল, ২১/০৬/২০১১ - ৭:২৬অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

বাবার অফিস থেকে সন্ধ্যে নাগাদ দুজন লোক এসে কি বলতেই মা যেন কেমনধারা হয়ে কাছের চেয়ারটায় ধপ করে বসে পড়লেন। এই ছবিটায় না থাকলেও বাবা সম্পর্কিত এটাই আমার প্রথম স্মৃতি। পরের স্লটের দৃশ্যটায় দেখি ঐ লোক দুজনের সাথে মা, ভাই আর আমি শীতের রাতে একটা গাড়িতে করে ছুটে চলেছি কোথায়। কে একজন বলছে, আমরা বডি নিতে যাচ্ছি। আরেকজন ধমকে উঠে বলছে, আহ্‌, কিসব বল, এখনও কনফার্ম হয়নি তো। পাশের সিটে মা পাথরের মত মুখ


June 21st

প্রতিদিনের দর্শন - পাঁচ

মাহবুবুল হক এর ছবি
লিখেছেন মাহবুবুল হক (তারিখ: মঙ্গল, ২১/০৬/২০১১ - ১:২১অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

রাস্তার পাশে এক টং দোকানে সিগারেট কিনছিলাম। পাশে দাঁড়িয়ে আছে দু'জন খেটে খাওয়া মানুষ। তাদের ঘর্মাক্ত শরীর আর ক্লান্ত চেহারাই বলে দিচ্ছে প্রতিদিনের শ্রমিক তারা। কিন্তু তাদের কথোপকথন কানে আসতেই একটু সতর্ক হলাম, তুলনামূলক অল্প বয়স্ক লোকটি বলছে_


অনাগত সন্তানের প্রতি…

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: মঙ্গল, ২১/০৬/২০১১ - ৫:০৭পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

প্রকৃতির শৃঙ্খলা টিকিয়ে রাখার জন্য মনুষ্য সমাজের স্বাভাবিক নিয়মগুলো মেনে চললে একদিন তোমার মুখ আমাকে দেখতেই হবে। তুমি ছেলে হবে নাকি মেয়ে হবে আমি তা জানি না । এটা নিয়ে আমার খুব একটা মাথা ব্যথাও নেই । আমি শুধু জানি তুমি হবে আমার অস্তিত্ব থেকে সৃষ্টি হওয়া আমারই পৃথিবীর সবচেয়ে ক্ষমতাধর অংশ । তুমি হবে আমার স্নেহের, মমতার, আদরের, ভালবাসার সন্তান ।


দেশবিদেশের উপকথা-রহস্যময়ী ( কেপ ভার্দে )

তুলিরেখা এর ছবি
লিখেছেন তুলিরেখা (তারিখ: মঙ্গল, ২১/০৬/২০১১ - ৪:৫৩পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

কেপ ভার্দের এই উপকথাটির সঙ্গে মিল আছে আরো নানা দেশের উপকথার, যেখানেই পুরানো মত ও পথের সঙ্গে নতুন মত ও পথের সংঘাত হয়েছে, সেখানেই। কেপ ভার্দে দীর্ঘকাল ছিলো পর্তুগীজ উপনিবেশ।


গল্পঃ মৃত্যুচ্ছা পর্ব-২

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: মঙ্গল, ২১/০৬/২০১১ - ২:১৮পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

একজন রুমানা মঞ্জুর এবং আমাদের ঘূণে ধরা সমাজ

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: মঙ্গল, ২১/০৬/২০১১ - ১:৩১পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আমাদের দেশের মানুষগুলো বড়ই অদ্ভূত প্রকৃতির। দেশের আনাচে-কানাচে, অলিতে-গলিতে নানা ধরণের অপরাধ সংগঠিত হয়, কোনটি ছোটখাট, কোনটি বা দেশকে নাড়িয়ে দেয়ার মত। যেসমস্ত অপরাধমূলক কর্মকান্ড দেশের সচেতন মহলের চিন্তাভাবনায় প্রবলভাবে নাড়া দেয়, সেইসব অপরাধের পেছনে দায়ী ব্যক্তি বা গোষ্ঠীদের পক্ষে প্রায়সময়ই দেখা যায় আমাদের দেশের মানুষেরা সচেতন বা অবচেতনভাবে পক্ষপাতিত্ব করে। এসমস্ত পক্ষপাতিত্ব মাঝে মাঝে নির্লজ্জ্বতা


ও চাঁদ চোখের জলে বইরশাইলে : নিউ ইয়র্কের বইমেলায়

কুলদা রায় এর ছবি
লিখেছেন কুলদা রায় [অতিথি] (তারিখ: মঙ্গল, ২১/০৬/২০১১ - ১২:২২পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

১.
জমিদার দর্শনে গিয়েছিলাম। তিনি কীর্তিপাশার কীর্তিমান জমিদার। মাথায় ধরাচূড়া নাই। চুলগুলো কাশফুল। ভেবেছিলাম—তাঁর চোখে থাকবে রাগ। ও মা, রাগ কোথায়—পুরা বেহাগ। একটু দাঁড়ালেন উঠে। গলাটা একটু কাঁপলও। বয়েস হয়েছে পঁচাশি। বললেন, এ বয়সে নিজেকে বাঙাল বলতেই ভালবাসি। আমরা শুনে হাসি। তিনি আমার বাঙাল জমিদার—তপন রায়চৌধুরী।


একটা গল্প লেখার অপচেষ্টা

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: সোম, ২০/০৬/২০১১ - ৯:৪১অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

একটা গল্প লেখার অপচেষ্টা

গ্রামটা শান্ত আর শীতল। চারিদিকে ছায়া ঘেরা। পাশ দিয়ে বয়ে গেছে ছোট্ট একটা খাল। খালটার দুপাশে সার সার নৌকা বাধাঁ। খালের গা ঘেষে ওদের বাড়ি। সারাদিন ছুটোছুটি, হুটেপুটি করেই মেয়েটার দিন কেটে যায়।খালের ওপাশটায় রয়েছে মেয়েটার পুতুল খেলার ঘর। বন্ধুদের নিয়ে সারাদিন ওঘরটায় মুনার কত যে আয়োজন! দিনগুলো যেন স্বপ্নের মত কেটে যায়।


June 20th

ডকিন্সখুড়োর ডুষ্টুবুদ্ধি

কৌস্তুভ এর ছবি
লিখেছেন কৌস্তুভ (তারিখ: সোম, ২০/০৬/২০১১ - ৪:০২অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আমাদের ডকিন্সখুড়ো একটা মাথাপাগলা লোক, সেটা সবাই জানে। ট্যাঙস ট্যাঙস কথা বলে। ধম্মকম্মের নাম শুনলেই তোপ দিয়ে উড়িয়ে যেতে চায়। এইসব বেয়াক্কেলে কাজের জন্য তার কপালে যে অনন্তকাল রৌরব নরক রয়েছে সে তো বলাই বাহুল্য। কিন্তু সেসব বাদ্দিয়েও খুড়ো কয়েকটা বড় বড় বদবুদ্ধি প্রচার করে গেছেন। সেলফিশ জিন, এক্সটেন্ডেড ফিনোটাইপ এসব বইতে সেসব ফলাও করে লিখেওছেন। সেদিন আমার এক দোস্ত কইল, ‘ভাইরে, খুড়োর ভিডিও দেখি, কড়া কড়া কথা মজাই লাগে, কিন্তু কোনো বই তো পড়ি নাই! Am I missing something?’ তাই ভাবলেম, ডকিন্সখুড়োর প্রধান বৈজ্ঞানিক দুষ্টুবুদ্ধিগুলোর একটা ছোট আলোচনা করা যাক, হাজার হোক খুড়ো তো আসলে একজন জীববিজ্ঞানী!