[justify]
দা জূ অ্যাটাক
১/
সোমবারে ছুটি থাকলে খানিকটা বিপদে পড়তে হয়।
১
ভাড়া বাসার এক চিলতে বারান্দায় দাঁড়িয়ে মেঝভাই হাত ঘুরিয়ে বোলিং কিভাবে করতে হয় দেখিয়ে দিলো। ওকে নকল করে ছুড়লাম জীবনের প্রথম বল, সিমেন্টের মেঝেতে পড়ে বলটা হয়ে গেলো লেগস্পিন। ক্রিকেট যেমনি খেলতাম, আমার করা বলগুলো আর সোজা হয়নি কখনো। জীবনে প্রথম কথা বলার কথা মনে নেই সংগত কারণেই, তবে বুঝতে শেখার পর থেকেই যদ্দুর মনে পড়ে কথাবার্তা বলি পেঁচিয়ে। মানে সিরিয়াস কথা বলার সময়ও একটু জোক করতে না পারলে পোষায় না, আশেপাশের মানুষ আমার কথার জালায় কতবার যে হাতের সুখ মিটাতে চেয়েছে কে জানে!
বিন্দু থেকেই সিন্ধু। অল্প অল্প করে পলি জমে জমে চর হয়ে যায়। ঠিক সেরকম বিবাহিত জীবনের ছোট ছোট খিটমিটগুলো, জমতে জমতে অসহ্য হয়ে যায়। বিয়ে নিয়ে কত গবেষণাই তো কত জনে করছেন, কিন্তু স্বামী একটুশখানি পড়তে বসলেই তাকে বিরক্ত করবার যে চিরন্তন মেয়েলি স্বভাব সে নিয়ে আজ অবধি তেমন গবেষণা চোখে পড়ে না।
হিটলার, মুসোলিনি, স্টালিন – এ্যারা তিনজনেই নাকি নোবেল শান্তি পুরস্কারের লাইগা মনোনয়ন পাইসিলো! এখানে দেখুন
হেদিন কলকাতার এক সিনিয়ার সাংবাদিক কাইতাসিলো সে নাকি মাদার তেরেসা আর মিশনারিস অফ চ্যারিটিস-রে ব্যক্তিগতভাবে পসন্দ করে না। আমি তো হুইনা অবাক – এ্যাদ্দিন তো জানতাম নেলসন ম্যান্ডেলা, মাদার তেরেসা, মার্টিন লুথার কিং জুনিয়ার, অং সান সু চি – এ্যাগো নোবেল সব তর্কাতর্কির উপরে। সেই সাংবাদিক কয় মিশনারিজ অফ চ্যারিটিস-এর নাকি ঝামেলা আসে।
[justify]খুলনা জেলার বটিয়াঘাটা থানার ধাদুয়া গ্রামের এক কৃষক পরিবার। অর্থবিত্তের মাপকাঠিতে ওদের বড়োজোর নিম্নবিত্ত বলা যেতে পারে, তার থেকে বেশি কিছু না। বাপটা বুড়ো তবে একেবারে পোড়ো না। টুকিটাকি কাজকাম করার শক্তি-সামর্থ আছে, আর তা করেও বুড়ো। তার ছেলেটা জোয়ান, মোষের মতো খাটতে পারে। তার’ও আবার ছোট্ট একটা এক বছরের ছেলে আছে।
[justify]
'শেষ রোদ এখন মাঠের পরে খেলা করে, নেভে।
ঝাউফল ঝরে ঘাসে...
সেইসব বাসনার দিনগুলো, ঘাস রোদ শিশিরের কণা..
নক্ষত্ররা চুরি করে নিয়ে গেছে, ফিরিয়ে দেবে না তাকে আর।'
#জীবনানন্দ দাশ
______________________________________________
এই লেখাটা বাবার জন্য
আমার সেই বাবা, ছোটবেলায় যার উদাম বুকে শুয়ে আমার ছোট্ট কানের একটা নিখুঁত ছাপ ফেলে দিতাম...
আমার সেই বাবা, যে অকারনে ঘুমের মাঝে এখনো পা দোলায়, কারন তার শিশুকন্যাকে পায়ের উপর শুইয়ে দোলা দিয়ে ঘুম পাড়ানোর অভ্যাস যার এখনো যায়নি...
আমার সেই কিশোরমনা বাবা, যার বয়স আসলে এখনো বারো...
আমার সেই পাগলা বাবা, পড়ার টেবিলে আমাকে দেখলেই যে বলে, "ঘুমা মা, ঘুমা।"
আমার এক বন্ধু আগামী মাসে ব্যাংকক যাচ্ছে ঘুরতে। এটা তার দ্বিতীয় বিদেশ ভ্রমণ, এর আগে ইন্ডিয়া গেছে একবার। প্রতিবারই আমাকেও জিগ্যেস করে যাব না কি, কেন যেন কিছুতেই ওর সাথে সময়ে মেলেনা। আমিও অবশ্য গত তিন বছরে বেশ কয়েকবার বাইরে গিয়েছি। যথারীতি সে সেময় আমার বন্ধুর সময় মেলেনি। তিন বছর আগে, ২০০৮ সালে আমরা একসাথে পাসপোর্ট করতে গিয়েছিলাম অবশ্য। সেই পাসপোর্ট করার অভিজ্ঞতা নিয়েই পরে একটা লেখা লিখেছিলাম যেটা তখন
১
--