অক্টোবরের ২৪ তারিখে আমার বাবা মারা গেলেন, সেদিনই স্বপ্নে আব্বাকে দেখলাম। সেই একাত্তরের সব ঘটনায়। সেগুলি এত স্পষ্ট, এত জীবন্ত যে, চোখ খুলে অনেকটা সময় লেগেছে বাস্তবে ফিরে আসতে। সে রাতে নির্ঘুম চোখে ফিরে গিয়েছিলাম সেই দিনগুলিতে। আমি নিজেও জানতাম না আমার এতো কথা মনে আছে। আমি কখনো সেইভাবে মনে করে দেখিনি একাত্তরের সেই সময়টাকে।
অমিতাভ দেব চৌধুরী
আমার ভিতরে ছিল সুর,
আমি সেই সুর তোমাকে দিয়েছি ৷
তারপর থেকে ধু ধু সুরশূন্যতার পথেপথে
উটপাখিটির মতো ঘুরেছি কেবল ৷
ওদিকে আমার সেই সুর ততদিনে যেন
বাতাসে শিমুলতুলো, পেরিয়ে সকল কাঁটাতার,
সনাতন বাউলের হৃদয়-দুপুরে
হয়েছে উদাস ফেরিওলা
যতদিন তুমি ছিলে,
গানের চেয়েও বড় হয়েছিলে তুমি ৷
আজ তুমি অন্য দেশ,
হারানো সুরের খোঁজে পথ হাঁটি আমি ৷
তার সঙ্গে আমার অনেক মিল ছিলো।
জায়গাটা অচেনা। কিন্তু মানুষগুলো চেনা। অচেনা জায়গায় চেনা মানুষের মিশ্র সমাহার। কেন ওখানে সমবেত হয়েছে সবাই প্রশ্ন জাগেনি মনে। শহর থেকে অনেক দূরের একটা জায়গা। পাহাড়ী এলাকা। নদী কিংবা লেক আছে। আছে লঞ্চের মতো ছোট নৌযান।
[justify]এক একটা দিন কিভাবে কিভাবে যেন পেরিয়ে যায়। টুকটাক বসে থাকি, শুয়ে থাকি কিংবা লেবু চা বানিয়ে নিয়ে এসে রেলিং এর কাছে দাঁড়াতে না দাঁড়াতেই বারান্দার রোদ বদলে যায়। রাত হয়ে আসে। লাইব্রেরি থেকে মাঝে মধ্যে বই নিয়ে আসি। বই পড়তে খুব একটা ভালো লাগে না, বই এড়িয়ে চুপচাপ সময় কাটিয়ে দেয়া বরং বেশি পছন্দের। বারান্দা থেকে এসে বিছানায় গা এলাই। মাথার কাছে বইটা নাড়াচাড়া করি। দা গার্ল ইন দা পিকচার। দক্ষিণ ভিয়েত
মুসলমানের অধিকার আছে তার ধর্মকর্ম পালনের। তেমন হিন্দুর আছে অধিকার তার নিজের ধর্ম পালনের। আহমদিয়াদেরও সে অধিকার সমানই আছে। হিন্দু বা মুসলমানের চাইতে কম নাই। কিন্তু বাউলের কি হবে? তার কি এক ওয়াক্ত নামাজ পড়ার অধিকার নাই? নামাজ পড়ার অধিকার মুসলমানের আছে মানে কি নামাজ পড়ার অধিকার খালি মুসলমানেরই আছে?
সামাজিক যোগেযোগের সাইট ফেবুকের মাধ্যমে একটি ফটোগ্রাফি কন্টেস্টের আয়োজন করেছে FContest নামক একটি প্রতিষ্ঠান যা ২০১০-এ ফটো কন্টেস্টের জন্যই প্রতিষ্ঠিত হয়। বর্তমান প্রতিযোগিতার বিষয় হলো - "Where I live" ।
আমার চোখে কবির সুমেঘ
‘প্রতিদিন’ সংবাদ পত্রের পাতা চায়ের কাপ হাতে বেতালার মতো উল্টে চলেছি।রেডিওতে নিজের পছন্দের ষ্টেশনের মেগা হার্তজ্ খুঁজতে গিয়ে যে ক্যাঁচক্যাঁচ আওয়াজের সম্মুখিন হতে হয় আজ সকালে সংবাদপত্রের পাতা উল্টাতে উল্টাতে সেরকমই শব্দ খরমর খরমর করে আমাকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিল লোভনীয় পপ্কর্ণের দিকে আর সাথে অদ্ভুত কাগুজে গন্ধের আবহ!এই পপ্কর্ণ মেলা বা শপিং কমপ্লেক্সের কাঁচের বাক্সের মধ্যে নজর কাড়া বিশেষ মুখরোচক খাদ্য নয়।
আমার মেয়ে গতরাতে ওকে প্রথমবারের মত বাড়ি নিয়ে আসলো। বাইরের রাস্তা থেকেই হাত ধরাধরি করে, হাহা-হিহি করে হেসে গড়িয়ে পড়তে পড়তে।
আমি হাসলাম না। আমি মেয়ের সঙ্গীকে কিচেনে নিয়ে গেলাম। এক্ষেত্রে যে ‘ভাষন’-টা দিতে হয় দিলাম, নিয়মকানুন-বিধিনিষেধগুলি জানিয়ে দিলাম। আরো জানিয়ে দিলাম যে, সে যদি আমার মেয়ের মন ভাঙে – তাহলে আমার কাছে জবাবদিহি করতে হবে তাকে।