ইন্টারনেটের দুনিয়ায় আমাদের তেমন সুন্দর কোন (Digital Artworked) পতাকা নাই... হাতে গোনা দুই একটা আছে... তাও ছোট ছোট... সেজন্য এ প্রচেষ্টা... এটাও মনে হয় up to the mark হয়নি... তারপরেও চেষ্টা করতে দোষ কি ... ফুটবল বিশ্বকাপের সময় ব্রাজিল আর্জেন্টিনার কতশত ধরনের পতাকা দেখালাম... আর আমাদের দেশে বিশ্বকাপ হচ্ছে যেখানে আমরাও খেলছি সেখানে নতুন (Digitally Created) কোন পতাকা নাই ...
গত রাত থেকেই উৎসবের শুরু। দল বেঁধে আজ খেলা দেখবো সবাই। গ্যালারিতে ভুভুজেলা নিয়ে প্রবেশ নিষেধ, কিন্তু আমাদের তো কোনো নিষেধ নাই। স্পর্শ নিয়ে এলো হলুদ এক ভুভুজেলা। ভারতের ভুভুজেলা বাজিয়ে দিতে হবে আজ। আশরাফ আর আমি গিয়ে বাজার করে আনলাম। গরুর মাংস আর ভূনা খিচুরী। বস্তা ভরে চিপস চানাচুর মুড়ি আনা হলো। কোক আনা হলো লিটারে লিটারে।
বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে নিয়ে অনেক সমালোচনা হয়েছে, হবে ও। মাশরাফি কে কেন নেয়া হলোনা, সিডন্সের ক্কারী বেলালী, আশরাফুল সাহেব তো নিজেই একটা বিতর্ক, সেরা এগারো কি হবে, নাঈম না শুভ, রকিবুল না আশরাফুল, তিন পেসার না দুই পেসার, ব্যাটিং পাওয়ার প্লে কখন নেয়া উচিত, এই রকম আরো ২৩১৫৬ টা বিতর্ক আছে। আমাদের সবার ই নিজস্ব মতামত আছে; আছে যুক্তি, আবেগ, পছন্দ, অতি পছন্দ ও অপছন্দ। বাংলাদেশে নাকি উপদেশ দাতা, এম বি এ আর ক

১
আমি ইংরেজি ভাষায় 'লিটারারি নভেল' খুব একটা পড়িনি। বাংলায় বাধ্য হয়ে শরৎচন্দ্র রবীন্দ্রনাথ কিছু পড়েছি, তারপর যখনই অন্য কিছু পেয়েছি লাফিয়ে সরে গেছি। তার থেকে রবীন্দ্রনাথের ঐতিহাসিক উপন্যাস আমার অনেক ভাল লাগতো, যদিও তাঁর মতেই এগুলো তার দূর্বলতম প্রচেষ্টা।
কতোটা পথ তার হেঁটে যেতে হবে
মানুষকে তুমি মানুষ বলার আগে
কতোটা সাগর বলো পাড়ি দিতে হবে
গাঙচিল তার বাসা গড়তে বেলাতে
কতোটা কামান গোলা ছুঁড়তে হবে
চিরতরে তাকে বন্ধ করতে
বাতাসে ভাসছে ঐ প্রশ্ন শোনো
উত্তর সব আজ হবে দিয়ে যেতে।।
কতোটা বছর আর থাকবে পাহাড়
আসবে সময় তার সাগরে ফেরার
কতোটা বছর আর বাঁচবে মানুষ
শৃঙ্খল খুলে হতে মুক্ত ফানুস
কতোটা বার তুমি ফেরাবে মুখ
১৯৪৭ এর ১৪ আগস্ট যে ঘটনাটি ঘটল তা পৃথিবীর ইতিহাসে ছিল প্রথম ও অদ্বিতীয়। পাকিস্তান নামে যে অদ্ভুত দর্শন ও অবৈজ্ঞানিক রাষ্ট্রটির জন্ম হল তা রাষ্ট্রবিজ্ঞানের দৃষ্টিতে ঠিক রাষ্ট্র ছিল না, ছিল এক নতুন ধরনের রাষ্ট্র কাঠামো গড়ার এক নিছক এক্সপেরিমেন্ট। দুই অংশের এ বিশাল ভৌগলিক ব্যাবধান, রাজনৈতিক-সাংস্কৃতিক-ঐতিহ্যগত আকাশ পাতাল ফারাক এই নির্দেশ করছিল যে এই রাষ্ট্রটি হবে ক্ষণিক সময়ের জন্য এক সংগ্রামময় রঙ্গমঞ
//কুটুমবাড়ি//
আর মাত্র একদিন বাকি। তারপরই মাঠে গড়াতে যাচ্ছে বহুল প্রতীক্ষিত ক্রিকেট বিশ্বকাপ। বলার অপেক্ষা রাখে না, এটিই প্রথম কোনো বৈশ্বিক ক্রীড়ার আসর, যা বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। অবশ্য ভারত আর শ্রীলংকাও সহআয়োজক হিসেবে আছে, তবে বাংলাদেশের মাটিতেই পর্দা উঠতে যাচ্ছে দশম ক্রিকেট বিশ্বকাপের। এই মুহূর্তে সারা দেশজুড়েই একটা সাজ সাজ রব, দেশবাসীও আক্রান্ত হয়েছে প্রবল ক্রিকেট জ্বরে। বলা যায়, বিশ্বকাপ আয়োজনের সকল প্রস্তুতিই সম্পন্ন। সাফল্যের সাথে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানও শেষ করা গেছে। এখন শুধুই অপেক্ষা ব্যাটে-বলে জমজমাট লড়াই শুরু হওয়ার।
এবারের বিশ্বকাপ শুরু হওয়ার আগেই ক্রিকেটপাগল দেশবাসীর জন্য একটি সুসংবাদ
[justify]আমাদের পাড়া দুপুরে একা একা ঝিমায়। মহাসড়ক থেকে প্রথমে পড়ে ইটের ভাটা। তার পাশের চিকন রাস্তা দিয়ে মাইল খানেক রিকশা বা হেঁটে আসলেই এই পাড়া। ইটের ভাটা দুপুরে বিশ্রাম নেয় না। সেখানকার চিমনি থেকে ধোয়া বেরোনোতে তাই কোনো বিরতি নেই। পাড়ার পুবদিকের বস্তির ছেলেবুড়ো অনেকেই ইটের ভাটায় কাজ করে। রোদ, ভাটার গরম ও ইটের গুড়োয় ভাটায় কাজ করা লোকগুলো গিরগিটির মতো রঙ পালটে লাল দানো হয়ে পড়ে। পাড়ার বাচ্চারা কখনো
আমি শুধু বলি, আমি সেইসব মানুষদের একজন নই যারা অনেক অপেক্ষার পর হাতে পেয়েছে ছোট্ট একটা প্রবেশপত্র, সরাসরি মাঠে বসে উপভোগ করতে পেরেছে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান বিশ্বকাপের।