[justify]গত মঙ্গলবার মানে ২১ জুন ছিলো আমার বাবা মায়ের বিবাহবার্ষিকী। যদি ও আমি তাদের সাথে নেই, দিব্য চোখে দেখতে পাচ্ছিলাম, বাবা তার বউ এর জন্য একগুচ্ছ রজনীগন্ধা নিয়ে আসছেন, আর মা যথারীতি লজ্জায় লাল হয়ে গেছেন। ছোটবেলা থেকেই বিশেষ দিনে এই একই কাহিনী দেখে আসছি। এর ব্যতিক্রম হয়নি কখনও। তখন তো বুঝতামনা কি কারণে এই ফুলটুন আনা আনি।তো যাই হোক একটু বড় হয়েই আমরা বাবাকে জিজ্ঞাসা করে ফেললাম। উনিতো আ
রুমানা মনজুরকে চিনলাম এক বিভীষিকাময় ঘটনার মাধ্যমে তবু অনুপ্রেরণা খুঁজে নিলাম যে সংসার করেও উচ্চশিক্ষার পথে হাঁটা যায়। জ্ঞানের প্রয়োজন ,অন্বেষণ ও অর্জন সেতো মৃত্যুর আগ পর্যন্ত। রুমানার মতো শিক্ষিত, সুন্দরী, মহা সহনশীল, ধৈযশীল, যোগ্য জীবনসঙ্গী পেয়েও অভাগা হাসান সাঈদ তার কদর বোঝেনি,এ তার ব্যর্থতা। তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হোক- তা আমি সারা দেশের মানুষের সাথে সুর মিলিয়ে বলবো । কিন্তুy অন্য একট
একটা শব্দ মাথাটা প্রায় নষ্ট করে দিয়েছে আমার, সবকিছু যেন কেমন উলটপালট করে ফেলছি বারবার। অথচ এই শব্দের মানে কঠিন কিছুই না, সবকিছুই একেবারে সহজ, সহজ করে দেখলে সহজের মতো। অথচ এই একটি সহজ শব্দ কেন যেন যেন আমার জীবনে অনেক জটিল হয়ে গেছে। ঠাস বুনোটের বৃত্তে বন্দী জীবনটাকে যেন নিয়ে যাচ্ছি আরো এক বৃত্তবন্দী চক্রের ভেতরে, যেখানে সবকিছু জটিল, এমনকি আমিও। এখানে একটা শব্দ নিয়ে তৈরি জীবনে জটিলতা যেন আমার সব, আমা
বেশিদিন এক জায়গায় থাকলে আমার দমবন্ধ হয়ে আসে, তাই সামার শুরু হতেই চাইছিলাম কোথাও ঘুরতে যেতে। টেক্সাসের ত্রিরত্ন মাহদী, মঈন আর নাফি নিউইয়র্ক, বোস্টন আর ওয়াশিংটন ঘুরতে যাচ্ছে শুনে ল্যাংবোটের মত জুটে গেলাম ওদের সাথে। প্রচন্ড জ্ঞানী(নিরাপত্তার অভাবে আঁতেল ব্যবহার করা গেলো না) মাহদী সবকিছুর পরিকল্পনা কয়েকমাস আগেই করে রেখেছে, এর চেয়ে আদর্শ ব্যাপার আর কিছুই হতে পারে না। আমার শুধু কষ্ট করে নিউইয়র্কে ওদের হোটেল পর্যন্ত যেতে হবে নিজের “লিমিটেড রিসোর্স” বুদ্ধি খাঁটিয়ে।
গভীর সমুদ্রে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের জন্য ২৮টি ব্লকের তৃতীয় রাউন্ড বিডিঙের প্রক্রিয়া শুরু হয় বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়। তারই ধারাবাহিকতায় এ মাসের (জুন ২০১১) ১৬ তারিখ কনোকোফিলিপসের সাথে বাংলাদেশ সরকারের বাংলাদেশের গভীর সমুদ্রের দুটি ব্লকের জন্য গ্যাস উৎপাদন-বন্টন চুক্তি (‘পিএসসি’) স্বাক্ষরিত হয়।
[justify]আসলে সব দোষ আয়নামতির। তিনি কি মনে করে জাগে সকাল, হাঁকেনা হরকরা, আসেনা চিঠি! লিখলেন আর পুরোনো অনেক কথাগুলো মনে করিয়ে দিলেন। অনেক খেঁটেখুটে তিনি লিখেছেন, পড়লেই বোঝা যায়। খাটুনি কি আমরাও কম খেটেছি সেই স্কুলজীবন থেকে!
এই উপকথা ফিনল্যান্ডের। সেখানে বছরের বেশীরভাগ সময় শীত আর দীর্ঘ অন্ধকার রাত। বসন্ত আর গ্রীষ্ম আসে মাত্র কিছুদিনের জন্য। এই উপকথায় তাই আলোঝলমল বসন্ত আর গ্রীষ্মের স্বপ্নময় কথা। কাহিনি হিসাবে দেখতে গেলে এই উপকথা চেনা চেনা ঠেকে। আরো কত দেশে হয়তো এই কাহিনিই আছে নানা রূপে। চিরকালের গল্প এ। চিরকালের সব মানুষের চাওয়া পাওয়ার কাহিনী।
সব তারা নিভে গেলে
আকাশে আকাশে
আকাশের দেশে
শোন নাই বন্ধু তুমি
আলো তবু থাকে
হাওয়ায় বাতাসে ছবি আকেঁ
একে যায় অগনন §ৃতি;
মানুষেরা নাকি ভালোবেসে তারা হয়!!
- তানিম এহসান

একদম এইরকমই উৎসাহ নিয়ে শিকাগোর উদ্দেশ্যে প্লেনে চড়ে বসেছিলাম। মনে আরো ফুর্তি ছিল, কারণ আমার পুরো প্লেনভাড়া ছিল মাত্র ১০ ডলার – ট্যাক্সটুকু – আসলটা ফ্রিকুয়েন্ট-ফ্লায়ার জমিয়ে কাটা। কিন্তু আমার প্ল্যানটা ছিল একটু ঘুরপথ। আমার এক বন্ধু পড়ে পারডু ইউনি’তে, সেখানেই প্রথমে গিয়ে, তার এবং এক সিনিয়রের সাথে শিকাগো যাওয়া হবে পরের দিন, ওই দাদাই ড্রাইভ করবে।