Archive - ব্লগ

April 19th, 2011

পালক

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: সোম, ১৮/০৪/২০১১ - ৭:২০অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

১.
আবার সেই চুল। গরম হলদে খিচুড়ির মধ্যে আমাজনের অ্যানাকোন্ডার মতো শুয়ে আছে চুল। লম্বা চুল। কোত্থেকে আসে এই চুল! আমাদের এই নারীরহিতনিবাসে এতো লম্বা চুল আসেই বা কি করে। শুধু নিবাস নয় কর্মক্ষেত্রেও আমাদের নারী ভাগ্য নেই। অফিসে পুরো ফ্লোরে যে একজন সবেধন নীলমণি আছেন তিনি আবার এইচআর ম্যানেজার। স্বয়ং আমার অন্নদাত্রী। তার চুল সংগ্রহ করতে গেলে আমার চাকরির মূল ধরে টান পড়বে। এই মেসে অন্য যে কজন আছেন তারাও মোটামুটি নারীবিহীন অফিসে কর্মরত।


April 18th

১৯৭১

মেহবুবা জুবায়ের এর ছবি
লিখেছেন মেহবুবা জুবায়ের [অতিথি] (তারিখ: সোম, ১৮/০৪/২০১১ - ৫:১৯অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

প্রথম পর্ব

০২
ঠিক আমাদের বাসার উল্টোদিকে ছিলোও বিঘা খানিকের একটা খালি জায়গা ডি.এস.পি. চাচাদের বাউন্ডারি ওয়ালের সাথে লাগানো। আমরা বলতাম ছোট মাঠ। ২৫শে মার্চের বিকালে আমরা ছেলে-মেয়েরা ছোট মাঠে সাতচারা খেলছিলাম। তখনও মাগরিবের আজান দেয়নি, মাগরিবের আজান ছিলো আমাদের ঘরে ফেরার হুইসেল। সন্ধ্যার ঠিক আগে আগে হঠাৎ খেয়াল করলাম, ডি.এস.পি. চাচাদের বাসার সামনে অনেক লোকের জটলা, আব্বাও ছিলেন তাদের মাঝে, তাঁরা ঊচ্চস্বরে কথা বলছিলেন, আমরা খেলা বাদ দিয়ে দৌড় লাগালাম কী হচ্ছে জানবার জন্য। জানলাম, বঙ্গবন্ধুকে বিট্রে করে ইয়াহিয়া খান পশ্চিম পাকিস্তানে চলে গিয়েছে।


একজন রাজনীতিবিদের জন্মবৃত্তান্ত

নীড় সন্ধানী এর ছবি
লিখেছেন নীড় সন্ধানী (তারিখ: সোম, ১৮/০৪/২০১১ - ৩:৪০অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

নেয়ামত যখন মেট্রিক পাশ করে গ্রাম থেকে শহরে আসে তখন সে পাজামা-পাঞ্জাবীর সাথে কেডস পরে এসেছিল বলে কলোনিতে একটা হাসাহাসি হয়েছিল। নেয়ামত যে গ্রাম থেকে উঠে এসেছে সেখানে কেডসের সাথে জিন্স কিংবা পাজামার সাথে স্যান্ডেল পরতে হবে সেরকম কোন নিয়মকানুনের বালাই ছিল না।


ছাত্রলীগের আইডি কার্ড চালু করা হোক

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: সোম, ১৮/০৪/২০১১ - ১২:৪৪অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

গতকাল টাইগারপাস মোড়ে একটা বাজে ঘটনা দেখলাম।
তিনজন চলিশোর্ধ্ব লোক একটা বাইকে করে মোড় ক্রস করছিল। কারো মাথায় হেলমেট নাই। এক ট্রাফিক কনস্টেবল বাইকটা আটকালো। ওমনি তিনজনের খিস্তি খেউড় শুরু। বারবার তারা একটা কথাই বলছে, কাদের গাড়ি আটকাইছ জানো, আমরা ছাত্রলীগ-
কিন্তু ওই তিনজনের মধ্যে ছাত্রসুলভ কোন অভিব্যক্তি নেই। বয়সও অধ‌্যয়ণকালসীমা অতিক্রম করেছে বলেই মনে হয়।


দস্তয়েভ্‌স্কির লগে

শুভাশীষ দাশ এর ছবি
লিখেছেন শুভাশীষ দাশ (তারিখ: সোম, ১৮/০৪/২০১১ - ৭:৪০পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify]আমরা তিন বন্ধু একসাথে হলেই একযোগে দস্তয়েভ্‌স্কিকে দেখি। ব্যাটা গোগলের রঙওঠা একটা ওভারকোট পরে থাকে সবসময়। এটা নিয়ে আমরা প্রায় হাসাহাসি করি। ঢাকায় গরম শীত সবকালেই তার গায়ে এই একই ওভারকোট দেখে আমরা তার নাম দেই শীতল রক্তবিশিষ্ট দস্তয়েভ্‌স্কি। আমাদের মধ্যে আজম দস্তয়েভ্‌স্কির প্রায় সব লেখাই পড়েছে, খালি ব্রাদার্স কারমাজভ ছাড়া। রবি বড় ও জটিল উপন্যাস পড়তে ভালোবাসে। দস্তয়েভ্‌স্কির ছোটোখাট লেখাগ


সমান্তরাল ২: পরিবারের গল্প

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: সোম, ১৮/০৪/২০১১ - ৪:০৬পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify]১

গালে হাত দিয়ে তন্দ্রা মন খারাপ করে বসে আছে সোফায়। পাশে আম্মু। আব্বু আর ভাইয়া উঠে গেছে নিজনিজ ঘরে। এত্ত মনখারাপ হয়েছে যে কী করবে তন্দ্রা খুঁজে পাচ্ছেনা। মন খারাপ হবেই না বা কেনো। কী চমৎকার একটা নতুন পর্ব দিয়েছে আজ টম এন্ড জেরির; আর আম্মু এসে বলা নেই, কওয়া নেই, খুট করে দিলো চ্যানেল বদল করে। আম্মু, আম্মু কিংবা না, না, বলে চিৎকারের সময়ও পায়নি সে। তার আগেই আম্মু বললো, লক্ষীসোনা, রাতে খাওয়ার সময় দেখো বাকিটুকু। এখন আমি নাটক দেখি। নাস্তা ঝটপট খেয়ে গিয়ে ততক্ষণে হোমওয়ার্ক সেরে নাও। আর নাস্তা খাওয়া। তন্দ্রা গাল ফুলিয়ে বসে থাকলো কিছুক্ষণ।


ভ্রমর যেথা হয় বিবাগী (ছবিব্লগ)

তুলিরেখা এর ছবি
লিখেছেন তুলিরেখা (তারিখ: সোম, ১৮/০৪/২০১১ - ৩:০৮পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আমি মনে হয় একেবারে মুক্ত পাগল হয়ে যাচ্ছি, বদ্ধ পাগল স্টেজ পার হয়ে গেছে। আমাদের এক দিদিমণি আমাদের বোঝাতেন পাগল নানাপ্রকার- দিব্যোন্মাদ ভাবোন্মাদ বীভৎসোন্মাদ। এক সুরসিকা ছাত্রী বলেছিলো "না না দিদিমণি, শুধু এগুলো না, আরো দু'খানা আছে, বদ্ধোন্মাদ আর মুক্তোন্মাদ। " তারপরে কী হইলো জানে শ্যামলাল। হাসি


যদু মামু, মডু মামু

সুজন চৌধুরী এর ছবি
লিখেছেন সুজন চৌধুরী (তারিখ: সোম, ১৮/০৪/২০১১ - ১:৪৭পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

Pater and Child
বন্যেরা বনে সুন্দর, শিশুরা পিতৃক্রোড়ে !
নাম আরো ছিলো .... মদন এ্যান্ড চাইল্ড (madonna and child)


April 17th

একটি জিজ্ঞাসা

রোমেল চৌধুরী এর ছবি
লিখেছেন রোমেল চৌধুরী [অতিথি] (তারিখ: রবি, ১৭/০৪/২০১১ - ৩:৩৮অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

সাফাই :

মায়ের স্নেহার্দ্র হাত যেমন করে কোলের সন্তানকে জড়িয়ে থাকে ঠিক তেমনি করে সবুজ পাহাড়ের পাচিল ঘেরা বিপুলা কর্ণফুলী বড়হরিণার তিনদিক জড়িয়ে। চৈত্রের নিদাঘ সময়ে চাষির দল সেই পাহাড়ের বুকে আগুন লাগিয়ে জুমচাষের জন্য উপযোগী করে তোলে। মাঝে মাঝে দাবানল হয়ে আগুন ছড়িয়ে পড়ে দিগ্বিদিক। পুড়ে যায় কতকিছু! এই বড়হরিণাতেই কেটেছে আমার একাকীত্বের কিছু দিন। তবুও সেগুলি ছিল রঙের। গোলাপি না হলেও ধুসর তো!


বার বার ফিরে আসি ফেইসবুকে

এস এম মাহবুব মুর্শেদ এর ছবি
লিখেছেন এস এম মাহবুব মুর্শেদ (তারিখ: রবি, ১৭/০৪/২০১১ - ১:৫৭পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

তবু বসে থাকি।
বার বার, বার বার ফিরে আসি ফেইসবুকের জানালায়।
তোমার নামের পাশে বাতিটা তবু জ্বলে না।

বিশ্বাস করো, আমি জানি এ হবার নয়। এটা হবে না।
আমারও ত্রিশ এবং তুমিও নক্ষত্রের ওপারে।
এ শুধুই ইতস্ততঃ অক্সিটোসিনের খেলা।