এক দেশে এক রাখাল ছিল। সে খুব সহজ সরল আর প্রান চঞ্চল বালক ছিল। সে দেখতে সুন্দর আর বলবান ছিল। সারাদিন ভেড়া চড়াতো মাঠে আর অবসরে গান গাইত আর বাঁশি বাজাত। তার গান শুনে বনের পশুপাখিরাও মন মুগ্ধ হয়ে সে গান শুনতো। সেই দেশের সাবাই রাখালকে অনেক ভালোবাসতো। সে দেশে এক ভয়ংকর রাক্ষস ছিল। সে সাবাইকে কষ্ট দিত। কারো বাড়ীর ছাগল নিয়ে যেত, কারো বাড়ীর গরু নিয়ে যেত। মাঝে মাঝে ইচ্ছে হলে মানুষকে নিয়ে যেত। কিন্তু সে রাখাল
মায়েস্থেনিয়া গ্রাভিচ (এম জি) অতি বিরল আমরন এক অসুখ, যার পরীক্ষিত কোন চিকিৎসা বা ঔষধ নেই; আছে কিছু পরীক্ষনীয় ঔষধ। ভয়াবহ সেই অসুখের সাথে যুদ্ধ এবং তা জয় করার সত্য গল্প।
এক
কবিতা ও কবিতা বিষয়ক গদ্য নিয়ে একটি ই-বুক করার ইচ্ছা অনেক দিনের। ২০০৯ এর মে মাসে এ সংক্রান্ত একটি পোস্ট দিয়েছিলাম। পরে সেটা ড্রাফট করে ফেলি। এর পর থেকে করছি করবো করেও আর করা হলো না। মাঝখানে হাসান মোরশেদ ও সুমন চৌধুরী ই-বুক করতে চেয়েছিলেন, সেটাও হলো না। তাই নতুন করে আবার উদ্যোগ নেয়া প্রয়োজন বলে মনে হলো।
তোমাকে ছুঁয়ে মনে পড়ে -
একদিন খুব ঘন বর্ষায়
আমরা গিয়েছিলাম আরো ঘন এক অরণ্যে
তুমি বলেছিলে, দেখো, ঠিক জ্বর হবে,
আমি বলেছিলাম - হোক,
এ শহরের অনেক পাপ জমে গ্যাছে
এর খুব জ্বর হওয়া দরকার।
তোমাকে ছুঁয়ে মনে পড়ে -
একবার খুব ভোরে আমরা হেঁটেছিলাম
আদিগন্ত চরাচরে, ক্লান্ত শিশিরে,
আমাদের পায়ে মুক্তোকণার মোহময় পরশ সব -
তুমি বলেছিলে, দেখো, এবার খুব শীত হবে,
আমি বলেছিলাম - হোক,
পয়লা বৈশাখে মৌলভীবাজারে চড়কপূজা দেখতে যাওয়ার কথা ছিলো, আবার ছিলো না। ছুটির দিনে ঢাকার উপচে পড়া ভিড়ে বারকয়েক অতীষ্ট হয়ে পণ করেছিলাম এবছর নববর্ষে আর যা-ই করি, ঢাকায় ঘুরতে বেরুবো না। বন্ধুদের সাথে আগে থেকেই পরিকল্পনা শুরু হলো। ‘অতি সন্ন্যাসীতে গাঁজন নষ্ট’ যেমন, তেমনিভাবে ‘অতি পরিকল্পনায় সব ভ্রমণই ভণ্ডুল’ হলো। তার উপর ছিলো ই-বুক ‘ভ্রমণীয়’র ডেডলাইন। দুনিয়া উলটে যাক, তবু ১৪ এপ্রিলে এই বইয়ের মুখদর্শন করাতে হবেই হবে।
অমিতাভ দেব চৌধুরী
পাথর পড়ে থাকে পাথরে
আকাশ উড়ে যায় আকাশে
মাঝের জায়গাটা আলাদা
মাঝের পৃথিবী তো ছদ্মবেশ
শুরুতেই বলে রাখি এই পোস্টটি একেবারেই খটমটে কাজেই যারা পড়বেন সম্পূর্ণ দায়িত্বে পড়বেন এবং যারা শেয়ার করবেন তারাও অবশ্যই নিজ দায়িত্ব শেয়ার করবেন ।
গেরিলা দেখে এলাম।

১লা বৈশাখের দিনে এমনিতেই আমার কাজের অভাব, তার উপর সাড়া রাস্তায় ভিড়।
সকালটা টিএসসিতে চলে গেল। আসলে সকাল বলাটা ভুল, ১১ টায় আর সকাল কই?পরের কয়েক ঘন্টা মধু, হাকিম আর শ্যাডোতে চক্করে।
মৃত্যুর পর স্বর্গ বা নরক কোনকিছুই আমার জন্যে অপেক্ষা করছে না। তাই যদি খুন করে ফেলি কাউকে, কিছু আসে যায় না আমার পরকালের, যেমন আসে যায় না একটি মানুষকে বাঁচালে। নিতান্ত বিবর্তনীয় কারণ ছাড়া আর কোনো কারণে কি তাহলে আমি মানবতাতাড়িত? নাকি এ কেবলই প্রোথিত?
গত কয়েকদিন আগে হয়ে গেলো মহাকাশে প্রথম মানব বিচরণের (এপ্রিল ১২, ১৯৬১) সুবর্ণজয়ন্তী| যে মানুষটির চেহারা এরসাথে মনে ভেসে ওঠে তিনি ইউরি গ্যাগারিন| কৃষকের ঘরে জন্মানো ৫ ফুট ২ ইঞ্চি উচ্চতার এই মানুষটি মানব সভ্যতার উজ্জলতম নক্ষত্র হয়ে থাকবেন চিরকাল| মহাকাশ থেকে ভেসে আসা প্রথম মানুষের প্রথম কথাটা ছিল "পৃথিবীটা দেখছি!